ঢাকা ০৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:-
রাষ্ট্রপতির একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন আবু আউয়াল বঙ্গোপসাগরের ওড়িশা উপকূলে মালবাহী জাহাজ ডুবি, বাংলাদেশিসহ নিখোঁজ-২২ নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় কলেরা ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইনের  উদ্বোধন বর্ণাঢ্য আয়োজনে রোটারি ক্লাব অব নারায়ণগঞ্জ মিডটাউন ইনস্টলেশন অনুষ্ঠিত ডিএমপির তেজগাঁও ও পল্টন থানার দুই ওসি প্রত্যাহার রংপুরে তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে একই পরিবারের শিশুসহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ বেনাপোলে হস্তান্তর মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, যত বড় নেতা হোক ছাড় নয়: শাহজাহান চৌধুরী কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী বাসে আগুন, ৩০ যাত্রীকে জানালা ভেঙে উদ্ধার এই প্রথম এক মন্ত্রণালয়ে ২ প্রতিমন্ত্রী টেকনাফে দেশীয় মদসহ দুই মাদক কারবারি আটক নতুন ৪ মন্ত্রীসহ ২ প্রতিমন্ত্রীকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি আজ ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ২২ বছর নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্যকর বুলবুল হত্যাকান্ড: সিফাত বাহিনীর প্রধানসহ আটক-৯ এনবিআরে রদবদল, সিআইসির প্রথম নারী ডিজি সেলিনা সুলতানা না’গঞ্জে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ প্রেমিক ও নিজ বাবার সহায়তায় পর্নোগ্রাফি তৈরি করতেন সুমাইয়া না’গঞ্জের সিভিল সার্জন মুশিউর রহমানকে ওএসডি, নতুন দায়িত্বে ডা. সাখাওয়াত হোসেন নারায়ণগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা খুন মির্জা ফখরুলকে ২৩তম রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি নারায়ণগঞ্জে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে ডিসি রায়হান কবির শতবর্ষী বৃদ্ধ প্রতিবন্ধী হাসান আলীর পাশে রূপগঞ্জের মানবিক ইউএনও আড়াইহাজারে পুকুরে ডুবে একসাথে ৪ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের সাথে সাথেই এমপি ও মন্ত্রী পদ শূন্য হবে: চিফ হুইপ টেকনাফে মাদকবিরোধী অভিযানে ২৩ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবাসহ সিএনজি জব্দ কলকাতায় হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, এক শিশুসহ ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারকে প্রত্যাহার করেছে সরকার একযোগে ফের তিন জেলার ডিসি প্রত্যাহার সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফীক নাওয়াজ আর নেই ‘এআই’ অটোফাইন সিস্টেম’ চালুর ফলে মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুষ্টিয়ায় প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ দায়ে বৃদ্ধের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শ্রীমঙ্গলে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার-৪ টেকনাফে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হারুন র‍্যাবের জালে টেকনাফে পুলিশের অভিযানে ৭০ হাজার ইয়াবাসহ আটক-২ আজ থেকে ঢাকাসহ কয়েকটি বিভাগীয় শহরে চালু হচ্ছে নারীদের ‘পিংক বাস’ ফের বদলে গেলো এয়ারটেল, এবার ‘সার্কেল’ নামে নবযাত্রা দুদকের নতুন চেয়ারম্যানের দায়িত্বে সাবেক বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেলে সাক্ষর চূড়ান্ত, কার বেতন কত বাড়ল শ্রীমঙ্গলে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে একজনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড নারায়ণগঞ্জ জেলা নাজিরের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন-মিথ্যা অপপ্রচারে লিপ্ত একটি কুচক্রী মহল ‘র‍্যাব’ বিলুপ্ত করে নতুন ‘এসআরবি’ গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন, থাকবে পুলিশের অধীনে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন কার্যক্রম ডিসেম্বরের মধ্যে শুরু; ইউএনও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা স্কাউটসের উদ্যোগে স্কাউটিং বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কোর্স অনুষ্ঠিত কোটি টাকার প্রকল্পের মাঝেও পুড়ছে সেন্টমার্টিনের কেয়াবন ভারতীয় ভিসার নামে সারাদেশে স্লট বাণিজ্যের সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা  নারায়ণগঞ্জে বায়ুদূষণকারী ৩ প্রতিষ্ঠানকে অর্থদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত টেকনাফে যৌথবাহিনীর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ আটক-১১ মৌলভীবাজারের মাথিউরা চা বাগানে দুইজনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার রূপগঞ্জে মসজিদ কমিটি গঠন নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত-১০, গ্রেপ্তার-১ বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট ১ বছরের মধ্যে সমাধান সম্ভব নয়: অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু সদরঘাটে চাঁদার ভাগ নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত-১ আজ কিশোরগঞ্জ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই আজ আড়াইহাজারে অতিরিক্ত মদপানে দুই যুবকের করুন মৃত্যু নারায়ণগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান: বন্দুকযুদ্ধে একজন গুলিবিদ্ধ, আটক-২ ফেনীর বহুল আলোচিত চার অপহরণ মামলার পলাতক আসামি টেকনাফে গ্রেপ্তার র‍্যাব পরিবর্তন করে এসআরবি: খসড়া আইনের মতামতে মিলছে না সাড়া ‘আমার বাপেরে ওরা ১৫ জনে মিইল্লা কোপাইছে, আর আমরা দুই ভাই ওরে কোপাইছি’ ফের উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য,নতুন রণতরি, হরমুজে টানা অবরোধের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের শনিবার টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না সুনামগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১৫ আগস্ট ঘিরে রাজধানী ঢাকায় ডিএমপির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা জোরদার কক্সবাজারে অপহরণ মামলায় কিশোরী ভিকটিম উদ্ধার, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ভেড়ামারায় প্রমত্তা পদ্মার ভাঙনে ৯৫০ বিঘা জমি নদীগর্ভে বিলীন এসএসসি’তে শতভাগ ফেল করা, ৩১২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ হবিগঞ্জে গ্যাস সংকটে ১৭১ কারখানা বন্ধ, কর্মহীন প্রায় দেড় লাখ শ্রমিক সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে ৭ শ্রমিকের মৃত্যু, বেশ কয়েকজন হতাহত পুলিশের ৫৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে দম্ভ দেখিয়ে মারধর করা আলোচিত ইউএনও’র শেষ রক্ষা হলো না, অবশেষে বদলি বসুন্ধরায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ’লীগের ৫৩ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার প্রত্যেকেই নারায়ণগঞ্জের টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে ৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক মাদক নিয়ন্ত্রণে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের আহ্বান; আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় ইউএনও ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় হচ্ছে সমন্বিত নীতিমালা আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে মোট ৩টি মনোনয়নপত্র জমা: ইসি তীব্র গ্যাস সংকটে অচল ফিলিং স্টেশন-জনজীবন, বাসাবাড়িতে ভোগান্তি বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) রফিকুল ইসলাম আর নেই মন্ত্রীদের রদবদল; স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে অ্যানি, স্থানীয় সরকারে সালাহউদ্দিন পে-স্কেল বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় নতুন অগ্রগতি, অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের কমিটি পুলিশে ফের বড় রদবদল, ৩ জেলায় নতুন এসপি নিয়োগ দিয়েছে সরকার  মালয়েশিয়ায় ব্যাপক ধরপাকড়, গ্রেপ্তার ৪৬০ অভিবাসী বাংলাদেশি ময়মনসিংহে তুচ্ছ ঘটনায় ইজারাদারের কর্মচারীকে পেটালেন ইউএনও, দেশজুড়ে তোলপাড়  রাত ৮টার মধ্যে সকল মার্কেট-শপিংমল বন্ধ দায়িত্ব নেয়ার মাত্র নয় মাসে ফের নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপারের বদলি না’গঞ্জে যানজট নিরসনে অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদ; দিনে ভারী যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা কক্সবাজারে ১৬ হাজার ইয়াবাসহ আটক-১ কুলাউড়ায় ডিবির অভিযানে ১০ বোতল বিদেশি মদসহ যুবক গ্রেপ্তার সাভারে ঘিরে রাখা বাড়ি থেকে গান পাউডারসহ ৯টি বিস্ফোরক উদ্ধার উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত কক্সবাজারের কুখ্যাত ডাকাত চক্র ‘সাদ্দাম গ্রুপ’-এর সদস্য হামিদ আটক কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশী যুবককের মরদেহ হস্তান্তর আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণ নারায়ণগঞ্জ সদর ইউএনও’র মানবিকতায় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী পেল ল্যাপটপ উপহার নারায়ণগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ স্ত্রী ও ছেলের পর স্বামী মাইদুলের মৃত্যু নারায়ণগঞ্জে ৫ ইউনিয়ন নাসিক অন্তর্ভুক্তির দাবিতে গণশুনানি অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জে মাদকবিরোধী সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত, ‘বুধবার থেকে সাড়াশি অভিযান নারায়ণগঞ্জে গার্মেন্টস কর্মী তানিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন স্বামী: পিবিআই  নাফ নদীতে বিজিবির অভিযান, ৭০ হাজার ইয়াবাসহ নৌকা জব্দ নারায়ণগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দিল স্কুল কর্তৃপক্ষ

বাবাই জীবনের পরম ছায়াসঙ্গী, পিতৃ দিবসে শ্রদ্ধা-ভালোবাসা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময়- ১১:৫২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪ ৩৬৩ বার পড়া হয়েছে

 

পিতাই ধর্ম,পিতাই স্বর্গ’

ঋতম্ভরা বন্দোপাধ্যায়,কলকাতা।।
“বিশ্ব পিতা তুমি হে প্রভু ,
আমাদের প্রার্থনা এই শুধু ,
তোমারই করুণা,হতে বঞ্চিত না হয় কভু” !
আহা এই গানের পিছনে লুকিয়ে আছে বাবা ও সন্তানের ভালোবাসার ছোঁয়া । পিতৃ দিবস পালন করা হয় এই ১৬ জুনে, কারন এই দিনে সন্তান তাঁর বাবার প্রতি ভালোবাসা আর কৃতজ্ঞতা কে প্রকাশ করে এই সময় টাকে সুযোগ করে দেয় এদিন। যেহেতু বাবারা সবসময়ই সন্তানের লালনপালন করা,পথ প্রদর্শক হয়ে থাকা সে জন্য তাদের ভূমিকা কে তো স্বীকার করতেই হবে। এই পিতৃ দিবস কে ওয়াশিংটনের স্পোকেনের সোনোরো স্মার্ট ডডকে কৃতিত্ব দেয় এই দিবস কে পালন করার জন্য । পৃথিবীর সব বাবার প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা দেওয়ার জন্য এবং তাদের প্রকাশের ইচ্ছা পূরণ করার এই আশা কে সম্পন্ন করাতেই এই পিতৃ দিবস পালন করা হয়। বাবাদের প্রতি ভালোবাসা জানাতে প্রতি বছর এই পিতৃ দিবস পালন করা হয় ১৬ জুনে। মা’রা যেমন সন্তানের ছত্রছায়া হয় , ঠিক তেমন ভাবে বাবারা ও হলো সন্তানের পথছায়া । বাবা’রা দিন রাত পরিশ্রম করে নিজেদের সন্তানের জন্য । মা’রা যেমন ঘরে ও বাইরে কাজ করে সামলায় সব কিছু করে সংসার করে সন্তানের দেখাশোনা করে ঠিক তেমন ভাবে বাবা’রা ঘরে ও বাইরে কাজ করে । সন্তানের সাথে সময় কাটানোর মুহূর্ত এবং চলার পথে প্রদর্শক হয় বাবা। বাবারা সন্তানের সব রকমের আব্দার মেটাতে তাদের জন্য কতকিছু না করে ! আমি যখন খুব পুচকি ও ছোট্ট ছিলাম, আমার বাবা আমার দুটি হাত ধরে হাঁটা শেখাতেন। ” গুটি গুটি পা পা যথায় ইচ্ছা তথায় যা” বলে বাবা এঘর থেকে ওঘরে হাঁটাতেন। একটু বড় হলে যখন হামাগুড়ি ছেড়ে গুটি গুটি পায়ে হাঁটতে লাগলাম তখন বাবা আমাদের সল্ট লেকের ফ্ল্যাটে হাঁটু গেড়ে ঘোড়া হয়ে বসতেন। আমি বাবার পিঠে বসতাম। বাবা চলতে শুরু করতেন, আমি খুব মজা পেতাম। অনেক সময় বাবা ঘোড়া হয়ে বসলে আমি বাবার কাঁধের দুপাশে চেপে বসতাম। বাবা দাঁড়িয়ে উঠে আমার দুটি হাত ধরে গান গাইতে গাইতে সারা ঘর ঘুরতেন। খুব মনে পড়ে শ্যামল মিত্রর সেই বিখ্যাত গানটি। বাবার সেই গান,” ঐ ঝিরি ঝিরি পিয়ালের কুঞ্জে ,গুনগুন মৌমাছি গুঞ্জে, ওই যে বনছায় পাখিরা গান গায়, মন যে চায় সেথা হাসিতে””। বাবা তখন খুব ভালো গাইতেন। বেশ কিছু অনুষ্ঠানেও গাইতেন। বাবা হারমোনিয়াম নিয়ে গাইতে বসলে গানের মাঝেই আমি হারমোনিয়ামের রিডে দুম করে চাপ দিতাম। বেসুরো হয়ে যেতো গান। বাবাকে দেখলেই আমি বলতাম,” বাব ওই ঝিলিঝলি পিয়াল ” গানটি করো না। আমার তখন মাত্র ৩ বছর বয়স। মা সারাদিন যেমন আঁচল দিয়ে আগলে রাখেন,বাবা তখন ব্যস্ত আমার জন্য কী কী জিনিস আনা যায়। বাবা দিল্লিতে সাংবাদিকতা করতেন। পুরো বছর দিল্লিতে থাকতেন। একবছর পর যখন মাত্র দুসপ্তাহের জন্য বাড়িতে আসতেন ছোট্ট আমি দরজার পিছনে লুকিয়ে উঁকি দিতাম। বাবা ঘরে ঢুকেই আমাকে খুঁজতেন। লুকোচুরির পর আমাকে ধরে আবার কোলে নিতেন। আমি মাকে বলতাম,” মা ,আমাদের বাড়িতে বাবা কতদিন থাকবে?” সবাই হেসে উঠতো। দিল্লিতে খুব ভালো জামাকাপড় পাওয়া যায়। বাবা আমার জন্য বাছা বাছা পোশাক আনতেন। কখনো সাইজে অনেক বড়,নয়তো এতো ছোট যে পরাই যেত না । সেই দিনগুলি স্বপ্নের মতো মনে পড়ে। মা আমার স্কুল থেকে শুরু করে ইউনিভার্সিটি পড়ার সময় পর্যন্ত আমাকে প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া,নিয়ে আসার সব কাজ করতেন। স্নান করিয়ে রান্নার কাজ শেষ করে খাইয়ে পড়াতে বসতেন। বাবা দিল্লিতে নিয়ে যেতেন সকলকে বছরে একবার। পার্লামেন্টে এমন কোন সাংসদ,মন্ত্রী ছিলেন না,যাদের সঙ্গে বাবা আমাকে পরিচয় করিয়ে না দিতেন। বাবার সুরক্ষিত অফিসে যেতাম। কার্ড জোগাড় করতেন বাবা। কংগ্রেস,বিজেপি , সিপিএম ছাড়াও সব দলের নেতাদের কাছে যেতাম বাবার সঙ্গে। এআই ইউ ডি এফ নেতা বদরউদ্দিন আজমল, আসনের মুখ্য মন্ত্রী তরুণ গগৈ, সর্বানন্দ সোনোয়াল,হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, রেলমন্ত্রী রাজেন গোহাই, তখনকার সর্বেসর্বা কংগ্রেসের সোনিয়া গান্ধী, অম্বিকা সোনি, পি সি জোশি, সন্তোষ মোহন দেব,বিজেপির কবীন্দ্র পুরকায়স্থ, অসম গন পরিষদ নেতা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বীরেন বৈশ্য সহ অসংখ্য নেতা, মহানেতা, অভিনেতার সান্নিধ্যে এসেছি বাবার জন্য। আমার জন্য বাবা আপ্রাণ পরিশ্রম করতেন। আজকের দিনে তাই বাবাকে অনেক অনেক শ্রদ্ধা জানাই। মা ও খুব সহযোগিতা করতেন বাবার সঙ্গে। বাবার জন্যই আমি আজ এতোটা এগিয়ে যেতে পেরেছি। বাবাকে যেদিন বললাম,আমি কিন্তু কারও সুপারিশে কোন চাকরি করবো না। বাবা খুব অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন। আমি শুধু বাবার পেশাকেই পছন্দ করেছি। এটা নিয়েই থাকতে চাই। বাবা আমার জীবনের ধ্রুবতারা তাই বাবার নাম কে আমি জীবনে স্মরণীয় ও বরণীয় করে রাখতে চাই। বাবারা সন্তানের জন্ম দেয় যাতে গুটিগুটি পায়ে সন্তান চলতে শুরু করা থেকে জীবন যুদ্ধে যেন পুরোদমে ছুটতে পারে। ভবিষ্যত প্রজন্মের উজ্জ্বল আলোর সঙ্গে এগিয়ে চলার জন্য। বাবারা চাইলে সন্তানের জন্য সব কিছু উজাড় করে দেয় তাদের কলিজা দিয়ে যাতে সন্তান ভালো ভাবে থাকতে পারে(সুস্থ থাকে)। বাবারা সন্তানের ছোট ছোট হাত ধরে নিয়ে যায় সব জায়গায় ঘোরাতে। খেলনা কিনতে চাইলে বা কোনও কিছু সাজগোজ জিনিস বা খাবার কিনতে চাইলে সঙ্গে সঙ্গে কিনে দেয় এই হয় বাবাদের ভালোবাসা । বাবারা বাইরে থেকে সব কাজ সেরে এসে নিয়ে তারপর রাতে সময় কাটায় সন্তানদের সাথে যখন ঘরে থাকে। বাবার কাছে একটা না অনেক ,অনেক আব্দার পায় সন্তানরা ঘরে থাকলে । বেশ মজা হয় যখন বাবার পিঠের পিছনে চড়ে বাবার হাতটি ধরে দোলনার মতো দোল খাওয়া হয়। বাবার হাতটি ধরে সন্তানের ছোট্ট হাত যাতে পড়ে না যায়। আনন্দ লাগে বাবাকে ঘোড়া বানাতে পেছন পিঠে পুরো বসে টগবগ টগবগ করে দৌড় করানো হয়। সত্যিই চমৎকার সেসব সময় কাটানোর মুহূর্ত আড্ডা দেওয়া বাবার সাথে কত কিছু খেলা খুব ভালো লাগতো। একটু যদি কোনও ভুল কাজ করা হয় তাহলে একমাত্র পিতাই সন্তানকে বোঝায় যে কোনটা ভুল কোনটা ঠিক! তবে হ্যাঁ সন্তানের জন্য বাবারা প্রচুর খাটে যাতে সন্তান কষ্ট না পায় কোনও কিছু তে। কারণ সন্তানরা চায় বাবার সাথে সময় কাটাবে আনন্দ করবে। বাবা ছাড়া এই আব্দার গুলো কেউ পূরণ করতে পারবে না এটা সন্তানরা বোঝে,তাই তো সবসময়ই সন্তানরা এসব এর জন্য বাবা কে সবসময় চায়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

ট্যাগস:-

বাবাই জীবনের পরম ছায়াসঙ্গী, পিতৃ দিবসে শ্রদ্ধা-ভালোবাসা

আপডেট সময়- ১১:৫২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪

 

পিতাই ধর্ম,পিতাই স্বর্গ’

ঋতম্ভরা বন্দোপাধ্যায়,কলকাতা।।
“বিশ্ব পিতা তুমি হে প্রভু ,
আমাদের প্রার্থনা এই শুধু ,
তোমারই করুণা,হতে বঞ্চিত না হয় কভু” !
আহা এই গানের পিছনে লুকিয়ে আছে বাবা ও সন্তানের ভালোবাসার ছোঁয়া । পিতৃ দিবস পালন করা হয় এই ১৬ জুনে, কারন এই দিনে সন্তান তাঁর বাবার প্রতি ভালোবাসা আর কৃতজ্ঞতা কে প্রকাশ করে এই সময় টাকে সুযোগ করে দেয় এদিন। যেহেতু বাবারা সবসময়ই সন্তানের লালনপালন করা,পথ প্রদর্শক হয়ে থাকা সে জন্য তাদের ভূমিকা কে তো স্বীকার করতেই হবে। এই পিতৃ দিবস কে ওয়াশিংটনের স্পোকেনের সোনোরো স্মার্ট ডডকে কৃতিত্ব দেয় এই দিবস কে পালন করার জন্য । পৃথিবীর সব বাবার প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা দেওয়ার জন্য এবং তাদের প্রকাশের ইচ্ছা পূরণ করার এই আশা কে সম্পন্ন করাতেই এই পিতৃ দিবস পালন করা হয়। বাবাদের প্রতি ভালোবাসা জানাতে প্রতি বছর এই পিতৃ দিবস পালন করা হয় ১৬ জুনে। মা’রা যেমন সন্তানের ছত্রছায়া হয় , ঠিক তেমন ভাবে বাবারা ও হলো সন্তানের পথছায়া । বাবা’রা দিন রাত পরিশ্রম করে নিজেদের সন্তানের জন্য । মা’রা যেমন ঘরে ও বাইরে কাজ করে সামলায় সব কিছু করে সংসার করে সন্তানের দেখাশোনা করে ঠিক তেমন ভাবে বাবা’রা ঘরে ও বাইরে কাজ করে । সন্তানের সাথে সময় কাটানোর মুহূর্ত এবং চলার পথে প্রদর্শক হয় বাবা। বাবারা সন্তানের সব রকমের আব্দার মেটাতে তাদের জন্য কতকিছু না করে ! আমি যখন খুব পুচকি ও ছোট্ট ছিলাম, আমার বাবা আমার দুটি হাত ধরে হাঁটা শেখাতেন। ” গুটি গুটি পা পা যথায় ইচ্ছা তথায় যা” বলে বাবা এঘর থেকে ওঘরে হাঁটাতেন। একটু বড় হলে যখন হামাগুড়ি ছেড়ে গুটি গুটি পায়ে হাঁটতে লাগলাম তখন বাবা আমাদের সল্ট লেকের ফ্ল্যাটে হাঁটু গেড়ে ঘোড়া হয়ে বসতেন। আমি বাবার পিঠে বসতাম। বাবা চলতে শুরু করতেন, আমি খুব মজা পেতাম। অনেক সময় বাবা ঘোড়া হয়ে বসলে আমি বাবার কাঁধের দুপাশে চেপে বসতাম। বাবা দাঁড়িয়ে উঠে আমার দুটি হাত ধরে গান গাইতে গাইতে সারা ঘর ঘুরতেন। খুব মনে পড়ে শ্যামল মিত্রর সেই বিখ্যাত গানটি। বাবার সেই গান,” ঐ ঝিরি ঝিরি পিয়ালের কুঞ্জে ,গুনগুন মৌমাছি গুঞ্জে, ওই যে বনছায় পাখিরা গান গায়, মন যে চায় সেথা হাসিতে””। বাবা তখন খুব ভালো গাইতেন। বেশ কিছু অনুষ্ঠানেও গাইতেন। বাবা হারমোনিয়াম নিয়ে গাইতে বসলে গানের মাঝেই আমি হারমোনিয়ামের রিডে দুম করে চাপ দিতাম। বেসুরো হয়ে যেতো গান। বাবাকে দেখলেই আমি বলতাম,” বাব ওই ঝিলিঝলি পিয়াল ” গানটি করো না। আমার তখন মাত্র ৩ বছর বয়স। মা সারাদিন যেমন আঁচল দিয়ে আগলে রাখেন,বাবা তখন ব্যস্ত আমার জন্য কী কী জিনিস আনা যায়। বাবা দিল্লিতে সাংবাদিকতা করতেন। পুরো বছর দিল্লিতে থাকতেন। একবছর পর যখন মাত্র দুসপ্তাহের জন্য বাড়িতে আসতেন ছোট্ট আমি দরজার পিছনে লুকিয়ে উঁকি দিতাম। বাবা ঘরে ঢুকেই আমাকে খুঁজতেন। লুকোচুরির পর আমাকে ধরে আবার কোলে নিতেন। আমি মাকে বলতাম,” মা ,আমাদের বাড়িতে বাবা কতদিন থাকবে?” সবাই হেসে উঠতো। দিল্লিতে খুব ভালো জামাকাপড় পাওয়া যায়। বাবা আমার জন্য বাছা বাছা পোশাক আনতেন। কখনো সাইজে অনেক বড়,নয়তো এতো ছোট যে পরাই যেত না । সেই দিনগুলি স্বপ্নের মতো মনে পড়ে। মা আমার স্কুল থেকে শুরু করে ইউনিভার্সিটি পড়ার সময় পর্যন্ত আমাকে প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া,নিয়ে আসার সব কাজ করতেন। স্নান করিয়ে রান্নার কাজ শেষ করে খাইয়ে পড়াতে বসতেন। বাবা দিল্লিতে নিয়ে যেতেন সকলকে বছরে একবার। পার্লামেন্টে এমন কোন সাংসদ,মন্ত্রী ছিলেন না,যাদের সঙ্গে বাবা আমাকে পরিচয় করিয়ে না দিতেন। বাবার সুরক্ষিত অফিসে যেতাম। কার্ড জোগাড় করতেন বাবা। কংগ্রেস,বিজেপি , সিপিএম ছাড়াও সব দলের নেতাদের কাছে যেতাম বাবার সঙ্গে। এআই ইউ ডি এফ নেতা বদরউদ্দিন আজমল, আসনের মুখ্য মন্ত্রী তরুণ গগৈ, সর্বানন্দ সোনোয়াল,হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, রেলমন্ত্রী রাজেন গোহাই, তখনকার সর্বেসর্বা কংগ্রেসের সোনিয়া গান্ধী, অম্বিকা সোনি, পি সি জোশি, সন্তোষ মোহন দেব,বিজেপির কবীন্দ্র পুরকায়স্থ, অসম গন পরিষদ নেতা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বীরেন বৈশ্য সহ অসংখ্য নেতা, মহানেতা, অভিনেতার সান্নিধ্যে এসেছি বাবার জন্য। আমার জন্য বাবা আপ্রাণ পরিশ্রম করতেন। আজকের দিনে তাই বাবাকে অনেক অনেক শ্রদ্ধা জানাই। মা ও খুব সহযোগিতা করতেন বাবার সঙ্গে। বাবার জন্যই আমি আজ এতোটা এগিয়ে যেতে পেরেছি। বাবাকে যেদিন বললাম,আমি কিন্তু কারও সুপারিশে কোন চাকরি করবো না। বাবা খুব অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন। আমি শুধু বাবার পেশাকেই পছন্দ করেছি। এটা নিয়েই থাকতে চাই। বাবা আমার জীবনের ধ্রুবতারা তাই বাবার নাম কে আমি জীবনে স্মরণীয় ও বরণীয় করে রাখতে চাই। বাবারা সন্তানের জন্ম দেয় যাতে গুটিগুটি পায়ে সন্তান চলতে শুরু করা থেকে জীবন যুদ্ধে যেন পুরোদমে ছুটতে পারে। ভবিষ্যত প্রজন্মের উজ্জ্বল আলোর সঙ্গে এগিয়ে চলার জন্য। বাবারা চাইলে সন্তানের জন্য সব কিছু উজাড় করে দেয় তাদের কলিজা দিয়ে যাতে সন্তান ভালো ভাবে থাকতে পারে(সুস্থ থাকে)। বাবারা সন্তানের ছোট ছোট হাত ধরে নিয়ে যায় সব জায়গায় ঘোরাতে। খেলনা কিনতে চাইলে বা কোনও কিছু সাজগোজ জিনিস বা খাবার কিনতে চাইলে সঙ্গে সঙ্গে কিনে দেয় এই হয় বাবাদের ভালোবাসা । বাবারা বাইরে থেকে সব কাজ সেরে এসে নিয়ে তারপর রাতে সময় কাটায় সন্তানদের সাথে যখন ঘরে থাকে। বাবার কাছে একটা না অনেক ,অনেক আব্দার পায় সন্তানরা ঘরে থাকলে । বেশ মজা হয় যখন বাবার পিঠের পিছনে চড়ে বাবার হাতটি ধরে দোলনার মতো দোল খাওয়া হয়। বাবার হাতটি ধরে সন্তানের ছোট্ট হাত যাতে পড়ে না যায়। আনন্দ লাগে বাবাকে ঘোড়া বানাতে পেছন পিঠে পুরো বসে টগবগ টগবগ করে দৌড় করানো হয়। সত্যিই চমৎকার সেসব সময় কাটানোর মুহূর্ত আড্ডা দেওয়া বাবার সাথে কত কিছু খেলা খুব ভালো লাগতো। একটু যদি কোনও ভুল কাজ করা হয় তাহলে একমাত্র পিতাই সন্তানকে বোঝায় যে কোনটা ভুল কোনটা ঠিক! তবে হ্যাঁ সন্তানের জন্য বাবারা প্রচুর খাটে যাতে সন্তান কষ্ট না পায় কোনও কিছু তে। কারণ সন্তানরা চায় বাবার সাথে সময় কাটাবে আনন্দ করবে। বাবা ছাড়া এই আব্দার গুলো কেউ পূরণ করতে পারবে না এটা সন্তানরা বোঝে,তাই তো সবসময়ই সন্তানরা এসব এর জন্য বাবা কে সবসময় চায়।