সর্বশেষ:-
প্রচ্ছদ /
অর্থ ও বাণিজ্য, আইন আদালত, আন্তর্জাতিক, আবহাওয়া ও জলবায়ু, উপজেলা প্রশাসন, কক্সবাজার, কোস্টাগার্ড, চট্টগ্রাম, জেলা প্রশাসক কার্যালয়, টেকনাফ, নারী ও শিশু, নৌবাহিনী, পূর্বাভাস, বাংলাদেশ
টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে গাঁজাসহ বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার
প্রতিনিধির নাম
- আপডেট সময়- ০৫:০২:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে
ফরহাদ রহমান,
টেকনাফ প্রতিনিধি।।
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের জাদিমুড়া সংলগ্ন নাফ নদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০টি তাজা গ্রেনেড, ২৬ রাউন্ড তাজা গোলা এবং ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। উদ্ধারকৃত এসব বিস্ফোরক ও মাদক একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী সীমান্ত এলাকায় মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছিল বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
রোববার (১৪ জুন) দুপুরে জাদিমুড়া বৌদ্ধ মন্দির সংলগ্ন লবণ মাঠে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে টেকনাফ কোস্ট গার্ড স্টেশনের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট মোক্তাদীন ছিদ্দিকী এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড জানতে পারে যে, সাবরাংয়ের জাদিমুড়া এলাকার নাফ নদী সংলগ্ন সীমান্ত ব্যবহার করে পরিবহনের উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ গ্রেনেড ও গোলাবারুদ মাটির নিচে মজুত করে রেখেছে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী। এমন তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৩ জুন রাতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের একপর্যায়ে জাদিমুড়া এলাকায় মাটির নিচে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় মিয়ানমার সামরিক বাহিনীতে ব্যবহৃত ২টি 36M Mk-1 হ্যান্ড গ্রেনেড, ৮টি 40mm HEDP গ্রেনেড এবং ২৬ রাউন্ড ৭.৬২ মিলিমিটার তাজা গোলা উদ্ধার করা হয়। একই স্থান থেকে ২ কেজি গাঁজাও জব্দ করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, অভিযানের সময় বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা অন্ধকারের সুযোগে পালিয়ে যায়। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও বলা হয়, উদ্ধারকৃত বিস্ফোরকগুলো অসৎ চক্রের হাতে পড়লে কিংবা যেকোনোভাবে বিস্ফোরিত হলে জনসাধারণের জানমাল ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারত। কোস্ট গার্ডের এই অভিযানের মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় সম্ভাব্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।
উদ্ধারকৃত গ্রেনেড, গোলাবারুদ ও মাদকদ্রব্য পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্রসীমা ও নাফ নদী এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও মানবপাচার এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা প্রতিরোধে তাদের অভিযান ও নজরদারি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
নিউজটি শেয়ার করুন..
ট্যাগস:-

-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ



































































































