সর্বশেষ:-
প্রচ্ছদ /
অর্থ ও বাণিজ্য, আন্তর্জাতিক, আবহাওয়া ও জলবায়ু, উপজেলা প্রশাসন, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জেলা প্রশাসক কার্যালয়, দেশজুড়ে, নারী ও শিশু, বাংলাদেশ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র
জাতিসংঘ মিশনে শহীদ হলেন গাইবান্ধার সবুজ
প্রতিনিধির নাম
- আপডেট সময়- ০৬:৪৫:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ৫৫ বার পড়া হয়েছে
গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
বিদেশের মাটিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার মিশনে নিয়োজিত ৬ বাংলাদেশি সৈনিকের জীবনাবসান ঘটলো ড্রোন হামলায়।
সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিক বেসে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় নিহত ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর ১ জন গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বাসিন্দা সবুজ মিয়া। বিশ্ব শান্তি রক্ষার এই কর্তব্য পালন করতে গিয়ে তিনি রেখে গেলেন শোকাহত এক মা, নববিবাহিতা স্ত্রী ও একটি শূন্য সংসার।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে সংঘটিত এই নৃশংস হামলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই গাইবান্ধার ছোট ভগনবানপুর পূর্বপাড়া গ্রাম মূক শোকে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। সবুজ মিয়া ছিলেন এই গ্রামের মৃত হাবিদুল ইসলাম ও সকিনা বেগমের সন্তান। মাত্র দুই বছর বয়সে পিতৃহারা হয়ে সংসারের হাল ধরেছিলেন তিনি। ২০১০ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে লন্ড্রি কর্মচারী হিসেবে যোগ দিয়ে পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। গত ৭ নভেম্বর জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী হিসেবে সুদানে যাওয়া ছিল তার জীবনের একটি বড় অধ্যায়।
তার শাহাদাত সংসারের সব আশা-ভরসাকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিয়েছে। দেড় বছর আগে নাটোর থেকে বিয়ে করে আনা স্ত্রী নুপুর বেগম ও বৃদ্ধা মা সকিনা বেগম এখন একাকী। মা বারবার ছেলের শেষ কথাগুলোই স্মরণ করছেন, যে তাকে বলেছিল আর একটু কষ্ট সহ্য করতে, ফিরে এসে সব ঠিক করে দেবে। অন্যদিকে স্ত্রী নুপুর বেগমের কণ্ঠে হাহাকার, তাদের নতুন শুরু হওয়া সংসার ও সমস্ত ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এক মুহূর্তে ধুলিস্যাৎ হয়ে গেছে।
এলাকাবাসী ও স্থানীয় প্রশাসন শহীদ সবুজ মিয়ার মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা এবং তার পরিবারকে সর্বাত্মক রাষ্ট্রীয় সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন।
পলাশবাড়ী উপজেলা ও থানা প্রশাসন জানিয়েছে, তারা এই বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন এবং প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।
নিউজটি শেয়ার করুন..
ট্যাগস:-

-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ







































































































































