ঢাকা ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:-
বহিরাগত কেউ মেয়র হতে পারবে না, এই শহরের লোক মেয়র হবে: মাসুদুজ্জামান নারায়ণগঞ্জে ফের মারধরের শিকার পুলিশ সদস্য, আটক-২ ৫ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দিয়েছে সরকার নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন অধ্যাপক মামুন মাহমুদ নারায়ণগঞ্জসহ দেশের ৪২ জেলা পরিষদ পেল নতুন প্রশাসক সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ভিডিও ছড়ানোর দায়ে আমিরাতে বাংলাদেশিসহ আটক-১০ শ্রীমঙ্গলে হঠাৎ এক পশলা বৃষ্টিতে প্রান ফিরেছে চা বাগানে নারায়ণগঞ্জ শহরের যানযট নিরসনসহ শৃঙ্খলা ফেরাতে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ অভিযান উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ১১ কোটি ৪০ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ  কুষ্টিয়া সীমান্তে বিপুল পরিমান ভারতীয় মাদকসহ চোরাই পণ্য উদ্ধার  নিকলী এসিল্যান্ডের প্রতিহিংসার বলি সাংবাদিক আলী জামসেদ রাশিয়ার ওপর থেকে তেল বিক্রির নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো যুক্তরাষ্ট্র সড়ক ও নৌ-পথে জনদূর্ভোগ এড়াতে উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত  মৌলভীবাজারে পর্নোগ্ৰাফি ও চাঁদাবাজির মামলার প্রধান আসামি পঙ্খী গ্রেপ্তার টেকনাফে আসামি গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার র‍্যাব সদস্য আসিফ মাহমুদসহ ৪২ জনের নামে পুলিশ হত্যা মামলার আবেদন নবগঠিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি চুপ্পু রূপগঞ্জে বিপুল মাদকসহ চিহ্নিত মাদক কারবারি আটক, হামলায় আহত-৮ বিকেএমইএ-চেম্বারের যানযট নিরসন কর্মীদের বৈরী আচরণ ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ক্ষুব্ধ-অতিষ্ঠ নগরবাসী নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নের স্বার্থে সকলকে এক প্লাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: মাসুদুজ্জামান নারায়ণগঞ্জে বালু ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দু’গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত-১৫ দেশের সকল ব্যাংকের জন্য নতুন নির্দেশনা ৪০ কোটি ব্যারেল মজুদ জ্বালানি তেলের চালান বাজারে আসছে আরবি প্রভাষক পদে আরবি বিভাগের শিক্ষার্থীরা’ই হঠাৎ কেন ‘অযোগ্য’? নারায়ণগঞ্জের শীর্ষ সন্ত্রাসী ১৮ মামলার আসামী দিপু অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জে ঈদ লাইটিং ও সেহেরির ডাকের নামে অভিনব চাঁদাবাজি; অতিষ্ঠ নগরবাসী ২৮ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগের কোন সত্যতা পায়নি পিবিআই মোহামেডান ক্লাবের ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান হলেন মাসুদুজ্জামান সংবাদপত্রে ঈদের ছুটি ৫ দিন ঘোষণা করলো নোয়াব জঙ্গল সলিমপুরে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার, গ্রেপ্তার-২২ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন এমডি হলেন বাছির জামাল নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করলেন অভিনেত্রী তিথি নগরবাসীকে নিরাপদ রাখতে চলমান অভিযান অব্যহত থাকবে: এসপি নারায়ণগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত নারায়ণগঞ্জে ছিনতাই হওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই পুলিশের পিস্তল উদ্ধার, গ্রেপ্তার-৩ সিদ্ধিরগঞ্জে অজ্ঞাত যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার নারায়ণগঞ্জে ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ,সরকারি অস্ত্র লুট ২৫ মার্চ সারাদেশে প্রতীকী ব্ল্যাকআউট পালনের সিদ্ধান্ত সরকারের বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ, সারা দেশে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা দ্রুত সৌদি আরব ছাড়তে মার্কিন কূটনীতিকদের নির্দেশ রাজধানীর বনানীতে তিনতলা থেকে ফেলে গৃহকর্মীকে হত্যা ঈদ উদযাপনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা ও সজাগ দৃষ্টি রাখবে: জেলা প্রশাসক টেকনাফে কোস্টগার্ড-র‍্যাবের যৌথ অভিযানে নারী ও শিশুসহ ৩২ জন উদ্ধার কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্যে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা ওসমান হাদি হত্যা মামলার মূল আসামি ফয়সাল ভারতে গ্রেপ্তার পেট্রোল পাম্পের কর্মচারীদের পিটুনিতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সদস্য নিহত সিদ্ধিগঞ্জে গণপিটুনিতে ছিনতাইকারী নিহত, ব্যবহৃত হোন্ডা জ্বালিয়ে দিয়েছেন উত্তেজিত জনতা আজ থেকে নতুন পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি শুরু আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস নারায়ণগঞ্জে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট নিরসনে প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ অভিযান কুষ্টিয়ায় ‘ইবি’ শিক্ষিকা রুনা হত্যার প্রতিবাদে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্বজনদের মানববন্ধন শীলখালী চেকপোস্টে বিজিবির অভিযানে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক-১ সেন্টমার্টিনে কোস্টগার্ডের অভিযানে ১০ কেজি গাঁজাসহ ৯ মাদক পাচারকারী আটক ফের মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের পরিচালক হলেন নারায়ণগঞ্জের কৃতি সন্তান মাসুদুজ্জামান নারায়ণগঞ্জের ফিলিং স্টেশনগুলোতে স্বাভাবিকের চেয়ে ক্রেতাদের বাড়তি ভিড় জুড়ীর হাকালুকি হাওরে সূর্যমুখী চাষে অভুতপূর্ব সাফল্যে কৃষকের স্বস্তি  ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ নারায়ণগঞ্জে আবারও গ্যাস বিস্ফোরণ, আহত-৩ ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা বেঁধে দিল বিপিসি আগামী রোববার থেকে যে পদ্ধতিতে বিক্রি হবে জ্বালানি তেল গাইবান্ধায় অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্তে এসে ‘অবরুদ্ধ’ বিএডিসি প্রকৌশলী কক্সবাজারে ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক গাইবান্ধায় চাঁদা না পেয়ে কারখানায় হামলা, বিএনপির তিন নেতা গ্রেপ্তার নাফ নদীর তীরবর্তী কেওড়া বাগান থেকে অস্ত্র সহ গোলাবারুদ উদ্ধার ঈদে বাড়তি ভাড়া নিলেই রুট পারমিট বাতিল: পরিবহন মন্ত্রী ইবির শিক্ষিকা হত্যার ঘটনায় ৪ জনকে আসামী করে থানায় অভিযোগ অবশেষে জামিনে মুক্ত সাংবাদিক আনিস আলমগীর নির্বাহী আদেশে ১৮ মার্চ থেকে ছুটি ঘোষণা, এবার ঈদের ছুটি ৭ দিন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শন; তিন কর্মকর্তার বদলি, ভূমি অফিসের কার্যক্রম বন্ধ অসত্য অপপ্রচারের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন এডিআইজি আপেল মাহমুদ খুলনায় শ্রমিকদল নেতাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা, আটক-১ বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধির শঙ্কা ইরানের ‘সুইসাইড ড্রোনে’ চরম চ্যালেঞ্জের মুখে মার্কিন বাহিনী  ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটি দিচ্ছে না ভারত বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের ভূমি অফিসের বারান্দায় বসেছিলেন প্রতিমন্ত্রী, অফিস তখনো খোলেনি শামীম ওসমানসহ ১২ জনকে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির আদেশ চলতি ২০২৫-২৬ করবছরে ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন ৪০ লাখের বেশি করদাতা: এনবিআর ফের দেশের ৬ জেলায় পুলিশে এসপি পদে রদবদল চিকিৎসায় অবহেলায় চার রোগীর মৃত্যু: ১০ চিকিৎসকের নিবন্ধন স্থগিত নারায়ণগঞ্জে আসন্ন মহাঅষ্টমী পূণ্যস্নান ঘিরে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা মৌলভীবাজারে ১১০ বস্তা ভারতীয় জিরাসহ আটক-১ কুষ্টিয়ায় ছুরিকাঘাতে ইবি সহকারী অধ্যাপক নিহত টেকনাফে কোস্টগার্ডের পৃথক অভিযানে সাড়ে ৭ কোটি টাকার ইয়াবা জব্দ, আটক-১ ইনানীতে কোস্টগার্ডের অভিযানে ৭ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ ঋতুরাজ বসন্তের আগমনী বার্তায় মৌলভীবাজারের পথে-প্রান্তরে ফুটেছে চিরচেনা বুনোফুল ‘ভাট’ কুলিয়ারচরে নিখোঁজের ২৬ দিন পর টয়লেট ট্যাংক থেকে শিশুর গলিত মরদেহ উদ্ধার ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম, হুইপ আরও ৬ জন মধ্যপ্রাচ্যে হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত, আহত-৭ মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হলেন ৩ সাংবাদিক দৌলতপুরে বোমা সদৃশ একটি বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ মৌলভীবাজারে ১৬ টাকার লেবু ৮০ টাকায় বিক্রির অভিযোগে ছয় প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে দুবাইতে মৌলভীবাজারের আলী নিহত ইরানের বিরুদ্ধে এবার যুদ্ধে জড়াচ্ছে ফ্রান্স-জার্মানি ও যুক্তরাজ্য খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের সঙ্গে যারা যোগ দিল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৪ ডিসিকে বদলি একযোগে ৫ জেলার ডিসি প্রত্যাহার

ভারতের গণতন্ত্র কোন পথে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময়- ০৩:০১:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪ ২৯৩ বার পড়া হয়েছে

 

মানস বন্দ্যোপাধ্যায়,দিল্লি।।

এমন একটা সময় ছিল যখন ভারতের প্রকৃত গণতন্ত্র ও সৎ রাজনীতিবিদেরা সমাজের মুখ উজ্জ্বল করে গেছেন। সেই ট্র্যাডিশন ধরে রাখা গেল না। এটাই দুঃখের বিষয়।

ভারতের দুই মহান ব্যক্তির কাছ থেকেও কোন বর্তমান রাজনীতিবিদ শিক্ষা লাভ করলেন না। প্রথম জন প্রয়াত প্রধান মন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী, দ্বিতীয় জন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালাম আজাদ।লালবাহাদুর শাস্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যুর পর তার স্ত্রীর কোন ব্যাংক ব্যালেন্স ছিল না।
তিনি যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন তখন তার মাএকটি অজ গ্রামের স্টেশনে পুরো একটি দিন প্লাটফর্মে শুয়ে কাটালেন। পরবর্তী ট্রেন ২৪ ঘণ্টা পরে ছাড়ার কথা।তার পুত্র কী করেন তিনি জানতেন না। এক কুলি তাকে পুত্রের নাম জিজ্ঞেস করলে তিনি লাল বাহাদুর শাস্ত্রী বলেছিলেন। ব্যস, সারা স্টেশনে হুলুস্থুল। বিশেষ সেলুনে বসিয়ে তাকে দিল্লি পাঠানো হলে পুত্রকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ” হ্যাঁরে ,তুই কী চাকরি করিস রেলে?” উত্তরে শাস্ত্রীজী বলেছিলেন ” সামান্য একটা কাজ”.
লালবাহাদুরের দুই পুত্র অনিল এবং সুনীল যথাক্রমে কংগ্রেস এবং বিজেপির মুখপাত্র ছিলেন। আমার সঙ্গে গাভীর আন্তরিকতা ও ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক ছিল,বিশেষ করে সুনীল শাস্ত্রীর। একটি ছোট্ট ফ্ল্যাটে থাকতেন। মাঝে মাঝেই পায়ে হেঁটে দুজনেই ২৪ আকবর রোডে এবং ১১ অশোকা রোডের অফিসে আসতেন। পরবর্তীকালে পার্টি অফিস থেকে আসা যাওয়ার জন্য গাড়ি দেওয়া হয়েছিল।
দ্বিতীয় জন, বিশ্ব বরেণ্য বিজ্ঞানী ভারতের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। ২০০২ সালে যখন রাষ্ট্রপতি ভবনে এলেন,সেদিন একটি হলুদ ট্যাক্সি থেকে নেমে ভবনে প্রবেশ করেন। সঙ্গে ছিল মাত্র একটি ট্রাংক ও একটি ব্রিফকেস। ট্র্যাংকটি  পুরো বই ও  কাগজপত্রে ঠাসা। পূর্বে পরিচয় সূত্রে সেদিন গিয়েছিলাম সেখানে। একগাল হাসি নিয়ে ব্রিফকেস হাতে এগিয়ে যাওয়ার আগেই রাষ্ট্রপতি ভবনের কর্মীরা সেগুলি কেড়ে নিয়ে তার কামরার দিয়ে নিয়ে গেলেন।।j
২০০৭ সালে যেদিন বিদায় নিলেন তখন সরকার থেকে একটি প্রাইভেট কার ও তার পাওনা মালপত্র নিয়ে যাবার জন্য তিনটি ট্রাক দেওয়া হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে বেরিয়েই তিনি  অফিসারদের ডেকে ট্রাক তিনটি ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিলেন। তারা তো অবাক! এতো মালপত্র যাবে কীকরে!!!
কালাম বললেন,তার তো মাত্র একটি ট্রাঙ্ক ও একটি ব্রিফকেস রয়েছে। বাকি সমস্ত মাল তার নয়। রাষ্ট্রপতি থাকা কালীন দেশ বিদেশ থেকে তাকে অফুরন্ত উপহার দেওয়া হয়েছে,কিন্তু সেগুলি দেওয়া হয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতিকে। সেই সম্পদ ভারতের। আমার নয়। এই বলে তিনি সটান প্রাইভেট গাড়িতে উঠে পড়লেন নিজের ট্রাঙ্ক ও একটি ব্রিফকেস নিয়ে। ইনি হলেন সেই এপিজে আবদুল কালাম।
এরা হলেন প্রকৃত সততা ও গণতন্ত্রের প্রতীক।কোন রাজনৈতিক নেতা ও কর্মী এদের কাছ থেকে কোন শিক্ষা গ্রহণ করলেন না।।
ঠিক এর আগে রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিলকে দেখেছি। যখন এলেন,একটি প্রাইভেট কারে। যাবার সময় দুটি ট্রাক বোঝাই মাল নিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবন ছেড়ে চলে গেলেন।
এই প্রতিভা পাতিলই হয়ে গেলেন সকলের অনুকরণীয়। বিহারের লালু প্রসাদ যাদব যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন, সারা রেলের সম্পত্তিই হয়ে গেল তার বাপের সম্পত্তি। এমনকি রেল লাইনের ধারে রেলের জমি গুলিও রক্ষা পেলো না। সেগুলিও জলের দরে বিক্রি করে দিলেন পরিচিত এবং আত্মীয় স্বজনের কাছে।
তারপর থেকে অনবরত চলেছে লুট,আত্মসাতের ঘটনা।
ওড়িশার প্রাক্তন সাংসদ  আচারিয়া প্রসন্ন পাতসানি পরপর তিনবার সাংসদ হলেন ভোটে জিতে। নির্বাচনে তার খরচ হয়েছিল মাত্র ৫ হাজার টাকা করে। বিশাল লোকসভা কেন্দ্রের আনাচে কানাচে পায়ে হেঁটে প্রচার করতেন। কোন হোর্ডিং,ফেস্টুন ছাপেন নি। কিছু ভক্ত নিজের টাকায় কিছু লিফলেট ছেপে ছিলেন। জনতা তার নামেই ভোট দিয়েছেন। বারবার জিতে এসেছেন। দিল্লিতে তার সরকারি ফ্ল্যাটে গিয়ে দেখেছি তিনি মাটিতে চাদর বিছিয়ে শুয়ে রয়েছেন। দেখা হতেই উঠে দাঁড়িয়ে হাসি মুখে অভ্যর্থনা জানান। অনেক গল্প হতো। এক কাপ চা,সঙ্গে দুটি বিস্কুট খেতাম। বাইরে লনে বসে জাম গাছের দিকে তাকিয়ে কর্মীকে জাম আনতে বলতেন। একবাটি জাম খেতেন। এটাই নাকি তার জল খাবার। বিশ্বের বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি থেকে ডাক আসতো বিভিন্ন বিষয়ে বক্তৃতা দেবার জন্য। দীর্ঘ একদশক পরেও দেখেছি সেই একই অবস্থা!! এমন মানুষ কজন হয়? পরে কিন্তু পার্টি থেকে তাকে নির্বাচনে লড়াই করার টিকিটই দেওয়া হয় নি। অথচ তিনি ছিলেন গণতন্ত্রের পূজারী। যেখানে ভোট জিততে কোটি কোটি টাকা খরচ করতে হয় প্রার্থীকে, পার্টি থেকে বিভিন্ন লোভ দেখিয়ে, বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে, ব্যালট বাক্স তুলে নিয়ে ,বুথ দখল করে গণতন্ত্রের হত্যা হয়,সেখানে প্রসন্ন পাতাসনি খালি পায়ে হেঁটে প্রচার করতেন কোন প্রচার সামগ্রী ছাড়াই।  এদের অনুকরণ কেউ করেনি। গণতন্ত্রের ধ্বংস হচ্ছে জেনেও ভোটাররাও ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বসে পড়েছে।
অযোগ্য প্রার্থী জিতে সংসদে যাচ্ছেন। কেউ গুণ্ডামী করে,যে সিনেমার নায়ক,নায়িকার তকমা নিয়ে। এই সাংসদরা পার্লামেন্টে গিয়ে কি অভিনয় করবেন,নাকি গুন্ডামি করবেন!!!
জনতা যেখানে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বসে আছেন সেখানে তাদের অপকীর্তির জোরে জিতে আসা সাংসদরা কী পাবেন?
মাসে মাসে ৮০ হাজার টাকা বেতন। সংসদে দৈনিক হাজিরার জন্য দৈনিক ২ হাজার টাকা, বিশাল বাংলো। সবকিছুই বিলাসিতায় ভরা। টেলিফোন ফ্রি। বিদ্যুৎ , জল ফ্রি। অফিসের জন্য মাসে ৫০ হাজার টাকা। যাতায়াতের জন্য গাড়ি। পেট্রোল ফ্রি। ট্রেন সফর দলবল সহ ফ্রি। বছরে ৩৮ বার ফ্রিতে সঙ্গী নিয়ে বিমান সফর। এছাড়াও রয়েছে আরও অনেক সুবিধা। পার্লামেন্টে মাত্র ৩০ টাকায় আমিষ খাদ্য। চামচা ও সুবিধাবাদীদের কাছ থেকে মূল্যবান উপহার।
এই মহা বৈভবের ও বিলাসিতার জীবন তাদের দিতে গিয়ে যারা নিজের মানুষের মাথা ভাঙলেন, বাড়ি ভেঙে জ্বালিয়ে দিলেন,বোমা বিস্ফোরণ ঘটালেন তারা কী পেলেন? এক কান্দি কাঁচা কলা। এই কি গণতন্ত্র??

নিউজটি শেয়ার করুন..

ট্যাগস:-

ভারতের গণতন্ত্র কোন পথে

আপডেট সময়- ০৩:০১:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪

 

মানস বন্দ্যোপাধ্যায়,দিল্লি।।

এমন একটা সময় ছিল যখন ভারতের প্রকৃত গণতন্ত্র ও সৎ রাজনীতিবিদেরা সমাজের মুখ উজ্জ্বল করে গেছেন। সেই ট্র্যাডিশন ধরে রাখা গেল না। এটাই দুঃখের বিষয়।

ভারতের দুই মহান ব্যক্তির কাছ থেকেও কোন বর্তমান রাজনীতিবিদ শিক্ষা লাভ করলেন না। প্রথম জন প্রয়াত প্রধান মন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী, দ্বিতীয় জন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালাম আজাদ।লালবাহাদুর শাস্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যুর পর তার স্ত্রীর কোন ব্যাংক ব্যালেন্স ছিল না।
তিনি যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন তখন তার মাএকটি অজ গ্রামের স্টেশনে পুরো একটি দিন প্লাটফর্মে শুয়ে কাটালেন। পরবর্তী ট্রেন ২৪ ঘণ্টা পরে ছাড়ার কথা।তার পুত্র কী করেন তিনি জানতেন না। এক কুলি তাকে পুত্রের নাম জিজ্ঞেস করলে তিনি লাল বাহাদুর শাস্ত্রী বলেছিলেন। ব্যস, সারা স্টেশনে হুলুস্থুল। বিশেষ সেলুনে বসিয়ে তাকে দিল্লি পাঠানো হলে পুত্রকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ” হ্যাঁরে ,তুই কী চাকরি করিস রেলে?” উত্তরে শাস্ত্রীজী বলেছিলেন ” সামান্য একটা কাজ”.
লালবাহাদুরের দুই পুত্র অনিল এবং সুনীল যথাক্রমে কংগ্রেস এবং বিজেপির মুখপাত্র ছিলেন। আমার সঙ্গে গাভীর আন্তরিকতা ও ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক ছিল,বিশেষ করে সুনীল শাস্ত্রীর। একটি ছোট্ট ফ্ল্যাটে থাকতেন। মাঝে মাঝেই পায়ে হেঁটে দুজনেই ২৪ আকবর রোডে এবং ১১ অশোকা রোডের অফিসে আসতেন। পরবর্তীকালে পার্টি অফিস থেকে আসা যাওয়ার জন্য গাড়ি দেওয়া হয়েছিল।
দ্বিতীয় জন, বিশ্ব বরেণ্য বিজ্ঞানী ভারতের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। ২০০২ সালে যখন রাষ্ট্রপতি ভবনে এলেন,সেদিন একটি হলুদ ট্যাক্সি থেকে নেমে ভবনে প্রবেশ করেন। সঙ্গে ছিল মাত্র একটি ট্রাংক ও একটি ব্রিফকেস। ট্র্যাংকটি  পুরো বই ও  কাগজপত্রে ঠাসা। পূর্বে পরিচয় সূত্রে সেদিন গিয়েছিলাম সেখানে। একগাল হাসি নিয়ে ব্রিফকেস হাতে এগিয়ে যাওয়ার আগেই রাষ্ট্রপতি ভবনের কর্মীরা সেগুলি কেড়ে নিয়ে তার কামরার দিয়ে নিয়ে গেলেন।।j
২০০৭ সালে যেদিন বিদায় নিলেন তখন সরকার থেকে একটি প্রাইভেট কার ও তার পাওনা মালপত্র নিয়ে যাবার জন্য তিনটি ট্রাক দেওয়া হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে বেরিয়েই তিনি  অফিসারদের ডেকে ট্রাক তিনটি ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিলেন। তারা তো অবাক! এতো মালপত্র যাবে কীকরে!!!
কালাম বললেন,তার তো মাত্র একটি ট্রাঙ্ক ও একটি ব্রিফকেস রয়েছে। বাকি সমস্ত মাল তার নয়। রাষ্ট্রপতি থাকা কালীন দেশ বিদেশ থেকে তাকে অফুরন্ত উপহার দেওয়া হয়েছে,কিন্তু সেগুলি দেওয়া হয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতিকে। সেই সম্পদ ভারতের। আমার নয়। এই বলে তিনি সটান প্রাইভেট গাড়িতে উঠে পড়লেন নিজের ট্রাঙ্ক ও একটি ব্রিফকেস নিয়ে। ইনি হলেন সেই এপিজে আবদুল কালাম।
এরা হলেন প্রকৃত সততা ও গণতন্ত্রের প্রতীক।কোন রাজনৈতিক নেতা ও কর্মী এদের কাছ থেকে কোন শিক্ষা গ্রহণ করলেন না।।
ঠিক এর আগে রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিলকে দেখেছি। যখন এলেন,একটি প্রাইভেট কারে। যাবার সময় দুটি ট্রাক বোঝাই মাল নিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবন ছেড়ে চলে গেলেন।
এই প্রতিভা পাতিলই হয়ে গেলেন সকলের অনুকরণীয়। বিহারের লালু প্রসাদ যাদব যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন, সারা রেলের সম্পত্তিই হয়ে গেল তার বাপের সম্পত্তি। এমনকি রেল লাইনের ধারে রেলের জমি গুলিও রক্ষা পেলো না। সেগুলিও জলের দরে বিক্রি করে দিলেন পরিচিত এবং আত্মীয় স্বজনের কাছে।
তারপর থেকে অনবরত চলেছে লুট,আত্মসাতের ঘটনা।
ওড়িশার প্রাক্তন সাংসদ  আচারিয়া প্রসন্ন পাতসানি পরপর তিনবার সাংসদ হলেন ভোটে জিতে। নির্বাচনে তার খরচ হয়েছিল মাত্র ৫ হাজার টাকা করে। বিশাল লোকসভা কেন্দ্রের আনাচে কানাচে পায়ে হেঁটে প্রচার করতেন। কোন হোর্ডিং,ফেস্টুন ছাপেন নি। কিছু ভক্ত নিজের টাকায় কিছু লিফলেট ছেপে ছিলেন। জনতা তার নামেই ভোট দিয়েছেন। বারবার জিতে এসেছেন। দিল্লিতে তার সরকারি ফ্ল্যাটে গিয়ে দেখেছি তিনি মাটিতে চাদর বিছিয়ে শুয়ে রয়েছেন। দেখা হতেই উঠে দাঁড়িয়ে হাসি মুখে অভ্যর্থনা জানান। অনেক গল্প হতো। এক কাপ চা,সঙ্গে দুটি বিস্কুট খেতাম। বাইরে লনে বসে জাম গাছের দিকে তাকিয়ে কর্মীকে জাম আনতে বলতেন। একবাটি জাম খেতেন। এটাই নাকি তার জল খাবার। বিশ্বের বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি থেকে ডাক আসতো বিভিন্ন বিষয়ে বক্তৃতা দেবার জন্য। দীর্ঘ একদশক পরেও দেখেছি সেই একই অবস্থা!! এমন মানুষ কজন হয়? পরে কিন্তু পার্টি থেকে তাকে নির্বাচনে লড়াই করার টিকিটই দেওয়া হয় নি। অথচ তিনি ছিলেন গণতন্ত্রের পূজারী। যেখানে ভোট জিততে কোটি কোটি টাকা খরচ করতে হয় প্রার্থীকে, পার্টি থেকে বিভিন্ন লোভ দেখিয়ে, বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে, ব্যালট বাক্স তুলে নিয়ে ,বুথ দখল করে গণতন্ত্রের হত্যা হয়,সেখানে প্রসন্ন পাতাসনি খালি পায়ে হেঁটে প্রচার করতেন কোন প্রচার সামগ্রী ছাড়াই।  এদের অনুকরণ কেউ করেনি। গণতন্ত্রের ধ্বংস হচ্ছে জেনেও ভোটাররাও ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বসে পড়েছে।
অযোগ্য প্রার্থী জিতে সংসদে যাচ্ছেন। কেউ গুণ্ডামী করে,যে সিনেমার নায়ক,নায়িকার তকমা নিয়ে। এই সাংসদরা পার্লামেন্টে গিয়ে কি অভিনয় করবেন,নাকি গুন্ডামি করবেন!!!
জনতা যেখানে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বসে আছেন সেখানে তাদের অপকীর্তির জোরে জিতে আসা সাংসদরা কী পাবেন?
মাসে মাসে ৮০ হাজার টাকা বেতন। সংসদে দৈনিক হাজিরার জন্য দৈনিক ২ হাজার টাকা, বিশাল বাংলো। সবকিছুই বিলাসিতায় ভরা। টেলিফোন ফ্রি। বিদ্যুৎ , জল ফ্রি। অফিসের জন্য মাসে ৫০ হাজার টাকা। যাতায়াতের জন্য গাড়ি। পেট্রোল ফ্রি। ট্রেন সফর দলবল সহ ফ্রি। বছরে ৩৮ বার ফ্রিতে সঙ্গী নিয়ে বিমান সফর। এছাড়াও রয়েছে আরও অনেক সুবিধা। পার্লামেন্টে মাত্র ৩০ টাকায় আমিষ খাদ্য। চামচা ও সুবিধাবাদীদের কাছ থেকে মূল্যবান উপহার।
এই মহা বৈভবের ও বিলাসিতার জীবন তাদের দিতে গিয়ে যারা নিজের মানুষের মাথা ভাঙলেন, বাড়ি ভেঙে জ্বালিয়ে দিলেন,বোমা বিস্ফোরণ ঘটালেন তারা কী পেলেন? এক কান্দি কাঁচা কলা। এই কি গণতন্ত্র??