রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার দায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রোববার (৭ জুন) বেলা ১১টা ৩৭ মিনিটে ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন।
রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত এই হত্যাকাণ্ডকে ‘পৈশাচিক ও জঘন্য’ হিসেবে অভিহিত করেন। মাত্র ১৬ দিনের অভাবনীয় দ্রুততম সময়ে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করে এই রায় ঘোষণা করা হলো, যা বাংলাদেশের বিচারিক ইতিহাসে একটি অনন্য নজির হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসায় শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে তার দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলে ঘাতক সোহেল রানা। এই হত্যাকাণ্ডে তাকে সরাসরি সহযোগিতা এবং আলামত নষ্টের অভিযোগে তার স্ত্রী স্বপ্নাকেও এই মামলার আসামি করা হয়। ২০ মে রামিসার বাবা মামলা করার পর থেকেই পুলিশ অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে তদন্ত শেষ করে এবং আদালত মাত্র ৪ কার্যদিবসে সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক সম্পন্ন করেন।
রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিই আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। ফাঁসির আদেশ শোনার পর তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা দেখা না গেলেও আদালত কক্ষের বাইরে রামিসার স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং ন্যায়বিচার পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।





































































































