ঢাকা ০৩:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:-
ফরিদপুর ও শেরপুর জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ২০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ  কমলগঞ্জে ছুরিকাঘাতে বৃদ্ধাকে হত্যা, ঘাতক আটক ভেড়ামারায় ক্লিনিক মালিকের রহস্যময় আত্মহত্যা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণে কারো সাথে বৈরী আচরণ নয়: প্রধানমন্ত্রী নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় উপজেলা পরিষদে ‘পরিদর্শন কক্ষ’ পাচ্ছেন এমপিরা না’গঞ্জে সুষ্ঠু ও নকল মুক্ত পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে: কেন্দ্র পরিদর্শনে ডিসি  নারায়ণগঞ্জে ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, কেন্দ্রসচিবকে অব্যহতি কুষ্টিয়ায় ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই খুন নারায়ণগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের চাঁদাবাজীতে বন্ধ হলো ভাঙারি পণ্যের রিসাইক্লিং কারখানা টেকনাফের গহীন পাহাড় থেকে তিন যুবকের মরদেহ উদ্ধার নারায়ণগঞ্জে ৩৩ হাজার ২০৮ শিক্ষার্থী এসএসসি পরিক্ষায় বসছে আজ সাড়ে ১৮ লাখ পরিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় বসেছে আজ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান ৫.১ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল প্রবেশপথ না পেয়ে রাতেই ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করল এসএসসি পরীক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের অবহেলায় অনিশ্চিত গাইবান্ধার ১৫০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা শিগ্রই শেষ হচ্ছে ‘এটা আমাদেরই গল্প’ জনপ্রিয় ধারাবাহিক সিরিয়াল মৌলভীবাজারে ট্রাক-বাস সংঘর্ষে ৩৫০ মুরগি মারা গেছে  সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন পেলেন ফরিদা ইয়াসমিন বিএনপি’র মনোনয়ন পেলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রীর কন্যা জহরত শ্রীমঙ্গলে হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় টিআইবির ফেলোশিপ ঘোষণা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের প্রটোকল দিতে ডিসি-এসপিদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয় না’গঞ্জে আম খাওয়ানোর প্রলোভনে ৩ বছরের শিশু ধর্ষণ, কিশোর গ্রেপ্তার  নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত মাসুদুজ্জামান সংরক্ষিত আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যে ৩৬ জন আজ থেকে সারাদেশে একযোগে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু তেলের পর এলপি গ্যাসে প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারে ২১২ টাকা বৃদ্ধি তেলের সংকট না থাকলে পাম্পে ৩ কিলোমিটার লাইন কেন: সংসদে রুমিন ফারহানা হাইকোর্টের বিচারকাজ চলবে সপ্তাহে ২ দিন ভার্চুয়ালি টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে ৭০ হাজার ইয়াবাসহ আটক-৩ টেকনাফে পুলিশের পৃথক অভিযানে ২২ আসামি গ্রেপ্তার কক্সবাজারে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার সব ধরনের জালানি তেলের দাম বাড়লো অকটেন-১৪০, পেট্রোল-১৩৫, ডিজেল-১১৫ টাকা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি তেল পাবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কুষ্টিয়ায় ৩২ ঘণ্টা পর শ্রমিকদের প‌রিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার শ্রীমঙ্গলে মাদকসহ বিভিন্ন মামলায় ১০ জন গ্রেপ্তার খুলনায় ডিউটিরত অবস্থায় নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ সদস্যের আত্মহনন কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় মাদক জব্দ টেকনাফে মুক্তিপন দাবিতে অপহৃত ৩ জন উদ্ধার করেছে র‍্যাব-১৫ টেকনাফ হোয়াইক্যংয়ে ৮ হাজার ইয়াবাসহ আটক-১ নারায়ণগঞ্জে লেকের পানিতে ডুবে দুই সহোদরের অকাল মৃত্যু কমলগঞ্জে মজুরি ও রেশন বন্ধে মানবেতর জীবনযাপন করছে চা শ্রমিকরা কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ রাশিয়া থেকে তেল কিনতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের অনুমতি দিল যুক্তরাষ্ট্র নতুন আরও একটি উপজেলা পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান আর নেই আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস; স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুরু আজ নতুন দুই দিবস পালন করবে সরকার, ছুটি থাকছে একটিতে না’গঞ্জে ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শীতলক্ষ্যায় পরে গেল প্রাইভেট কার কুষ্টিয়ায় রাসেল ভাইপারের কামড়ে কৃষকের মৃত্যু জ্বালানি সংকট ও ট্রাফিকের অব্যবস্থাপনায় স্থবির রাজধানী ঢাকা দেশে হাম-হামের উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু,আক্রান্ত ২০ হাজার ছাড়ালো দেশে প্রায় সাড়ে ৪০ লাখ মামলার জট নিরসনে সরকারের ৯ বিশেষ পদক্ষেপ হজ্বের প্রথম ফ্লাইট ১৮ এপ্রিল, এবছর হজ্ব যাত্রী ৭৮ হাজার ৫’শ হয়রানিমূলক রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী হামে প্রতিটি শিশু মৃত্যুর জন্য ‘হত্যা মামলা’ হওয়া উচিত: মাসুদ কামাল বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে শ্রীমঙ্গলে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবা খুন,বড় ভাই গুরুতর আহত টেকনাফে কোস্টগার্ডর অভিযানে ২২ হাজার ইয়াবাসহ আটক-২ টেকনাফে ৩৬ হাজার ইয়াবাসহ আটক-১ অটোমেশন প্রকল্পের আওতায় ভূমিসেবা সহজতর হবে; বিভাগীয় কমিশনার নারায়ণগঞ্জে প্রবাসী মাসুম হত্যার অন্যতম আসামি শাকিল গ্রেপ্তার হাসনাত আব্দুল্লাহর ওপর মব করে হামলা করেছে যুবদল: যুবশক্তি চট্টগ্রামে আ’লীগ নেতার বাসায় গিয়ে তোপের মুখে হাসনাত আবদুল্লাহ বর্ষবরণে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ আজ ছেঁড়া-ফাটা নোট গ্রহণ ও বিনিময়মূল্য প্রদান বাধ্যতামূলক করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কুষ্টিয়ায় ভ্রাম্যমাণ অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় মদ উদ্ধার বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: ২৭৩ প্রাণের শঙ্কা, টেকনাফে স্বজনদের আহাজারি দুপুরে জামিন,বিকেলে কারামুক্ত সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী জামিন পেলেন সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ভারতের কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে মারা গেছেন টেকনাফে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমন ঘিরে প্রস্তুতি জোরদার, মাঠে প্রশাসন কুষ্টিয়ায় ‘পীরের’ আস্তানায় হামলা-ভাঙচুর-আগুন, নিহত-১ কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণে ভারতীয় মাদক জব্দ জাতীয় সংসদে পাস হলো, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল-২০২৬ শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন না’গঞ্জের কৃতি সন্তান সাংবাদিক মুন্না বাংলার জয়যাত্রা জাহাজকে হরমুজ প্রণালীতে আটকে দিলো ইরান নারায়ণগঞ্জে মেহেদী এন্টারপ্রাইজ থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজেল জব্দ,গ্রেপ্তার-২ টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে সাতকোটি টাকার ইয়াবাসহ আটক-২ কুষ্টিয়ায় কবরস্থানে মাটি ভরাট নিয়ে দুই গ্রামবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত-১৫ ঐতিহাসিক ১০ এপ্রিল আজ, মুজিবনগর সরকার গঠন দিবস নারায়ণগঞ্জে বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষ-গোলাগুলি, শিশুসহ গুলিবিদ্ধ-২ কুষ্টিয়ায় ৩১ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা মূল্যমানের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি টেকনাফের মেরিন ড্রাইভে বস্তাবন্দি অজ্ঞাত যুবকের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার গাইবান্ধায় পেট্রোল নিয়ে সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে আহত-৩, আটক-১ সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন, ৩ দিন অফলাইনে ক্লাস: শিক্ষকরা স্কুল এসে নেবেন: শিক্ষামন্ত্রী সোনারগাঁ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিজ অর্থায়নে জরুরি ঔষধ নিয়ে হাজির হলেন এমপি মান্নান কুষ্টিয়ায় স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড টেকনাফে মিনিপিক‌আপ বোঝাই বিপুল পরিমাণে ইয়াবাসহ আটক-২ নারায়ণগঞ্জে তিন থানায় নতুন ওসি বলৎকারের তথ্য ফাঁস হওয়ার শঙ্কায় সৈকতকে হত্যা, অভিযুক্ত কিশোর আটক সারাদেশে পর্যাক্রমে চালু হচ্ছে ‘ফুয়েল পাস’ কার্যক্রম টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে ২৩ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ জ্বালানি সংকটে কুষ্টিয়ায় মোটরসাইকেল বাজারে ধস সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন’র রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ গত দেড় বছর যেভাবে আত্মগোপনে ছিলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন না’গঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় পরিকল্পিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটসহ গৃহকর্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ

ত্রাণ চাইনা, বন্যায় বাঁধ ভাঙার স্থায়ী সমাধান চাই

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময়- ১১:১৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৪ ২২৩ বার পড়া হয়েছে
তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজার জেলার ৭টি উপজেলার প্রায় ৪ লক্ষাধিক বন্যার্ত এখন নানান দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে বিশুদ্ধ পানি, খাবার, স্যানিটেশন ও পানিবাহিত নানা রোগবালাইয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন তারা। এরইসঙ্গে শিশুখাদ্য ও গো-খাদ্যেরও সংকট চরম আকার ধারন করেছে। তবে এবার অন্যান্য বছরের চাইতে বন্যার্তদের ত্রাণ বিতরণের দৃশ্যপট ভিন্ন। বানভাসিদের সার্বিক সহযোগিতায় এগিয়ে আসছেন প্রবাসীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। প্রতিদিনই জেলা জুড়ে বানভাসিদের মাঝে বিতরণ হচ্ছে খাদ্যসামগ্রীসহ বিভিন্ন উপকরন। এমনটি বলছেন নদী ও হাওর তীরের বসবাসকারী বন্যাকবলিতরা। তবে অভিযোগ উঠেছে ত্রাণসামগ্রী গ্রাম এলাকায় না পৌঁছানোর। প্রত্যন্ত অঞ্চলের বন্যাদুর্গতরা হচ্ছেন বঞ্চিত। যোগাযোগব্যবস্থা ভালো থাকায় অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে ত্রাণ পৌঁছে, তাদের দায়িত্ব শেষ করছেন। আবার অনেকেই শুকনো ও রান্না করা (পোলাও বা খিচুড়ি) খাবার দিচ্ছেন। কিন্তু বন্যাকবলিতরা বলছেন চাল, ডাল, তেল, আলুসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী দিলে তাদের জন্য বেশ উপকার হতো। কারণ তাছাড়া রান্না করা ওই অতিরিক্ত খাবারগুলো রেখেও খাওয়া যায় না কারণ তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এ বছর নদীশাসনের বাঁধ ভেঙ্গে ও উপচে আসা আকস্মিক বন্যা। ঘর নেই। ধানের জমি নেই। মাথাগোঁজার ঠাঁই’র সঙ্গে তলিয়ে গেছে আউশ ধান, মৎস্যখামার আর সবজি খেতও। এখন সবই বানের পানির দখলে। তাই সব ছেড়ে প্রাণে বাঁচতে ঠাঁই নিতে হচ্ছে আশ্রয়কেন্দ্র ও অন্যত্র। সামাজিক সংগঠন ও ব্যক্তি উদ্যোগে অনেকেই ত্রাণ সহায়তা নিয়ে তাদের দুর্দিনে এগিয়ে এসেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত অনেকেই বছর বছর বানভাসি হয়ে ত্রাণ নিতেও অনাগ্রহী। তারা চায় স্থায়ীভাবে এ রক্ষা বাঁধের সমস্যার সমাধান । যাতে প্রতি বছরই তারা এরকম বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পান। চলতি মাসের আকস্মিক বন্যায় জেলার মনু, ধলাই, ফানাই, জুড়ী ও কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী প্রায় আড়াই শতাধিক গ্রামের ৪ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। হঠাৎ নদীর বাঁধ ভাঙ্গা পানির স্রোতে মানুষের বসতভিটার সঙ্গে আশ্রয় হারায় হাঁস, মোরগ, গরু, মহিষসহ গৃহপালিত পশুগুলোও। গেল তিন বছর থেকে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের মনু নদী শাসনের উন্নয়ন প্রকল্পের বাঁধ নির্মাণ বা সংস্কারসহ অন্যান্য কাজ হচ্ছে খুবই ধীরগতিতে। যা দৃশ্যমান নয়। চলছে লুটপাটের মহাৎসব চলমান এ কাজ নিয়ে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ক্ষোভের অন্ত নেই। উপকারভোগীরা বলছেন, মনু নদী ছাড়া জেলার অন্যান্য নদীগুলোরও বাঁধ সংস্কার কিংবা স্থায়ী কাজ না করায় তাদের এই চরম খেসারত দিতে হচ্ছে। বৃহস্পতিবার জেলার রাজনগর উপজেলার মনসুর নগর ইউনিয়নের কদমহাটা বাঁধ ভাঙ্গা এলাকায় গেলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত আক্তার মিয়া, তালেব মিয়া, শামীম মিয়াসহ অনেকেই বলেন, তাদের এলাকায় দীর্ঘদিন থেকে বাঁধ ভাঙলেও তা মেরামতে সংশ্লিষ্টরা উদাসীন। কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদীর বাঁধ ভাঙায় ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি গ্রামের মানুষের চরম দুর্ভোগ। তারা অনেকেই বলেন হঠাৎ করে বাঁধ ভেঙে ও উপচে বানের পানি প্রবেশ করে তাদের ধান, সবজি খেত, কৃষি ও ঘরবাড়ি ডুবিয়ে দিয়েছে। ওই এলাকার অনেকেই বলেন, বছর বছর বাঁধ ভাঙে। আমরা চরম অসহায় নদীর কাছে। প্রবীণরা বলেন, আমাদের জীবদ্দশায় ১৫-২০ বার বাঁধ ভাঙলো কিন্তু তার কোনো স্থায়ী সমাধান নেই। আমার আর বন্যার্দুগত হয়ে ত্রাণ নিতে চাই না। এ বিষয়টির স্থায়ী সমাধান চাই। তাদের মতো ক্ষোভের সঙ্গে নিজেদের দুর্দশার কথা তুলে ধরেন মনু ও ফানাই নদীর তীরবর্তী কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর, হাজিপুর, টিলাগাঁও, রাউৎগাঁও, ব্রাহ্মণবাজারসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের বাসিন্দারাও। একই দাবি জুড়ী নদীর জায়ফরনগর ইউনিয়নের ও কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী এলাকা ফতেহপুর, খলিলপুর, মনুমুখ ইউনিয়নের বিভিন্ন বসবাসকারী এলাকার বন্যায় চরম ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের। তাদের দাবী আর যেন বাধঁ ভাঙ্গার ভয়ে কেউ যেন বাড়ি ফেলে যেতে না হয়। সেই দিকে নজরদারির জোর দাবি জানাচ্ছি‌।

নিউজটি শেয়ার করুন..

ট্যাগস:-

ত্রাণ চাইনা, বন্যায় বাঁধ ভাঙার স্থায়ী সমাধান চাই

আপডেট সময়- ১১:১৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৪
তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজার জেলার ৭টি উপজেলার প্রায় ৪ লক্ষাধিক বন্যার্ত এখন নানান দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে বিশুদ্ধ পানি, খাবার, স্যানিটেশন ও পানিবাহিত নানা রোগবালাইয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন তারা। এরইসঙ্গে শিশুখাদ্য ও গো-খাদ্যেরও সংকট চরম আকার ধারন করেছে। তবে এবার অন্যান্য বছরের চাইতে বন্যার্তদের ত্রাণ বিতরণের দৃশ্যপট ভিন্ন। বানভাসিদের সার্বিক সহযোগিতায় এগিয়ে আসছেন প্রবাসীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। প্রতিদিনই জেলা জুড়ে বানভাসিদের মাঝে বিতরণ হচ্ছে খাদ্যসামগ্রীসহ বিভিন্ন উপকরন। এমনটি বলছেন নদী ও হাওর তীরের বসবাসকারী বন্যাকবলিতরা। তবে অভিযোগ উঠেছে ত্রাণসামগ্রী গ্রাম এলাকায় না পৌঁছানোর। প্রত্যন্ত অঞ্চলের বন্যাদুর্গতরা হচ্ছেন বঞ্চিত। যোগাযোগব্যবস্থা ভালো থাকায় অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে ত্রাণ পৌঁছে, তাদের দায়িত্ব শেষ করছেন। আবার অনেকেই শুকনো ও রান্না করা (পোলাও বা খিচুড়ি) খাবার দিচ্ছেন। কিন্তু বন্যাকবলিতরা বলছেন চাল, ডাল, তেল, আলুসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী দিলে তাদের জন্য বেশ উপকার হতো। কারণ তাছাড়া রান্না করা ওই অতিরিক্ত খাবারগুলো রেখেও খাওয়া যায় না কারণ তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এ বছর নদীশাসনের বাঁধ ভেঙ্গে ও উপচে আসা আকস্মিক বন্যা। ঘর নেই। ধানের জমি নেই। মাথাগোঁজার ঠাঁই’র সঙ্গে তলিয়ে গেছে আউশ ধান, মৎস্যখামার আর সবজি খেতও। এখন সবই বানের পানির দখলে। তাই সব ছেড়ে প্রাণে বাঁচতে ঠাঁই নিতে হচ্ছে আশ্রয়কেন্দ্র ও অন্যত্র। সামাজিক সংগঠন ও ব্যক্তি উদ্যোগে অনেকেই ত্রাণ সহায়তা নিয়ে তাদের দুর্দিনে এগিয়ে এসেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত অনেকেই বছর বছর বানভাসি হয়ে ত্রাণ নিতেও অনাগ্রহী। তারা চায় স্থায়ীভাবে এ রক্ষা বাঁধের সমস্যার সমাধান । যাতে প্রতি বছরই তারা এরকম বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পান। চলতি মাসের আকস্মিক বন্যায় জেলার মনু, ধলাই, ফানাই, জুড়ী ও কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী প্রায় আড়াই শতাধিক গ্রামের ৪ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। হঠাৎ নদীর বাঁধ ভাঙ্গা পানির স্রোতে মানুষের বসতভিটার সঙ্গে আশ্রয় হারায় হাঁস, মোরগ, গরু, মহিষসহ গৃহপালিত পশুগুলোও। গেল তিন বছর থেকে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের মনু নদী শাসনের উন্নয়ন প্রকল্পের বাঁধ নির্মাণ বা সংস্কারসহ অন্যান্য কাজ হচ্ছে খুবই ধীরগতিতে। যা দৃশ্যমান নয়। চলছে লুটপাটের মহাৎসব চলমান এ কাজ নিয়ে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ক্ষোভের অন্ত নেই। উপকারভোগীরা বলছেন, মনু নদী ছাড়া জেলার অন্যান্য নদীগুলোরও বাঁধ সংস্কার কিংবা স্থায়ী কাজ না করায় তাদের এই চরম খেসারত দিতে হচ্ছে। বৃহস্পতিবার জেলার রাজনগর উপজেলার মনসুর নগর ইউনিয়নের কদমহাটা বাঁধ ভাঙ্গা এলাকায় গেলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত আক্তার মিয়া, তালেব মিয়া, শামীম মিয়াসহ অনেকেই বলেন, তাদের এলাকায় দীর্ঘদিন থেকে বাঁধ ভাঙলেও তা মেরামতে সংশ্লিষ্টরা উদাসীন। কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদীর বাঁধ ভাঙায় ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি গ্রামের মানুষের চরম দুর্ভোগ। তারা অনেকেই বলেন হঠাৎ করে বাঁধ ভেঙে ও উপচে বানের পানি প্রবেশ করে তাদের ধান, সবজি খেত, কৃষি ও ঘরবাড়ি ডুবিয়ে দিয়েছে। ওই এলাকার অনেকেই বলেন, বছর বছর বাঁধ ভাঙে। আমরা চরম অসহায় নদীর কাছে। প্রবীণরা বলেন, আমাদের জীবদ্দশায় ১৫-২০ বার বাঁধ ভাঙলো কিন্তু তার কোনো স্থায়ী সমাধান নেই। আমার আর বন্যার্দুগত হয়ে ত্রাণ নিতে চাই না। এ বিষয়টির স্থায়ী সমাধান চাই। তাদের মতো ক্ষোভের সঙ্গে নিজেদের দুর্দশার কথা তুলে ধরেন মনু ও ফানাই নদীর তীরবর্তী কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর, হাজিপুর, টিলাগাঁও, রাউৎগাঁও, ব্রাহ্মণবাজারসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের বাসিন্দারাও। একই দাবি জুড়ী নদীর জায়ফরনগর ইউনিয়নের ও কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী এলাকা ফতেহপুর, খলিলপুর, মনুমুখ ইউনিয়নের বিভিন্ন বসবাসকারী এলাকার বন্যায় চরম ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের। তাদের দাবী আর যেন বাধঁ ভাঙ্গার ভয়ে কেউ যেন বাড়ি ফেলে যেতে না হয়। সেই দিকে নজরদারির জোর দাবি জানাচ্ছি‌।