বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় পাওনা টাকা নিয়ে সালিস বৈঠকে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে খোরশেদ আলম (৫৫) নামের একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয়পক্ষে আহত হয়েছেন পাঁচজন।
রোববার বিকেলে মেহেন্দীগঞ্জ পৌর এলাকার দক্ষিণ চরহোগলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।আহত ব্যক্তিদের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে , ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাওলাদারের নেতৃত্বে হামলায় খোরশেদ নিহত হয়েছেন। খোরশেদ রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকার একটি ট্যানারিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। তিনি ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসেছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী তোতা সিকদার বলেন, প্রায় ২০ বছর আগে বিল্ডিংয়ের সেন্টারিং মালামাল বাবদ বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর নিহত খোরশেদের কাছে ২ লাখ ৫২ হাজার টাকা পাওনা রয়েছে বলে মেহেন্দীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দুপক্ষের সালিসদারদের নিয়ে রোববার বিকেলে সালিস বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এতে মেহেন্দীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এ সময় খোরশেদের পক্ষের একজন বৈঠকের ভিডিও ধারণ করছিলেন। এতে ক্ষুব্ধ হন জাহাঙ্গীরের পক্ষের লোকজন। এ নিয়ে দুপক্ষের বাক্বিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। এতে খোরশেদ প্রতিপক্ষের হামলায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
নিহত খোরশেদের ভাতিজা রাকিব সিকদার অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার চাচাকে জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের সামনেই হামলা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর হাওলাদার ঘটনার পর গা ঢাকা দেওয়ায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মেহেন্দীগঞ্জ পৌর বিএনপির সদস্যসচিব রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী (দিনু মিয়া) বলেন, ‘মারামারির খবর পাওয়ামাত্র জাহাঙ্গীরকে দল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। আমরা কিছুতেই অন্যায়কে প্রশ্রয় দেব না।’
মেহেন্দীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মতিউর রহমান বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।






























































































































































