অনলাইন নিউজ ডেস্ক।।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতি হতে কমপক্ষে স্নাতক ডিগ্রি থাকার বাধ্যবাধকতা বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
সোমবার (১৫ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত জানান শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং সভাপতির ক্ষেত্রে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক ডিগ্রি নির্ধারণ করা হয়েছে। স্কুল, উচ্চমাধ্যমিক কলেজ, মাদ্রাসা ও প্রাথমিক—সব ধরনের প্রতিষ্ঠানের সভাপতির জন্য এই যোগ্যতা প্রযোজ্য হবে।
একসময় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতি হতে কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা ছিল না। পরে ২০২৪ সালের মে মাসে প্রবিধানমালা সংশোধন করে নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির জন্য ন্যূনতম এইচএসসি বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের আগস্টে এ যোগ্যতা আরও বাড়ানো হয়। তখন সিদ্ধান্ত হয়, গভর্নিং বডির সভাপতি হতে স্নাতকোত্তর বা চার বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির ক্ষেত্রে স্নাতক ডিগ্রি বাধ্যতামূলক হবে।
সম্প্রতি সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের উপস্থিতিতে সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের নিয়ে বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। যদিও সে সময় কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এখন সরকার চূড়ান্তভাবে জানিয়েছে যে সভাপতির ন্যূনতম যোগ্যতা স্নাতকই থাকবে।
শিক্ষাসংশ্লিষ্ট অনেকেই মনে করছেন, সভাপতির জন্য কমপক্ষে স্নাতক ডিগ্রি নির্ধারণ করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুশাসন ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ।































































































































































