ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পুলিশের স্টিকার লেখা গাড়ি দেখলেই যাচাই: ডিএমপি কমিশনার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪ ২২ বার পড়া হয়েছে

রাতে অস্থায়ী দোকানে অপরাধীরা সারারাত আড্ডা দেয়,আর সুযোগ পেলেই ছিনতাই সহ অপরাধ মূলক কর্মকান্ড করে.!

 

 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট।।

ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান স্পষ্ট করেই বলেছেন, গাড়িতে পুলিশের স্টিকার লাগিয়ে বা ডিএমপির লোগো লাগিয়ে সন্ত্রাসীদের চলাফেরার নানান ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে। এজন্য রাস্তায় পুলিশের স্টিকার লেখা কোনো গাড়ি দেখলেই ডিউটিরত পুলিশ সদস্যদের অবশ্যই তা যাচাই করার জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৮ এপ্রিল) রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে মার্চ মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশ কিংবা ডিএমপির লোগো লাগিয়ে রাস্তায় চলাচল করা গাড়িগুলো আসলেই কোনো পুলিশ অফিসারের গাড়ি কি না, তা যাচাই বাছাই করতে হবে। যদি যাচাই করে দেখা যায় সেটা পুলিশের গাড়ি নয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে ততক্ষণাৎ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
ডিএমপির ক্রাইম ও ট্রাফিক বিভাগ বিষয়টি নজর রাখবে বলেও জানান পুলিশের এই উধ্বতন কর্মকর্তা।

 

তিনি আরও বলেন, সমাজে অপরাধের কারণ অনুসন্ধান করে সেগুলো প্রতিরোধে কমিউনিটি পুলিশিং ও বিট পুলিশিং ব্যবস্থায় বিশেষ নজরদারি সহ আরও জোরদার করতে হবে।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ছিনতাই ও অপরাধ প্রতিরোধে রাতে রাস্তার মোড়ের দোকানগুলো যথাসময়ে বন্ধ করে দিতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় এসব অস্থায়ী দোকানে অপরাধীরা সারারাত আড্ডা দেয়, আর সুযোগ পেলেই ছিনতাই সহ নানান ধরনের অপরাধ মূলক কর্মকান্ড করে। রাস্তার পাশের বিড়ি, সিগারেট, পান ও চায়ের দোকান রাত ১১টার পর বন্ধ করে দিতে হবে।
হাবিবুর রহমান আরও বলেন, কোনো সন্ত্রাসী ও জঙ্গিগোষ্ঠী যেন কোনো প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতে না পারে সেদিকে সবাইকে সতর্কতার সঙ্গে সজাগ দৃষ্টি থাকতে হবে। আতঙ্ক সৃষ্টিকারী কোনো কাজ যেন ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় না হয় সেদিকেও সবার সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। এ ধরনের অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকতে হবে।
কমিশনার বলেন, অন্যান্য রমজানের চেয়ে এবার রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে ক্রাইম বিভাগও আন্তরিকতার সাথে কাজ করেছে। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ট্রাফিক বিভাগের একার কাজ, এমনটা ভাবা যাবে না। ক্রাইম বিভাগের যাদের সামনে রাস্তায় যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা দেখা যাবে তিনি সেখানে কাজ করবেন।

প্রসঙ্গত,এর আগে ঢাকা মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা বিধানসহ উত্তম কাজের স্বীকৃতি হিসেবে মার্চ মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ডিএমপির বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করেছেন ডিএমপি কমিশনার। অনুষ্ঠানে সাবেক পুলিশ কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান মিয়া সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) লিটন কুমার সাহার সঞ্চালনায় মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) মহা. আশরাফুজ্জামান; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. আসাদুজ্জামান; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ; যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনার ও বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাগন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পুলিশের স্টিকার লেখা গাড়ি দেখলেই যাচাই: ডিএমপি কমিশনার

আপডেট সময় : ১১:০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৪

রাতে অস্থায়ী দোকানে অপরাধীরা সারারাত আড্ডা দেয়,আর সুযোগ পেলেই ছিনতাই সহ অপরাধ মূলক কর্মকান্ড করে.!

 

 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট।।

ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান স্পষ্ট করেই বলেছেন, গাড়িতে পুলিশের স্টিকার লাগিয়ে বা ডিএমপির লোগো লাগিয়ে সন্ত্রাসীদের চলাফেরার নানান ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে। এজন্য রাস্তায় পুলিশের স্টিকার লেখা কোনো গাড়ি দেখলেই ডিউটিরত পুলিশ সদস্যদের অবশ্যই তা যাচাই করার জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৮ এপ্রিল) রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে মার্চ মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশ কিংবা ডিএমপির লোগো লাগিয়ে রাস্তায় চলাচল করা গাড়িগুলো আসলেই কোনো পুলিশ অফিসারের গাড়ি কি না, তা যাচাই বাছাই করতে হবে। যদি যাচাই করে দেখা যায় সেটা পুলিশের গাড়ি নয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে ততক্ষণাৎ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
ডিএমপির ক্রাইম ও ট্রাফিক বিভাগ বিষয়টি নজর রাখবে বলেও জানান পুলিশের এই উধ্বতন কর্মকর্তা।

 

তিনি আরও বলেন, সমাজে অপরাধের কারণ অনুসন্ধান করে সেগুলো প্রতিরোধে কমিউনিটি পুলিশিং ও বিট পুলিশিং ব্যবস্থায় বিশেষ নজরদারি সহ আরও জোরদার করতে হবে।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, ছিনতাই ও অপরাধ প্রতিরোধে রাতে রাস্তার মোড়ের দোকানগুলো যথাসময়ে বন্ধ করে দিতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় এসব অস্থায়ী দোকানে অপরাধীরা সারারাত আড্ডা দেয়, আর সুযোগ পেলেই ছিনতাই সহ নানান ধরনের অপরাধ মূলক কর্মকান্ড করে। রাস্তার পাশের বিড়ি, সিগারেট, পান ও চায়ের দোকান রাত ১১টার পর বন্ধ করে দিতে হবে।
হাবিবুর রহমান আরও বলেন, কোনো সন্ত্রাসী ও জঙ্গিগোষ্ঠী যেন কোনো প্রকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতে না পারে সেদিকে সবাইকে সতর্কতার সঙ্গে সজাগ দৃষ্টি থাকতে হবে। আতঙ্ক সৃষ্টিকারী কোনো কাজ যেন ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় না হয় সেদিকেও সবার সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। এ ধরনের অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকতে হবে।
কমিশনার বলেন, অন্যান্য রমজানের চেয়ে এবার রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে ক্রাইম বিভাগও আন্তরিকতার সাথে কাজ করেছে। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ট্রাফিক বিভাগের একার কাজ, এমনটা ভাবা যাবে না। ক্রাইম বিভাগের যাদের সামনে রাস্তায় যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা দেখা যাবে তিনি সেখানে কাজ করবেন।

প্রসঙ্গত,এর আগে ঢাকা মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা বিধানসহ উত্তম কাজের স্বীকৃতি হিসেবে মার্চ মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ডিএমপির বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যকে পুরস্কৃত করেছেন ডিএমপি কমিশনার। অনুষ্ঠানে সাবেক পুলিশ কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান মিয়া সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) লিটন কুমার সাহার সঞ্চালনায় মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) মহা. আশরাফুজ্জামান; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. আসাদুজ্জামান; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ; যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, উপ-পুলিশ কমিশনার ও বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাগন।