অবশেষে দুই দশক পর দখলমুক্ত কক্সবাজারের সুগন্ধা সৈকত পয়েন্ট
- আপডেট সময়- ০৫:৪৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন নিউজ ডেস্ক।।
জেলা প্রশাসনের মাইকিং করে হুঁশিয়ারির পর কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্টের সৈকত থেকে ব্যবসায়ীরা নিজেরাই দোকান ভেঙে মালামাল অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছেন। এতে অপসারিত হয়েছে প্রায় পাঁচ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা।
এদিকে, সুগন্ধা বীচ পয়েন্টের বালিয়াড়ির ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাগুলো সরাতে জেলা প্রশাসন রোববার(১৫ মার্চ) সকাল ১০টা পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেয়। দুপুর ২টার দিকে জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), পুলিশ ও আনসারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাইকিং করে নির্দেশনা দিতে শুরু করেন। এরপরই ব্যবসায়ীরা স্বেচ্ছায় তাদের দোকান ও স্থাপনা সরাতে শুরু করেন।
ঝিনুক বিক্রেতা শহিদুল বলেন, ‘প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে আমরা নিজেরাই দোকান সরিয়েছি। কিন্তু কষ্টটা থেকেই গেছে। ঈদ সামনে রেখে ভালো ব্যবসার আশায় অনেকেই ঋণ নিয়ে দোকানে বিনিয়োগ করেছিলেন। এখন হঠাৎ উচ্ছেদের কারণে প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা ক্ষতির মুখে পড়েছি। এই ক্ষতি কীভাবে পুষিয়ে নেব তা শুধু আল্লাহই জানেন।
লাবণী ও কলাতলী পয়েন্টের সৈকতে গড়ে ওঠা স্থাপনাগুলোর বিরুদ্ধেও ধাপে ধাপে একই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) মঞ্জু বিন আফনান বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা নিজেদের দায়িত্বেই এলাকা থেকে দোকান সরিয়ে নিয়েছেন। দোকান ও মালামালের সংখ্যা বেশি হওয়ায় সকালে তারা কিছু অতিরিক্ত সময় চান। সেই সময়ের মধ্যেই তারা দোকান সরিয়ে নেন।’
পুনর্বাসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। ব্যবসায়ীরা তাদের অভিযোগ বা দাবি কর্তৃপক্ষের কাছে জানাতে পারেন, প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সেগুলো বিবেচনা করা হবে।‘কর্তৃপক্ষ প্রথমে সৈকত দখলমুক্ত করবে, এরপর ধাপে ধাপে পুরো সৈকত এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কার্যক্রম পরিচালনা করবে,’ যোগ করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জু।
নিউজটি শেয়ার করুন..

-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ




























































































































































