ঢাকা ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:-
টেকনাফে প্রাইভেটকারে ইয়াবা পাচারকালে ২৬হাজার ৫’শ ইয়াবাসহ চালক আটক কক্সবাজারে ছয় লাখ ত্রিশ হাজার ইয়াবা ও দশ কেজি হিরোইনসহ আটক-২ গণমাধ্যম কর্মীদের সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইসির বিশেষ পরিপত্র জারি গাইবান্ধায় পোস্টাল ব্যালটের ৪৬ বাক্সে তালা, খোলা হবে ১২ই ফেব্রুয়ারি মুক্তিযোদ্ধা ভাতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বেড়েছে বয়স্ক, প্রতিবন্ধী ও বিধবাভাতা পদ্মা সেতুর টোল আদায় ৩ হাজার কোটি ছাড়িয়ে নতুন মাইলফলক স্পর্শ শ্রীমঙ্গলে বিপুল পরিমান চোরাই ভারতীয় প্রসাধনী সামগ্রীসহ আটক-১ বেরিয়ে এলো সিরিয়াল কিলার সম্রাটের আসল পরিচয়সহ লোমহর্ষক হত্যা রহস্য উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গভীর রাতে আগুন, শতাধিক ঘর পুরে ছাই আজমেরী ওসমানের ঘনিষ্ঠ ২ ভ্যানগার্ড বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ কুমিল্লায় আটক সকল মতভেদ ভূলে বিএনপির প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান মাসুদুজ্জামানের নারায়ণগঞ্জে ঔষধ প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ অভিযানে ৫ প্রতিষ্ঠানকে অর্থদন্ড না’গঞ্জে র‍্যাবের পরিচয়ে ৮০ লাখ টাকা ছিনতাই; প্রধান আসামি বেল্লাল গ্রেপ্তার সিদ্ধিরগঞ্জে ১৭ভবনে ৫’শ ও রেড চিলি ক্যাটারিং’র সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ ১লক্ষ ৪৫ হাজার অর্থদন্ড নারায়ণগঞ্জে দুর্ধর্ষ ডাকাত সাব্বিরসহ ২ সহযোগী র‍্যাবের জালে সাভারে পরিত্যক্ত ভবন থেকে ছয় মাসে নারী শিশুসহ পাঁচ বিভৎস মরদেহ উদ্ধার,আটক-১ রূপগঞ্জে রায়হান খুন; ডাকাতি ও দস্যুতার অর্থ বাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্ব, ফের গ্রেপ্তার-২ আসন্ন নির্বাচনে না’গঞ্জে ৪৫১ ভোটকেন্দ্র বডি অন ক্যামেরায় পর্যবেক্ষন করা হবে: এসপি নারায়ণগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ সমর্থকের ওপর হামলাসহ অর্থ লুটের অভিযোগ কুলাউড়ায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ উখিয়ার হোয়াইক্যং চেকপোস্টে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ সিএনজি চালক আটক মহেশখালীতে যৌথ অভিযানে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার গাইবান্ধায় ক্ষমতার পালাবদলে লাপাত্তা চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন জুড়ে সেবা অচল সাহসী ও স্বাধীন সাংবাদিকতার লক্ষ্যে রাজধানীতে আজ নোয়াবের ‘গণমাধ্যম সম্মিলন’ রূপগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণে মাদকদ্রব্যসহ আটক-৩ রাজধানীর উত্তরায় বহুতল ভবনে আগুন, নারীসহ নিহত-৩, আহত-১৩’র অধিক আজ পবিত্র শবে মেরাজ নারায়ণগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে হোসিয়ারি ব্যবসায়ীর মৃত্যু চলন্ত বাসে কলেজছাত্রীকে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, চালক-হেলপারসহ আটক-৩ অর্থ লেনদেনের জেরেই পরিকল্পিত হত্যাকান্ড সংঘটিত: পিবিআই মায়ানমারে বিপুল পরিমাণে নিত্যপণ্য পাচারকালে আটক-১০ গাইবান্ধায় আপিল শুনানির পর প্রার্থীতা ফিরে পেলো ৮ জন কক্সবাজারে সাংবাদিক নেতা নুরুল হোসাইনকে গ্রেপ্তারে তীব্র নিন্দা বাংলাদেশ,পাকিস্তানসহ ৭৫ দেশের ভিসা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করছে যুক্তরাষ্ট্র আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট চট্টগ্রাম বন্দরে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন ৯ ‘জুলাইযোদ্ধা’ ৩৬তম বিসিএস বাঞ্ছারামপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৃত্যু রাজধানীতে বাসায় ঢুকে জামায়াত নেতাকে হত্যা নারায়ণগঞ্জ জেল হাজতে কারাবন্দী আ’লীগ নেতার মৃত্যু কুষ্টিয়ার নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের স্ক্র্যাপ ইয়ার্ডে ভয়াবহ আগুন মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ভোটের এক মাস পূর্বেই মাঠে পৌঁছাল গণভোটের ব্যালট নারায়ণগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় বাবুর্চিকে কুপিয়ে হত্যা সিস্টেমের ত্রুটিসহ ভালো দিকগুলো তুলে ধরে সাংবাদিকরা প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন: ডিসি মৌলভীবাজারে সেনাবাহিনীর অভিযানে দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার গাইবান্ধায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জালিয়াতি মামলায় ডিবির রিমান্ড আবেদন  টেকনাফে র‍্যাবের অভিযানে এক লাখ ইয়াবাসহ আটক-১ সেন্টমার্টিনে কোস্টগার্ডের অভিযানে ২ কেজি গাঁজাসহ আটক-২ নতুন শিক্ষাবর্ষের ১১ দিন পার: এখনো ৩ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী বইয়ের সংকটে পুরুষের দ্বিতীয় বিয়েতে লাগবে না ১ম স্ত্রীর পূর্বানুমতি: হাইকোর্ট জুলাই হত্যাকাণ্ড মামলা; আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রথম জামিন মুছাব্বির হত্যা: ১৫ লাখ টাকায় কিলিং মিশন,জড়িত ৩ সহোদর গণভোট ও সংসদ নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সরকার কাজ করছে: ডিসি নান্দাইলে ৪ শতাধিক এতিম-অসহায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ কক্সবাজার সমুদ্রে কোস্ট গার্ডের অভিযান: আগ্নেয়াস্ত্রসহ ১৯ ডাকাত আটক, নিহত-১ মিয়ানমার সীমান্তের ওপার থেকে ছোড়া গুলিতে প্রান গেল স্কুলছাত্রীর নারায়ণগঞ্জে আকিজ সিমেন্ট কারখানায় ভয়াবহ বয়লার বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ-৮ নারায়ণগঞ্জে যুবদল-ছাত্রদল সংঘর্ষ: আটকের পর মুচলেকায় মুক্তি নারায়ণগঞ্জে আধুনিক ফায়ার স্টেশনের উদ্বোধন কুষ্টিয়ায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কৃষক নিহত কুষ্টিয়ায় জলাতঙ্ক ভ্যাকসিনের চরম সংকট, বিপাকে রোগীরা কুলাউড়ায় র‍্যাবের অভিযানে অপহৃত স্কুল ছাত্রী উদ্ধার, গ্রেপ্তার-১ মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ডাকাত সহযোগী আটক, দুই মাঝি উদ্ধার উখিয়ায় ৬৪ বিজিবির উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ ফরিদপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা তোতা মিয়ার দাফন সম্পন্ন অদম্য স্বপ্নের সারথি জয় দাসের ‘দ্য সিক্রেট টু সাকসেস’ ও একুশ শতকের তারুণ্য’ আমি আপনাদেরই সন্তান, এ-ই মা-মাটির সন্তান: কাসেমী টেকনাফে র‍্যাবের অভিযানে ১ লক্ষ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আসন্ন নির্বাচনে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের কার্ড পেতে আবেদন অনলাইনে মুন্সীগঞ্জে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী শুটার ইয়াসিন গ্রেপ্তার চতুর্থ দিনেও ইসিতে-১৭৪ আপিল,সর্বমোট আবেদন-৪৬৯ নারায়ণগঞ্জে মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে তরুণ নিহত, গুরুতর আহত-৪ জকসু নির্বাচনে ২১ পদের ১৫টিতে শিবির, ছাত্রদল ৫টি আর স্বতন্ত্রের ১টিতে জয় জকসু নির্বাচনে শিবির সমর্থিত প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয় কুষ্টিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে চাপাতি দিয়ে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টেকনাফ উপজেলা সভাপতি ইয়াবাসহ আটক খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় না’গঞ্জ ফল আড়ৎদার মালিক সমিতির দোয়া উখিয়ায় বিজিবির চেকপোস্টে ৯৫৫ পিস ইয়াবাসহ আটক-১ নারায়ণগঞ্জে মাদ্রাসা পড়ুয়া এতিম শিশুদের কম্বল বিতরণ ডিসি রায়হান কবির যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে তিন বিমানবন্দর ছাড়া ঢুকতে পারবে না বাংলাদেশিরা রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুসাব্বিরসহ গুলিবিদ্ধ-২ নারায়ণগঞ্জে ‘র‍্যাব’ পরিচয়ে ৮০ লাখ টাকা ছিনতাই জকসু নির্বাচন: আরো দুই কেন্দ্রের ফলাফলে শিবির এগিয়ে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত বিএনপির বিদ্রোহী হতে চাইনি বলেই রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হয়েছি- মো. আলী নারায়ণগঞ্জে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক-১ নারায়ণগঞ্জের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী নেতা মাসুদুজ্জামানের জন্মদিন আজ টেকনাফে সৈয়দ মিয়া হত্যা মামলার দুই আসামি গ্রেপ্তার দীর্ঘ দুই দশক পর আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে জকসু নির্বাচন সারাদেশের সকল হাসপাতাল গুলোকে জরুরি নির্দেশনা চট্টগ্রামে ফের যুবদল নেতাকে গুলি করে হ/ত্যা শ্রীমঙ্গল পুলিশের অভিযানে ৫০ বোতল মদসহ আটক-১ গাইবান্ধায় মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে, অপর ট্রাকের ধাক্কা, নিহত-২ না’গঞ্জ সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের খালেদা জিয়া জন্য দোয়া  নারায়ণগঞ্জে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন বিএনপি নেতা এ্যাড. টিপু শুধুমাত্র বেঁচে থাকার নামই জীবন নয়, লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে: ডিসি টেকনাফে বিজিবির অভিযানে মানব পাচারকারী চক্রের হাত থেকে উদ্ধার-৩ আজ মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল শুরু আবারও ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কেপে উঠলো সারাদেশ

ভারতের গণতন্ত্র কোন পথে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময়- ০৩:০১:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪ ২৭১ বার পড়া হয়েছে

 

মানস বন্দ্যোপাধ্যায়,দিল্লি।।

এমন একটা সময় ছিল যখন ভারতের প্রকৃত গণতন্ত্র ও সৎ রাজনীতিবিদেরা সমাজের মুখ উজ্জ্বল করে গেছেন। সেই ট্র্যাডিশন ধরে রাখা গেল না। এটাই দুঃখের বিষয়।

ভারতের দুই মহান ব্যক্তির কাছ থেকেও কোন বর্তমান রাজনীতিবিদ শিক্ষা লাভ করলেন না। প্রথম জন প্রয়াত প্রধান মন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী, দ্বিতীয় জন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালাম আজাদ।লালবাহাদুর শাস্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যুর পর তার স্ত্রীর কোন ব্যাংক ব্যালেন্স ছিল না।
তিনি যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন তখন তার মাএকটি অজ গ্রামের স্টেশনে পুরো একটি দিন প্লাটফর্মে শুয়ে কাটালেন। পরবর্তী ট্রেন ২৪ ঘণ্টা পরে ছাড়ার কথা।তার পুত্র কী করেন তিনি জানতেন না। এক কুলি তাকে পুত্রের নাম জিজ্ঞেস করলে তিনি লাল বাহাদুর শাস্ত্রী বলেছিলেন। ব্যস, সারা স্টেশনে হুলুস্থুল। বিশেষ সেলুনে বসিয়ে তাকে দিল্লি পাঠানো হলে পুত্রকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ” হ্যাঁরে ,তুই কী চাকরি করিস রেলে?” উত্তরে শাস্ত্রীজী বলেছিলেন ” সামান্য একটা কাজ”.
লালবাহাদুরের দুই পুত্র অনিল এবং সুনীল যথাক্রমে কংগ্রেস এবং বিজেপির মুখপাত্র ছিলেন। আমার সঙ্গে গাভীর আন্তরিকতা ও ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক ছিল,বিশেষ করে সুনীল শাস্ত্রীর। একটি ছোট্ট ফ্ল্যাটে থাকতেন। মাঝে মাঝেই পায়ে হেঁটে দুজনেই ২৪ আকবর রোডে এবং ১১ অশোকা রোডের অফিসে আসতেন। পরবর্তীকালে পার্টি অফিস থেকে আসা যাওয়ার জন্য গাড়ি দেওয়া হয়েছিল।
দ্বিতীয় জন, বিশ্ব বরেণ্য বিজ্ঞানী ভারতের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। ২০০২ সালে যখন রাষ্ট্রপতি ভবনে এলেন,সেদিন একটি হলুদ ট্যাক্সি থেকে নেমে ভবনে প্রবেশ করেন। সঙ্গে ছিল মাত্র একটি ট্রাংক ও একটি ব্রিফকেস। ট্র্যাংকটি  পুরো বই ও  কাগজপত্রে ঠাসা। পূর্বে পরিচয় সূত্রে সেদিন গিয়েছিলাম সেখানে। একগাল হাসি নিয়ে ব্রিফকেস হাতে এগিয়ে যাওয়ার আগেই রাষ্ট্রপতি ভবনের কর্মীরা সেগুলি কেড়ে নিয়ে তার কামরার দিয়ে নিয়ে গেলেন।।j
২০০৭ সালে যেদিন বিদায় নিলেন তখন সরকার থেকে একটি প্রাইভেট কার ও তার পাওনা মালপত্র নিয়ে যাবার জন্য তিনটি ট্রাক দেওয়া হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে বেরিয়েই তিনি  অফিসারদের ডেকে ট্রাক তিনটি ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিলেন। তারা তো অবাক! এতো মালপত্র যাবে কীকরে!!!
কালাম বললেন,তার তো মাত্র একটি ট্রাঙ্ক ও একটি ব্রিফকেস রয়েছে। বাকি সমস্ত মাল তার নয়। রাষ্ট্রপতি থাকা কালীন দেশ বিদেশ থেকে তাকে অফুরন্ত উপহার দেওয়া হয়েছে,কিন্তু সেগুলি দেওয়া হয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতিকে। সেই সম্পদ ভারতের। আমার নয়। এই বলে তিনি সটান প্রাইভেট গাড়িতে উঠে পড়লেন নিজের ট্রাঙ্ক ও একটি ব্রিফকেস নিয়ে। ইনি হলেন সেই এপিজে আবদুল কালাম।
এরা হলেন প্রকৃত সততা ও গণতন্ত্রের প্রতীক।কোন রাজনৈতিক নেতা ও কর্মী এদের কাছ থেকে কোন শিক্ষা গ্রহণ করলেন না।।
ঠিক এর আগে রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিলকে দেখেছি। যখন এলেন,একটি প্রাইভেট কারে। যাবার সময় দুটি ট্রাক বোঝাই মাল নিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবন ছেড়ে চলে গেলেন।
এই প্রতিভা পাতিলই হয়ে গেলেন সকলের অনুকরণীয়। বিহারের লালু প্রসাদ যাদব যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন, সারা রেলের সম্পত্তিই হয়ে গেল তার বাপের সম্পত্তি। এমনকি রেল লাইনের ধারে রেলের জমি গুলিও রক্ষা পেলো না। সেগুলিও জলের দরে বিক্রি করে দিলেন পরিচিত এবং আত্মীয় স্বজনের কাছে।
তারপর থেকে অনবরত চলেছে লুট,আত্মসাতের ঘটনা।
ওড়িশার প্রাক্তন সাংসদ  আচারিয়া প্রসন্ন পাতসানি পরপর তিনবার সাংসদ হলেন ভোটে জিতে। নির্বাচনে তার খরচ হয়েছিল মাত্র ৫ হাজার টাকা করে। বিশাল লোকসভা কেন্দ্রের আনাচে কানাচে পায়ে হেঁটে প্রচার করতেন। কোন হোর্ডিং,ফেস্টুন ছাপেন নি। কিছু ভক্ত নিজের টাকায় কিছু লিফলেট ছেপে ছিলেন। জনতা তার নামেই ভোট দিয়েছেন। বারবার জিতে এসেছেন। দিল্লিতে তার সরকারি ফ্ল্যাটে গিয়ে দেখেছি তিনি মাটিতে চাদর বিছিয়ে শুয়ে রয়েছেন। দেখা হতেই উঠে দাঁড়িয়ে হাসি মুখে অভ্যর্থনা জানান। অনেক গল্প হতো। এক কাপ চা,সঙ্গে দুটি বিস্কুট খেতাম। বাইরে লনে বসে জাম গাছের দিকে তাকিয়ে কর্মীকে জাম আনতে বলতেন। একবাটি জাম খেতেন। এটাই নাকি তার জল খাবার। বিশ্বের বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি থেকে ডাক আসতো বিভিন্ন বিষয়ে বক্তৃতা দেবার জন্য। দীর্ঘ একদশক পরেও দেখেছি সেই একই অবস্থা!! এমন মানুষ কজন হয়? পরে কিন্তু পার্টি থেকে তাকে নির্বাচনে লড়াই করার টিকিটই দেওয়া হয় নি। অথচ তিনি ছিলেন গণতন্ত্রের পূজারী। যেখানে ভোট জিততে কোটি কোটি টাকা খরচ করতে হয় প্রার্থীকে, পার্টি থেকে বিভিন্ন লোভ দেখিয়ে, বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে, ব্যালট বাক্স তুলে নিয়ে ,বুথ দখল করে গণতন্ত্রের হত্যা হয়,সেখানে প্রসন্ন পাতাসনি খালি পায়ে হেঁটে প্রচার করতেন কোন প্রচার সামগ্রী ছাড়াই।  এদের অনুকরণ কেউ করেনি। গণতন্ত্রের ধ্বংস হচ্ছে জেনেও ভোটাররাও ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বসে পড়েছে।
অযোগ্য প্রার্থী জিতে সংসদে যাচ্ছেন। কেউ গুণ্ডামী করে,যে সিনেমার নায়ক,নায়িকার তকমা নিয়ে। এই সাংসদরা পার্লামেন্টে গিয়ে কি অভিনয় করবেন,নাকি গুন্ডামি করবেন!!!
জনতা যেখানে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বসে আছেন সেখানে তাদের অপকীর্তির জোরে জিতে আসা সাংসদরা কী পাবেন?
মাসে মাসে ৮০ হাজার টাকা বেতন। সংসদে দৈনিক হাজিরার জন্য দৈনিক ২ হাজার টাকা, বিশাল বাংলো। সবকিছুই বিলাসিতায় ভরা। টেলিফোন ফ্রি। বিদ্যুৎ , জল ফ্রি। অফিসের জন্য মাসে ৫০ হাজার টাকা। যাতায়াতের জন্য গাড়ি। পেট্রোল ফ্রি। ট্রেন সফর দলবল সহ ফ্রি। বছরে ৩৮ বার ফ্রিতে সঙ্গী নিয়ে বিমান সফর। এছাড়াও রয়েছে আরও অনেক সুবিধা। পার্লামেন্টে মাত্র ৩০ টাকায় আমিষ খাদ্য। চামচা ও সুবিধাবাদীদের কাছ থেকে মূল্যবান উপহার।
এই মহা বৈভবের ও বিলাসিতার জীবন তাদের দিতে গিয়ে যারা নিজের মানুষের মাথা ভাঙলেন, বাড়ি ভেঙে জ্বালিয়ে দিলেন,বোমা বিস্ফোরণ ঘটালেন তারা কী পেলেন? এক কান্দি কাঁচা কলা। এই কি গণতন্ত্র??

নিউজটি শেয়ার করুন..

ট্যাগস:-

ভারতের গণতন্ত্র কোন পথে

আপডেট সময়- ০৩:০১:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪

 

মানস বন্দ্যোপাধ্যায়,দিল্লি।।

এমন একটা সময় ছিল যখন ভারতের প্রকৃত গণতন্ত্র ও সৎ রাজনীতিবিদেরা সমাজের মুখ উজ্জ্বল করে গেছেন। সেই ট্র্যাডিশন ধরে রাখা গেল না। এটাই দুঃখের বিষয়।

ভারতের দুই মহান ব্যক্তির কাছ থেকেও কোন বর্তমান রাজনীতিবিদ শিক্ষা লাভ করলেন না। প্রথম জন প্রয়াত প্রধান মন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী, দ্বিতীয় জন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালাম আজাদ।লালবাহাদুর শাস্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যুর পর তার স্ত্রীর কোন ব্যাংক ব্যালেন্স ছিল না।
তিনি যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন তখন তার মাএকটি অজ গ্রামের স্টেশনে পুরো একটি দিন প্লাটফর্মে শুয়ে কাটালেন। পরবর্তী ট্রেন ২৪ ঘণ্টা পরে ছাড়ার কথা।তার পুত্র কী করেন তিনি জানতেন না। এক কুলি তাকে পুত্রের নাম জিজ্ঞেস করলে তিনি লাল বাহাদুর শাস্ত্রী বলেছিলেন। ব্যস, সারা স্টেশনে হুলুস্থুল। বিশেষ সেলুনে বসিয়ে তাকে দিল্লি পাঠানো হলে পুত্রকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ” হ্যাঁরে ,তুই কী চাকরি করিস রেলে?” উত্তরে শাস্ত্রীজী বলেছিলেন ” সামান্য একটা কাজ”.
লালবাহাদুরের দুই পুত্র অনিল এবং সুনীল যথাক্রমে কংগ্রেস এবং বিজেপির মুখপাত্র ছিলেন। আমার সঙ্গে গাভীর আন্তরিকতা ও ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক ছিল,বিশেষ করে সুনীল শাস্ত্রীর। একটি ছোট্ট ফ্ল্যাটে থাকতেন। মাঝে মাঝেই পায়ে হেঁটে দুজনেই ২৪ আকবর রোডে এবং ১১ অশোকা রোডের অফিসে আসতেন। পরবর্তীকালে পার্টি অফিস থেকে আসা যাওয়ার জন্য গাড়ি দেওয়া হয়েছিল।
দ্বিতীয় জন, বিশ্ব বরেণ্য বিজ্ঞানী ভারতের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। ২০০২ সালে যখন রাষ্ট্রপতি ভবনে এলেন,সেদিন একটি হলুদ ট্যাক্সি থেকে নেমে ভবনে প্রবেশ করেন। সঙ্গে ছিল মাত্র একটি ট্রাংক ও একটি ব্রিফকেস। ট্র্যাংকটি  পুরো বই ও  কাগজপত্রে ঠাসা। পূর্বে পরিচয় সূত্রে সেদিন গিয়েছিলাম সেখানে। একগাল হাসি নিয়ে ব্রিফকেস হাতে এগিয়ে যাওয়ার আগেই রাষ্ট্রপতি ভবনের কর্মীরা সেগুলি কেড়ে নিয়ে তার কামরার দিয়ে নিয়ে গেলেন।।j
২০০৭ সালে যেদিন বিদায় নিলেন তখন সরকার থেকে একটি প্রাইভেট কার ও তার পাওনা মালপত্র নিয়ে যাবার জন্য তিনটি ট্রাক দেওয়া হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে বেরিয়েই তিনি  অফিসারদের ডেকে ট্রাক তিনটি ফেরত পাঠানোর নির্দেশ দিলেন। তারা তো অবাক! এতো মালপত্র যাবে কীকরে!!!
কালাম বললেন,তার তো মাত্র একটি ট্রাঙ্ক ও একটি ব্রিফকেস রয়েছে। বাকি সমস্ত মাল তার নয়। রাষ্ট্রপতি থাকা কালীন দেশ বিদেশ থেকে তাকে অফুরন্ত উপহার দেওয়া হয়েছে,কিন্তু সেগুলি দেওয়া হয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতিকে। সেই সম্পদ ভারতের। আমার নয়। এই বলে তিনি সটান প্রাইভেট গাড়িতে উঠে পড়লেন নিজের ট্রাঙ্ক ও একটি ব্রিফকেস নিয়ে। ইনি হলেন সেই এপিজে আবদুল কালাম।
এরা হলেন প্রকৃত সততা ও গণতন্ত্রের প্রতীক।কোন রাজনৈতিক নেতা ও কর্মী এদের কাছ থেকে কোন শিক্ষা গ্রহণ করলেন না।।
ঠিক এর আগে রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিলকে দেখেছি। যখন এলেন,একটি প্রাইভেট কারে। যাবার সময় দুটি ট্রাক বোঝাই মাল নিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবন ছেড়ে চলে গেলেন।
এই প্রতিভা পাতিলই হয়ে গেলেন সকলের অনুকরণীয়। বিহারের লালু প্রসাদ যাদব যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন, সারা রেলের সম্পত্তিই হয়ে গেল তার বাপের সম্পত্তি। এমনকি রেল লাইনের ধারে রেলের জমি গুলিও রক্ষা পেলো না। সেগুলিও জলের দরে বিক্রি করে দিলেন পরিচিত এবং আত্মীয় স্বজনের কাছে।
তারপর থেকে অনবরত চলেছে লুট,আত্মসাতের ঘটনা।
ওড়িশার প্রাক্তন সাংসদ  আচারিয়া প্রসন্ন পাতসানি পরপর তিনবার সাংসদ হলেন ভোটে জিতে। নির্বাচনে তার খরচ হয়েছিল মাত্র ৫ হাজার টাকা করে। বিশাল লোকসভা কেন্দ্রের আনাচে কানাচে পায়ে হেঁটে প্রচার করতেন। কোন হোর্ডিং,ফেস্টুন ছাপেন নি। কিছু ভক্ত নিজের টাকায় কিছু লিফলেট ছেপে ছিলেন। জনতা তার নামেই ভোট দিয়েছেন। বারবার জিতে এসেছেন। দিল্লিতে তার সরকারি ফ্ল্যাটে গিয়ে দেখেছি তিনি মাটিতে চাদর বিছিয়ে শুয়ে রয়েছেন। দেখা হতেই উঠে দাঁড়িয়ে হাসি মুখে অভ্যর্থনা জানান। অনেক গল্প হতো। এক কাপ চা,সঙ্গে দুটি বিস্কুট খেতাম। বাইরে লনে বসে জাম গাছের দিকে তাকিয়ে কর্মীকে জাম আনতে বলতেন। একবাটি জাম খেতেন। এটাই নাকি তার জল খাবার। বিশ্বের বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি থেকে ডাক আসতো বিভিন্ন বিষয়ে বক্তৃতা দেবার জন্য। দীর্ঘ একদশক পরেও দেখেছি সেই একই অবস্থা!! এমন মানুষ কজন হয়? পরে কিন্তু পার্টি থেকে তাকে নির্বাচনে লড়াই করার টিকিটই দেওয়া হয় নি। অথচ তিনি ছিলেন গণতন্ত্রের পূজারী। যেখানে ভোট জিততে কোটি কোটি টাকা খরচ করতে হয় প্রার্থীকে, পার্টি থেকে বিভিন্ন লোভ দেখিয়ে, বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে, ব্যালট বাক্স তুলে নিয়ে ,বুথ দখল করে গণতন্ত্রের হত্যা হয়,সেখানে প্রসন্ন পাতাসনি খালি পায়ে হেঁটে প্রচার করতেন কোন প্রচার সামগ্রী ছাড়াই।  এদের অনুকরণ কেউ করেনি। গণতন্ত্রের ধ্বংস হচ্ছে জেনেও ভোটাররাও ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বসে পড়েছে।
অযোগ্য প্রার্থী জিতে সংসদে যাচ্ছেন। কেউ গুণ্ডামী করে,যে সিনেমার নায়ক,নায়িকার তকমা নিয়ে। এই সাংসদরা পার্লামেন্টে গিয়ে কি অভিনয় করবেন,নাকি গুন্ডামি করবেন!!!
জনতা যেখানে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বসে আছেন সেখানে তাদের অপকীর্তির জোরে জিতে আসা সাংসদরা কী পাবেন?
মাসে মাসে ৮০ হাজার টাকা বেতন। সংসদে দৈনিক হাজিরার জন্য দৈনিক ২ হাজার টাকা, বিশাল বাংলো। সবকিছুই বিলাসিতায় ভরা। টেলিফোন ফ্রি। বিদ্যুৎ , জল ফ্রি। অফিসের জন্য মাসে ৫০ হাজার টাকা। যাতায়াতের জন্য গাড়ি। পেট্রোল ফ্রি। ট্রেন সফর দলবল সহ ফ্রি। বছরে ৩৮ বার ফ্রিতে সঙ্গী নিয়ে বিমান সফর। এছাড়াও রয়েছে আরও অনেক সুবিধা। পার্লামেন্টে মাত্র ৩০ টাকায় আমিষ খাদ্য। চামচা ও সুবিধাবাদীদের কাছ থেকে মূল্যবান উপহার।
এই মহা বৈভবের ও বিলাসিতার জীবন তাদের দিতে গিয়ে যারা নিজের মানুষের মাথা ভাঙলেন, বাড়ি ভেঙে জ্বালিয়ে দিলেন,বোমা বিস্ফোরণ ঘটালেন তারা কী পেলেন? এক কান্দি কাঁচা কলা। এই কি গণতন্ত্র??