সর্বশেষ:-
প্রচ্ছদ /
অর্থ ও বাণিজ্য, আইন আদালত, আন্তর্জাতিক, আবহাওয়া ও জলবায়ু, উপজেলা প্রশাসন, গণমাধ্যম, জাতীয়, জেলা প্রশাসক কার্যালয়, ঢাকা, দূর্নীতি দমন কমিশন(দুদক), দেশজুড়ে, নারায়ণগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ সদর, নারী ও শিশু, পূর্বাভাস, বাংলাদেশ, সিদ্ধিরগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথের ৩ কর্মচারীর দুনীর্তির মহোৎসব
প্রতিনিধির নাম
- আপডেট সময়- ০৪:৫২:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ৭১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।।
প্রচলিত একটি কথা রয়েছে ‘বেড়ায় ক্ষেত খায়’। এ প্রবাদ প্রবচনকে যেন বাস্তবায়ন করে চলেছে নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথের লম্পট স্বার্থলোভী অসাধু কর্মচারীরা।
নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের অফিসটিতে এই লম্পট স্বার্থলোভী কর্মচারীরা সরকারীরা টেন্ডারগুলোর তথ্য ফাঁস করে, অবৈধ অর্থ লোপাট ঠিকাদারের নিম্নমানের কাজের বৈধতা এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের কলনীতে অবৈধভাবে দখল করার মাধ্যমে এই সাধারণ কর্মচারীরা ভাড়া আদায়সহ নানা অপকর্ম করে বেড়াচ্ছেন।
এর আগেও দুর্নীতির দমন কমিশনের পক্ষ থেকে এসকল অসাধু কর্মচারী ও ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন। মূলত, এসকল অসাধু কর্মচারীরা বৃহৎ এক ঠিকাদারী সিন্ডিকেটকে সুবিধা দিতে নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথের আওতাধীন বিভিন্ন স্থানে টেন্ডারসহ নানা কাজে অনিয়ম সংগঠিত করতে সহযোগীতায় নিয়োজিত থাকেন। সেই সাথে টেন্ডারের গোপনীয়তা ফ্লাস করে থাকেন সেই বৃহৎ ঠিকাদারী সিন্ডিকেটকে। এছাড়া পতীত আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠন শ্রমিকলীগের আওতাভুক্ত শ্রমিক-কর্মচারীদের সংগঠনের শীর্ষ পদে থেকে আওয়ামীলীগ শাসন আমল থেকে এখনোও সড়ক জনপথের কলনীতে বিভিন্ন বাসা-রুম দখল করে অবৈধ ভাবে ভাড়া আদায় বিক্রি করে অর্থ লোপাট করে বেড়াচ্ছেন অসাধু কর্মচারীরা।
নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথের লম্পট স্বার্থলোভী অসাধু তিনজন কর্মচারীর অপকর্মের মুখোশ উন্মোচন হতে যাচ্ছে এই প্রতিবেদনে।
নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথকে দুর্নীতির আতুড়ঘর হিসেবে বিভেচিত করা অসাধু তিনজন কর্মচারীর অপকর্মের অনুসন্ধানে উঠে আসে, মো: জামায়েত উল্লাহ, অফিস সহকারী নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ-দীর্ঘ ২৫-৩০ বছর যাবৎ নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের হিসাব শাখায় ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে জামায়েত উল্লাহ। এছাড়া আওয়ামীলীগের সমর্থক হিসেবে নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জামায়েত উল্লাহ শ্রমিক লীগের দাপটে একের পর এক তুঘলকি কান্ড করে বেড়িয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথকে দুর্নীতির আতুড়ঘর হিসেবে বিভেচিত করা অসাধু তিনজন কর্মচারীর অপকর্মের অনুসন্ধানে উঠে আসে, মো: জামায়েত উল্লাহ, অফিস সহকারী নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ-দীর্ঘ ২৫-৩০ বছর যাবৎ নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের হিসাব শাখায় ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে জামায়েত উল্লাহ। এছাড়া আওয়ামীলীগের সমর্থক হিসেবে নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জামায়েত উল্লাহ শ্রমিক লীগের দাপটে একের পর এক তুঘলকি কান্ড করে বেড়িয়েছেন।
তুঘলকি কান্ডের অংশ হিসেবে আর সড়ক গবেষণাগার মিরপুরে ১০-১৫ রুমের বাসা দখল করে অবৈধভাবে ভাড়া আদায় করছেন। নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের কম্পাউন্ড এর মধ্যে ভিটিকান্দি সড়ক উপ-বিভাগের মোহাম্মদ হান্নান অফিস সহকারী অবসরে গেলে তার বাসাটিও জবরদখল করে রাখে এবং অবৈধভাবে ভাড়া আদায় করে নিজেই লুফে নিচ্ছেন। এছাড়া কম্পাউন্ডের ভিতর লম্পট জামায়েত উল্লাহ তার নিজের নামে বাসা নিয়ে, মাস্টার রোলের এক কর্মচারীর কাছে ৩ লক্ষ টাকায় সেই বাসাটি বিক্রি করেন।
জানা গেছে, জামায়েত উল্লাহর এই অপকর্মে সহযোগীতা করেছেন নারায়ণগঞ্জ সড়ক উপ-বিভাগ-১ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জনাব মোঃ আহসান উল্লাহ মজুমদার। মূলত, তার সহযোগিতায় উক্ত বাসাটি বিক্রি করছে জামায়েত উল্লাহ। এভাবেই একের পর এক জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে মদনপুর বাস স্ট্যান্ডের সন্নিকটে ১০কাঠা জমি ক্রয় করেন ৪বছর পূর্বে এছাড়া তার পুত্রকে বিদেশে লেখাপড়ার জন্য মোটা অংকের টাকা ব্যয় করেছে। একজন অফিস সহকারীর পুত্র বিদেশে পড়ালেখা কথা শোনলেই চোখ কপালে উঠার কথা। এদিকে কোটি কোটি টাকার সম্পদ ক্রয়ের ঘটনা শুনা যায় এই জামায়েত উল্লাহর বিরুদ্ধে। যার কারণে স্বাভাবিক ভাবেই বুঝা যায় দুর্নীতির এক এলাহী কান্ডে লিপ্ত নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের অফিস সহকারী মো: জামায়েত উল্লাহ। একই পদে বরাবরের মত জামায়েত উল্লাহ বহাল থাকলেও তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রশাসন এখনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
আনিস, কম্পিউটার অপারেটার নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ- আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে ই-টেন্ডার চালু করা হলে নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের সকল কার্যক্রম আনিসের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঠিকাদারদের বৃহৎ একটি সিন্ডিকেটের পক্ষে নেপথ্যে কাজ করতেন আনিস। মূলত, আনিস ই-টেন্ডারের সমস্ত গোপনীয়তা ফ্লাস করে ঠিকাদার সিন্ডিকেটকে সহযোগীতা করতেন। যার কারণে ই-টেন্ডারেও সেই ঠিকাদার সিন্ডিকেট গ্রুপটি বরাবরের মত টেন্ডার পেয়ে যেতেন। আওয়ামীলীগ পতনের পর থেকে এখনো এই অসাধু কম্পিউটার অপারেটার ঠিকাদার সিন্ডিকেটকে সহযোগীতার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির মহোৎসব গড়ে তুলেছেন। অপরদিকে এই আনিস সরাসরি আওয়ামীলীগের পক্ষে বিভিন্ন সভা সমাবেশ করে শ্রমিক-কর্মচারীদের নেতা সেঁজে আওয়ামীলীগের বিভিন্ন গল্প শোনাতেন বক্তব্যের মাধ্যমে এবং জয় বাংলার স্লোগান দিতেন। এছাড়া সভা সমাবেশের বক্তব্যে শ্রমিক-কর্মচারীদের নেতা সেঁজে হুমকি ধামকিও দিতেন।
সোহাগ,কার্যসহকারী নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ- সড়ক ও জনপথের বিভিন্ন রক্ষণাবেক্ষণ উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক কাজে লিপ্ত থেকে এই সোহাগ আওয়ামীলীগ সরকারের আমল থেকেই টেন্ডারের মাঠ পর্যায়েরে কাজে যত অপকর্ম ছিল ঠিকারদের সোহাগ বৈধতা দিতেন। এভাবে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করে আঙুল ফুলে কলা গাছ বনে গেছেন। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঠিকাদারদের বৃহৎ একটি সিন্ডিকেটের পক্ষে নেপথ্যে সরাসরি কাজ করেন এই সোহাগ।
আনিস, কম্পিউটার অপারেটার নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ- আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে ই-টেন্ডার চালু করা হলে নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের সকল কার্যক্রম আনিসের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঠিকাদারদের বৃহৎ একটি সিন্ডিকেটের পক্ষে নেপথ্যে কাজ করতেন আনিস। মূলত, আনিস ই-টেন্ডারের সমস্ত গোপনীয়তা ফ্লাস করে ঠিকাদার সিন্ডিকেটকে সহযোগীতা করতেন। যার কারণে ই-টেন্ডারেও সেই ঠিকাদার সিন্ডিকেট গ্রুপটি বরাবরের মত টেন্ডার পেয়ে যেতেন। আওয়ামীলীগ পতনের পর থেকে এখনো এই অসাধু কম্পিউটার অপারেটার ঠিকাদার সিন্ডিকেটকে সহযোগীতার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির মহোৎসব গড়ে তুলেছেন। অপরদিকে এই আনিস সরাসরি আওয়ামীলীগের পক্ষে বিভিন্ন সভা সমাবেশ করে শ্রমিক-কর্মচারীদের নেতা সেঁজে আওয়ামীলীগের বিভিন্ন গল্প শোনাতেন বক্তব্যের মাধ্যমে এবং জয় বাংলার স্লোগান দিতেন। এছাড়া সভা সমাবেশের বক্তব্যে শ্রমিক-কর্মচারীদের নেতা সেঁজে হুমকি ধামকিও দিতেন।
সোহাগ,কার্যসহকারী নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ- সড়ক ও জনপথের বিভিন্ন রক্ষণাবেক্ষণ উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক কাজে লিপ্ত থেকে এই সোহাগ আওয়ামীলীগ সরকারের আমল থেকেই টেন্ডারের মাঠ পর্যায়েরে কাজে যত অপকর্ম ছিল ঠিকারদের সোহাগ বৈধতা দিতেন। এভাবে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করে আঙুল ফুলে কলা গাছ বনে গেছেন। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঠিকাদারদের বৃহৎ একটি সিন্ডিকেটের পক্ষে নেপথ্যে সরাসরি কাজ করেন এই সোহাগ।
এদিকে বৃহৎ ঠিকাদার সিন্ডিকেটে আছেন নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্য ৭খুনের অধিনায়ক নূর হোসেনের এক সময়ের সহযোগী এবং নূর হোসেনের ভাই নুরুউদ্দিনের নেতৃত্বাধীন এই সিন্ডিকেটটি নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগে অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যবহার করে টেন্ডার ভাগিয়ে কোটি কোটি টাকার পাহাড় বানিয়েছেন। সেই সাথে তাদের এই সিন্ডিকেটে রয়েছে নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্য ৭খুনের মামলার এজাহারভুক্ত আসামীরা যারা বিভিন্ন সময় এজাহার থেকে নাম কাটেন। বর্তমানে এই ঠিকাদার সিন্ডিকেটটির সকল অপকর্মের সহযোগীতা এবং টিকে আছে নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সিদ্ধিরগঞ্জ ভূমির প্রভাবশালী দুই নেতা গিয়াস গং-মামুন গংদের মাধ্যমে। অনুসন্ধানে উঠে আসা ঠিকাদার এবং কর্মচারীদের দুর্নীতির অভিনব অপকর্মের সকল নমুনা আগামী প্রতিবেদনের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হবে।
নিউজটি শেয়ার করুন..
ট্যাগস:-

-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ







































































































































