সর্বশেষ:-
প্রচ্ছদ /
অর্থ ও বাণিজ্য, আইন আদালত, আবহাওয়া ও জলবায়ু, উপজেলা প্রশাসন, কুষ্টিয়া, খুলনা, জেলা প্রশাসক কার্যালয়, দূর্নীতি দমন কমিশন(দুদক), দেশজুড়ে, নারী ও শিশু, বাংলাদেশ, বাংলাদেশ পুলিশ, ভেড়ামারা
ভেড়ামারা সড়কে বেপরোয়া গতিতে চলছে অনিবন্ধিত যানবহন
প্রতিনিধির নাম
- আপডেট সময়- ০৫:৪৯:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৫ ১৫৯ বার পড়া হয়েছে
হৃদয় রায়হান,কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি।।
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় দিনে দুপুরে বেপরোয়া গতিতে চলছে বালু ভর্তি শত শত শ্যালো ইঞ্জিন, বেপরোয়া ড্রাম ট্রাক, ফিটনেসহীন গণপরিবহন আর অদক্ষ মোটর সাইকেল চালক-সব মিলিয়ে যেন মৃত্যুপুরী ভেড়ামারা সড়ক। প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা। কিন্তু, এসব নিরসনে ফলপ্রসু কোনো উদ্যোগ নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। মৃত্যুর মুখে মানুষ, ধ্বংস হচ্ছে সড়ক। ভেড়ামারায় আইন অমান্য করে ওভার লোভ নিয়ে বালুভর্তি শত শত শ্যালো ইঞ্জিন গাড়ি, ড্রাম ট্রাক বেপরোয়া গতিতে ঢুকছে ভেড়ামারার আনাচে-কানাচে শহর ও গ্রামে। এদিকে প্রশাসনের কোন পদক্ষেপ নেই। এসব যানের চাকার আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক উপ-সড়ক। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লেখা লেখির পরও বন্ধ হচ্ছে না এগুলো। সাধারণ মানুষ প্রশাসনকে দায়ী করে বলছে প্রশাসন কি কারণে এগুলোর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এগুলো নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধেও পত্র পত্রিকায় লেখালেখি হয়েছে কিন্তু তাদের এহেন কর্মকান্ডের কারণে ড্রাম ট্রাকের পৃষ্ঠে প্রাণ দিতে হচ্ছে। তারপর প্রশাসনের বিভিন্ন মহল থেকে জানানো হয় দিনের বেলা ড্রাম ট্রাক চলবে না। কিন্তু কথা কেউই রাখেনি। ভেড়ামারায় দিনের বেলাতেই শত শত শ্যালো ইঞ্জিন গাড়ি, ড্রাম ট্রাকের অবাধ চলাচল রয়েছে। একটি সূত্রে জানা যায় ভেড়ামারায় বেশিরভাগ ড্রাম ট্রাকের লাইসেন্স নাই। এছাড়াও ড্রাম ট্রাক শ্যালো ইঞ্জিন গাড়ি গুলোতে হেলপার দিয়ে চালানোর অভিযোগও রয়েছে। এগুলো দেখার যেন কেউ নাই। ৫ই আগস্টের পর পেক্ষাপট পরিবর্তন হলেও বালু মহলে কোন পরিবর্তন হয়নি। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কগুলো এখন ভেঙেচুরে একাকার হয়ে যাচ্ছে। এতে এলাকাবাসীসহ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন পরিবহন চালক, যাত্রী ও পথচারীরা। কেবল সড়কের ক্ষতি নয়, প্রতিদিন অহরহ ঘটছে দুর্ঘটনা। এসব অবৈধ বালুবাহী গাড়ির চাকার নিচে প্রাণ যাচ্ছে অসংখ্য মানুষের। দন্ডবিধিতে কোন সরকারি সম্পদের ক্ষতি করলে এর শান্তির বিধান নিশ্চিত করা আছে। অথচ ভেড়ামারায় শ্যালো ইঞ্জিন গাড়ি ও ড্রাম ট্রাক চলাচল দেখে মনে হচ্ছে প্রশাসন এসব আইন সম্পর্কে কিছুই জানে না। বিভিন্ন এলাকার স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসন, পুলিশ সদস্যদের সামনে দিয়ে অবাধে চলাচল করছে মাটি-বালুবাহী অবৈধ শ্যালো ইঞ্জিন গাড়ি, ড্রাম ট্রাক। একটি দুর্ঘটনা ঘটলে তখন একটু প্রশাসন নড়ে চড়ে বসে। তারপর যা তাই হয়ে যায়। আমরা রাস্তা দিয়ে যাওয়া আসা করি। অথচ শ্যালো ইঞ্জিন গাড়ি ও ড্রাম ট্রাকের জন্য যাওয়া আসার একদমই অবস্থা নাই। বালু বহনকারী বেপরোয়া যান চলাচলে ধুলোবালি উড়ে রাস্তার দু’পাশের ঘরবাড়ি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। প্রচন্ড ধুলাবালি বাড়িঘর খাবারদাবারের ভেতরে ভরে যায়। খাবারদাবার আসবাবপত্র জামা কাপড় সবই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আর দিনের বেলা যেন কোন ভাবেই বালু তুলতে না পারে সে ব্যাপারে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ভেড়ামারা থানার অফিসার জানান, দিনের বেলায় তো চলার কথা নয়। আপনি বললেন আমি দেখব বিষয়টি। শ্যালো ইঞ্জিন গাড়ি ও ড্রাম ট্রাকের বিরুদ্ধে আমরা কাজ করছি। নিয়ন্ত্রণ করতে কষ্ট হচ্ছে। তবে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজটি শেয়ার করুন..
ট্যাগস:-

-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ







































































































































