ঢাকা ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:-
বিসিবির মার্কেটিং কমিটির চেয়ারম্যান ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের ভিসির দায়িত্বে মাসুদুজ্জামান নাসিক বর্জ্যবাহী ট্রাকের চাপায় ছাত্রদল ও যুবদল নেতার অকাল মৃত্যু টেকনাফে পুলিশের অভিযানে, ২৪ ঘন্টা মধ্যে ৫ অপহৃত উদ্ধার বাতিল হচ্ছে ৬ বিষয়ে অনার্স, যুক্ত হচ্ছে প্রযুক্তিনির্ভর কোর্স রূপগঞ্জে ওজু শেখানোর নামে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা: অভিযুক্ত শিক্ষক গ্রেপ্তার গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার রাজধানীবাসীর পানির চাহিদা পূরণ করবে: মির্জা ফখরুল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত মতিঝিলে দিনের আলোয় জনসম্মুখে গুলি করে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই শিশু রামিসা ধ/র্ষ/ণ-হ/ত্যা/য় ঘাতক দম্পতি সোহেল-স্বপ্নার মৃ/ত্যু/দণ্ড অনলাইন নিউজ পোর্টালের জন্য নতুন নীতিমালা করছে সরকার লক্ষ্মীপুর জেলায় ‘চন্দ্রগঞ্জ’ নামে নতুন উপজেলা গঠন করে গেজেট প্রকাশ বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে পরিচালক পদে জয় পেয়েছেন মাসুদুজ্জামান আজ ৭ই জুন, ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস বক্তাবলী-আলীরটেক’র মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স চালুর আহ্বান সদর ইউএনও’র বিসিবি নির্বাচনে পরিচালক পদে লড়ছেন নারায়ণগঞ্জের কৃতি সন্তান মাসুদুজ্জামান প্রিয় দল ব্রাজিলের শাড়িতে ‘হেক্সা’র বার্তা দিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী হিমি ইরানে আবারও মার্কিন হামলা,  আইআরজিসির পাল্টা আক্রমণ ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো কমপ্লেক্সে ফের আগুন মৌলভীবাজারে আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্যসহ ১৭ আসামি গ্রেপ্তার কুষ্টিয়া সীমান্তে পুশইনের একাধিক চেষ্টা ব্যর্থ, বিজিবির সঙ্গে পাহারায় গ্রামবাসী ফিফা বিশ্বকাপের লাইভ ম্যাচ দেখাবে দেশীয় তিন টিভি চ্যানেল পদ্মায় পড়ে যাওয়া যাত্রীবাহী বাস উদ্ধার, কোনো হতাহত নেই ফের পদ্মা নদীতে পরে ডুবলো যাত্রীবাহী বাস, বহু হতাহতের শঙ্কা পদোন্নতিতে বৈষম্যের অভিযোগ তুলে সিআইডি প্রধান আলী আকবর খানের পদত্যাগ রেখা গুনের প্রয়াণে নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা পরিষদের গভীর শোক টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে ২৫ হাজার ইয়াবাসহ আটক-৪ আইভীর বাড়ির সামনে পুলিশের কঠোর নজরদারি, সিসি ক্যামেরা স্থাপন মোহাম্মদপুরে এসে ছিনতাই শেষে, নারায়ণগঞ্জে ফিরে যেতেন চক্রটি অসহনীয় দাবদাহে পুড়ছে দেশ, অতিষ্ঠ জনজীবন দীর্ঘ এক বছর পর কারামুক্ত হয়ে নিজ কুটিরে ফিরলেন আইভী মার্কিন শিশু অপহরণচেষ্টা: টেকনাফে গ্রেপ্তার-৩ জুড়ীতে বজ্রপাতে প্রান গেল ১৪টি প্রানীর কুষ্টিয়ায় বালু অপসারণকালে দুর্বৃত্তদের গু‌লি, ৪ শ্রমিক আহত মায়ের প্রতি অবহেলা: দায়িত্ব থেকে সরানো হলো সেই যুগ্ম সচিবকে নারায়ণগঞ্জ সদর ইউএনও’র সাথে জেলা মহিলা পরিষদের সৌজন্য সাক্ষাৎ অবশেষে কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্ত সাবেক মেয়র আইভী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা মহানগরের বাইরে সরানোর চিন্তাভাবনা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিআইডির প্রধান হলেন ডিআইজি আলি আকবর শিগ্রই মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ, আসতে পারেন যেসব জেলা থেকে রাজধানীজুড়ে অব্যাহত থাকবে তীব্র দাবদাহ এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা খানজাহান আলী মাজারের দিঘিতে এবার এক শিশুকে টেনে নিয়ে গেছে কুমির বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদের বর্ষীয়ান নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন আসছে বাজেটে অটোরিকশা থেকে হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের চিন্তা রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা দেশে ফের বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম নারায়ণগঞ্জে সোমবার ৯ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না কয়েক এলাকায় জাতীয় কবি কাজী নজরুলের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী আজ কুষ্টিয়ায় ট্রেনের ছাদ থেকে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার মৌলভীবাজারে আন্তঃজেলা ছিনতাইকারী চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার শ্রীমঙ্গলে একই দিনে দুই শিশু পানিতে ডুবে মৃত্যু না’গঞ্জে ‘‘জলবায়ু সহিষ্ণু ক্যাম্পাস উদ্যোগ’’ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যসম্মত উপকরণ বিতরণ টেকনাফে ১৬-এপিবিএন পরিদর্শনে অতিরিক্ত আইজিপি নারায়ণগঞ্জে যাত্রীবেশে গলাকেটে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের চেষ্টা, গ্রেপ্তার-১ শনিবারও খোলা থাকবে সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক, লেনদেনের সময় কখন শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার চার্জশিট দ্রুত দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টেকনাফে ১৬ হাজার ইয়াবাসহ যুবক আটক সারাদেশের ন্যায় নারায়ণগঞ্জে ৩দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলা উদ্বোধন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় ১ম পর্যায়ে ১৩ হাটের ইজারা পেলেন যাঁরা নারায়নগঞ্জ সদর উপজেলায় বিশৃঙ্খলা ছাড়াই হাটের ইজারা সম্পন্ন, প্রশংসিত ইউএনও সারাদেশে একযোগে ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ​সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা: প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত বিচার নিশ্চিত নিষ্পত্তির মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে: রায়হান কবির নারায়ণগঞ্জ সদরে এবার ১৩ হাটের বিপরীতে ১৪৮ দরপত্র বিক্রি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে থাকছে না দলীয় প্রতীক: সিইসি আসন্ন ঈদুল আজহায় এবার সংবাদপত্রে ছুটি ৫ দিন চেম্বার আদালতেও আইভির জামিন, মুক্তিতে এখন আর বাধা নেই ঈদুল আজহার তারিখ জানাল সৌদিআরব, বাংলাদেশে কবে আগামী ১৯ মে থেকে নারায়ণগঞ্জে শুরু ‘ভূমিসেবা মেলা নারায়ণগঞ্জে বিকাশ ব্যবসায়ী আতিকুল হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন প্রিমিয়ার ব্যাংকে না’গঞ্জ শাখায় বিশাল অংকের ‘অর্থ আত্মসাত করেছেন ব্যাংক কর্মকর্তারা টেকনাফে ৪’শ জেলে পরিবারের মাঝে বিজিবির খাদ্য সহায়তা টেকনাফ থানা পরিদর্শনে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ব্রিটেনের কাউন্সিলর নির্বাচনে মৌলভীবাজারের ৮জন নির্বাচিত  নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী নাছির হত্যা মামলায় আসামি-১০, গ্রেপ্তার-৪ যোগদানের মাত্র সাত দিনের মধ্যে মৌলভীবাজার এসপি প্রত্যাহার মৌলভীবাজারে নিখোঁজের তিনদিন পর মিললো যুবকের কাঁটা লাশ নারায়ণগঞ্জে লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ: পাঁচজনের কেউই আর বেচে নেই গাজীপুরে পাঁচ খুন: হত্যাকারী সেই ফোরকানকে নিয়ে নতুন চাঞ্চল্যকর মোড় চট্টগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেনের জানাজায় নিষিদ্ধ আ’লীগের মিছিল, স্লোগান টেকনাফের হোয়াইক্যং বিজিবি চেকপোস্টে ৩২ হাজার ইয়াবা জব্দ ঢাকাগামী লবণের ট্রাকে ১ লাখ ইয়াবা, আটক-২ নারায়ণগঞ্জে আবারও খূন: এবার ডিশ ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা কমলগঞ্জে শুক্লা সিনহা নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের মূল হোতা শাকের মাঝি আটক কুষ্টিয়ায় ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার শ্রীমঙ্গলে দিনের আলোয় প্রকাশ্যে ছিনতাই সাবেক মন্ত্রী বীরমুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আর নেই অপরাধ দমন ও মাদক নির্মূলে পুরস্কৃত নারায়ণগঞ্জ র‍্যাব-১১ চট্টগ্রামে সাগরিকা ফ্লাইওভারে ঝুলছিল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার নিথর দেহ গাজীপুরে নৃশংস ৫ খু/ন: ময়নাতদন্তে বেরিয়ে এলো লোমহর্ষক তথ্য ঢাকা মেডিকেলে ঔষধ কোম্পানি প্রতিনিধিদের ‘দালাল’ আখ্যা দেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন ফের আইভীর জামিন স্থগিতাদেশ চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ’সহ ইয়াবা জব্দ নারায়ণগঞ্জে ফের গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণ; একই পরিবারের দগ্ধ-৫ পরকীয়া সন্দেহের জেরে ইয়াছিনকে শ্বাসরোধে হত্যা: পিবিআই ১০ মামলায় আইভীর জামিন পূর্ণবহাল, মুক্তিতে আপাতত কোনও বাধা নেই মরদেহের ওপর রাখা চিরকুটে মিলল পরকীয়া ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ গাজীপুরে নারী ও শিশুসহ ৫ লোমহর্ষক খুনের ঘটনায় জানা গেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

মুন্সীগঞ্জে গণআন্দোলনে তাওহীদের শরীরে বৃদ্ধ গুলি এখনো বহন করছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময়- ০৭:১৪:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২৪৪ বার পড়া হয়েছে

মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ

 

বৈষম্যবিরোধে আন্দোলনে স্কুল ছাত্র তাওহিদের শরীরে বৃদ্ধ হয় ২২টি গুলি।এখনো তার শরীরে বহন করছেন ৭টি গুলি।দেড় মাসেরও অধিক সময় ধরে শরীরে এখনো ৭টি গুলি বহন করে চলেছে সে। চিকিৎসকরা অপারেশন করে ইতিমধ্যে তার শরীর হতে ১৫টি গুলি বের করে এনেছেন।তাওহিদ মুন্সীগঞ্জের টংঙ্গীবাড়ী উপজেলার বালিগাওঁ গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।সে বালিগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র।তার বাবা আবুল কালাম পেশায় একজন কৃষক।তাওহিদ গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে মুন্সীগঞ্জ সুপার মার্কেট এলাকায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।ওই আন্দোলন চলাকালীন সময়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ তাদের ওপর গুলি ছুড়লে তাওহিদের দু চোখ-কান কপাল মাথাসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে মোট ২২টি গুলিবিদ্ধ হয়।চোখে গুলিবিদ্ধ হওয়ার  দু-চোখে কোন কিছুই দেখছিলোনা সে।চোখ দিয়ে ঝড়ছিল রক্ত।মুহুমুহু গুলির শব্দে বাচঁতে চোখ বুজেঁই রাস্তা দিয়ে দৌড়াচ্ছিলো।পরে তার গুলিবৃদ্ধ অবস্থা দেখতে পেয়ে অন্যা আন্দোলনকারীরা তাকে নিয়ে যায় মুন্সীগঞ্জের গোয়লপাড়ায় নাসরিন বেগম নামের এক নারীর বাসায়।সে সময় হাসপাতাল এলাকাসহ বিভিন্নস্থানে পুলিশ ও সরকার দলীয় লোকজনের হামলা চলছিল।তাই তাওহিদকে ডাক্তার দেখানো সম্ভব হয়নি।ওই বাড়িতেই মৃত্যুর যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল সে।বিনা চিকিৎসায় সারাদিন ও একরাত আতঙ্ক ভয়ে পুরো রাত জেগে কাটে তার এদিকে ছেলের গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পান তার বাবা আবুল কালাম।ছেলেকে দেখতে ছেলের আশ্রয় নেওয়ার স্থানের কাছে এসেও একদিকে যানবাহন সংকট অন্যদিকে আশ্রয়দাতার বাধাঁর মুখে ওই সময় দেখতে পারেননি ছেলেকে। আশ্রয়দাতা নাসরিন বেগম ভয়ে সে সময় তাওহিদের বাবাকে তার বাড়ির ঠিকানা দেননি। তাছাড়া বারণ করেছিলেন তার বাড়িতে আসতে। কারণ তিনি ওই সময় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অনেকেই বাড়িতে গোপনে আশ্রয় দিয়েছিলেন।বিষয়টি জানাজানি হলে আটক হতে পারেন পুলিশের হাতে সে ভয়ে বার বার বাড়িতে আসতে নিষেধ করেন তাওহিদের বাবাকে।ঠিকানা না পেয়ে তাওহিদের বাবা ছেলের আশ্রয়দাতার বাড়ির আশে-পাশের স্থাণ দিয়ে ঘুরে ফিরে যান বাড়িতে।বাড়িতে ফিরে দেখেন স্ত্রী তাওহিদের মা ছেলের শোকে হার্ট অ্যাটাক করেছেন মুখ বাঁকা হয়ে গেছে তার।ডাক্তার দেখবেন ডাক্তারও পাচ্ছিলো না সে সময়।একদিকে ছেলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় অন্য বাড়িতে আশ্রয়ে অন্যদিকে স্ত্রীর হার্ট অ্যাটাকে কাতর হয়ে পরেন মনির হোসেন।তারপরেও যোগাযোগ রাখছিলেন ছেলের আশ্রয়দাতা নাসরিন বেগমের সাথে।পরে নাসরিন বেগম বলেন ভোর রাত ৫টার দিকে সে সময় মানুষজন রাস্তাঘাটে ততো থাকেনা যদি তাওহিদের বাবা অন্য কোন মহিলাকে সাথে নিয়ে আশ্রয়দাতা নাসরিনের বাড়িতে যায় তবে গোপনে তাওহিদকে তুলে দিবেন তাদের হাতে।ছেলেকে পেতে আশ্রয়দাতার শর্ত অনুযায়ী ৫ আগষ্ট ভোর রাত ৪টার দিকে তাওহিদের চাচিকে সাথে নিয়ে ছুটে যান তাওহিদের বাবা ২০ কিলোমিটার দূরে আশ্রয়দাতার বাড়িতে।পরে আশ্রয়দাতা তাওহিদকে তুলে দেন তার পিতার হতে।৫ আগস্ট ভোরে তাওহিদকে নিয়ে তার বাবা চলে আসেন বাড়িতে।  সে সময় চিকিৎসা দেওয়ার সুযোগ ছিলনা।তাই বাড়িতেই রেখে দেন ছেলেকে।পরে ৬ আগস্ট দেখেন ছেলের পেটে বৃদ্ধ গুলির স্থানগুলো পেকে সাদা হয়ে রয়েছে।মনির হোসেন নিজেই তাওহিদের পেটে চাপ দিয়ে বের করে আনেন ৪টি গুলি।পরে ৬ আগস্ট তারিখে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।কিন্তু ওই হাসপাতালে তাওহিদের শরীর হতে কোন গুলি বের করেনি।পরে ১৬ আগষ্ট তাকে নেওয়া হয় ঢাকাস্থ আগারগাঁওয়ের সেনাবাহিনী পরিচালিত সিএমএম হাসপাতালে ওখানে নেওয়ার পরে ১৭ আগস্ট ৩টা ২৪ আগস্ট ৪টা এভাবে মোট ১৫টি গুলি বের করা হয়।এখনো তাওহিদের শরীরে ৭টি গুলি রয়েছে।এ ব্যাপারে তাওহিদ বলেন,বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যোগ দেওয়ার জন্য গত ৪ আগস্ট তিন বন্ধুকে সাথে নিয়ে সকাল ৭টায় বাড়ি হতে বেরিয়ে পরি। মুন্সীগঞ্জ সদরের সুপার মার্কেট এলাকায় যাওয়ার পরে দেখি সে সময় অল্প কয়জন লোক হয়েছে। তখন পুলিশ কিছুতেই রাস্তায় আমাদের দাঁড়াতে দিচ্ছিলো না।পরে আমরা এদিক সেদিক ঘুড়াঘুড়ি করছিলাম।বেলা বাড়ার সাথে সাথে অনেক লোকজন আসতে থাকে।পরে আমরা মুন্সীগঞ্জ সুপার মার্কেট এলাকায় দাঁড়িয়ে আন্দোলন করতে থাকি।বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ আমাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে আমার শরীরে মোট ২২টি গুলি লাগে।আমার দু-চোখেও গুলি লাগায় আমি চোখে কিছুই দেখতেছিলামনা।তখন চারদিকে গুলির শব্দ হচ্ছিল।আমি ভয়ে রাস্তা দিয়ে চোখ বুজে দৌড়াচ্ছিলাম।গুলি লাগায় আমার চোখ দিয়ে রক্ত ঝড়ছিল।সে সময় অন্য আন্দোলনকারী বন্ধুরা আমাকে মুন্সীগঞ্জ শহরের গোয়লপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে নিয়ে যায়।ওখানে নাসরিন বেগম নামের এক মহিলা আমাদের অনেক অন্দোলনকারীদের আশ্রয় দেয়।ওই ভদ্র মহিলার স্বামী বিদেশে থাকেন।ওনি আমাদের খুব কষ্টে বাড়ির মধ্যে লুকিয়ে রাখেন।একদিকে শরীরে যন্ত্রণা অন্যদিকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের লোকজনের ভয়ে খুব আতঙ্কে সময় কাটছিলো আমাদের। সারারাত ভয়ে আতঙ্কে কাটিয়ে দেই।পরে সকালে বাবা গিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসে আমাকে।এসে দেখি মা হার্ট অ্যাটাক করেছে মুখ বাঁকা হয়ে আছে।পরে আমি বাবাকে বলি আমাকে বাইরে নিলে সমস্যা হতে পারে আমার কিছু হবেনা তুমি মাকে ডাক্তার দেখাও।বাবা মাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যায়।পরে দুপুরে শুনি দেশ স্বাধীন হয়েছে আমরা মুক্ত হয়েছি। পরে আমি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ও সিএমএম হাসপাতালে চিকিৎসা নেই।আমার দু-চোখে কপালে ও মাথায় এখনো ৭টি গুলি আছে। ডাক্তার বলছে আস্তে আস্তে বের করতে হবে।মাঝে মধ্যেই খুব যন্ত্রণা হয়।আমার চিকিৎসা চলছে।এ ব্যাপারে তাওহিদের বাবা মনির হোসেন বলেন, তাওহিদ আমাদের না বলেই আন্দোলনে গিয়েছিল। আমি বিষয়টি জানতাম না।গুলি লাগার পরে আমার ছোট ছেলে আমাকে বলে ভাইয়া আন্দোলনে গিয়ে গুলি খেয়েছে এক বাড়িতে আছে।আমি ছুটে যাই সেই বাড়ির কাছে।কিন্তু যে মহিলা ওকে আশ্রয় দিয়েছে সেই মহিলা আমাকে জানায় আপনি এখোন বাড়িতে আসলে আমার বিপদ হবে।তাছাড়া এখানে অনেক আন্দোলনকারীরা আছে তাদেরও বিপদ হবে।তাই আমি আমার ছেলের সাথে দেখাটাও করতে পারছিলাম না।পরে বাড়িতে ফিরে এসে দেখি স্ত্রী হার্ট অ্যাটাক করেছে।মুখ বাঁকা হয়ে গেছে।সব বন্ধ ডাক্তার দেখাবো সেই স্থানও নাই।আমি সবসময় আমার ছেলেকে আশ্রয় দেওয়া ওই মহিলার সাথে যোগাযোগ করছিলাম।মহিলা আমাকে ৫ তারিখ ভোর ৫টা বাঁজে তাওহিদের মায়ের বয়সী কাউকে নিয়ে যেতে বলে।পরে আমি তাওহিদের চাচিকে সাথে নিয়ে ওই বাড়িতে গেলে ওই মহিলা তাওহিদকে আমার হাতে তুলে দেয়।বাড়িতে এনে  আমি তাওহিদকে ভয়ে চিকিৎসাও দিতে পারছিলাম না।নিজেই তাওহিদের পেটে বৃদ্ধ  ৪ গুলি বের করে আনি।এখোন ওকে সিএমএম হাসপাতালে চিকিৎসা দিচ্ছি।ওর দুচোখে কপালে মাথায় এখনো ৭ গুলি রয়েছে।ডাক্তার বলছে একেক করে বের করবে।তিনি আরো বলেন,ওই সমস্ত গুলি বের করতে যদি টাকা পয়সা কম খরচ হয় তাহলে আমি বহন করতে পারাবো আর টাকা বেশি লাগলে আমার পক্ষে বহন করা সম্ভব হবেনা। আমি কৃষক মানুষ। গত ২৩ সেপ্টেম্বর বিকালে টংঙ্গীবাড়ী প্রেসক্লাবে জামায়াতে ইসলামির অর্থ সহায়তা নিতে এসে এসব কথা বলেন তাওহিদ ও তার বাবা মনির হোসেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

ট্যাগস:-

মুন্সীগঞ্জে গণআন্দোলনে তাওহীদের শরীরে বৃদ্ধ গুলি এখনো বহন করছে

আপডেট সময়- ০৭:১৪:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪

মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ

 

বৈষম্যবিরোধে আন্দোলনে স্কুল ছাত্র তাওহিদের শরীরে বৃদ্ধ হয় ২২টি গুলি।এখনো তার শরীরে বহন করছেন ৭টি গুলি।দেড় মাসেরও অধিক সময় ধরে শরীরে এখনো ৭টি গুলি বহন করে চলেছে সে। চিকিৎসকরা অপারেশন করে ইতিমধ্যে তার শরীর হতে ১৫টি গুলি বের করে এনেছেন।তাওহিদ মুন্সীগঞ্জের টংঙ্গীবাড়ী উপজেলার বালিগাওঁ গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।সে বালিগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র।তার বাবা আবুল কালাম পেশায় একজন কৃষক।তাওহিদ গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে মুন্সীগঞ্জ সুপার মার্কেট এলাকায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।ওই আন্দোলন চলাকালীন সময়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ তাদের ওপর গুলি ছুড়লে তাওহিদের দু চোখ-কান কপাল মাথাসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে মোট ২২টি গুলিবিদ্ধ হয়।চোখে গুলিবিদ্ধ হওয়ার  দু-চোখে কোন কিছুই দেখছিলোনা সে।চোখ দিয়ে ঝড়ছিল রক্ত।মুহুমুহু গুলির শব্দে বাচঁতে চোখ বুজেঁই রাস্তা দিয়ে দৌড়াচ্ছিলো।পরে তার গুলিবৃদ্ধ অবস্থা দেখতে পেয়ে অন্যা আন্দোলনকারীরা তাকে নিয়ে যায় মুন্সীগঞ্জের গোয়লপাড়ায় নাসরিন বেগম নামের এক নারীর বাসায়।সে সময় হাসপাতাল এলাকাসহ বিভিন্নস্থানে পুলিশ ও সরকার দলীয় লোকজনের হামলা চলছিল।তাই তাওহিদকে ডাক্তার দেখানো সম্ভব হয়নি।ওই বাড়িতেই মৃত্যুর যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল সে।বিনা চিকিৎসায় সারাদিন ও একরাত আতঙ্ক ভয়ে পুরো রাত জেগে কাটে তার এদিকে ছেলের গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পান তার বাবা আবুল কালাম।ছেলেকে দেখতে ছেলের আশ্রয় নেওয়ার স্থানের কাছে এসেও একদিকে যানবাহন সংকট অন্যদিকে আশ্রয়দাতার বাধাঁর মুখে ওই সময় দেখতে পারেননি ছেলেকে। আশ্রয়দাতা নাসরিন বেগম ভয়ে সে সময় তাওহিদের বাবাকে তার বাড়ির ঠিকানা দেননি। তাছাড়া বারণ করেছিলেন তার বাড়িতে আসতে। কারণ তিনি ওই সময় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অনেকেই বাড়িতে গোপনে আশ্রয় দিয়েছিলেন।বিষয়টি জানাজানি হলে আটক হতে পারেন পুলিশের হাতে সে ভয়ে বার বার বাড়িতে আসতে নিষেধ করেন তাওহিদের বাবাকে।ঠিকানা না পেয়ে তাওহিদের বাবা ছেলের আশ্রয়দাতার বাড়ির আশে-পাশের স্থাণ দিয়ে ঘুরে ফিরে যান বাড়িতে।বাড়িতে ফিরে দেখেন স্ত্রী তাওহিদের মা ছেলের শোকে হার্ট অ্যাটাক করেছেন মুখ বাঁকা হয়ে গেছে তার।ডাক্তার দেখবেন ডাক্তারও পাচ্ছিলো না সে সময়।একদিকে ছেলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় অন্য বাড়িতে আশ্রয়ে অন্যদিকে স্ত্রীর হার্ট অ্যাটাকে কাতর হয়ে পরেন মনির হোসেন।তারপরেও যোগাযোগ রাখছিলেন ছেলের আশ্রয়দাতা নাসরিন বেগমের সাথে।পরে নাসরিন বেগম বলেন ভোর রাত ৫টার দিকে সে সময় মানুষজন রাস্তাঘাটে ততো থাকেনা যদি তাওহিদের বাবা অন্য কোন মহিলাকে সাথে নিয়ে আশ্রয়দাতা নাসরিনের বাড়িতে যায় তবে গোপনে তাওহিদকে তুলে দিবেন তাদের হাতে।ছেলেকে পেতে আশ্রয়দাতার শর্ত অনুযায়ী ৫ আগষ্ট ভোর রাত ৪টার দিকে তাওহিদের চাচিকে সাথে নিয়ে ছুটে যান তাওহিদের বাবা ২০ কিলোমিটার দূরে আশ্রয়দাতার বাড়িতে।পরে আশ্রয়দাতা তাওহিদকে তুলে দেন তার পিতার হতে।৫ আগস্ট ভোরে তাওহিদকে নিয়ে তার বাবা চলে আসেন বাড়িতে।  সে সময় চিকিৎসা দেওয়ার সুযোগ ছিলনা।তাই বাড়িতেই রেখে দেন ছেলেকে।পরে ৬ আগস্ট দেখেন ছেলের পেটে বৃদ্ধ গুলির স্থানগুলো পেকে সাদা হয়ে রয়েছে।মনির হোসেন নিজেই তাওহিদের পেটে চাপ দিয়ে বের করে আনেন ৪টি গুলি।পরে ৬ আগস্ট তারিখে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।কিন্তু ওই হাসপাতালে তাওহিদের শরীর হতে কোন গুলি বের করেনি।পরে ১৬ আগষ্ট তাকে নেওয়া হয় ঢাকাস্থ আগারগাঁওয়ের সেনাবাহিনী পরিচালিত সিএমএম হাসপাতালে ওখানে নেওয়ার পরে ১৭ আগস্ট ৩টা ২৪ আগস্ট ৪টা এভাবে মোট ১৫টি গুলি বের করা হয়।এখনো তাওহিদের শরীরে ৭টি গুলি রয়েছে।এ ব্যাপারে তাওহিদ বলেন,বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যোগ দেওয়ার জন্য গত ৪ আগস্ট তিন বন্ধুকে সাথে নিয়ে সকাল ৭টায় বাড়ি হতে বেরিয়ে পরি। মুন্সীগঞ্জ সদরের সুপার মার্কেট এলাকায় যাওয়ার পরে দেখি সে সময় অল্প কয়জন লোক হয়েছে। তখন পুলিশ কিছুতেই রাস্তায় আমাদের দাঁড়াতে দিচ্ছিলো না।পরে আমরা এদিক সেদিক ঘুড়াঘুড়ি করছিলাম।বেলা বাড়ার সাথে সাথে অনেক লোকজন আসতে থাকে।পরে আমরা মুন্সীগঞ্জ সুপার মার্কেট এলাকায় দাঁড়িয়ে আন্দোলন করতে থাকি।বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ আমাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে আমার শরীরে মোট ২২টি গুলি লাগে।আমার দু-চোখেও গুলি লাগায় আমি চোখে কিছুই দেখতেছিলামনা।তখন চারদিকে গুলির শব্দ হচ্ছিল।আমি ভয়ে রাস্তা দিয়ে চোখ বুজে দৌড়াচ্ছিলাম।গুলি লাগায় আমার চোখ দিয়ে রক্ত ঝড়ছিল।সে সময় অন্য আন্দোলনকারী বন্ধুরা আমাকে মুন্সীগঞ্জ শহরের গোয়লপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে নিয়ে যায়।ওখানে নাসরিন বেগম নামের এক মহিলা আমাদের অনেক অন্দোলনকারীদের আশ্রয় দেয়।ওই ভদ্র মহিলার স্বামী বিদেশে থাকেন।ওনি আমাদের খুব কষ্টে বাড়ির মধ্যে লুকিয়ে রাখেন।একদিকে শরীরে যন্ত্রণা অন্যদিকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের লোকজনের ভয়ে খুব আতঙ্কে সময় কাটছিলো আমাদের। সারারাত ভয়ে আতঙ্কে কাটিয়ে দেই।পরে সকালে বাবা গিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসে আমাকে।এসে দেখি মা হার্ট অ্যাটাক করেছে মুখ বাঁকা হয়ে আছে।পরে আমি বাবাকে বলি আমাকে বাইরে নিলে সমস্যা হতে পারে আমার কিছু হবেনা তুমি মাকে ডাক্তার দেখাও।বাবা মাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যায়।পরে দুপুরে শুনি দেশ স্বাধীন হয়েছে আমরা মুক্ত হয়েছি। পরে আমি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ও সিএমএম হাসপাতালে চিকিৎসা নেই।আমার দু-চোখে কপালে ও মাথায় এখনো ৭টি গুলি আছে। ডাক্তার বলছে আস্তে আস্তে বের করতে হবে।মাঝে মধ্যেই খুব যন্ত্রণা হয়।আমার চিকিৎসা চলছে।এ ব্যাপারে তাওহিদের বাবা মনির হোসেন বলেন, তাওহিদ আমাদের না বলেই আন্দোলনে গিয়েছিল। আমি বিষয়টি জানতাম না।গুলি লাগার পরে আমার ছোট ছেলে আমাকে বলে ভাইয়া আন্দোলনে গিয়ে গুলি খেয়েছে এক বাড়িতে আছে।আমি ছুটে যাই সেই বাড়ির কাছে।কিন্তু যে মহিলা ওকে আশ্রয় দিয়েছে সেই মহিলা আমাকে জানায় আপনি এখোন বাড়িতে আসলে আমার বিপদ হবে।তাছাড়া এখানে অনেক আন্দোলনকারীরা আছে তাদেরও বিপদ হবে।তাই আমি আমার ছেলের সাথে দেখাটাও করতে পারছিলাম না।পরে বাড়িতে ফিরে এসে দেখি স্ত্রী হার্ট অ্যাটাক করেছে।মুখ বাঁকা হয়ে গেছে।সব বন্ধ ডাক্তার দেখাবো সেই স্থানও নাই।আমি সবসময় আমার ছেলেকে আশ্রয় দেওয়া ওই মহিলার সাথে যোগাযোগ করছিলাম।মহিলা আমাকে ৫ তারিখ ভোর ৫টা বাঁজে তাওহিদের মায়ের বয়সী কাউকে নিয়ে যেতে বলে।পরে আমি তাওহিদের চাচিকে সাথে নিয়ে ওই বাড়িতে গেলে ওই মহিলা তাওহিদকে আমার হাতে তুলে দেয়।বাড়িতে এনে  আমি তাওহিদকে ভয়ে চিকিৎসাও দিতে পারছিলাম না।নিজেই তাওহিদের পেটে বৃদ্ধ  ৪ গুলি বের করে আনি।এখোন ওকে সিএমএম হাসপাতালে চিকিৎসা দিচ্ছি।ওর দুচোখে কপালে মাথায় এখনো ৭ গুলি রয়েছে।ডাক্তার বলছে একেক করে বের করবে।তিনি আরো বলেন,ওই সমস্ত গুলি বের করতে যদি টাকা পয়সা কম খরচ হয় তাহলে আমি বহন করতে পারাবো আর টাকা বেশি লাগলে আমার পক্ষে বহন করা সম্ভব হবেনা। আমি কৃষক মানুষ। গত ২৩ সেপ্টেম্বর বিকালে টংঙ্গীবাড়ী প্রেসক্লাবে জামায়াতে ইসলামির অর্থ সহায়তা নিতে এসে এসব কথা বলেন তাওহিদ ও তার বাবা মনির হোসেন।