ঢাকা ০২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:-
একুশের প্রথম প্রহরে নারায়ণগঞ্জ শহীদ মিনারে ডিসি-এসপির শ্রদ্ধা শহীদদের স্মরণে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা আজ মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ভাষা শহীদদের প্রতি জিয়া পরিবারের শ্রদ্ধা নিবেদন এশিয়ার বৃহৎ হাকালুকি হাওরে পুরোনো পরিবেশে ফিরে নিতে চায় মৌলভীবাজারের ৬০৩ টি বিদ্যালয়ে নেই কোন “শহিদ মিনার” দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন নারায়ণগঞ্জে র‍্যাব-ডিবি পরিচয়ধারী চাঁদাবাজ ‘সোর্স বাবু’ অস্ত্রসহ র‍্যাবের জালে দায়িত্ব নিয়েই মৌলভীবাজারে সফরে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক মৌলভীবাজারে র‍্যাব-৯’র অভিযানে হত্যা মামলার পরোয়ানাভুক্ত নারী আসামি গ্রেপ্তার  উখিয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার রূপগঞ্জে ব্যবসায়ী হত্যাকান্ড; পিবিআই’র রহস্য উদ্ঘাটন, ১জনের মৃত্যুদণ্ড, অপর সহোদরের কারাদণ্ড টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ২ লাখ ৭০ হাজার ইয়াবা জব্দ গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার অচলাবস্থা, রোগীকেই কিনতে হচ্ছে গজ-ব্যান্ডেজ টেকনাফ সদর দম্বরী সৈকতে অজ্ঞাত তরুণীর লাশ উদ্ধার হিমাগারের অভাবে মৌলভীবাজারের কৃষকেরা বিপাকে কলেজে ঈদের ছুটি নিয়ে বড় সুখবর স্কুলে ঈদের ছুটি কবে? জানাল মাউশি সচিবালয়ে আজ প্রথম অফিস করবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষাসহ ৫ দপ্তর নিজেই সামলাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাবেক এমপি জেবুন্নেছাসহ আ’লীগের ৩ নেতার জামিন বুধবার চাঁদ দেখা গেলে বৃহস্পতিবার থেকে রোজা শুরু প্রধানমন্ত্রীর পিএস-এপিএস-প্রোটোকল অফিসার নিয়োগ পেলেন যারা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিয়ে গেজেট প্রকাশ গণভোটের ফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন ভোটার হওয়ার ৪৯ দিনের মাথায় সংসদ সদস্য ৫৩ দিনেই দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রাম বিভাগ থেকেই ১০ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর দায়িত্বে জহির উদ্দিন স্বপন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেন নারায়ণগঞ্জের কৃতি সন্তান মাসুদুজ্জামান কমলগঞ্জে পারিবারিক কলহে বিষপানে গৃহবধূর আত্মহনন রাজনগরে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার এআই প্রযুক্তি শুধু নতুন সফটওয়্যার নয়; এটি অর্থনীতি- কুষ্টিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে দুপক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে গুলিবিদ্ধ-৩ গাইবান্ধায় যুবদল নেতার হাতের আঙুল বিচ্ছিন্নসহ দুই পা ভেঙে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা মিয়ানমারের জলসীমায় প্রবেশের অভিযোগে আরাকান আর্মির হাতে আটক ৭৩ জেলের প্রত্যাবর্তন নিজ কর্মফলের প্রায়শ্চিত্ত করুন, রিজওয়ানার উদ্দেশ্যে সাংবাদিক জুলকারনাইন আজ জেনারেল আতাউল গনি ওসমানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী নারায়ণগঞ্জে সেপটিক ট্যাংকে মিলল নারীর ক্ষতবিক্ষত অর্ধগলিত মরদেহ আজ পদত্যাগের পর দেশ ছাড়তে পারেন ২ উপদেষ্টা কুষ্টিয়ায় চার সংসদীয় আসনে ১৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত নবনির্বাচিত সরকারের শপথের পরই সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরবে: সেনাপ্রধান টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার ইয়াবাসহ আটক-২ সম্ভাব্য দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন মির্জা ফখরুল বঙ্গভবন নয়, নতুন সরকারের শপথ এবার সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে  নির্বাচিত নতুন সরকারের শপথ মঙ্গলবার, ১৩ দেশের সরকারপ্রধান আমন্ত্রিত  ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক, শেখ হাসিনাকে ফেরানোসহ যেসকল বিষয়ে কথা বলেছেন তারেক রহমান প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব দেশ ছেড়েছেন টেকনাফে মানবপাচার চক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার, অপহৃত কিশোর উদ্ধার দেশের সর্বোচ্চ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের শরীফুল আলম গাইবান্ধায় জাপা’র ভরাডুবি: মহাসচিব শামীম হায়দারসহ ২৮ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করেছে ইসি আজ পহেলা ফাগুন ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ‘ফাঁসির মঞ্চ’ থেকে ফিরে সংসদ সদস্য হলেন বাবর-পিন্টু-আজহার নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে তুড়ি দিয়ে চার হেভিওয়েট প্রার্থীদের উড়িয়ে এনসিপির জয় নারায়ণগঞ্জের সংসদীয় ৫টি আসনের ৪টিতে বিএনপি, ১টিতে এনসিপির জয় রংপুরে জাতীয় পার্টির ধস, জয় মেলেনি একটি আসনেও বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়, ৩৫ বছর পর পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে বাংলাদেশ চট্টগ্রাম-১১ আসন থেকে বিপুল ভোটে জয়ী আমির খসরু কক্সবাজার-১ আসনে বিজয়ী বিএনপির শীর্ষ নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে হারিয়ে ঢাকা-৮ আসনে মির্জা আব্বাসের জয় আজও মোটরসাইকেল চলাচলে নিষেধাজ্ঞা, চলবে অন্যসকল বাহন সংসদ নির্বাচনে ৭ নারী প্রার্থীর বিশাল জয় ঢাকা জেলার পাঁচটি আসনে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২,আসনে বেসরকারিভাবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নারায়ণগঞ্জ-৫, আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী এ্যাড. আবুল কালাম আজাদ নারায়ণগঞ্জ-৩, আসনে জামায়াতকে হারিয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী আজহারুল ইসলাম মান্নান কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে বিপুল ব্যবধানে বিজয়ী বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান পটুয়াখালী-৩, আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী নুরুল হক নূর ভোলা-১’ জামায়াত প্রার্থীকে হারিয়ে ২য় বার জয়ী আন্দালিব রহমান পার্থ নারায়ণগঞ্জ-০১,বেসরকারি ফলাফলে বিপুল ভোটে জয়ী দিপু ভূঁইয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলম অবরুদ্ধ, লাঠিচার্জে বিএনপির মুন্সীগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ, সেনাবাহিনী কর্তৃক আটক-৫ ভোটগ্রহণ শেষ, শুরু হয়েছে গণনা কুমিল্লা-৪ ও নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর নির্বাচন বর্জন দৌলতপুরে সীমান্তে বিজিবির অভিযানে দেশীয় ধারালো অস্ত্রসহ গুলি উদ্ধার না’গঞ্জে ঝুঁকিপূর্ন বলে কোন কথা নেই, নিরাপত্তার চাদরে পুরো জেলা: জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জাল ভোট দিলেই সাত বছরের কারাদণ্ড সারাদেশে মধ্যরাত থেকে বন্ধ হচ্ছে ৪ ধরনের যান চলাচল নির্বাচনে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে করণীয় ও বর্জনীয় না’গঞ্জে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি চূড়ান্ত,পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৩হাজার ফোর্স মাঠে থাকবে: ডিসি নির্বাচনকালীন বিশৃঙ্খলা ও সহিংসতা ঠেকাতে মাঠে থাকবে ২২ʼশ পুলিশ সদস্য  প্রচারণার শেষ দিনেও প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করলেন বিএনপি প্রার্থী শরিফুল ইসলাম গাইবান্ধায় ২১ লক্ষ ভোটারের ভাগ্য নির্ধারণে ৪০ প্রার্থীর শেষ প্রতিশ্রুতি সারাদেশে ২৯৯ আসনে ব্যালট পেপার সরবরাহ সম্পন্ন পদত্যাগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমেদ খান জাতীয় প্রেসক্লাবের টয়লেটে পড়েছিল সাংবাদিক আলী মাসুদের নিথর মরদেহ দেশজুড়ে নির্বাচনকালীন অপরাধ দমনে মাঠে নামছে ৬৫৫ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ‘আজ টেডি ডে’ প্রিয় মানুষকে টেডি উপহার দেওয়ার দিন কক্সবাজারে ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমের সঙ্গে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় কুষ্টিয়ায় সাবলেট বাসা থেকে মেডিকেল কলেজ ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার মঙ্গলবার সকাল থেকে সকল ধরনের মিছিল-সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটির আওতায় বাইরে থাকবে যেসব প্রতিষ্ঠান নির্বাচনে ‘ব্লেইম গেম’ এর সুযোগ নেই: চট্রগ্রাম ডিসি জাহিদুল ইসলাম ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধের বিষয়টি প্রত্যাহার করেছে ইসি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফল প্রকাশের সময় জানাল ইসি সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকারি চাকুরিজীবিরা ফের টানা ৪ দিনের ছুটি পাচ্ছেন সংবাদকর্মীদের তুলে নেওয়া মুক্ত গণমাধ্যমের জন্য‘ ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টির দৃষ্টান্ত’: টিআইবি এবারের একুশে বইমেলায় ৩২১ প্রকাশকের অংশ না নেওয়ার ঘোষণা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের চুড়ান্ত ফল প্রকাশ দৌলতপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ১৭ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার, আটক-১

বাঙালিকে ধর্মের আফিম খাইয়ে দূর্বল ও ধ্বংস করা হয়েছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময়- ০৬:৫৮:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪ ৩৭৭ বার পড়া হয়েছে
~প্রতিকী ছবি>>
তারই ধারাবাহিকতায় বারবার বাংলাকে টুকরো করা হয়েছে..!
মানস বন্দ্যোপাধ্যায়,কলকাতা।।
অতীতের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় অবিভক্ত ভারতের অর্ধেক জুড়েই ছিল বাঙালির বিস্তীর্ণ ভূমি। আজকের দুই বাংলা, বিহার,আসাম, ওড়িশা, ত্রিপুরা বাংলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। বাঙালির প্রগতি, বুদ্ধিমত্তার পরিচয় পেয়ে প্রথম ব্রিটিশ শাসক বাঙালির বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু করে।
১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ চক্রান্ত ভারতীয় জাতীয়তাবাদীদের তীব্র বিরোধিতার সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসাবে  চিহ্নিত। ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন বিস্তীর্ণ প্রদেশে শাসন ব্যবস্থার উন্নতির একটি উপায় হিসেবে বিভাজনের প্রস্তাব করেছিলেন। ১৭৬৫  সাল থেকে বাংলা, বিহার এবং উড়িষ্যা একটি ঐক্যবদ্ধ অঞ্চল ছিল, কিন্তু ১৯০০ সাল নাগাদ এর আয়তন নিয়ন্ত্রণের অযোগ্য হয়ে পড়ে।
বঙ্গভঙ্গের পটভূমি>>
বাংলা, প্রদেশের মধ্যে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা, বাংলাদেশ এবং আসাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই বিশাল বাংলা ১৭৬৫ সাল থেকে ব্রিটিশ শাসনের অধীনে ছিল।
প্রদেশটি তার বৃহৎ আকার এবং দ্রুত বর্ধমান জনসংখ্যার কারণে প্রশাসনের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠে।
বাংলার পূর্বাঞ্চলের গ্রামীণ এলাকাগুলি শিল্প, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের দিক থেকে অবহেলিত ছিল। কিন্তু বেশির ভাগ উন্নয়ন ছিল কলকাতাকে কেন্দ্র করে।
লর্ড কার্জন ভারতে আসার আগেই প্রশাসনিক সুবিধার জন্য প্রদেশটিকে বিভক্ত করার ধারণাটি বিদ্যমান ছিল। ১৮৭৪  সালে আসামকে পৃথক করা হয়েছিল।
প্রাথমিকভাবে, কার্জন একটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসাবে বিভাজনের প্রস্তাব করেছিলেন কিন্তু পরে এটিকে ক্রমবর্ধমান জাতীয়তাবাদকে দুর্বল করার একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে দেখেছিলেন।
তার প্রস্তাবিত বিভাজনের ফলে দুটি প্রদেশ হবে: বাংলা (পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং বিহার সহ) এবং দ্বিতীয়টি পূর্ববঙ্গ ও আসাম।
বাংলা কেন্দ্রীয় প্রদেশের কাছে পাঁচটি হিন্দি-ভাষী রাজ্য হারাবে কিন্তু একই অঞ্চল থেকে ওড়িয়া-ভাষী রাজ্যগুলি পাবে।
পূর্ব বাংলায় পার্বত্য ত্রিপুরা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী এবং ঢাকা বিভাগ থাকবে যার রাজধানী হবে ঢাকা।
বাংলায় হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকবে, আর পূর্ব বাংলা এবং আসামে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকবে। কলকাতা থাকবে  বাংলার রাজধানী। পূর্ব বাংলার রাজধানী হবে ঢাকা।
লর্ড কার্জনের ফর্মুলা অনুযায়ী গায়ের জোরে বাংলাকে প্রথম দু টুকরো করা হলো।
বঙ্গভঙ্গের কারণ>>
১৯০৫  সালে, ভারতে ব্রিটিশ প্রশাসক লর্ড কার্জন ১৬  অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেন। এই বিভাজনের পিছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল বাঙালির নেতৃত্বে ক্রমবর্ধমান অশান্তির ফলে বাঙালিকে দুর্বল করা। যদিও প্রাথমিকভাবে বলা হয়েছে প্রশাসনিক শাসন ব্যবস্থার সুবিধার কথা।  বাংলা, একটি উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যার একটি বিশাল প্রদেশ হওয়ায়, পূর্বাঞ্চলে আরও সুগম ও দক্ষ শাসন কাঠামো প্রতিষ্ঠার জন্য বিভক্ত করা হয়েছিল।এই বিভাজনের ফলে তীব্র বিক্ষোভের সূচনা হয়।
বাংলা বিভাগ সমগ্র অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছিল।
বাঙালিরা বিভক্তিকে তাদের দেশের অপমান হিসেবে দেখে এবং বাংলার পুনর্মিলনের আহ্বান জানায়।
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস, সেই সময়ের একটি বিশিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠন, জাতিগত ভিত্তিতে বিভাজনের নিন্দা করেছিল।
প্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালিরা এই পরিবর্তনের বিরোধিতা করেছিল কারণ এটি তাদের প্রদেশের মধ্যে একটি ভাষাগত সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে।
অনেক বাঙালি মুসলমান দেশভাগকে সমর্থন করেছিলেন , কারণ তারা বিশ্বাস করেছিলেন যে এটি নতুন প্রদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে তাদের শিক্ষাগত, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক স্বার্থকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য লর্ড কার্জনের প্রতিশ্রুতি মুসলমানদের জন্য তাদের শিক্ষা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের একটি সুযোগ হিসেবে দেখা হয়েছিল।
বঙ্গভঙ্গকে ব্রিটিশ সরকার তাদের “ভাগ করো এবং শাসন করো”  অর্থাৎ ” Divide  and Rule” কৌশল বাস্তবায়নের জন্য নিযুক্ত একটি কৌশল হিসাবে গ্রহণ করেছিল, যা বাঙালি এবং জাতীয়তাবাদীদের মধ্যে দেশপ্রেমিক অনুভূতিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।
 তারপর থেকেই বাঙালিকে বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠী এক স্থান থেকে ভিন্ন স্থানে ধাক্কা দিতে দিতে দুর্বল ও আরো বিভাজনের দিকে ঠেলে নিয়ে গেছে। শুধু আসাম,বিহার, ত্রিপুরা ওড়িশাই নয়, এর বাইরেও ছোট্ট অবিভক্ত বাংলাকে ব্রিটিশের পদ লেহানকারী  জওহারলাল নেহরু, কায়েদি আজম জিন্নাহ ও গান্ধী ধারালো ধর্মের করাত দিয়ে দুটুকরো করলেন। বাঙালির মেরুদন্ডকে ভেঙে দেওয়া হলো। বাঙালির পরিচয় আর বাঙালি হিসাবে রইলো না। বাঙালি হিন্দু,বাঙালি মুসলমান। রাম এবং রহিমের মধ্যে লড়াই। বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলাম এবং বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মধ্যে যেন একটা প্রাচীর ঘেরা হলো।
ছোট বেলায় যে চাচার কোলে বসে আম খেয়েছি, যে চাচা আমাদের বাড়িতে এসে ঢেঁকি শাক, লাউ শাক দিয়ে গেছেন। অঙ্গনে বসে দৈ চিড়া খেয়ে গেছেন,সেই মুসলিম চাচা ও হিন্দু ভাতিজার সম্পর্কে ফাটল ধরেছে। গ্রামের হাটখোলার অদূরে বিকালের স্তব্ধ পরিবেশকে প্রাঞ্জল করে যখন আজানের শব্দ কানে আসতো, তখন মসজিদের আসে পাশে রোহন, আসিফের সঙ্গে আমরা ঘুরতাম। আমাদের চা বাগানের দুর্গা ও কালী মূর্তি তৈরি করতেন রহমত আলী চাচা। পুজোয় আসতেন পরিবার নিয়ে।কেউ আপত্তি তোলেনি। কিন্তু ক্রমশ একশ্রেনীর ব্রাহ্মণ ও মোল্লারা ধর্মের অপব্যাখ্যা করে এমন নেশাগ্রস্ত করে দিলেন,যার জন্য আজো ফেলে আসা নিজের মাটির জন্য চোখ ফেলা হিন্দু বাঙালিকে শুনতে হচ্ছে, জমি গেছে,ভিটে গেছে,  বিভক্ত বাঙালি হিন্দুর পুরোহিতের গলা কাটা হচ্ছে। মহিলাদের গনিমতের মাল করা হচ্ছে। মন্দির পুড়ছে,মূর্তি ভাঙচুর হচ্ছে। তাই মনে হচ্ছে বাঙালি শুধু দু টুকরোই হয়নি, নিজেরাও একদিন ইতিহাস হয়ে যাবে।
দুই বাংলা যদি ভাগ না হতো তাহলে জনসংখ্যার এবং আয়তনের বিচারে ভারতে বাংলার লোকসভা আসনের সংখ্যা ১০০ হয়ে যেতো। বর্তমানে উত্তর প্রদেশের আসন সংখ্যা ৮০ টি। তাই ভারতীয় রাজনীতিতে উত্তর প্রদেশের আসল চাবিকাঠি। এটা অবিভক্ত ভারত হলে বাঙালি ভারতে প্রধান মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হতেন। আর সেটিকে চিরকালের জন্য রুখে দিতে  উত্তর প্রদেশের জওহরলাল নেহরু বাঙালিকে কেটেছিলেন। হায়রে বাঙালি সেই চক্রান্ত ধরতে পারে নি ধর্মের কালো চশমা পড়ায়। ঠিক পাকিস্তানও একই ফর্মুলা অনুযায়ী কাজ করেছিল। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে পাকিস্তানের সংসদে সংখ্যা গরিষ্ঠ সদস্য নির্বাচনে জয়ী হওয়া সত্বেও শাসন ক্ষমতা তুলে দেয় নি। নির্মম অত্যাচার করে ইসলামকে কলুষিত করেছে।
বাঙালি তবুও জাগবে না। হিন্দু ,মুসলীম বাঙালির পরিচয়ে স্বত্বা ও আসল অস্তিত্ব হারাতে চলেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

ট্যাগস:-

বাঙালিকে ধর্মের আফিম খাইয়ে দূর্বল ও ধ্বংস করা হয়েছে

আপডেট সময়- ০৬:৫৮:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪
~প্রতিকী ছবি>>
তারই ধারাবাহিকতায় বারবার বাংলাকে টুকরো করা হয়েছে..!
মানস বন্দ্যোপাধ্যায়,কলকাতা।।
অতীতের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় অবিভক্ত ভারতের অর্ধেক জুড়েই ছিল বাঙালির বিস্তীর্ণ ভূমি। আজকের দুই বাংলা, বিহার,আসাম, ওড়িশা, ত্রিপুরা বাংলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। বাঙালির প্রগতি, বুদ্ধিমত্তার পরিচয় পেয়ে প্রথম ব্রিটিশ শাসক বাঙালির বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু করে।
১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ চক্রান্ত ভারতীয় জাতীয়তাবাদীদের তীব্র বিরোধিতার সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসাবে  চিহ্নিত। ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন বিস্তীর্ণ প্রদেশে শাসন ব্যবস্থার উন্নতির একটি উপায় হিসেবে বিভাজনের প্রস্তাব করেছিলেন। ১৭৬৫  সাল থেকে বাংলা, বিহার এবং উড়িষ্যা একটি ঐক্যবদ্ধ অঞ্চল ছিল, কিন্তু ১৯০০ সাল নাগাদ এর আয়তন নিয়ন্ত্রণের অযোগ্য হয়ে পড়ে।
বঙ্গভঙ্গের পটভূমি>>
বাংলা, প্রদেশের মধ্যে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা, বাংলাদেশ এবং আসাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই বিশাল বাংলা ১৭৬৫ সাল থেকে ব্রিটিশ শাসনের অধীনে ছিল।
প্রদেশটি তার বৃহৎ আকার এবং দ্রুত বর্ধমান জনসংখ্যার কারণে প্রশাসনের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠে।
বাংলার পূর্বাঞ্চলের গ্রামীণ এলাকাগুলি শিল্প, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের দিক থেকে অবহেলিত ছিল। কিন্তু বেশির ভাগ উন্নয়ন ছিল কলকাতাকে কেন্দ্র করে।
লর্ড কার্জন ভারতে আসার আগেই প্রশাসনিক সুবিধার জন্য প্রদেশটিকে বিভক্ত করার ধারণাটি বিদ্যমান ছিল। ১৮৭৪  সালে আসামকে পৃথক করা হয়েছিল।
প্রাথমিকভাবে, কার্জন একটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসাবে বিভাজনের প্রস্তাব করেছিলেন কিন্তু পরে এটিকে ক্রমবর্ধমান জাতীয়তাবাদকে দুর্বল করার একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে দেখেছিলেন।
তার প্রস্তাবিত বিভাজনের ফলে দুটি প্রদেশ হবে: বাংলা (পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং বিহার সহ) এবং দ্বিতীয়টি পূর্ববঙ্গ ও আসাম।
বাংলা কেন্দ্রীয় প্রদেশের কাছে পাঁচটি হিন্দি-ভাষী রাজ্য হারাবে কিন্তু একই অঞ্চল থেকে ওড়িয়া-ভাষী রাজ্যগুলি পাবে।
পূর্ব বাংলায় পার্বত্য ত্রিপুরা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী এবং ঢাকা বিভাগ থাকবে যার রাজধানী হবে ঢাকা।
বাংলায় হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকবে, আর পূর্ব বাংলা এবং আসামে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকবে। কলকাতা থাকবে  বাংলার রাজধানী। পূর্ব বাংলার রাজধানী হবে ঢাকা।
লর্ড কার্জনের ফর্মুলা অনুযায়ী গায়ের জোরে বাংলাকে প্রথম দু টুকরো করা হলো।
বঙ্গভঙ্গের কারণ>>
১৯০৫  সালে, ভারতে ব্রিটিশ প্রশাসক লর্ড কার্জন ১৬  অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেন। এই বিভাজনের পিছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল বাঙালির নেতৃত্বে ক্রমবর্ধমান অশান্তির ফলে বাঙালিকে দুর্বল করা। যদিও প্রাথমিকভাবে বলা হয়েছে প্রশাসনিক শাসন ব্যবস্থার সুবিধার কথা।  বাংলা, একটি উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যার একটি বিশাল প্রদেশ হওয়ায়, পূর্বাঞ্চলে আরও সুগম ও দক্ষ শাসন কাঠামো প্রতিষ্ঠার জন্য বিভক্ত করা হয়েছিল।এই বিভাজনের ফলে তীব্র বিক্ষোভের সূচনা হয়।
বাংলা বিভাগ সমগ্র অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছিল।
বাঙালিরা বিভক্তিকে তাদের দেশের অপমান হিসেবে দেখে এবং বাংলার পুনর্মিলনের আহ্বান জানায়।
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস, সেই সময়ের একটি বিশিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠন, জাতিগত ভিত্তিতে বিভাজনের নিন্দা করেছিল।
প্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালিরা এই পরিবর্তনের বিরোধিতা করেছিল কারণ এটি তাদের প্রদেশের মধ্যে একটি ভাষাগত সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে।
অনেক বাঙালি মুসলমান দেশভাগকে সমর্থন করেছিলেন , কারণ তারা বিশ্বাস করেছিলেন যে এটি নতুন প্রদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে তাদের শিক্ষাগত, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক স্বার্থকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য লর্ড কার্জনের প্রতিশ্রুতি মুসলমানদের জন্য তাদের শিক্ষা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের একটি সুযোগ হিসেবে দেখা হয়েছিল।
বঙ্গভঙ্গকে ব্রিটিশ সরকার তাদের “ভাগ করো এবং শাসন করো”  অর্থাৎ ” Divide  and Rule” কৌশল বাস্তবায়নের জন্য নিযুক্ত একটি কৌশল হিসাবে গ্রহণ করেছিল, যা বাঙালি এবং জাতীয়তাবাদীদের মধ্যে দেশপ্রেমিক অনুভূতিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।
 তারপর থেকেই বাঙালিকে বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠী এক স্থান থেকে ভিন্ন স্থানে ধাক্কা দিতে দিতে দুর্বল ও আরো বিভাজনের দিকে ঠেলে নিয়ে গেছে। শুধু আসাম,বিহার, ত্রিপুরা ওড়িশাই নয়, এর বাইরেও ছোট্ট অবিভক্ত বাংলাকে ব্রিটিশের পদ লেহানকারী  জওহারলাল নেহরু, কায়েদি আজম জিন্নাহ ও গান্ধী ধারালো ধর্মের করাত দিয়ে দুটুকরো করলেন। বাঙালির মেরুদন্ডকে ভেঙে দেওয়া হলো। বাঙালির পরিচয় আর বাঙালি হিসাবে রইলো না। বাঙালি হিন্দু,বাঙালি মুসলমান। রাম এবং রহিমের মধ্যে লড়াই। বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলাম এবং বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মধ্যে যেন একটা প্রাচীর ঘেরা হলো।
ছোট বেলায় যে চাচার কোলে বসে আম খেয়েছি, যে চাচা আমাদের বাড়িতে এসে ঢেঁকি শাক, লাউ শাক দিয়ে গেছেন। অঙ্গনে বসে দৈ চিড়া খেয়ে গেছেন,সেই মুসলিম চাচা ও হিন্দু ভাতিজার সম্পর্কে ফাটল ধরেছে। গ্রামের হাটখোলার অদূরে বিকালের স্তব্ধ পরিবেশকে প্রাঞ্জল করে যখন আজানের শব্দ কানে আসতো, তখন মসজিদের আসে পাশে রোহন, আসিফের সঙ্গে আমরা ঘুরতাম। আমাদের চা বাগানের দুর্গা ও কালী মূর্তি তৈরি করতেন রহমত আলী চাচা। পুজোয় আসতেন পরিবার নিয়ে।কেউ আপত্তি তোলেনি। কিন্তু ক্রমশ একশ্রেনীর ব্রাহ্মণ ও মোল্লারা ধর্মের অপব্যাখ্যা করে এমন নেশাগ্রস্ত করে দিলেন,যার জন্য আজো ফেলে আসা নিজের মাটির জন্য চোখ ফেলা হিন্দু বাঙালিকে শুনতে হচ্ছে, জমি গেছে,ভিটে গেছে,  বিভক্ত বাঙালি হিন্দুর পুরোহিতের গলা কাটা হচ্ছে। মহিলাদের গনিমতের মাল করা হচ্ছে। মন্দির পুড়ছে,মূর্তি ভাঙচুর হচ্ছে। তাই মনে হচ্ছে বাঙালি শুধু দু টুকরোই হয়নি, নিজেরাও একদিন ইতিহাস হয়ে যাবে।
দুই বাংলা যদি ভাগ না হতো তাহলে জনসংখ্যার এবং আয়তনের বিচারে ভারতে বাংলার লোকসভা আসনের সংখ্যা ১০০ হয়ে যেতো। বর্তমানে উত্তর প্রদেশের আসন সংখ্যা ৮০ টি। তাই ভারতীয় রাজনীতিতে উত্তর প্রদেশের আসল চাবিকাঠি। এটা অবিভক্ত ভারত হলে বাঙালি ভারতে প্রধান মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হতেন। আর সেটিকে চিরকালের জন্য রুখে দিতে  উত্তর প্রদেশের জওহরলাল নেহরু বাঙালিকে কেটেছিলেন। হায়রে বাঙালি সেই চক্রান্ত ধরতে পারে নি ধর্মের কালো চশমা পড়ায়। ঠিক পাকিস্তানও একই ফর্মুলা অনুযায়ী কাজ করেছিল। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে পাকিস্তানের সংসদে সংখ্যা গরিষ্ঠ সদস্য নির্বাচনে জয়ী হওয়া সত্বেও শাসন ক্ষমতা তুলে দেয় নি। নির্মম অত্যাচার করে ইসলামকে কলুষিত করেছে।
বাঙালি তবুও জাগবে না। হিন্দু ,মুসলীম বাঙালির পরিচয়ে স্বত্বা ও আসল অস্তিত্ব হারাতে চলেছে।