দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে সনদনির্ভরতার পরিবর্তে দক্ষতা ও কর্মমুখী করতে বড় ধরনের সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন খসড়া মডেল অনুযায়ী— বাংলা, ইতিহাস, দর্শনসহ প্রায় ৬টি বিষয়ের প্রথাগত অনার্স কোর্স বাতিল করে অন্য বিষয়ের সঙ্গে সমন্বয় করা হতে পারে।
এর বিপরীতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), সাইবার সিকিউরিটি, আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের মতো প্রযুক্তিনির্ভর বিষয়। এছাড়া কলেজ পর্যায়ে ক্যারিয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠা এবং ৭টি বিদেশি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নির্দেশনা অনুযায়ী, শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়, বরং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিই এর মূল লক্ষ্য। শিক্ষাবিদদের মতে, প্রচলিত শিক্ষা কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে সংযোগ করতে না পারায় গত ১৩ বছরে দেশে উচ্চশিক্ষিত বেকারের হার আট গুণ বেড়েছে, যা দূর করতে এই প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সহায়ক হবে।দীর্ঘ সময় ধরে পরীক্ষা চলার কারণে অন্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হওয়া এবং পরীক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমাতে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয় সংখ্যা এবং কর্মদিবস উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনার প্রাথমিক পরিকল্পনা করছে এনসিটিবি।
শিক্ষামন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন জানিয়েছেন, ২০২৭ সালে বিদ্যমান শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করে দেওয়া হবে এবং ২০২৮ সাল থেকে সম্পূর্ণ নতুন শিক্ষাক্রম চালু হবে। এই নতুন শিক্ষাক্রমে ৪টি নতুন বিষয় যুক্ত হচ্ছে:
➤ চতুর্থ শ্রেণি থেকে: ক্রীড়া ও সংস্কৃতি (আলাদা দুটি বিষয়)
➤ ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে: কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’
➤এছাড়া বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষা শেখার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে এই নতুন শিক্ষাক্রমে।





































































































