সর্বশেষ:-
প্রচ্ছদ /
Uncategorized, অর্থ ও বাণিজ্য, আইন আদালত, আন্তর্জাতিক, আবহাওয়া ও জলবায়ু, ইসলাম ও জীবন, উপজেলা প্রশাসন, গণমাধ্যম, জাতীয়, জেলা প্রশাসক কার্যালয়, ঢাকা, দূর্নীতি দমন কমিশন(দুদক), দেশজুড়ে, নারায়ণগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ সদর, নারী ও শিশু, পূর্বাভাস, ফতুল্লা, বাংলাদেশ, বাংলাদেশ পুলিশ, সিদ্ধিরগঞ্জ
বিকেএমইএ-চেম্বারের যানযট নিরসন কর্মীদের বৈরী আচরণ ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ক্ষুব্ধ-অতিষ্ঠ নগরবাসী
প্রতিনিধির নাম
- আপডেট সময়- ০৫:২০:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ৬৭ বার পড়া হয়েছে

☞ জেলায় পর্যাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ থাকা সত্বেও, পুলিশকে অকার্যকরসহ মনোবল ভাঙতেই বিকেএমইএ ও চেম্বার যানযট নিরসনের নামে সেচ্ছাসেবী নিয়োগের এহেন প্রচেষ্টা..!
বিশেষ প্রতিবেদক।।
নারায়ণগঞ্জে পর্যাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ থাকা সত্বেও যানযট নিরসনের নামে চেম্বার ও বিকেএমইএ’র সেচ্ছাসেবী নিয়োগে অকার্যকর তদারকি নামে চাঁদাবাজীসহ পথচারীদের সাথে অরাজকতা ও বিদ্বেষীমূলক আচরনে অতিষ্ঠ জনজীবনে দুর্ভোগ। একদিকে ভয়াবহ যানযট অপরদিকে সন্ত্রাসী বৈরি কর্মকান্ড।
সরেজমিনে দেখা গেছে ট্রাফিক পুলিশ কার্যক্রমকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তাদের নিজের চরিতার্থকে জাহিল করার হীন প্রচেষ্টা এবং ট্রাফিক পুলিশ কার্যক্রমকে ব্যাহত করতে সুকৌশলে অভিনব পদ্ধতি অবলম্বন করছে একটি স্বার্থান্বেশী মহল।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে বাস্তবতা দেখা যাচ্ছে এসকল যানযট নিরসন সেচ্ছাসেবীদের কারনে যানযট নিরসনের নামে উল্টো যানযট বেগতিক ভাবে ঘন্টা পর ঘন্টা লেগে আছে।
বিকেএমইএ-চেম্বার কিছু সংখ্যাক অদক্ষ ও অযোগ্য যুবকদের সেচ্ছাসেবীর দায়িত্ব দিয়ে যানযট নিরসন তো দুরের কথা বরং ট্রাফিক ব্যবস্থাকে অকার্যকর করে ফেলছে। কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে, কোনো অগ্রগতির লেস মাত্র নেই।
এবিষয়ে সাধারণ মানুষের বক্তব্য ট্রাফিক আইন বিষয়ে অদক্ষ অযোগ্য লোক দিয়ে যানযট নিরসন কোনদিনও সম্ভব হবে না, না জানে তারা ট্রাফিক আইন, না জানে ট্রাফিক ব্যবস্থা। ছাগল দিয়ে কোনোদিন হালচাষ করা যায় না? এমনটাই বলছে ভুক্তভোগী পথচারী, কোনোদিন সম্ভবও নয় এমনটাই বলছে ভুক্তভোগী পথচারী। যেখানে সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে ট্রাফিক পুলিশ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চাকুরীসহ সকল সুযোগ সুবিধা দেয়। তা সত্বেও তারা ট্রাফিক পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে অদক্ষ অযোগ্য সেচ্ছাসেবী নিয়োগের মাধ্যমে যানযট নিরসন তো দুরের কথা, সেখানে সারাদিন যানযট লেগেই থাকছে কোন ধরনে সুফল জনসাধারণ পাচ্ছেই না। এক এক মোড়ে ৫/৭ জন সেচ্ছাসেবী দেখা যায়, আর ট্রাফিক পুলিশ নির্বাক হয়ে দাড়িয়ে থাকে।
এক পথচরী জানিয়েছেন এসব ছেলে পেলে রেখে রাস্তা ঘাটে মেয়েরা ইভটিজিং সহ শ্লীলতাহানির শিকার হচ্ছে। কেউ কিছু বললে তাদের সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে যাচ্ছে। এই চিত্র হরহামেশাই দেখা যায়। কোন কোন সময় দেখা যাচ্ছে উৎকোচ গ্রহনের মাধ্যমে অনেক যানবাহনকে উল্টো দিকে চলাচলের সুযোগ করে দিচ্ছে। অনেকের সাথে বাকবিতন্ডা এমনকি হাতাহাতি এবং মারামারির ঘটনা ঘটাচ্ছে তারা। বেশ কয়েকবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও ভাইরাল হয়েছে। অনেকের নজরে এসেছে। কোনো কোনো সময় প্রাইভেট কার ড্রাইভারের সাথে হাতাহাতি বাকবিতন্ডা করতে দেখে গেছে। এসকল কর্মকান্ড নিত্যদিনের।
জনসেবা মূলক কান্ডে ট্রাফিক পুলিশ যে ধৈর্যের পরিচয় বহন করে, বিকেএমইএ ও চেম্বারের সেচ্ছাসেবীদের মধ্যে এসবের লেস মাত্র দেখা যায় না, তাদের সবসময় মারমূখী সন্ত্রাসী মনোভাবের অগ্নি মূর্তী দেখা যায়।
এ বিষয়ে এক প্রাইভেট কার চালক জানিয়েছে, এসব অদক্ষ অযোগ্য ছেলেপুলে রেখেছে, হাতে ওয়াকিটকি দরিয়ে দিয়েছে। এর ফলে এরা নিজেদেরকে বড়কিছু মনে করে চলছে। কাউকে কিছু মনেই করছে না, টাকার বিনিময়ে অটোরিকশা চালকদের সুযোগ করে দিয়ে যানযটের সৃষ্টি করে। নিজেরদেরকে সন্ত্রাসী কায়দায় উপস্থাপন করে স্বাচ্ছন্দবোধ করে।যা অনেকেই দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
অপরদিকে, এক মোটরসাইকেল চালকের সাথে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে সাংবাদিক গিয়ে জিজ্ঞেস করছে ঘটনার সূত্র, এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ওয়াকিটকি হাতে এক যুবক, সে তাকে একধরনের হুমকি দিয়ে স্থান ত্যাগ করতে বলে। না হলে খারাপ হবে বলে হুমকি ধামকি প্রদান করে। এধরণের ঘটনা শহরজুড়ে এখন হরহামেশাই শহরজুড়ে দেখা যাচ্ছে, ওয়াকিটকি হাতে যুবক, কে যে আসলে ট্রাফিক পুলিশ জনসাধারণের চিহ্নিত করতেই অসুবিধা মুখে পরতে হয়।
এতসব দক্ষ ট্রাফিক পুলিশ থাকা সত্বেও যে যানজট ছিলো এখন তা আরও দ্বিগুন হয়েছে। কোন আশানুরূপ সাফল্য তো হয়ইনি। উল্টো যানযট বেগতিক পরিমানে বেড়েছে। কারন প্রশিক্ষিত ও দক্ষ ট্রাফিক পুলিশ নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করতে পারছেনা, বিকেএমইএ ও চেম্বারের নিয়োগ প্রাপ্ত অযোগ্য অদক্ষ জনবলের প্রভাবে। তারাই এখন বড় পুলিশে পরিনত হয়েছে। যাদের নেই কোন দক্ষতা যোগ্য, নেই কোনো ভদ্রতা, নেই বিন্দু মাত্র কার্টিসি।
বিকেএমইএ ও চেম্বারের এসব অযোক্তিক কার্যক্রমের ফলে নারায়ণগঞ্জে ট্রাফিক ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পরছে। সাধারণ মানুষের কর্মঘন্টা হারাচ্ছে ভয়াবহ যানজটের কবলে পরে নাজেহাল জনজীবন।
এক নারী পথচারী রাগে ক্ষোভে দুঃখ প্রকাশ করে জানিয়েছে, যানযট নিরসন কর্মীর নামে এসকল বেয়াদব উচ্ছৃঙ্খল ছেলে পেলেদের কারনে রাস্তায় চলাচল করা অসাধ্য, এরা যানযট নিরসনের নামে চাঁদাবাজীসহ নানান ধরনের অপরাধ মূলক কর্মকান্ড করছে। এদের নিয়োগের ফলে যানযট নিরসন তো দুরের কথা এরা টাকা চিনে বসেছে। বিভিন্ন পন্থায় টাকা কামাচ্ছে। আর মানুষের সাথে খারাপ আচর করছে। কিছু বলতে গেলেই চড়াও হচ্ছে, কোনো কোনো সময়তো মারতে আসে সন্ত্রাসী কায়দায়। তাদের কাছে হেনস্তা শিকার হয়নি এমন পথচারী কমই আছে, বিশেষ করে হোন্ডা চালক, ড্রাইভার, অটোরিকশা চালকসহ যাত্রীরা।
সবশেষে এক প্রভাবশালী সেচ্ছাসেবী জিয়াউল নামে নিজেকে চেম্বারের এডমিন পরিচয়ধারী সামান্য তুচ্ছতাচ্ছিল্যের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই যুবক সিনিয়র ওই সাংবাদিকের সাথে বাকবিতন্ডায় লিপ্ত হয়ে, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে, দায়িত্বরত এক ট্রাফিক পুলিশের সামনে, তখন তিনিও নির্বাক হয়ে তাকিয়ে দেখেন এঘটনা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে এসকল কর্মকান্ডের মূল হোতা চেম্বার ও বিকেএমইএ এর নিয়োগ প্রাপ্ত সেচ্ছাসেবী নামধারী জিয়াউল, তিনি নিজেকে চেম্বারের এডমিন বলে পরিচয় দিয়ে দাবিয়ে বেড়ায়। তার বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললেই, সে নিজেকে আরএর গার্মেন্টস এর কর্ণধার সোহেল সাহেবের পরিচয় দেয়।তাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করেন আমি কে? এই বলে উদ্ধত দেখায়।
এ বিষয়ে খোঁজ নিতে সোহেল সাহেব বিকেএমইএ এর সহসভাপতি এবং চেম্বারের পরিচালকের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে অন্য কাউকে ফরোয়ার্ড করার চেষ্টা করেন, তারপরও তাকে বলা হলে তিনি দেখছেন বলে লাইনটি কেটে দেন। পরবর্তীতে তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।
এভাবে চলতে থাকলে ট্রাফিক পুলিশ ও ট্রাফিক ব্যবস্থা ভেঙে পরার আশঙ্কার পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ শহর যানযটের কবলে পরে বহু কর্মঘন্টা নষ্ট হবে বলে বিশেষজ্ঞদের মতামত। এতে করে সামাজিক অবক্ষয় ক্রমশ বেড়েই চলবে, এমনকি ট্রাফিক পুলিশ মনোবল পুরোপুরি ভেঙে পরার শঙ্কা রয়েছে। যা ইতোমধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে।
ট্রাফিক পুলিশের কর্মদক্ষতা যোগ্য মনোবল জনসাধারণের কাছে তুচ্ছতাচ্ছিল্যে পরিনত হবে। এসকল কারনে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের ক্রমশ কাজের প্রতি অনিহা লক্ষ করা যাচ্ছে। তাদেরকে তদারকি করতে দেখা গেছে বিকেএমইএ ও চেম্বারের নিয়োগ প্রাপ্ত অযোগ্য অদক্ষ গুন্ডা বাহিনী সেচ্ছাসেবী। জনসাধারণের সেবা দেয়ার নামে রাস্তায় ওয়াকিটকি হাতে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে বেড়াচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে শহরের পর্যাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ দায়িত্বে রযেছে। কিন্তু বিকেএমইএ ও চেম্বারের প্রাপ্ত অযোগ্য লোক দিয়ে কি দেখাতে চাচ্ছে? ট্রাফিক পুলিশ অকার্যকর? তাদের দক্ক্ষ কাজে ব্যাঘাৎ ঘটার কারনে সারাদিন যানযট লেগেই থাকছে। কোন ধরনেরই সুফল আসছে না।
বরং কিছুক্ষন পরপর কারো না কারো সাথে হাতাহাতি বাকবিতন্ডায় মারামারি লেগেই থাকছে। যদি এরাই সব পারত তাহলে এতো ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ট্রাফিক পুলিশের নিয়োগ কি দরকার ছিলো। সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে মাধ্যমে এবং অযোগ্য সেচ্ছাসেবী নামধারী গুন্ডা বাহিনী রেখে কখনো যানজট নিরসন সম্ভব নয়, হবেও না, ট্রাফিক পুলিশকে ধর্য্যের সাথে নিরবচ্ছিন্ন কাজ করতে সুযোগ দিতে হবে, তাহলেই ভয়াবহ যানজটের কবল থেকে মুক্তি পাবে নারায়ণগঞ্জের জনগন। এমনটাই প্রত্যাশা জনসাধারণ ও পথচারীদের। বিকেএমইএ ও চেম্বার যানযট নিরসন ব্যবস্থাকে হযবরল করে ফেলেছে। তাদের এহেন কর্মকান্ডের ফলে ট্রাফিক পুলিশ কিছুই বলতে ও সইতে পারছে না, নির্বাক হয়ে দাড়িয়ে থাকছে। এমনটাই সংখ্যাগরিষ্ঠ ব্যাক্তিবর্গ অভিমত পোষণ করছেন।
নিউজটি শেয়ার করুন..
ট্যাগস:-

-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ



































































































































































