ঢাকা ০২:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:-
নারায়ণগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে ১২ কেজি গাঁজা ও নারীসহ গ্রেপ্তার-৩ গাইবান্ধায় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে আটক দুই আ’লীগ নেতা কুষ্টিয়ায় ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-৫ একুশের প্রথম প্রহরে নারায়ণগঞ্জ শহীদ মিনারে ডিসি-এসপির শ্রদ্ধা শহীদদের স্মরণে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা আজ মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ভাষা শহীদদের প্রতি জিয়া পরিবারের শ্রদ্ধা নিবেদন এশিয়ার বৃহৎ হাকালুকি হাওরে পুরোনো পরিবেশে ফিরে নিতে চায় মৌলভীবাজারের ৬০৩ টি বিদ্যালয়ে নেই কোন “শহিদ মিনার” দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন নারায়ণগঞ্জে র‍্যাব-ডিবি পরিচয়ধারী চাঁদাবাজ ‘সোর্স বাবু’ অস্ত্রসহ র‍্যাবের জালে দায়িত্ব নিয়েই মৌলভীবাজারে সফরে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক মৌলভীবাজারে র‍্যাব-৯’র অভিযানে হত্যা মামলার পরোয়ানাভুক্ত নারী আসামি গ্রেপ্তার  উখিয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার রূপগঞ্জে ব্যবসায়ী হত্যাকান্ড; পিবিআই’র রহস্য উদ্ঘাটন, ১জনের মৃত্যুদণ্ড, অপর সহোদরের কারাদণ্ড টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ২ লাখ ৭০ হাজার ইয়াবা জব্দ গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার অচলাবস্থা, রোগীকেই কিনতে হচ্ছে গজ-ব্যান্ডেজ টেকনাফ সদর দম্বরী সৈকতে অজ্ঞাত তরুণীর লাশ উদ্ধার হিমাগারের অভাবে মৌলভীবাজারের কৃষকেরা বিপাকে কলেজে ঈদের ছুটি নিয়ে বড় সুখবর স্কুলে ঈদের ছুটি কবে? জানাল মাউশি সচিবালয়ে আজ প্রথম অফিস করবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষাসহ ৫ দপ্তর নিজেই সামলাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাবেক এমপি জেবুন্নেছাসহ আ’লীগের ৩ নেতার জামিন বুধবার চাঁদ দেখা গেলে বৃহস্পতিবার থেকে রোজা শুরু প্রধানমন্ত্রীর পিএস-এপিএস-প্রোটোকল অফিসার নিয়োগ পেলেন যারা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিয়ে গেজেট প্রকাশ গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন ভোটার হওয়ার ৪৯ দিনের মাথায় সংসদ সদস্য ৫৩ দিনেই দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রাম বিভাগ থেকেই ১০ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর দায়িত্বে জহির উদ্দিন স্বপন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেন নারায়ণগঞ্জের কৃতি সন্তান মাসুদুজ্জামান কমলগঞ্জে পারিবারিক কলহে বিষপানে গৃহবধূর আত্মহনন রাজনগরে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার এআই প্রযুক্তি শুধু নতুন সফটওয়্যার নয়; এটি অর্থনীতি- কুষ্টিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে দুপক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে গুলিবিদ্ধ-৩ গাইবান্ধায় যুবদল নেতার হাতের আঙুল বিচ্ছিন্নসহ দুই পা ভেঙে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা মিয়ানমারের জলসীমায় প্রবেশের অভিযোগে আরাকান আর্মির হাতে আটক ৭৩ জেলের প্রত্যাবর্তন নিজ কর্মফলের প্রায়শ্চিত্ত করুন, রিজওয়ানার উদ্দেশ্যে সাংবাদিক জুলকারনাইন আজ জেনারেল আতাউল গনি ওসমানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী নারায়ণগঞ্জে সেপটিক ট্যাংকে মিলল নারীর ক্ষতবিক্ষত অর্ধগলিত মরদেহ আজ পদত্যাগের পর দেশ ছাড়তে পারেন ২ উপদেষ্টা কুষ্টিয়ায় চার সংসদীয় আসনে ১৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত নবনির্বাচিত সরকারের শপথের পরই সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরবে: সেনাপ্রধান টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার ইয়াবাসহ আটক-২ সম্ভাব্য দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন মির্জা ফখরুল বঙ্গভবন নয়, নতুন সরকারের শপথ এবার সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে  নির্বাচিত নতুন সরকারের শপথ মঙ্গলবার, ১৩ দেশের সরকারপ্রধান আমন্ত্রিত  ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক, শেখ হাসিনাকে ফেরানোসহ যেসকল বিষয়ে কথা বলেছেন তারেক রহমান প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব দেশ ছেড়েছেন টেকনাফে মানবপাচার চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, অপহৃত কিশোর উদ্ধার দেশের সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের শরীফুল আলম গাইবান্ধায় জাপা’র ভরাডুবি: মহাসচিব শামীম হায়দারসহ ২৮ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করেছে ইসি আজ পহেলা ফাগুন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ‘ফাঁসির মঞ্চ’ থেকে ফিরে সংসদ সদস্য হলেন বাবর-পিন্টু-আজহার নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে তুড়ি দিয়ে চার হেভিওয়েট প্রার্থীদের উড়িয়ে এনসিপির জয় নারায়ণগঞ্জের সংসদীয় ৫টি আসনের ৪টিতে বিএনপি, ১টিতে এনসিপির জয় রংপুরে জাতীয় পার্টির ধস, জয় মেলেনি একটি আসনেও বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়, ৩৫ বছর পর পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে বাংলাদেশ চট্টগ্রাম-১১ আসন থেকে বিপুল ভোটে জয়ী আমির খসরু কক্সবাজার-১ আসনে বিজয়ী বিএনপির শীর্ষ নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে হারিয়ে ঢাকা-৮ আসনে মির্জা আব্বাসের জয় আজও মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, চলবে অন্যসকল বাহন সংসদ নির্বাচনে ৭ নারী প্রার্থীর বিশাল জয় ঢাকা জেলার পাঁচটি আসনে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২,আসনে বেসরকারিভাবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নারায়ণগঞ্জ-৫, আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী এ্যাড. আবুল কালাম আজাদ নারায়ণগঞ্জ-৩, আসনে জামায়াতকে হারিয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী আজহারুল ইসলাম মান্নান কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান পটুয়াখালী-৩, আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী নুরুল হক নূর ভোলা-১’ জামায়াত প্রার্থীকে হারিয়ে ২য় বার জয়ী আন্দালিব রহমান পার্থ নারায়ণগঞ্জ-০১,বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ভোটে জয়ী দিপু ভূঁইয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলম অবরুদ্ধ, লাঠিচার্জে বিএনপির মুন্সীগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ, সেনাবাহিনী কর্তৃক আটক-৫ ভোটগ্রহণ শেষ, শুরু হয়েছে গণনা কুমিল্লা-৪ ও নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর নির্বাচন বর্জন দৌলতপুরে সীমান্তে বিজিবির অভিযানে দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ গুলি উদ্ধার না’গঞ্জে ঝুঁকিপূর্ন বলে কোন কথা নেই, নিরাপত্তার চাদরে পুরো জেলা: জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জাল ভোট দিলেই সাত বছরের কারাদণ্ড সারাদেশে মধ্যরাত থেকে বন্ধ হচ্ছে ৪ ধরনের যান চলাচল নির্বাচনে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে করণীয় ও বর্জনীয় না’গঞ্জে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি চূড়ান্ত,পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৩হাজার ফোর্স মাঠে থাকবে: ডিসি নির্বাচনকালীন বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতা ঠেকাতে মাঠে থাকবে ২২ʼশ পুলিশ সদস্য  প্রচারণার শেষ দিনেও প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করলেন বিএনপি প্রার্থী শরিফুল ইসলাম গাইবান্ধায় ২১ লক্ষ ভোটারের ভাগ্য নির্ধারণে ৪০ প্রার্থীর শেষ প্রতিশ্রুতি সারাদেশে ২৯৯ আসনে ব্যালট পেপার সরবরাহ সম্পন্ন পদত্যাগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমেদ খান জাতীয় প্রেসক্লাবের টয়লেটে পড়েছিল সাংবাদিক আলী মাসুদের নিথর মরদেহ দেশজুড়ে নির্বাচনকালীন অপরাধ দমনে মাঠে নামছে ৬৫৫ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ‘আজ টেডি ডে’ প্রিয় মানুষকে টেডি উপহার দেওয়ার দিন কক্সবাজারে ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় কুষ্টিয়ায় সাবলেট বাসা থেকে মেডিকেল কলেজ ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার মঙ্গলবার সকাল থেকে সকল ধরনের মিছিল-সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটির আওতায় বাইরে থাকবে যেসব প্রতিষ্ঠান নির্বাচনে ‘ব্লেইম গেম’ এর সুযোগ নেই: চট্রগ্রাম ডিসি জাহিদুল ইসলাম ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধের বিষয়টি প্রত্যাহার করেছে ইসি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল প্রকাশের সময় জানাল ইসি সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকারি চাকুরিজীবিরা ফের টানা ৪ দিনের ছুটি পাচ্ছেন সংবাদকর্মীদের তুলে নেওয়া মুক্ত গণমাধ্যমের জন্য‘ ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টির দৃষ্টান্ত’: টিআইবি

মুন্সীগঞ্জে গণআন্দোলনে তাওহীদের শরীরে বৃদ্ধ গুলি এখনো বহন করছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময়- ০৭:১৪:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২১৮ বার পড়া হয়েছে

মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ

 

বৈষম্যবিরোধে আন্দোলনে স্কুল ছাত্র তাওহিদের শরীরে বৃদ্ধ হয় ২২টি গুলি।এখনো তার শরীরে বহন করছেন ৭টি গুলি।দেড় মাসেরও অধিক সময় ধরে শরীরে এখনো ৭টি গুলি বহন করে চলেছে সে। চিকিৎসকরা অপারেশন করে ইতিমধ্যে তার শরীর হতে ১৫টি গুলি বের করে এনেছেন।তাওহিদ মুন্সীগঞ্জের টংঙ্গীবাড়ী উপজেলার বালিগাওঁ গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।সে বালিগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র।তার বাবা আবুল কালাম পেশায় একজন কৃষক।তাওহিদ গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে মুন্সীগঞ্জ সুপার মার্কেট এলাকায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।ওই আন্দোলন চলাকালীন সময়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ তাদের ওপর গুলি ছুড়লে তাওহিদের দু চোখ-কান কপাল মাথাসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে মোট ২২টি গুলিবিদ্ধ হয়।চোখে গুলিবিদ্ধ হওয়ার  দু-চোখে কোন কিছুই দেখছিলোনা সে।চোখ দিয়ে ঝড়ছিল রক্ত।মুহুমুহু গুলির শব্দে বাচঁতে চোখ বুজেঁই রাস্তা দিয়ে দৌড়াচ্ছিলো।পরে তার গুলিবৃদ্ধ অবস্থা দেখতে পেয়ে অন্যা আন্দোলনকারীরা তাকে নিয়ে যায় মুন্সীগঞ্জের গোয়লপাড়ায় নাসরিন বেগম নামের এক নারীর বাসায়।সে সময় হাসপাতাল এলাকাসহ বিভিন্নস্থানে পুলিশ ও সরকার দলীয় লোকজনের হামলা চলছিল।তাই তাওহিদকে ডাক্তার দেখানো সম্ভব হয়নি।ওই বাড়িতেই মৃত্যুর যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল সে।বিনা চিকিৎসায় সারাদিন ও একরাত আতঙ্ক ভয়ে পুরো রাত জেগে কাটে তার এদিকে ছেলের গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পান তার বাবা আবুল কালাম।ছেলেকে দেখতে ছেলের আশ্রয় নেওয়ার স্থানের কাছে এসেও একদিকে যানবাহন সংকট অন্যদিকে আশ্রয়দাতার বাধাঁর মুখে ওই সময় দেখতে পারেননি ছেলেকে। আশ্রয়দাতা নাসরিন বেগম ভয়ে সে সময় তাওহিদের বাবাকে তার বাড়ির ঠিকানা দেননি। তাছাড়া বারণ করেছিলেন তার বাড়িতে আসতে। কারণ তিনি ওই সময় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অনেকেই বাড়িতে গোপনে আশ্রয় দিয়েছিলেন।বিষয়টি জানাজানি হলে আটক হতে পারেন পুলিশের হাতে সে ভয়ে বার বার বাড়িতে আসতে নিষেধ করেন তাওহিদের বাবাকে।ঠিকানা না পেয়ে তাওহিদের বাবা ছেলের আশ্রয়দাতার বাড়ির আশে-পাশের স্থাণ দিয়ে ঘুরে ফিরে যান বাড়িতে।বাড়িতে ফিরে দেখেন স্ত্রী তাওহিদের মা ছেলের শোকে হার্ট অ্যাটাক করেছেন মুখ বাঁকা হয়ে গেছে তার।ডাক্তার দেখবেন ডাক্তারও পাচ্ছিলো না সে সময়।একদিকে ছেলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় অন্য বাড়িতে আশ্রয়ে অন্যদিকে স্ত্রীর হার্ট অ্যাটাকে কাতর হয়ে পরেন মনির হোসেন।তারপরেও যোগাযোগ রাখছিলেন ছেলের আশ্রয়দাতা নাসরিন বেগমের সাথে।পরে নাসরিন বেগম বলেন ভোর রাত ৫টার দিকে সে সময় মানুষজন রাস্তাঘাটে ততো থাকেনা যদি তাওহিদের বাবা অন্য কোন মহিলাকে সাথে নিয়ে আশ্রয়দাতা নাসরিনের বাড়িতে যায় তবে গোপনে তাওহিদকে তুলে দিবেন তাদের হাতে।ছেলেকে পেতে আশ্রয়দাতার শর্ত অনুযায়ী ৫ আগষ্ট ভোর রাত ৪টার দিকে তাওহিদের চাচিকে সাথে নিয়ে ছুটে যান তাওহিদের বাবা ২০ কিলোমিটার দূরে আশ্রয়দাতার বাড়িতে।পরে আশ্রয়দাতা তাওহিদকে তুলে দেন তার পিতার হতে।৫ আগস্ট ভোরে তাওহিদকে নিয়ে তার বাবা চলে আসেন বাড়িতে।  সে সময় চিকিৎসা দেওয়ার সুযোগ ছিলনা।তাই বাড়িতেই রেখে দেন ছেলেকে।পরে ৬ আগস্ট দেখেন ছেলের পেটে বৃদ্ধ গুলির স্থানগুলো পেকে সাদা হয়ে রয়েছে।মনির হোসেন নিজেই তাওহিদের পেটে চাপ দিয়ে বের করে আনেন ৪টি গুলি।পরে ৬ আগস্ট তারিখে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।কিন্তু ওই হাসপাতালে তাওহিদের শরীর হতে কোন গুলি বের করেনি।পরে ১৬ আগষ্ট তাকে নেওয়া হয় ঢাকাস্থ আগারগাঁওয়ের সেনাবাহিনী পরিচালিত সিএমএম হাসপাতালে ওখানে নেওয়ার পরে ১৭ আগস্ট ৩টা ২৪ আগস্ট ৪টা এভাবে মোট ১৫টি গুলি বের করা হয়।এখনো তাওহিদের শরীরে ৭টি গুলি রয়েছে।এ ব্যাপারে তাওহিদ বলেন,বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যোগ দেওয়ার জন্য গত ৪ আগস্ট তিন বন্ধুকে সাথে নিয়ে সকাল ৭টায় বাড়ি হতে বেরিয়ে পরি। মুন্সীগঞ্জ সদরের সুপার মার্কেট এলাকায় যাওয়ার পরে দেখি সে সময় অল্প কয়জন লোক হয়েছে। তখন পুলিশ কিছুতেই রাস্তায় আমাদের দাঁড়াতে দিচ্ছিলো না।পরে আমরা এদিক সেদিক ঘুড়াঘুড়ি করছিলাম।বেলা বাড়ার সাথে সাথে অনেক লোকজন আসতে থাকে।পরে আমরা মুন্সীগঞ্জ সুপার মার্কেট এলাকায় দাঁড়িয়ে আন্দোলন করতে থাকি।বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ আমাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে আমার শরীরে মোট ২২টি গুলি লাগে।আমার দু-চোখেও গুলি লাগায় আমি চোখে কিছুই দেখতেছিলামনা।তখন চারদিকে গুলির শব্দ হচ্ছিল।আমি ভয়ে রাস্তা দিয়ে চোখ বুজে দৌড়াচ্ছিলাম।গুলি লাগায় আমার চোখ দিয়ে রক্ত ঝড়ছিল।সে সময় অন্য আন্দোলনকারী বন্ধুরা আমাকে মুন্সীগঞ্জ শহরের গোয়লপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে নিয়ে যায়।ওখানে নাসরিন বেগম নামের এক মহিলা আমাদের অনেক অন্দোলনকারীদের আশ্রয় দেয়।ওই ভদ্র মহিলার স্বামী বিদেশে থাকেন।ওনি আমাদের খুব কষ্টে বাড়ির মধ্যে লুকিয়ে রাখেন।একদিকে শরীরে যন্ত্রণা অন্যদিকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের লোকজনের ভয়ে খুব আতঙ্কে সময় কাটছিলো আমাদের। সারারাত ভয়ে আতঙ্কে কাটিয়ে দেই।পরে সকালে বাবা গিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসে আমাকে।এসে দেখি মা হার্ট অ্যাটাক করেছে মুখ বাঁকা হয়ে আছে।পরে আমি বাবাকে বলি আমাকে বাইরে নিলে সমস্যা হতে পারে আমার কিছু হবেনা তুমি মাকে ডাক্তার দেখাও।বাবা মাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যায়।পরে দুপুরে শুনি দেশ স্বাধীন হয়েছে আমরা মুক্ত হয়েছি। পরে আমি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ও সিএমএম হাসপাতালে চিকিৎসা নেই।আমার দু-চোখে কপালে ও মাথায় এখনো ৭টি গুলি আছে। ডাক্তার বলছে আস্তে আস্তে বের করতে হবে।মাঝে মধ্যেই খুব যন্ত্রণা হয়।আমার চিকিৎসা চলছে।এ ব্যাপারে তাওহিদের বাবা মনির হোসেন বলেন, তাওহিদ আমাদের না বলেই আন্দোলনে গিয়েছিল। আমি বিষয়টি জানতাম না।গুলি লাগার পরে আমার ছোট ছেলে আমাকে বলে ভাইয়া আন্দোলনে গিয়ে গুলি খেয়েছে এক বাড়িতে আছে।আমি ছুটে যাই সেই বাড়ির কাছে।কিন্তু যে মহিলা ওকে আশ্রয় দিয়েছে সেই মহিলা আমাকে জানায় আপনি এখোন বাড়িতে আসলে আমার বিপদ হবে।তাছাড়া এখানে অনেক আন্দোলনকারীরা আছে তাদেরও বিপদ হবে।তাই আমি আমার ছেলের সাথে দেখাটাও করতে পারছিলাম না।পরে বাড়িতে ফিরে এসে দেখি স্ত্রী হার্ট অ্যাটাক করেছে।মুখ বাঁকা হয়ে গেছে।সব বন্ধ ডাক্তার দেখাবো সেই স্থানও নাই।আমি সবসময় আমার ছেলেকে আশ্রয় দেওয়া ওই মহিলার সাথে যোগাযোগ করছিলাম।মহিলা আমাকে ৫ তারিখ ভোর ৫টা বাঁজে তাওহিদের মায়ের বয়সী কাউকে নিয়ে যেতে বলে।পরে আমি তাওহিদের চাচিকে সাথে নিয়ে ওই বাড়িতে গেলে ওই মহিলা তাওহিদকে আমার হাতে তুলে দেয়।বাড়িতে এনে  আমি তাওহিদকে ভয়ে চিকিৎসাও দিতে পারছিলাম না।নিজেই তাওহিদের পেটে বৃদ্ধ  ৪ গুলি বের করে আনি।এখোন ওকে সিএমএম হাসপাতালে চিকিৎসা দিচ্ছি।ওর দুচোখে কপালে মাথায় এখনো ৭ গুলি রয়েছে।ডাক্তার বলছে একেক করে বের করবে।তিনি আরো বলেন,ওই সমস্ত গুলি বের করতে যদি টাকা পয়সা কম খরচ হয় তাহলে আমি বহন করতে পারাবো আর টাকা বেশি লাগলে আমার পক্ষে বহন করা সম্ভব হবেনা। আমি কৃষক মানুষ। গত ২৩ সেপ্টেম্বর বিকালে টংঙ্গীবাড়ী প্রেসক্লাবে জামায়াতে ইসলামির অর্থ সহায়তা নিতে এসে এসব কথা বলেন তাওহিদ ও তার বাবা মনির হোসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

ট্যাগস:-

মুন্সীগঞ্জে গণআন্দোলনে তাওহীদের শরীরে বৃদ্ধ গুলি এখনো বহন করছে

আপডেট সময়- ০৭:১৪:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪

মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ

 

বৈষম্যবিরোধে আন্দোলনে স্কুল ছাত্র তাওহিদের শরীরে বৃদ্ধ হয় ২২টি গুলি।এখনো তার শরীরে বহন করছেন ৭টি গুলি।দেড় মাসেরও অধিক সময় ধরে শরীরে এখনো ৭টি গুলি বহন করে চলেছে সে। চিকিৎসকরা অপারেশন করে ইতিমধ্যে তার শরীর হতে ১৫টি গুলি বের করে এনেছেন।তাওহিদ মুন্সীগঞ্জের টংঙ্গীবাড়ী উপজেলার বালিগাওঁ গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।সে বালিগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র।তার বাবা আবুল কালাম পেশায় একজন কৃষক।তাওহিদ গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে মুন্সীগঞ্জ সুপার মার্কেট এলাকায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।ওই আন্দোলন চলাকালীন সময়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ তাদের ওপর গুলি ছুড়লে তাওহিদের দু চোখ-কান কপাল মাথাসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে মোট ২২টি গুলিবিদ্ধ হয়।চোখে গুলিবিদ্ধ হওয়ার  দু-চোখে কোন কিছুই দেখছিলোনা সে।চোখ দিয়ে ঝড়ছিল রক্ত।মুহুমুহু গুলির শব্দে বাচঁতে চোখ বুজেঁই রাস্তা দিয়ে দৌড়াচ্ছিলো।পরে তার গুলিবৃদ্ধ অবস্থা দেখতে পেয়ে অন্যা আন্দোলনকারীরা তাকে নিয়ে যায় মুন্সীগঞ্জের গোয়লপাড়ায় নাসরিন বেগম নামের এক নারীর বাসায়।সে সময় হাসপাতাল এলাকাসহ বিভিন্নস্থানে পুলিশ ও সরকার দলীয় লোকজনের হামলা চলছিল।তাই তাওহিদকে ডাক্তার দেখানো সম্ভব হয়নি।ওই বাড়িতেই মৃত্যুর যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল সে।বিনা চিকিৎসায় সারাদিন ও একরাত আতঙ্ক ভয়ে পুরো রাত জেগে কাটে তার এদিকে ছেলের গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পান তার বাবা আবুল কালাম।ছেলেকে দেখতে ছেলের আশ্রয় নেওয়ার স্থানের কাছে এসেও একদিকে যানবাহন সংকট অন্যদিকে আশ্রয়দাতার বাধাঁর মুখে ওই সময় দেখতে পারেননি ছেলেকে। আশ্রয়দাতা নাসরিন বেগম ভয়ে সে সময় তাওহিদের বাবাকে তার বাড়ির ঠিকানা দেননি। তাছাড়া বারণ করেছিলেন তার বাড়িতে আসতে। কারণ তিনি ওই সময় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অনেকেই বাড়িতে গোপনে আশ্রয় দিয়েছিলেন।বিষয়টি জানাজানি হলে আটক হতে পারেন পুলিশের হাতে সে ভয়ে বার বার বাড়িতে আসতে নিষেধ করেন তাওহিদের বাবাকে।ঠিকানা না পেয়ে তাওহিদের বাবা ছেলের আশ্রয়দাতার বাড়ির আশে-পাশের স্থাণ দিয়ে ঘুরে ফিরে যান বাড়িতে।বাড়িতে ফিরে দেখেন স্ত্রী তাওহিদের মা ছেলের শোকে হার্ট অ্যাটাক করেছেন মুখ বাঁকা হয়ে গেছে তার।ডাক্তার দেখবেন ডাক্তারও পাচ্ছিলো না সে সময়।একদিকে ছেলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় অন্য বাড়িতে আশ্রয়ে অন্যদিকে স্ত্রীর হার্ট অ্যাটাকে কাতর হয়ে পরেন মনির হোসেন।তারপরেও যোগাযোগ রাখছিলেন ছেলের আশ্রয়দাতা নাসরিন বেগমের সাথে।পরে নাসরিন বেগম বলেন ভোর রাত ৫টার দিকে সে সময় মানুষজন রাস্তাঘাটে ততো থাকেনা যদি তাওহিদের বাবা অন্য কোন মহিলাকে সাথে নিয়ে আশ্রয়দাতা নাসরিনের বাড়িতে যায় তবে গোপনে তাওহিদকে তুলে দিবেন তাদের হাতে।ছেলেকে পেতে আশ্রয়দাতার শর্ত অনুযায়ী ৫ আগষ্ট ভোর রাত ৪টার দিকে তাওহিদের চাচিকে সাথে নিয়ে ছুটে যান তাওহিদের বাবা ২০ কিলোমিটার দূরে আশ্রয়দাতার বাড়িতে।পরে আশ্রয়দাতা তাওহিদকে তুলে দেন তার পিতার হতে।৫ আগস্ট ভোরে তাওহিদকে নিয়ে তার বাবা চলে আসেন বাড়িতে।  সে সময় চিকিৎসা দেওয়ার সুযোগ ছিলনা।তাই বাড়িতেই রেখে দেন ছেলেকে।পরে ৬ আগস্ট দেখেন ছেলের পেটে বৃদ্ধ গুলির স্থানগুলো পেকে সাদা হয়ে রয়েছে।মনির হোসেন নিজেই তাওহিদের পেটে চাপ দিয়ে বের করে আনেন ৪টি গুলি।পরে ৬ আগস্ট তারিখে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।কিন্তু ওই হাসপাতালে তাওহিদের শরীর হতে কোন গুলি বের করেনি।পরে ১৬ আগষ্ট তাকে নেওয়া হয় ঢাকাস্থ আগারগাঁওয়ের সেনাবাহিনী পরিচালিত সিএমএম হাসপাতালে ওখানে নেওয়ার পরে ১৭ আগস্ট ৩টা ২৪ আগস্ট ৪টা এভাবে মোট ১৫টি গুলি বের করা হয়।এখনো তাওহিদের শরীরে ৭টি গুলি রয়েছে।এ ব্যাপারে তাওহিদ বলেন,বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যোগ দেওয়ার জন্য গত ৪ আগস্ট তিন বন্ধুকে সাথে নিয়ে সকাল ৭টায় বাড়ি হতে বেরিয়ে পরি। মুন্সীগঞ্জ সদরের সুপার মার্কেট এলাকায় যাওয়ার পরে দেখি সে সময় অল্প কয়জন লোক হয়েছে। তখন পুলিশ কিছুতেই রাস্তায় আমাদের দাঁড়াতে দিচ্ছিলো না।পরে আমরা এদিক সেদিক ঘুড়াঘুড়ি করছিলাম।বেলা বাড়ার সাথে সাথে অনেক লোকজন আসতে থাকে।পরে আমরা মুন্সীগঞ্জ সুপার মার্কেট এলাকায় দাঁড়িয়ে আন্দোলন করতে থাকি।বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ আমাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে আমার শরীরে মোট ২২টি গুলি লাগে।আমার দু-চোখেও গুলি লাগায় আমি চোখে কিছুই দেখতেছিলামনা।তখন চারদিকে গুলির শব্দ হচ্ছিল।আমি ভয়ে রাস্তা দিয়ে চোখ বুজে দৌড়াচ্ছিলাম।গুলি লাগায় আমার চোখ দিয়ে রক্ত ঝড়ছিল।সে সময় অন্য আন্দোলনকারী বন্ধুরা আমাকে মুন্সীগঞ্জ শহরের গোয়লপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে নিয়ে যায়।ওখানে নাসরিন বেগম নামের এক মহিলা আমাদের অনেক অন্দোলনকারীদের আশ্রয় দেয়।ওই ভদ্র মহিলার স্বামী বিদেশে থাকেন।ওনি আমাদের খুব কষ্টে বাড়ির মধ্যে লুকিয়ে রাখেন।একদিকে শরীরে যন্ত্রণা অন্যদিকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের লোকজনের ভয়ে খুব আতঙ্কে সময় কাটছিলো আমাদের। সারারাত ভয়ে আতঙ্কে কাটিয়ে দেই।পরে সকালে বাবা গিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসে আমাকে।এসে দেখি মা হার্ট অ্যাটাক করেছে মুখ বাঁকা হয়ে আছে।পরে আমি বাবাকে বলি আমাকে বাইরে নিলে সমস্যা হতে পারে আমার কিছু হবেনা তুমি মাকে ডাক্তার দেখাও।বাবা মাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যায়।পরে দুপুরে শুনি দেশ স্বাধীন হয়েছে আমরা মুক্ত হয়েছি। পরে আমি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ও সিএমএম হাসপাতালে চিকিৎসা নেই।আমার দু-চোখে কপালে ও মাথায় এখনো ৭টি গুলি আছে। ডাক্তার বলছে আস্তে আস্তে বের করতে হবে।মাঝে মধ্যেই খুব যন্ত্রণা হয়।আমার চিকিৎসা চলছে।এ ব্যাপারে তাওহিদের বাবা মনির হোসেন বলেন, তাওহিদ আমাদের না বলেই আন্দোলনে গিয়েছিল। আমি বিষয়টি জানতাম না।গুলি লাগার পরে আমার ছোট ছেলে আমাকে বলে ভাইয়া আন্দোলনে গিয়ে গুলি খেয়েছে এক বাড়িতে আছে।আমি ছুটে যাই সেই বাড়ির কাছে।কিন্তু যে মহিলা ওকে আশ্রয় দিয়েছে সেই মহিলা আমাকে জানায় আপনি এখোন বাড়িতে আসলে আমার বিপদ হবে।তাছাড়া এখানে অনেক আন্দোলনকারীরা আছে তাদেরও বিপদ হবে।তাই আমি আমার ছেলের সাথে দেখাটাও করতে পারছিলাম না।পরে বাড়িতে ফিরে এসে দেখি স্ত্রী হার্ট অ্যাটাক করেছে।মুখ বাঁকা হয়ে গেছে।সব বন্ধ ডাক্তার দেখাবো সেই স্থানও নাই।আমি সবসময় আমার ছেলেকে আশ্রয় দেওয়া ওই মহিলার সাথে যোগাযোগ করছিলাম।মহিলা আমাকে ৫ তারিখ ভোর ৫টা বাঁজে তাওহিদের মায়ের বয়সী কাউকে নিয়ে যেতে বলে।পরে আমি তাওহিদের চাচিকে সাথে নিয়ে ওই বাড়িতে গেলে ওই মহিলা তাওহিদকে আমার হাতে তুলে দেয়।বাড়িতে এনে  আমি তাওহিদকে ভয়ে চিকিৎসাও দিতে পারছিলাম না।নিজেই তাওহিদের পেটে বৃদ্ধ  ৪ গুলি বের করে আনি।এখোন ওকে সিএমএম হাসপাতালে চিকিৎসা দিচ্ছি।ওর দুচোখে কপালে মাথায় এখনো ৭ গুলি রয়েছে।ডাক্তার বলছে একেক করে বের করবে।তিনি আরো বলেন,ওই সমস্ত গুলি বের করতে যদি টাকা পয়সা কম খরচ হয় তাহলে আমি বহন করতে পারাবো আর টাকা বেশি লাগলে আমার পক্ষে বহন করা সম্ভব হবেনা। আমি কৃষক মানুষ। গত ২৩ সেপ্টেম্বর বিকালে টংঙ্গীবাড়ী প্রেসক্লাবে জামায়াতে ইসলামির অর্থ সহায়তা নিতে এসে এসব কথা বলেন তাওহিদ ও তার বাবা মনির হোসেন।