ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ডিজিটাল বাংলার স্থপতি সজীব ওয়াজেদ জয়’র ৫৩তম জন্মদিন আজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১১:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০২৩ ১৩৬ বার পড়া হয়েছে
বিশেষ প্রতিবেদক।।
ডিজিটাল বাংলাদেশের নেপথ্য স্থপতি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিখাতের রূপকার সজীব ওয়াজেদ জয় এর ৫৩তম জন্মবার্ষিকী আজ।
সজীব ওয়াজেদ জয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র এবং প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও দেশের পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার একমাত্র পুত্র। সজীব ওয়াজেদ জয় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তার নাম রাখেন নানা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর সুযোগ্য কন্যা বর্তমান জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ দু’জনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার নেপথ্যের রূপকার ও কারিগর হিসেবে নিরবিচ্ছিন্নভাবে পরিশ্রমী, মেধাবী কম্পিউটার বিজ্ঞানী সজীব ওয়াজেদ জয়
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র নিজ উদ্দ্যোগে  প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই নানার স্বপ্ন পূরনে ব্রত হয়ে জাতির পিতার দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় বঙ্গবন্ধু লালিত স্বপ্নের স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠান।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও স্বপরিবারের বর্বরচিত হত্যাযজ্ঞের সময় মা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী ও বাবার সঙ্গে জার্মানিতেই ছিলেন জয়। পরবর্তীতে মায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ভারতে চলে যান তিনি। সজীব ওয়াজেদ জয়ের শৈশব ও কৈশোর কাটে ভারতে।সেখানে নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজে লেখাপড়া শেষ করে উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য  যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন তিনি। এরপর হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
২০০২ সালের ২৬ অক্টোবর ক্রিস্টিন ওভারমায়ারকে বিয়ে করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তাদের ঘরে একটি মেয়ে জন্ম গ্রহন করেন।
ছাত্র জীবনে রাজনীতির প্রতি অনুরক্ত থাকলেও জয় সক্রিয় রাজনীতিতে নাম লেখান ২০১০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিতৃভূমি রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য পদ দেওয়া হয় তাকে, যার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তিনি। বর্তমানে তার মাতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। এরপর
২০০৭ সালে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কর্তৃক গ্লোবাল লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড হিসেবে নির্বাচিত হন জয়। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার বিষয়টি নিয়ে আসেন তিনি। তার মাতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে গোটা দেশে তথ্যপ্রযুক্তির অ-মূল বিপ্লব ও ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপান্তর করেন এই তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ।
তিনি তথ্যপ্রযুক্তি, রাজনীতি, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।
ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে ইন্টারনেট সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। প্রত্যন্ত অঞ্চল সহ পার্বত্য অঞ্চলের মতো এলাকায় ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে তার পরিশ্রমী প্রচেষ্টায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ডিজিটাল বাংলার স্থপতি সজীব ওয়াজেদ জয়’র ৫৩তম জন্মদিন আজ

আপডেট সময় : ০৬:১১:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০২৩
বিশেষ প্রতিবেদক।।
ডিজিটাল বাংলাদেশের নেপথ্য স্থপতি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিখাতের রূপকার সজীব ওয়াজেদ জয় এর ৫৩তম জন্মবার্ষিকী আজ।
সজীব ওয়াজেদ জয় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র এবং প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও দেশের পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার একমাত্র পুত্র। সজীব ওয়াজেদ জয় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ২৭ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তার নাম রাখেন নানা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর সুযোগ্য কন্যা বর্তমান জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ দু’জনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার নেপথ্যের রূপকার ও কারিগর হিসেবে নিরবিচ্ছিন্নভাবে পরিশ্রমী, মেধাবী কম্পিউটার বিজ্ঞানী সজীব ওয়াজেদ জয়
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালে বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র নিজ উদ্দ্যোগে  প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই নানার স্বপ্ন পূরনে ব্রত হয়ে জাতির পিতার দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় বঙ্গবন্ধু লালিত স্বপ্নের স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠান।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও স্বপরিবারের বর্বরচিত হত্যাযজ্ঞের সময় মা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী ও বাবার সঙ্গে জার্মানিতেই ছিলেন জয়। পরবর্তীতে মায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক আশ্রয়ে ভারতে চলে যান তিনি। সজীব ওয়াজেদ জয়ের শৈশব ও কৈশোর কাটে ভারতে।সেখানে নৈনিতালের সেন্ট জোসেফ কলেজে লেখাপড়া শেষ করে উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্য  যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট আর্লিংটন থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন তিনি। এরপর হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
২০০২ সালের ২৬ অক্টোবর ক্রিস্টিন ওভারমায়ারকে বিয়ে করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তাদের ঘরে একটি মেয়ে জন্ম গ্রহন করেন।
ছাত্র জীবনে রাজনীতির প্রতি অনুরক্ত থাকলেও জয় সক্রিয় রাজনীতিতে নাম লেখান ২০১০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিতৃভূমি রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য পদ দেওয়া হয় তাকে, যার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তিনি। বর্তমানে তার মাতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। এরপর
২০০৭ সালে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কর্তৃক গ্লোবাল লিডার অব দ্য ওয়ার্ল্ড হিসেবে নির্বাচিত হন জয়। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার বিষয়টি নিয়ে আসেন তিনি। তার মাতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে গোটা দেশে তথ্যপ্রযুক্তির অ-মূল বিপ্লব ও ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপান্তর করেন এই তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ।
তিনি তথ্যপ্রযুক্তি, রাজনীতি, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষাবিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন।
ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে ইন্টারনেট সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। প্রত্যন্ত অঞ্চল সহ পার্বত্য অঞ্চলের মতো এলাকায় ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে তার পরিশ্রমী প্রচেষ্টায়।