ঢাকা ০৯:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বীর বাঙালি ঐক্য গড়ো, বাংলাদেশ রক্ষা করো স্লোগানে প্রকম্পিত না’গঞ্জের রাজপথ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:০৮:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৭৩ বার পড়া হয়েছে
জনসভা জনসমুদ্রে পরিনত করে রেকর্ড ভাঙলেন জননেতা শামীম ওসমান!
বিশেষ প্রতিনিধি।।
বীর বাঙালি ঐক্য গড়ো, বাংলাদেশ রক্ষা করো; দেশ বাঁচাতে দরকার, শেখ হাসিনা সরকার; জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। ১৫ মিনিট ধরে চলা লাখো কণ্ঠের স্লোগানে প্রকম্পিত হয় গোটা নগরী। সমাবেশের প্রধান অতিথি জননেত্রী প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত আস্থাভাজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
পূর্বঘোষিত জনসভায় লোকসমাগমে জনসমুদ্রে পরিনত করে নিজের রেকর্ড ভাঙলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ জননেতা একেএম শামীম ওসমান। আজকের
জনসভা ৩টা হওয়ার কথা থাকলেও নেতাকর্মীরা দুপুর ১২টা থেকেই সমাবেশ স্থলে দলে দলে আসতে শুরু করেন। স্লোগানে স্লোগানে পুরো নারায়ণগঞ্জ শহর প্রকম্পিত করতে থাকেন। এ সময় তাদের প্রত্যেকের হাতে ছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বঙ্গবন্ধু আর শামীম ওসমানের রং বেরঙের ব্যানার-ফেস্টুন। অনেকেই আসেন বাদ্য-বাজনা বাজিয়ে।
এ সমাবেশকে ধীরে পুরো জেলা ও  শহর ছিল উৎসবমুখর। ঘড়ির কাঁটায় বিকেল ৪টা নারায়ণগঞ্জ নগরীর বঙ্গবন্ধু সড়কের ২ নম্বর রেলগেট এলাকার আওয়ামী লীগ কার্যালয় থেকে ডিআইটি হয়ে শহরের প্রাণকেন্দ্র চাষাঢ়ার গোল চত্বর, নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড, পশ্চিমে জামতলা, পূর্বে খানপুরসহ প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা জুড়ে জনস্রোতে রূপ নেয়। নারায়ণগঞ্জ
আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সাংসদ শামীম ওসমানের জনসভার ডাক মানেই লাখো মানুষকে সমাগম, এমনটাই ধারণা ছিল রাজনৈতিক অঙ্গনে এবং সাধারন জনগনের। কিন্তু সেই ধারণাকেও এবার পাল্টে দিয়ে শনিবারের জনসভা জনসমুদ্রে পরিনত হয়। সেই পুরনো ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে জনপ্রিয়, মা মাটি মানুষের নেতা জননেতা একেএম শামীম ওসমান লোকসমাগমে জনসমুদ্রে পরিনত অতীতের রেকর্ড ভেঙে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন কয়েক লাখ লোকের সমাগমে সরব পুরো নগর।
 দুপুর ২টা থেকে জেলার সদর, বন্দর ফতুল্লা, সোনারগাঁও আড়াইহাজার ও রূপগঞ্জ-সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে হাজার হাজার মিছিল ছুটে আসে মূল শহরের ২ নম্বর রেলগেট এলাকায় সমাবেশ স্থলে। জেলার প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় নেতা শামীম ওসমানের ডাকে সাড়া দিয়ে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের এ জনসভায় তিনি ঘোষণা দিয়েই লাখো জনতা নিয়ে দেশি-বিদেশি সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ থেকে ঘণ্টা বাজাবেন। সেই ঘণ্টা বেজে উঠবে সারা দেশে।
বিকেল ৪টায় সমাবেশ স্থলে প্রধান অতিথি স্বররাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খান কামালকে নিয়ে মঞ্চে ওঠেন এই নেতা।
প্রধান অতিথিসহ সাংসদ শামীম ওসমান সমাবেশস্থলে সমবেত হয়ে লাখ জনসমুদ্রে জনগনকে স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত করে তোলেন পুরো রাজপথ‘। এক পর্যায়ে মঞ্চ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়, সামবেশস্থলে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। তাই যেখানে যে মিছিল নিয়ে আছেন সেখানেই অবস্থান করুন। সামবেশস্থলে বিকেল ৪টার পর মিছিলগুলোতে আসা হাজার হাজার নেতাকর্মী শেষে অবস্থান নেন চাষাঢ়ার শহীদ মিনার, সলিমুল্লাহ সড়কসহ আশপাশ জুড়ে।
প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল বক্তব্যে শুরুতেই বলেন, আজকে নারায়ণগঞ্জের এ জনসভায় সভাপতিত্ব করছেন আপনাদের প্রিয় নেতা শামীম ওসমান। আজ শামীমের ডাকে আপনারা আপনারা সাড়া দিয়ে যেভাবে এসেছেন, এখানে লাখো জনতার ঢল নেমেছে। এই লাখো মানুষের ঢলই প্রমাণ করে নারায়ণগঞ্জের মানুষ বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাকে কতটা ভালোবাসে।’
তিনি বলেন, ‘শামীম ওসমানের পিতা বঙ্গবন্ধুর একজন ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। তার সন্তানরা আজ নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। শামীম ওসমানের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জ আজ আওয়ামী লীগের শক্তিশালী ঘাঁটি। ঢাকার অদূরে আওয়ামী লীগের সমাবেশেও শামীম ওসমান হাজারো নেতাকর্মী নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। আজকে আপনাদের উপস্থিতি এটা প্রমাণ করে, নারায়ণগঞ্জ তথা পুরো বাংলাদেশে শেখ হাসিনা একটি আস্থার নাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নাই। শেখ হাসিনার বিকল্প শুধুই শেখ হাসিনা নিজেই।’
সভাপতির বক্তব্যে জননেতা সাংসদ শামীম ওসমান বলেন, ‘আজকের সমাবেশে নারায়ণগঞ্জের লাখো জনতা উপস্থিত তারা দেশরক্ষায় সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। আমরা সব সময়ই প্রস্তুত থাকি। শুধু একবার ডাকবেন। গভীর রাত হলেও শুধু আধা ঘণ্টা সময় দেবেন। লাখো লোক নিয়ে নারায়ণগঞ্জ ঠিক রেখে ঢাকার রাজধানীতে লাখো লোক নিয়ে হাজির হব ইনশাআল্লাহ।’
তিনি আরো বলেন,একাত্তরের স্লোগান ছিল, ‘বীর বাঙালি অস্ত্র ধর, বাংলাদেশ স্বাধীন কর।’ আর আজকে আমাদের স্লোগান, ‘বীর বাঙালি ঐক্য গড়ো, বাংলাদেশ রক্ষা করো; দেশ রক্ষায় দরকার, শেখ হাসিনা সরকার।’ তাই পরিষ্কার করে বলতে চাই, দেশ রক্ষায় দেশি-বিদেশি এবং স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে যেকোনো সময় যেকোনো ডাকে নারায়ণগঞ্জে শেখ হাসিনার এক দল অতন্দ্র প্রহরী কর্মীরা সদা প্রস্তুত। শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও নারায়ণগঞ্জের কর্মীরা দেশরক্ষায় যেকোনো আত্মত্যাগে এগিয়ে আসবে।
এ সময় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই, সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহিদ মো. বাদল, মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু চন্দন শীল, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহা, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নিজাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, সোনারগাঁ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি,সাবেক সাংসদ কায়সার হাসনাত, যুবলীগ নেতা কাউছার আহম্মেদ, মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন ভূইয়া সাজনু প্রমূখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বীর বাঙালি ঐক্য গড়ো, বাংলাদেশ রক্ষা করো স্লোগানে প্রকম্পিত না’গঞ্জের রাজপথ

আপডেট সময় : ০৫:০৮:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩
জনসভা জনসমুদ্রে পরিনত করে রেকর্ড ভাঙলেন জননেতা শামীম ওসমান!
বিশেষ প্রতিনিধি।।
বীর বাঙালি ঐক্য গড়ো, বাংলাদেশ রক্ষা করো; দেশ বাঁচাতে দরকার, শেখ হাসিনা সরকার; জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। ১৫ মিনিট ধরে চলা লাখো কণ্ঠের স্লোগানে প্রকম্পিত হয় গোটা নগরী। সমাবেশের প্রধান অতিথি জননেত্রী প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত আস্থাভাজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
পূর্বঘোষিত জনসভায় লোকসমাগমে জনসমুদ্রে পরিনত করে নিজের রেকর্ড ভাঙলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ জননেতা একেএম শামীম ওসমান। আজকের
জনসভা ৩টা হওয়ার কথা থাকলেও নেতাকর্মীরা দুপুর ১২টা থেকেই সমাবেশ স্থলে দলে দলে আসতে শুরু করেন। স্লোগানে স্লোগানে পুরো নারায়ণগঞ্জ শহর প্রকম্পিত করতে থাকেন। এ সময় তাদের প্রত্যেকের হাতে ছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বঙ্গবন্ধু আর শামীম ওসমানের রং বেরঙের ব্যানার-ফেস্টুন। অনেকেই আসেন বাদ্য-বাজনা বাজিয়ে।
এ সমাবেশকে ধীরে পুরো জেলা ও  শহর ছিল উৎসবমুখর। ঘড়ির কাঁটায় বিকেল ৪টা নারায়ণগঞ্জ নগরীর বঙ্গবন্ধু সড়কের ২ নম্বর রেলগেট এলাকার আওয়ামী লীগ কার্যালয় থেকে ডিআইটি হয়ে শহরের প্রাণকেন্দ্র চাষাঢ়ার গোল চত্বর, নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড, পশ্চিমে জামতলা, পূর্বে খানপুরসহ প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা জুড়ে জনস্রোতে রূপ নেয়। নারায়ণগঞ্জ
আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সাংসদ শামীম ওসমানের জনসভার ডাক মানেই লাখো মানুষকে সমাগম, এমনটাই ধারণা ছিল রাজনৈতিক অঙ্গনে এবং সাধারন জনগনের। কিন্তু সেই ধারণাকেও এবার পাল্টে দিয়ে শনিবারের জনসভা জনসমুদ্রে পরিনত হয়। সেই পুরনো ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে জনপ্রিয়, মা মাটি মানুষের নেতা জননেতা একেএম শামীম ওসমান লোকসমাগমে জনসমুদ্রে পরিনত অতীতের রেকর্ড ভেঙে এক নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন কয়েক লাখ লোকের সমাগমে সরব পুরো নগর।
 দুপুর ২টা থেকে জেলার সদর, বন্দর ফতুল্লা, সোনারগাঁও আড়াইহাজার ও রূপগঞ্জ-সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে হাজার হাজার মিছিল ছুটে আসে মূল শহরের ২ নম্বর রেলগেট এলাকায় সমাবেশ স্থলে। জেলার প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় নেতা শামীম ওসমানের ডাকে সাড়া দিয়ে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের এ জনসভায় তিনি ঘোষণা দিয়েই লাখো জনতা নিয়ে দেশি-বিদেশি সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ থেকে ঘণ্টা বাজাবেন। সেই ঘণ্টা বেজে উঠবে সারা দেশে।
বিকেল ৪টায় সমাবেশ স্থলে প্রধান অতিথি স্বররাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খান কামালকে নিয়ে মঞ্চে ওঠেন এই নেতা।
প্রধান অতিথিসহ সাংসদ শামীম ওসমান সমাবেশস্থলে সমবেত হয়ে লাখ জনসমুদ্রে জনগনকে স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত করে তোলেন পুরো রাজপথ‘। এক পর্যায়ে মঞ্চ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়, সামবেশস্থলে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। তাই যেখানে যে মিছিল নিয়ে আছেন সেখানেই অবস্থান করুন। সামবেশস্থলে বিকেল ৪টার পর মিছিলগুলোতে আসা হাজার হাজার নেতাকর্মী শেষে অবস্থান নেন চাষাঢ়ার শহীদ মিনার, সলিমুল্লাহ সড়কসহ আশপাশ জুড়ে।
প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল বক্তব্যে শুরুতেই বলেন, আজকে নারায়ণগঞ্জের এ জনসভায় সভাপতিত্ব করছেন আপনাদের প্রিয় নেতা শামীম ওসমান। আজ শামীমের ডাকে আপনারা আপনারা সাড়া দিয়ে যেভাবে এসেছেন, এখানে লাখো জনতার ঢল নেমেছে। এই লাখো মানুষের ঢলই প্রমাণ করে নারায়ণগঞ্জের মানুষ বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাকে কতটা ভালোবাসে।’
তিনি বলেন, ‘শামীম ওসমানের পিতা বঙ্গবন্ধুর একজন ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। তার সন্তানরা আজ নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। শামীম ওসমানের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জ আজ আওয়ামী লীগের শক্তিশালী ঘাঁটি। ঢাকার অদূরে আওয়ামী লীগের সমাবেশেও শামীম ওসমান হাজারো নেতাকর্মী নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। আজকে আপনাদের উপস্থিতি এটা প্রমাণ করে, নারায়ণগঞ্জ তথা পুরো বাংলাদেশে শেখ হাসিনা একটি আস্থার নাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নাই। শেখ হাসিনার বিকল্প শুধুই শেখ হাসিনা নিজেই।’
সভাপতির বক্তব্যে জননেতা সাংসদ শামীম ওসমান বলেন, ‘আজকের সমাবেশে নারায়ণগঞ্জের লাখো জনতা উপস্থিত তারা দেশরক্ষায় সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। আমরা সব সময়ই প্রস্তুত থাকি। শুধু একবার ডাকবেন। গভীর রাত হলেও শুধু আধা ঘণ্টা সময় দেবেন। লাখো লোক নিয়ে নারায়ণগঞ্জ ঠিক রেখে ঢাকার রাজধানীতে লাখো লোক নিয়ে হাজির হব ইনশাআল্লাহ।’
তিনি আরো বলেন,একাত্তরের স্লোগান ছিল, ‘বীর বাঙালি অস্ত্র ধর, বাংলাদেশ স্বাধীন কর।’ আর আজকে আমাদের স্লোগান, ‘বীর বাঙালি ঐক্য গড়ো, বাংলাদেশ রক্ষা করো; দেশ রক্ষায় দরকার, শেখ হাসিনা সরকার।’ তাই পরিষ্কার করে বলতে চাই, দেশ রক্ষায় দেশি-বিদেশি এবং স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে যেকোনো সময় যেকোনো ডাকে নারায়ণগঞ্জে শেখ হাসিনার এক দল অতন্দ্র প্রহরী কর্মীরা সদা প্রস্তুত। শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও নারায়ণগঞ্জের কর্মীরা দেশরক্ষায় যেকোনো আত্মত্যাগে এগিয়ে আসবে।
এ সময় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই, সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহিদ মো. বাদল, মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু চন্দন শীল, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খোকন সাহা, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নিজাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, সোনারগাঁ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি,সাবেক সাংসদ কায়সার হাসনাত, যুবলীগ নেতা কাউছার আহম্মেদ, মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন ভূইয়া সাজনু প্রমূখ।