নারায়ণগঞ্জে স্বামীকে নৃশংশভাবে জবাই করে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী গ্রেপ্তার
- আপডেট সময়- ১১:০০:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার দেলপাড়ায় স্বামীকে নির্মমভাবে জবাই করে এবং দুই হাতের রগ কেটে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী ফারজানা আক্তার মুন্নি (৪৫) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা একটি চাপাতি ও একটি ছুরিও জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) সকাল ১১টার দিকে দেলপাড়ার চানাচুর ফ্যাক্টরি গলির নিজ বাড়ি থেকে ফারজানা আক্তার মুন্নিকে (৪৫) গ্রেপ্তার করে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ।
জানা গেছে, নিহত জাহাঙ্গীর আলম জনি (৪১), ঢাকার কদমতলী থানার ঢালকানগর বৈশাখী হাউজিং এলাকার বাসিন্দা আব্দুস শাকুরের ছেলে।
এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর আলম জানান, হত্যাকান্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ফারজানা আক্তার মুন্নির, দ্বিতীয় স্বামী ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম জনি। একসময় জনি মুন্নির প্রথম স্বামীর ব্যক্তিগত গাড়ির চালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
সে সময়ই তাদের মধ্যে পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর পরবর্তীতে প্রায় পাঁচ বছর আগে মুন্নি প্রথম স্বামীর সংসার ছেড়ে প্রেমের টানে জনিকে বিয়ে করেন এবং পাগলার দেলপাড়ার চানাচুর ফ্যাক্টরি গলিতে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন। তাদের সংসারে একটি সন্তান রয়েছে।
পুলিশের দাবি, জাহাঙ্গীর আলম জনি ঢাকাস্থ পাঁচ তারকা মানের বিলাসবহুল হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁ হোটেলের বারে চাকরি করতেন। এ কারণেই অন্য নারীদের সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে এমন সন্দেহ থেকে তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহের সৃষ্টি হয় এবং এ নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ লেগেইথাকত ।
ওসি মাহাবুবুর আলম আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, রোববার রাতে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে খাবারের সঙ্গে পাঁচটি ঘুমের ট্যাবলেট মিশিয়ে স্বামীকে খাওয়ান স্ত্রী। পরে গভীর রাতে পরিকল্পনা অনুযায়ী একটি ধারালো চাপাতি দিয়ে তার গলা কেটে পাশাপাশি দুই হাতের রগ কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা চাপাতি ও ছুরি জব্দ করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
নিউজটি শেয়ার করুন..

-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ


















































































































