সর্বশেষ:-
প্রচ্ছদ /
অর্থ ও বাণিজ্য, আইন আদালত, আন্তর্জাতিক, আবহাওয়া ও জলবায়ু, উপজেলা প্রশাসন, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, জেলা প্রশাসক কার্যালয়, টেকনাফ, দেশজুড়ে, নারী ও শিশু, বাংলাদেশ, বিজিবি
মাদক সনাক্তকারী কুকুর ‘মেঘলা’র ঘ্রাণে ধরা চোলাই মদের চালানসহ আটক-৪
প্রতিনিধির নাম
- আপডেট সময়- ০৬:০১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫ ১০৮ বার পড়া হয়েছে
ফরহাদ রহমান,
টেকনাফ(কক্সবাজার) প্রতিনিধি।।
বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) এর চৌকস সদস্যরা দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্ত টেকনাফে মাদকবিরোধী অভিযানে বড় সফলতা পেয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন কে-নাইন (K-9) মাদক শনাক্তকারী কুকুর ‘মেঘলা’র ঘ্রাণে ধরা পড়ে হ্নীলা থেকে টেকনাফগামী একটি ইজি বাইকে পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করা ১৬ লিটার দেশীয় চোলাই মদ।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) বিকেল আনুমানিক ২টায় টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ দমদমিয়া চেকপোস্টে কর্তব্যরত বিজিবি সদস্যরা নিয়মিত তল্লাশির অংশ হিসেবে একটি সন্দেহজনক ইজি বাইক থামায়। বাইকটি থামানোর পর কে-নাইন ‘মেঘলা’ যাত্রী ও গাড়ির ভেতরে মাদক থাকার ইঙ্গিত দেয়। বিজিবি সদস্যরা তাৎক্ষণিক তল্লাশি চালিয়ে ইজি বাইকের পেছনের সিটের নিচে পানির বোতলের ভেতরে লুকানো চোলাই মদের বোতল উদ্ধার করে।
এসময় মদ বহনকারী চারজন কারবারি এবং চালকসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন: ইয়াছিন আরাফাত, পিতা–আব্দুল জব্বার, সাং–নাইটংপাড়া, টেকনাফ।এনায়েত উল্লাহ, পিতা–আমির শরীফ, সাং–নাইটংপাড়া, টেকনাফ।
আব্দুর রহমান, পিতা–দিল মাহমুদ, সাং–নাইটংপাড়া, টেকনাফ।
রাশেদুল করিম নিজাম, পিতা–বাবুল হোসেন, সাং–চারাখালী, রাজাপুর, ঝালকাঠি। মোহাম্মদ আমিন, পিতা–মোহাম্মদ জলিল, সাং–ডেইল পাড়া, টেকনাফ।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং জব্দকৃত ইজি বাইক ও আলামতসহ তাদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আশিকুর রহমান, পিএসসি বলেন,
“সীমান্তে বিজিবি সদস্যরা সব সময় অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। ‘মেঘলা’র মতো কে-নাইন ডগগুলো এখন আমাদের মাদকবিরোধী অভিযানের বড় শক্তি হয়ে উঠেছে। মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে বিজিবির অভিযান আরও জোরদার হবে।”
বিজিবির এ অভিযান স্থানীয়ভাবে প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, সীমান্তে ‘মেঘলা’র মতো প্রযুক্তি-নির্ভর নজরদারি থাকলে মাদক ও চোলাই মদের অবৈধ প্রবাহ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে।





































































































