নেত্রকোনায় শিশু ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত আলোচিত মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার
- আপডেট সময়- ০৫:৩১:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন নিউজ ডেস্ক।।
নেত্রকোণার মদন উপজেলায় শিশু ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
বুধবার (৬ মে) ভোর রাত সোয়া ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে ব্যার-১৪ এর একটি অভিযানিক দল তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) তরিকুল ইসলাম।
ওসি বলেন, ভোর রাত সোয়া ৪টার দিকে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলা থেকে র্যাব- ১৪ (ময়মনসিংহ)-এর একটি চৌকস অভিযানিক দল তাকে গ্রেপ্তার করে।এর পরবর্তীতো দুপুর ১টার দিকে র্যাবের পক্ষ থেকে আসামিকে আমাদের হাতে হস্তান্তর করে। আসামিকে আমাদের হাতে হস্তান্তরের পর যত দ্রুত সম্ভব আমরা তাকে আদালতে প্রেরণ করব।
পাশাপাশি র্যাবের- এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুপুর ১২টায় চাঞ্চল্যকর ধর্ষণ মামলার মূল আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়ে একটি প্রেস ব্রিফিং করবেন র্যাব-১৪ এর অধিনায়ক।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, গত ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় নেত্রকোনার মদন থানায় ভুক্তভোগী শিশুটির মা মাদ্রাসা শিক্ষক আমানউল্লাহ সাগরকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে। তিনি হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদরাসার পরিচালক ও শিক্ষক।
মামলার এজাহারের তথ্য ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক আমানউল্লাহ সাগর মদন উপজেলার পাঁচহার গ্রামে ২০২২ সালে হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। একই মাদরাসাতে তার স্ত্রীও প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন। ভুক্তভোগীও একই এলাকার বাসিন্দা। মেয়েটির মাকে ছেড়ে গেছে তার বাবা। জীবিকার তাগিদে শিশুটির মা সিলেটে গৃহ পরিচারিকার কাজ করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি তার নানির কাছে থেকে ওই মাদরাসায় লেখাপড়া করতো।
অভিযোগ রয়েছে, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে শিক্ষক আমানউল্লাহ সাগর ওই মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনা কাউকে জানালে প্রাণনাশের ভয় দেখান ওই মাদরাসা শিক্ষক। পরবর্তীতে এপ্রিল মাসের ১৮ তারিখে ওই শিক্ষক ছুটিতে যাওয়ার পর আর মাদরাসায় আসেননি বলে জানিয়েছেন মাদরাসার আরেক শিক্ষক। আর ভুক্তভোগী ছাত্রী গত পাঁচ মাস ধরে মাদরাসায় আসা বন্ধ করে দেয়।
পরবর্তীতে শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন দেখে সন্দেহ হয় পরিবারের। তখন তার মা সিলেট থেকে এসে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে ঘটনা। শিশুটি মাদরাসার শিক্ষকের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে জানায়। এরপর শিশুটিকে নিয়ে মদন উপজেলার বেসরকারি মেডিকেলে গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. সায়মা আক্তারকে দেখান। তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান, মেয়েটি ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।




































































































