ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:-
এনইআইআর চালুর প্রতিবাদে বিটিআরসি ভবনে হামলা-ভাঙচুর বর্ণিল আয়োজনে বিশ্বজুড়ে বরন করে নিল খ্রিষ্টীয় নববর্ষ-২০২৬ ২০২৫ সালে আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে ‘মব সন্ত্রাস’: আসক নির্বাচনের আগে হচ্ছে না ইজতেমা, খুলে ফেলা হচ্ছে প্যান্ডেল খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের শোক খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে মাসুদুজ্জামানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে কোরআন খতম ও দোয়া অনুষ্ঠিত দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিএনপির ৭ দিনের শোক ঘোষণা সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই অবশেষে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হয়ে মনোনয়ন জমা দিলেন মোহাম্মদ আলী শেষ মুহূর্তে নারায়ণগঞ্জসহ ১৫ আসনে প্রার্থী পরিবর্তন করলো বিএনপি শেষ দিনে মনোনয়নপত্র জমা না দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন মাসুদুজ্জামান আজ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন জুড়ীতে মা ও চার বছরের শিশু সন্তানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার মনোনয়নপত্র জমা দিলেন নারায়নগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ উখিয়ায় ৬৪-বিজিবির অভিযানে ৯ হাজার ৮’শ ইয়াবা জব্দ গাইবান্ধায় শিক্ষা অফিসার নকিবুলের তিন উপজেলা জুড়ে ঘুষের রাজত্ব শরনখোলায় টেকসই বেরিবাঁধের দাবিতে মানববন্ধন টেকনাফে হত্যা মামলার আসামিসহ মানব পাচার চক্রের কবল থেকে উদ্ধার-১৭ না’গঞ্জ-৫ আসনে সাবেক সাংসদ আবুল কালামের মনোনয়নপত্র জমা নারায়ণগঞ্জ-৫, বাদ রইলো না কেউ, এবার মনোনয়ন সংগ্রহ করলেন টিপু ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে জুবায়ের রহমান চৌধুরীর শপথ গ্রহন কুষ্টিয়ায় মহাসড়কে ট্রাকে ডাকাতি, আহত-১ প্রচন্ড শীতের দাপটে মানবেতর জীবনযাপন করছে কমলগঞ্জের ‘চা’ শ্রমিকরা বড়লেখায় সাবেক ইউপি সদস্যসহ গ্রেপ্তার-৩ রামুতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গুলিসহ আটক ৬ রোহিঙ্গা নারায়ণগঞ্জ-৫, মনোনীত ও বঞ্চিত চার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ সেন্টমার্টিনগামী জাহাজে ভয়াবহ আগুন ফতুল্লায় লঞ্চের ধাক্কায় বাল্কহেড ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ২ লস্করের মরদেহ উদ্ধার নারায়ণগঞ্জ-৫ এর ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামানের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ গণসংবর্ধনাস্থল ৩’শ ফুট সড়ক পরিষ্কার করালেন মাসুদুজ্জামান রাজধানীর গুলিস্তানে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট আগামী ৯ জানুয়ারি ঢাকায় মহাসমাবেশের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের কোনো অবস্থাতেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাবে না, লক্ষ্য একটি শান্ত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়া তারেক রহমানের গণসংবর্ধনায় মাসুদুজ্জামানের পক্ষে শতশত নেতাকর্মীদের যোগদান দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসনের অবসান ঘটিয়ে বীরোচিত স্বদেশে প্রত্যাবর্তন আগামী ১ জানুয়ারি পূর্বাচলে শুরু হচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা টঙ্গী থেকে গ্রেপ্তার ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয়ধারী তাহরিমা সুরভি নারায়ণগঞ্জ-৫, বিএনপির প্রার্থীতা নিয়ে ধোয়াশা, সাখাওয়াতের পর ফের কালামের মনোনয়ন দাবি মনোনয়ন নিয়ে বিভ্রান্ত না হয়ে, নেতা-কর্মীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান মাসুদুজ্জামানের মৌলভীবাজার সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩৮২০ পিস ইয়াবাসহ আটক-১ কুষ্টিয়ার সীমান্তে বিজিবির হাতে ভারতীয় নাগরিক আটক টেকনাফে বিজিবি-২ অভিযানে ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ আইস জব্দ আসন্নবর্তী ত্রয়োদশ নির্বাচনের মাঠে পুলিশও ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা চায় দল ব্যবস্থা নিলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করবো: রুমিন ফারহানা জল্পনা কল্পনার অবসান: নারায়ণগঞ্জ-৪ এর বিএনপির মনোনীত জোট প্রার্থী কাসেমী টেকনাফে অপহরণকারী চক্রের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল যৌথ বাহিনী, আটক-১ টেকনাফে র‍্যাবের ঝটিকা অভিযানে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার-২ গাইবান্ধার ৫ আসনে জাপার প্রার্থী ঘোষণা; ২ আসনে লড়বেন মহাসচিব পাটওয়ারী ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ ছাড়া কাউকে লাইসেন্স দেওয়া হবে না: বিআরটিএ চেয়ারম্যান  তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিএনপির মনোনীত এমপি প্রার্থী মাসুদুজ্জামানের দোয়া অন্তর্বর্তী সরকারের দেয়া গানম্যান প্রত্যাখ্যান করলেন নুর জানুয়ারিতে সারাদেশের সাংবাদিকদের নিয়ে মহাসমাবেশ ঘোষণা নোয়াব সভাপতির গ্যাস চুরির মামলায় ক্রোনীর কর্ণধার আসলাম সানীকে আদালতে হাজির হতে বিজ্ঞপ্তি এবার দ্বিগুণ অদম্য শক্তি নিয়ে ফিরেছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান সুদানে ড্রোন হামলায় শহীদ সবুজের শেষ বিদায় গাইবান্ধার নিজ গ্রামে  নারায়ণগঞ্জ ক্লাব পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে ফের এম সোলায়মানের নিরংকুশ বিজয় আড়াইহাজারে মাথাবিহীন দ্বিখণ্ডিত যুবক হত্যাযজ্ঞের রহস্য উদঘাটন,আটক-১ কুষ্টিয়া নির্বাচন অফিসে দূর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত নথিপত্র আগের প্রার্থী তালিকাই এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত: রিজভী ধলেশ্বরীতে ফেরি পারাপারের সময় ট্রাকসহ ৫ যান নদীতে, নিখোঁজ-১ নেতা-কর্মী-সমর্থকদের বিভ্রান্ত না হবার আহ্বান মাসুদুজ্জামানের শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ও বিটিভির ডিজির বাসভবনে অগ্নিসংযোগ রঙ্গীখালী পাহাড়ে বিজিবির রুদ্ধশ্বাস অভিযান: অস্ত্র, মর্টার শেল ও গ্রেনেড উদ্ধার হাদীর হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারেসহ ফাঁসির দাবীতে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ ফের নির্বাচনে ফেরার ঘোষণা মাসুদুজ্জামানের প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিসে হামলা-ভাঙচুর-অগ্নি সংযোগ সুষ্ঠু নির্বাচন পরিবেশে অরাজকতা সৃষ্টি করলেই কঠোর ব্যবস্থা: ডিসির হুশিয়ারী নিরাপত্তা নিশ্চিতে নেতা-কর্মীরা মাসুদুজ্জামানসহ তার পরিবারকে পাহারা দিবে: টিপু হাজারীবাগের হোস্টেল থেকে এনসিপি নেত্রী জান্নাতারা রুমীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ফেব্রুয়ারিতে হচ্ছে না ডিসি সম্মেলন না ফেরার দেশে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি রামুতে পুলিশের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও ম্যাগাজিনের ১৬’শ প্রসেস’সহ আটক-৩ গাইবান্ধায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে আ’লীগ-যুবলীগের ৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার টেকনাফ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে দেড় লাখ ইয়াবা জব্দ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ফতুল্লার পৃথকস্থান থেকে আওয়ামী লীগের ৩ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রবিউল গ্রেপ্তার গাইবান্ধায় মাদরাসা সুপারের দুর্নীতির, তদন্তে ধরা পড়েছে সকল অনিয়ম টেকনাফের নাফ নদীতে বিজিবির অভিযান: এক লক্ষ ইয়াবাসহ আটক-১ সেন্টমার্টিনে কোস্ট গার্ডের অভিযান: অবৈধ ট্রলিং বোট ও জালসহ আটক-১৬ বিজয় দিবসে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের বিনম্র শ্রদ্ধা মহান বিজয় দিবসে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধাঞ্জলী আপনাদের আত্মত্যাগের কারনেই, আজ স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি: এসপি রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে আমরা যেকোনো মূল্যে রক্ষা করবো: ডিসি শরণখোলায় রহস্যজনকভাবে যুবকের মৃত্যু, পুকুর থেকে লাশ উদ্ধার মৌলভীবাজারে বিজয় দিবসে শহিদদের প্রতি জেলা পুলিশের শ্রদ্ধা ভেড়ামারায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য নিহত নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান  আজ ১৬ই ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস না’গঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পেলেন যারা ফতুল্লায় ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি আটক নারায়ণগঞ্জে সেলিম ওসমানকে খুঁজতে উইজডম এ্যাটায়ার্সে পুলিশের অভিযান বধ্যভূমিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের শ্রদ্ধা জানান জেলা প্রশাসনসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাগন সিদ্ধিরগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার-৪ ওসমান হাদীকে গুলি: ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে ফয়সালের স্ত্রী-শ্যালকসহ আটক-৩ জামায়াতপন্থী আইনজীবীদের তোপের মুখে না’গঞ্জের সাবেক ওসি মঞ্জুর কাদের মৌলভীবাজারে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

সবার উপরে ‘মায়ের আঁচল’ তাহার উপরে নাই

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময়- ০৩:২০:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪ ৩৭৪ বার পড়া হয়েছে

 

ঋতম্ভরা বন্দ্যোপাধ্যায়,কলকাতা।।
তখন খুবই ছোট। হামাগুড়ি পর্ব শেষ করে হাঁটতে শুরু করেছি। হোঁচট খেতেই মা কোলে তুলে আঁচল দিয়ে চোট লাগা জায়গাটি মুছে দিতেন। যাতে ধুলো, বালি না থাকে। মা জোর কোরে দুধ,ভাত বা অন্যা খাবার মুখে তুলে দিতেন। খাবার মুখ থেকে গড়িয়ে পড়লে আঁচল দিয়ে মুছে দিতেন। আরো কত কি!!!
আজকাল মায়েদের আঁচল কোথায়? সালোয়ার কামিজ, জিন্সের প্যান্ট , বেলবটস আজ অতীতের সেই মায়ের মুখকে কেড়ে নিয়েছে। আঁচলে মায়ের মধ্যে যে হাসিটি ফুটে উঠতো,সেটি তো আজ ইতিহাস হয়ে পড়েছে। আঁচল কী তা আজকের বাচ্চারা জানে না , কারণ আজকাল মায়েরা আর শাড়ি পরে না। আঁচল অতীতের জিনিস।
আঁচলের কথা মনে এলেই ছোট বেলার কথা মনে পড়ে যায়। সেখানেই মা যেতেন আমি তার আঁচল ধরেই যেতাম। আচার অনুষ্ঠান, পুজা মন্ডপ, বিয়ে বাড়ি থেকে শুরু করে আত্মীয় স্বজনের বাড়িতেও।
আঁচল মানেই মাতৃত্বের প্রকাশ।
আগে মায়ের আঁচল ছিল বহুমুখী। সেই আঁচলে ” একই অঙ্গে এতো রূপ, দেখিনা এখন”।
 তখন কতো কাজে লাগতো মায়ের এই আঁচল।
 উনুন থেকে গরম কোন পাত্র নামানোর সময় মা আঁচলটি ব্যবহার করতেন । কোন গরম প্যান,কেটলি ধরতেও আঁচলের খুব ব্যবহার হতো।
আঁচল ছিল এক অনন্য বস্তু । আঁচলের মহিমার উপরে লিখতে গেলে বোধ হয় একটা ছোটখাট বই লেখা হয়ে যাবে। যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে অতীতের অনেক শিশুর সুখ স্মৃতি।
 মা আমার রোদে পোড়া মুখের,শরীরের ঘাম পুছে দিতেন। স্কুলের ক্লাস ছুটি না হওয়া পর্যন্ত মা স্কুলের কাছে কোন বাড়ির রোয়াকে অন্যান্য মায়েদের সঙ্গে বসে অপেক্ষা করতেন স্কুলের ঘণ্টা বাজা পর্যন্ত।
আমি বেরিয়ে আসতেই মা আঁচল দিয়ে চোখের জল মুছতে, নাকের সর্দি মুছতে, নোংরা কান, মুখ পরিষ্কার করে দিতেন। তারপর বাড়ি থেকে আনা খাবারটি টিফিন বক্স থেকে বের করে খাইয়ে দিতেন। জল খাইয়ে দেবার পর আবার আঁচল দিয়ে মুখ মুছে দিতেন। ঠিক যেন একটা তোয়ালে। আঁচলকে তোয়ালে হিসাবে ব্যবহার করতেন। খাবার খেয়ে মায়ের আঁচলে মুখটা পরিষ্কার করিয়ে নেওয়াও ছিল আমাদের কাছে একটি খুশীর বিষয় ।
 কখনও কখনও, চোখের ব্যথার ক্ষেত্রে মা তার আঁচলকে গোল করে পাকিয়ে তাতে ফুঁ দিয়ে দিয়ে গরম করে চোখের উপর রাখতেন, সমস্ত ব্যথা তখন অদৃশ্য হয়ে যেত ।
 মায়ের কোলে ঘুমন্ত বাচ্চার জন্য কোলটি গদি এবং মায়ের আঁচল শরীরকে ঢাকার চাদর হিসাবে কাজ করত ।
 যখন খুব ছোট ছিলাম তখন কোনও অচেনা লোক বাড়ীতে আসত, আমি মায়ের আঁচলের একটি আড়াল নিয়ে তাকে দেখতাম। যখনই কোনও বিষয়ে লজ্জা বোধ করতাম, তখন ঐ আঁচল দিয়ে মুখটি ঢেকে রাখতাম এবং আঁচলের ভেতর লুকিয়ে পড়তাম ।
শুধু আমি কেন,সকল শিশুরাই এমনটি করতো। যখন বাচ্চারা মায়ের সাথে বাইরে যেত, তখন মায়ের আঁচল পথপ্রদর্শক হিসাবে কাজ করত । যতক্ষণ শিশুটির হাত আঁচল ধরে থাকত পুরো জগৎ তার মুঠোয় থাকত ।
 শীতকালে প্রচন্ড কনকনে ঠান্ডায় মা তার আঁচল দিয়ে আমাকে ঢেকে রাখতেন,যাতে কোনমতেই যেন ঠান্ডা লাগতে না পারে। পাড়ায় কোন রাতের অনুষ্ঠান হলে মায়ের সঙ্গে যেতাম। কখন যে ঘুমিয়ে পড়তাম জানি না। মা সহত্নে আঁচল দিয়ে ঢেকে কোলে শুইয়ে দিতেন।
গ্রাম গঞ্জে গাছ থেকে পড়া আম, জাম, খেজুর এবং মিষ্টি সুগন্ধযুক্ত ফুল কুড়িয়ে আনতেও ব্যবহৃত হত মায়ের এই আঁচল। সরস্বতী পূজার সময় খুব সকালে মাকে দেখেছি ঘাসের উপর ঝরে পড়া শিউলী ফুল অত্যন্ত সন্তর্পণে আঁচলে তুলে নিতে। আমাদের বাড়ির বারান্দার বাইরেই ছিল মস্তবড় দুটি শিউলী ফুলের গাছ। বাড়িতে প্রবেশের মুখে গেটের দুপাশেই লাগানো হয়েছিল গাছ দুটি। গেট খুলে ভিতরে ঢুকতেই চোখে পড়বে ফুলের বাগান। নুড়ি পাথরের ছোট্ট রাস্তা চলে গেছে বাড়ির সিড়ি পর্যন্ত। সিঁড়ির দুপাশে দুটো মস্তবড় গ্লান্ডিফ্লোরা গাছ।এই দুটি গাছের ডাল বাবা এনেছিলেন এক চা বাগানের ম্যানেজারের বাড়ি থেকে। কী সুন্দর ফুল হতো। সাদা বিশাল পাপড়ি মেলে ফুটে উঠতো ফুল।
মা শিউলী ফুল কুড়িয়ে এনে ঠাকুর ঘরে নিয়ে আসতেন। তার আগে মা সরস্বতীর আসন টি নিজের আঁচল দিয়েই পরিপাটি করে পুছে নিয়ে মূর্তিটি বসিয়ে ফুলের গোছা একটি তামার পাত্রে ঢেলে দিতেন। তারপর সেই শিউলী ফুলের মালা গেঁথে রাখতেন মা।
মায়ের আঁচলের গিঁটে বাধা থাকতো বাড়ির এক গোছা চাবি। আবার আঁচলেই ছিল মায়ের চলতি ফিরতি একটা ব্যাংক। কাউকে কিছু দিতে,কিছু কিনে আনতে মা ব্যাংকের গিঁট খুলে টাকা,পয়সা দিতেন। অনুষ্ঠান বাড়িতে গেলেও মায়ের এই আঁচলে ঘরের চাবি ও চলতি ফিরতি ব্যাংক থাকতো। মা ঠোঁট লাল করে পান খেয়ে অনুষ্ঠান বাড়ির কাজের মাসিকে এই ব্যাংক থেকে বকশিস দেবার সময় ছোট্ট আমি মায়ের নির্দেশে এই আঁচলের ব্যাংকের তালা খুলে দিতাম। মা গুনে গুনে টাকা বের করতেন। আজকের দিনের মায়েদের অবশ্য সেই দিন গুলো নেই। তারা সহজেই গর্ব বোধ করে জিন্সের প্যান্ট থেকে টাকা বের করতে পারেন।
কথায় কথায় একটা কাগজের টুকরো চেকে সই করে টাকা দিয়ে থাকেন আজকের মায়েরা।
আজকাল শুধু জিন্সের প্যান্টই নয়, মায়েরা পুরুষদের মতো ছোট চুল রাখছেন। শার্ট, হাফ প্যান্টও পড়ছেন।
 মায়ের আঁচল এক মায়াবী অনুভূতি ছাড়া আর কিছুই নয়। আমি পুরানো প্রজন্মের অন্তর্ভুক্ত এবং সর্বদা আমার মায়ের ভালবাসা এবং স্নেহ অনুভব করি, যা আজকের প্রজন্মের সম্ভবত বোঝার বাইরে ।
বাবার সেই ধুতি কোথায়???
 আজকাল বাবাদের ধুতি পড়তে দেখাই যায় না। অনেকের বাবাকেও দেখছি আগের দিনের মায়ের মতো লম্বা চুল রাখতে। অনেক বাবাকে দেখা যাচ্ছে কানে দুল এবং হাতে বালা পড়তে।
শুধু কোন পূজা ও উৎসব উপলক্ষ্যে অথবা বিয়ে বাড়িতে সেই পুরোনো ঐতিহ্যমূলক কোঁচা দেয়া ধুতি পড়তে দেখা যায় বাবাদের। আর মায়েরা লাল পেড়ে শাড়ি পড়ে পুজা মণ্ডপ ও বিয়ে বাড়িতে গিয়ে থাকেন। অতীতের মায়েদের বিপরীতে এখানকার মায়েরা পুরুষের মতো ছোট চুল রাখছেন। সিঁথিতে নেই সিঁদুরের চিহ্ন। এ এক অদ্ভুত আজগুবি জীবন।
ছোট শিশুকে আজ আর মায়েরা আঁচল দিয়ে ঘিরে রাখেনা। নিজেরা দেখাশোনা না করে অনেকেই আয়ার হাতে ছেড়ে চলে যান। ফলে এই শিশুদের মনে মায়ের প্রতি তেমন অনুভূতিও জাগে না।
আগে মায়েরা আচার অনুষ্ঠান,উৎসবে গেলে অন্যান্য মহিলাদের সঙ্গে চুটিয়ে আড্ডা দিতেন, হাসি মস্করা করতেন। আজকের মায়েদের সেই সময় কোথায়!! হাতে সর্বক্ষণ চলছে মোবাইলে টিকটিক করা। হিয়ারিং এইড কানে দিয়ে কী যে বিড়বিড় করে চলেন,আবার হাসতে থাকেন তাতে অনভিজ্ঞ মানুষ পাগল বলেও ভাবতে পারেন।
মায়ের আঁচলের বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে গেছে সেদিনের মায়ের চাঁদের আলোয় মিষ্টি হাসিও। এটা ভেবেই বুঝি বিখ্যাত কিংবদন্তি গায়ক অখিল বন্ধু গেয়েছিলেন, ” মধুর আমার মায়ের হাসি চাঁদের মুখে পড়ে, মাকে মনে পড়ে আমার মাকে মনে পড়ে”।

নিউজটি শেয়ার করুন..

ট্যাগস:-

সবার উপরে ‘মায়ের আঁচল’ তাহার উপরে নাই

আপডেট সময়- ০৩:২০:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪

 

ঋতম্ভরা বন্দ্যোপাধ্যায়,কলকাতা।।
তখন খুবই ছোট। হামাগুড়ি পর্ব শেষ করে হাঁটতে শুরু করেছি। হোঁচট খেতেই মা কোলে তুলে আঁচল দিয়ে চোট লাগা জায়গাটি মুছে দিতেন। যাতে ধুলো, বালি না থাকে। মা জোর কোরে দুধ,ভাত বা অন্যা খাবার মুখে তুলে দিতেন। খাবার মুখ থেকে গড়িয়ে পড়লে আঁচল দিয়ে মুছে দিতেন। আরো কত কি!!!
আজকাল মায়েদের আঁচল কোথায়? সালোয়ার কামিজ, জিন্সের প্যান্ট , বেলবটস আজ অতীতের সেই মায়ের মুখকে কেড়ে নিয়েছে। আঁচলে মায়ের মধ্যে যে হাসিটি ফুটে উঠতো,সেটি তো আজ ইতিহাস হয়ে পড়েছে। আঁচল কী তা আজকের বাচ্চারা জানে না , কারণ আজকাল মায়েরা আর শাড়ি পরে না। আঁচল অতীতের জিনিস।
আঁচলের কথা মনে এলেই ছোট বেলার কথা মনে পড়ে যায়। সেখানেই মা যেতেন আমি তার আঁচল ধরেই যেতাম। আচার অনুষ্ঠান, পুজা মন্ডপ, বিয়ে বাড়ি থেকে শুরু করে আত্মীয় স্বজনের বাড়িতেও।
আঁচল মানেই মাতৃত্বের প্রকাশ।
আগে মায়ের আঁচল ছিল বহুমুখী। সেই আঁচলে ” একই অঙ্গে এতো রূপ, দেখিনা এখন”।
 তখন কতো কাজে লাগতো মায়ের এই আঁচল।
 উনুন থেকে গরম কোন পাত্র নামানোর সময় মা আঁচলটি ব্যবহার করতেন । কোন গরম প্যান,কেটলি ধরতেও আঁচলের খুব ব্যবহার হতো।
আঁচল ছিল এক অনন্য বস্তু । আঁচলের মহিমার উপরে লিখতে গেলে বোধ হয় একটা ছোটখাট বই লেখা হয়ে যাবে। যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে অতীতের অনেক শিশুর সুখ স্মৃতি।
 মা আমার রোদে পোড়া মুখের,শরীরের ঘাম পুছে দিতেন। স্কুলের ক্লাস ছুটি না হওয়া পর্যন্ত মা স্কুলের কাছে কোন বাড়ির রোয়াকে অন্যান্য মায়েদের সঙ্গে বসে অপেক্ষা করতেন স্কুলের ঘণ্টা বাজা পর্যন্ত।
আমি বেরিয়ে আসতেই মা আঁচল দিয়ে চোখের জল মুছতে, নাকের সর্দি মুছতে, নোংরা কান, মুখ পরিষ্কার করে দিতেন। তারপর বাড়ি থেকে আনা খাবারটি টিফিন বক্স থেকে বের করে খাইয়ে দিতেন। জল খাইয়ে দেবার পর আবার আঁচল দিয়ে মুখ মুছে দিতেন। ঠিক যেন একটা তোয়ালে। আঁচলকে তোয়ালে হিসাবে ব্যবহার করতেন। খাবার খেয়ে মায়ের আঁচলে মুখটা পরিষ্কার করিয়ে নেওয়াও ছিল আমাদের কাছে একটি খুশীর বিষয় ।
 কখনও কখনও, চোখের ব্যথার ক্ষেত্রে মা তার আঁচলকে গোল করে পাকিয়ে তাতে ফুঁ দিয়ে দিয়ে গরম করে চোখের উপর রাখতেন, সমস্ত ব্যথা তখন অদৃশ্য হয়ে যেত ।
 মায়ের কোলে ঘুমন্ত বাচ্চার জন্য কোলটি গদি এবং মায়ের আঁচল শরীরকে ঢাকার চাদর হিসাবে কাজ করত ।
 যখন খুব ছোট ছিলাম তখন কোনও অচেনা লোক বাড়ীতে আসত, আমি মায়ের আঁচলের একটি আড়াল নিয়ে তাকে দেখতাম। যখনই কোনও বিষয়ে লজ্জা বোধ করতাম, তখন ঐ আঁচল দিয়ে মুখটি ঢেকে রাখতাম এবং আঁচলের ভেতর লুকিয়ে পড়তাম ।
শুধু আমি কেন,সকল শিশুরাই এমনটি করতো। যখন বাচ্চারা মায়ের সাথে বাইরে যেত, তখন মায়ের আঁচল পথপ্রদর্শক হিসাবে কাজ করত । যতক্ষণ শিশুটির হাত আঁচল ধরে থাকত পুরো জগৎ তার মুঠোয় থাকত ।
 শীতকালে প্রচন্ড কনকনে ঠান্ডায় মা তার আঁচল দিয়ে আমাকে ঢেকে রাখতেন,যাতে কোনমতেই যেন ঠান্ডা লাগতে না পারে। পাড়ায় কোন রাতের অনুষ্ঠান হলে মায়ের সঙ্গে যেতাম। কখন যে ঘুমিয়ে পড়তাম জানি না। মা সহত্নে আঁচল দিয়ে ঢেকে কোলে শুইয়ে দিতেন।
গ্রাম গঞ্জে গাছ থেকে পড়া আম, জাম, খেজুর এবং মিষ্টি সুগন্ধযুক্ত ফুল কুড়িয়ে আনতেও ব্যবহৃত হত মায়ের এই আঁচল। সরস্বতী পূজার সময় খুব সকালে মাকে দেখেছি ঘাসের উপর ঝরে পড়া শিউলী ফুল অত্যন্ত সন্তর্পণে আঁচলে তুলে নিতে। আমাদের বাড়ির বারান্দার বাইরেই ছিল মস্তবড় দুটি শিউলী ফুলের গাছ। বাড়িতে প্রবেশের মুখে গেটের দুপাশেই লাগানো হয়েছিল গাছ দুটি। গেট খুলে ভিতরে ঢুকতেই চোখে পড়বে ফুলের বাগান। নুড়ি পাথরের ছোট্ট রাস্তা চলে গেছে বাড়ির সিড়ি পর্যন্ত। সিঁড়ির দুপাশে দুটো মস্তবড় গ্লান্ডিফ্লোরা গাছ।এই দুটি গাছের ডাল বাবা এনেছিলেন এক চা বাগানের ম্যানেজারের বাড়ি থেকে। কী সুন্দর ফুল হতো। সাদা বিশাল পাপড়ি মেলে ফুটে উঠতো ফুল।
মা শিউলী ফুল কুড়িয়ে এনে ঠাকুর ঘরে নিয়ে আসতেন। তার আগে মা সরস্বতীর আসন টি নিজের আঁচল দিয়েই পরিপাটি করে পুছে নিয়ে মূর্তিটি বসিয়ে ফুলের গোছা একটি তামার পাত্রে ঢেলে দিতেন। তারপর সেই শিউলী ফুলের মালা গেঁথে রাখতেন মা।
মায়ের আঁচলের গিঁটে বাধা থাকতো বাড়ির এক গোছা চাবি। আবার আঁচলেই ছিল মায়ের চলতি ফিরতি একটা ব্যাংক। কাউকে কিছু দিতে,কিছু কিনে আনতে মা ব্যাংকের গিঁট খুলে টাকা,পয়সা দিতেন। অনুষ্ঠান বাড়িতে গেলেও মায়ের এই আঁচলে ঘরের চাবি ও চলতি ফিরতি ব্যাংক থাকতো। মা ঠোঁট লাল করে পান খেয়ে অনুষ্ঠান বাড়ির কাজের মাসিকে এই ব্যাংক থেকে বকশিস দেবার সময় ছোট্ট আমি মায়ের নির্দেশে এই আঁচলের ব্যাংকের তালা খুলে দিতাম। মা গুনে গুনে টাকা বের করতেন। আজকের দিনের মায়েদের অবশ্য সেই দিন গুলো নেই। তারা সহজেই গর্ব বোধ করে জিন্সের প্যান্ট থেকে টাকা বের করতে পারেন।
কথায় কথায় একটা কাগজের টুকরো চেকে সই করে টাকা দিয়ে থাকেন আজকের মায়েরা।
আজকাল শুধু জিন্সের প্যান্টই নয়, মায়েরা পুরুষদের মতো ছোট চুল রাখছেন। শার্ট, হাফ প্যান্টও পড়ছেন।
 মায়ের আঁচল এক মায়াবী অনুভূতি ছাড়া আর কিছুই নয়। আমি পুরানো প্রজন্মের অন্তর্ভুক্ত এবং সর্বদা আমার মায়ের ভালবাসা এবং স্নেহ অনুভব করি, যা আজকের প্রজন্মের সম্ভবত বোঝার বাইরে ।
বাবার সেই ধুতি কোথায়???
 আজকাল বাবাদের ধুতি পড়তে দেখাই যায় না। অনেকের বাবাকেও দেখছি আগের দিনের মায়ের মতো লম্বা চুল রাখতে। অনেক বাবাকে দেখা যাচ্ছে কানে দুল এবং হাতে বালা পড়তে।
শুধু কোন পূজা ও উৎসব উপলক্ষ্যে অথবা বিয়ে বাড়িতে সেই পুরোনো ঐতিহ্যমূলক কোঁচা দেয়া ধুতি পড়তে দেখা যায় বাবাদের। আর মায়েরা লাল পেড়ে শাড়ি পড়ে পুজা মণ্ডপ ও বিয়ে বাড়িতে গিয়ে থাকেন। অতীতের মায়েদের বিপরীতে এখানকার মায়েরা পুরুষের মতো ছোট চুল রাখছেন। সিঁথিতে নেই সিঁদুরের চিহ্ন। এ এক অদ্ভুত আজগুবি জীবন।
ছোট শিশুকে আজ আর মায়েরা আঁচল দিয়ে ঘিরে রাখেনা। নিজেরা দেখাশোনা না করে অনেকেই আয়ার হাতে ছেড়ে চলে যান। ফলে এই শিশুদের মনে মায়ের প্রতি তেমন অনুভূতিও জাগে না।
আগে মায়েরা আচার অনুষ্ঠান,উৎসবে গেলে অন্যান্য মহিলাদের সঙ্গে চুটিয়ে আড্ডা দিতেন, হাসি মস্করা করতেন। আজকের মায়েদের সেই সময় কোথায়!! হাতে সর্বক্ষণ চলছে মোবাইলে টিকটিক করা। হিয়ারিং এইড কানে দিয়ে কী যে বিড়বিড় করে চলেন,আবার হাসতে থাকেন তাতে অনভিজ্ঞ মানুষ পাগল বলেও ভাবতে পারেন।
মায়ের আঁচলের বিদায়ের সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে গেছে সেদিনের মায়ের চাঁদের আলোয় মিষ্টি হাসিও। এটা ভেবেই বুঝি বিখ্যাত কিংবদন্তি গায়ক অখিল বন্ধু গেয়েছিলেন, ” মধুর আমার মায়ের হাসি চাঁদের মুখে পড়ে, মাকে মনে পড়ে আমার মাকে মনে পড়ে”।