ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে পুত্র আজমিরী ওসমানের দোয়া প্রার্থনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৬:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪ ২৮ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট।।

 

নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ওসমান পরিবারের উত্তরসূরী বড় ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমানের মৃত্যু হয়েছে আজ ১০ বছর।
২০১৪ সালের ৩০ এপ্রিল এই দিনে ভারতের রাজধানী দিল্লির দেরাদুন শহরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেন নাসিম ওসমান।

তিনি নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন থেকে( ৪বার) ১৯৮৮৪, ১৯৮৬, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমান নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের প্রয়াত ভাষা সৈনিক ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠন, সাবেক এম এল এ, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহোচর ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠার অন্যতম ব্যক্তিত্ব মরহুম একেএম শামসুজ্জোহা ও প্রয়াত ভাষা সৈনিক নাগিনা জোহার বড় ছেলে এবং বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ-৫ ও ৪ আসনের প্রভাবশালী সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান ও একেএম শামীম ওসমানের বড় ভাই।

সেই সঙ্গে তিনি ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন থেকে সব থেকে বেশি মেয়াদে নির্বাচিত সংসদ সদস্য।
নাসিম ওসমানের মৃত্যুর পর সংসদে বক্তব্য দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।

এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমানের শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ওসমান পরিবারের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর একটা নিবিড় ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ওই পরিবারে বসেই জন্ম হয়েছিল আওয়ামী লীগের।

এমপি শামীম ওসমানের দাদা খান সাহেব ওসমান আলী এবং বাবা শামছুজ্জোহা খান ছিলেন বঙ্গবন্ধুর অত্যন্ত কাছের মানুষ।বীর মুক্তিযোদ্ধা  নাসিম ওসমান বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিশোধ নিতে একটি যুব ব্রিগেড গড়ে তুলেছিলেন। পরে জাতীয় পার্টি করলেও তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। ’
আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ওসমান পরিবারের অবদানের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘যদি তাদের প্রয়োজন হয়, দেখাশোনা করব। ’
জীবদ্দশায় বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমান শীতলক্ষ্যা সেতু নির্মাণের ব্যাপারে আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। নারায়ণগঞ্জ এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেতু নির্মাণের শেষ দিকেই এ সেতুর নামকরণ করা হয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ‘নাসিম ওসমান সেতু’।
ততকালীন শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে ছিল জাতীয় পার্টির কার্যালয়। সেখানে নিয়মিত বসতেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমান। আজ সেই কার্যালয় ভেঙে বহুতল ভবন করা হয়েছে।

এই জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধার ১০ম
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) বাদ আসর মাসদাইরে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় কবরস্থান মসজিদে দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর চাষাড়ার নিজ বাড়িতে মিলাদ সহ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমানের মৃত্যু বার্ষিকীতে তার একমাত্র পুত্র আলহাজ্ব আজমিরী ওসমান সহ তার পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে পুত্র আজমিরী ওসমানের দোয়া প্রার্থনা

আপডেট সময় : ০৯:০৬:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট।।

 

নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ওসমান পরিবারের উত্তরসূরী বড় ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমানের মৃত্যু হয়েছে আজ ১০ বছর।
২০১৪ সালের ৩০ এপ্রিল এই দিনে ভারতের রাজধানী দিল্লির দেরাদুন শহরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেন নাসিম ওসমান।

তিনি নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন থেকে( ৪বার) ১৯৮৮৪, ১৯৮৬, ২০০৮ ও ২০১৪ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমান নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারের প্রয়াত ভাষা সৈনিক ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠন, সাবেক এম এল এ, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহোচর ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠার অন্যতম ব্যক্তিত্ব মরহুম একেএম শামসুজ্জোহা ও প্রয়াত ভাষা সৈনিক নাগিনা জোহার বড় ছেলে এবং বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ-৫ ও ৪ আসনের প্রভাবশালী সংসদ সদস্য একেএম সেলিম ওসমান ও একেএম শামীম ওসমানের বড় ভাই।

সেই সঙ্গে তিনি ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন থেকে সব থেকে বেশি মেয়াদে নির্বাচিত সংসদ সদস্য।
নাসিম ওসমানের মৃত্যুর পর সংসদে বক্তব্য দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।

এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমানের শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ওসমান পরিবারের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর একটা নিবিড় ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ওই পরিবারে বসেই জন্ম হয়েছিল আওয়ামী লীগের।

এমপি শামীম ওসমানের দাদা খান সাহেব ওসমান আলী এবং বাবা শামছুজ্জোহা খান ছিলেন বঙ্গবন্ধুর অত্যন্ত কাছের মানুষ।বীর মুক্তিযোদ্ধা  নাসিম ওসমান বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিশোধ নিতে একটি যুব ব্রিগেড গড়ে তুলেছিলেন। পরে জাতীয় পার্টি করলেও তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। ’
আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ওসমান পরিবারের অবদানের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘যদি তাদের প্রয়োজন হয়, দেখাশোনা করব। ’
জীবদ্দশায় বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমান শীতলক্ষ্যা সেতু নির্মাণের ব্যাপারে আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। নারায়ণগঞ্জ এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেতু নির্মাণের শেষ দিকেই এ সেতুর নামকরণ করা হয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ‘নাসিম ওসমান সেতু’।
ততকালীন শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে ছিল জাতীয় পার্টির কার্যালয়। সেখানে নিয়মিত বসতেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমান। আজ সেই কার্যালয় ভেঙে বহুতল ভবন করা হয়েছে।

এই জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধার ১০ম
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) বাদ আসর মাসদাইরে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় কবরস্থান মসজিদে দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর চাষাড়ার নিজ বাড়িতে মিলাদ সহ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমানের মৃত্যু বার্ষিকীতে তার একমাত্র পুত্র আলহাজ্ব আজমিরী ওসমান সহ তার পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।