ঢাকা ০১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:-
সাবেক সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের জামিন নেত্রকোনায় শিশু ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত আলোচিত মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার না’গঞ্জে র‍্যাব-পুলিশের চিরুনি অভিযানে নগদ অর্থ ও বিপুল মাদক-অস্ত্রসহ আটক-১০ রাজধানীর আলোচিত ডিসি মাসুদ এবার চট্টগ্রামের এসপি পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি ও এসপিসহ ১২ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি নারায়ণগঞ্জে র‍্যাবের ওপর ফের হামলা, আহত-৩ বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিটে দেড় টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাব বিইআরসির টেকনাফে ৪৪ বোতল বিদেশি মদসহ আটক-১ কেরালার বাম দুর্গে মুসলিম তরুণী ফাতেমা তাহলিয়ার নিরংকুশ বিজয় মেয়ের জন্মদিনে আনন্দঘন মুহূর্তের পোস্টে প্রশংসায় ভাসছে পরীমণি মুসলিমরা মমতাকে ভোট দিয়েছেন,তাকে দেয়নি: শুভেন্দু নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন করছে বিজেপি  নির্বাচনের ফলাফলকে ‘লুট’ ও ‘অনৈতিক বিজয়’ বলে আখ্যা দিয়েছেন মমতা ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ে নরেন্দ্র মোদি যা বললেন কোনো সংবাদিক বিনা অপরাধে কারাগারে থাকবে না: তথ্যমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত ৪৯ এমপি শপথ নিলেন ঢাকায় ৪ দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ডিএমপির ৩ থানায় নতুন ওসি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, যেভাবে দেখা যাবে  শ্রীমঙ্গলে মসজিদে ঢুকে প্রকাশ্যে মুসল্লিকে কুপিয়ে হত্যা সংরক্ষিত নারী আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ আজ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আজ সারাদেশের থানাগুলোকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর  রূপগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই স্কুলছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ১৯’শ ৬৮ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক শ্রীমঙ্গলে এমআর টিকাদানে অনিয়ম: সমন্বয়হীনতায় ঝুঁকিতে শিশুস্বাস্থ্য মৌলভীবাজারে পাঁচ দিনের ভারী বৃষ্টিতে ডুবছে কৃষকের স্বপ্ন আরও দুই মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেলেন আইভী আইভীর দুই মামলার জামিন আদেশ আজ : হাইকোর্ট চট্টগ্রাম নগরী পানির নিচে ভাসছে না; প্রতিমন্ত্রী দেশের সবকটি জেলায় রাতেই ১০০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা নারায়ণগঞ্জে পরিত্যক্ত অবস্থায় পুলিশের লুট হওয়া পিস্তল ও গুলি উদ্ধার যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টে এবার ট্রাম্পের ছবি ভোজ্যতেলের দামে ফের ধাক্কা, লিটারে ৪ টাকা বাড়ল সয়াবিন তেলের দাম ট্রেনের নিচে পরে যাওয়া শিশুসন্তান, ঝাঁপিয়ে পড়ে রক্ষা করলেন বাবা মৌলভীবাজারে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে গ্ৰামের পর গ্ৰাম প্লাবিত রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত ব্যক্তি শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন কুষ্টিয়ায় অস্ত্রোপচারের সময় শিশুর মৃত্যু, দুই চিকিৎসক আটক মৌলভীবাজারে ২৪ ঘন্টায় ১৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড মেরিন ড্রাইভে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক নিহত, আহত-২ সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ডে অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ পণ্যসহ ১৩ পাচারকারী আটক না’গঞ্জে পর্যাপ্ত পেট্রল আছে, যানবাহন না থাকায় অলস সময় কাটাচ্ছে পাম্প কর্মীরা কিংবদন্তী শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ কুলাউড়ার সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণে ভারতীয় সিগারেট জব্দ কুলাউড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে লণ্ডভণ্ড ইয়াকুব-তাজুল ডিগ্রি কলেজ না’গঞ্জের সাবেক মেয়র আইভীকে গ্রেপ্তার না দেখানোর নির্দেশ হাইকোর্টের না’গঞ্জে সাত খুনের ১যুগ পেরিয়ে গেলেও বিচারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে পরিবার সেন্টমার্টিনে কোস্টগার্ডের পৃথক অভিযানে গাঁজা ও বিদেশি মদসহ আটক-১ টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে ১৫ হাজার ইয়াবা জব্দ গাইবান্ধায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে নিহত-৪, আহত-১ কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে মাদকসহ চোরাই পণ্য জব্দ টেকনাফে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ কুখ্যাত সন্ত্রাসী রাসেল আটক টেকনাফে র‍্যাবের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত একাধিক মামলার পলাতক আসামি ইদ্রিস গ্রেপ্তার ভেড়ামারায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অভিযান, কারন ছাড়া অনুপস্থিত ২ ডাক্তারকে শোকজ কুষ্টিয়ায় নিখোঁজের ১দিন পরে বাগানে মিলল যুবকের মরদেহ শ্রীমঙ্গলে ভারতীয় পন্য এস এ পরিবহন থেকে উদ্ধার রাজশাহীতে কলেজ শিক্ষিকাকে জুতাপেটা, বিএনপি নেতা বহিষ্কার টেকনাফে বিজিবির হোয়াইক্যং চেকপোস্টে ৮ হাজার ইয়াবাসহ সিএনজি চালক আটক টেকনাফে বিদেশি পিস্তলসহ কুখ্যাত মানবপাচারকারী আটক নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগার সংলগ্ন ঝুটের গুদামে ভয়াবহ আগুন ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান আর নেই রাজধানী ঢাকা জেলার প্রথম নারী ডিসি হলেন ফরিদা খানম সিদ্ধিরগঞ্জে একাধিক মামলার আসামী সিরাজ মন্ডল গ্রেপ্তার ফরিদপুর ও শেরপুর জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ২০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ  কমলগঞ্জে ছুরিকাঘাতে বৃদ্ধাকে হত্যা, ঘাতক আটক ভেড়ামারায় ক্লিনিক মালিকের রহস্যময় আত্মহত্যা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণে কারো সাথে বৈরী আচরণ নয়: প্রধানমন্ত্রী নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় উপজেলা পরিষদে ‘পরিদর্শন কক্ষ’ পাচ্ছেন এমপিরা না’গঞ্জে সুষ্ঠু ও নকল মুক্ত পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে: কেন্দ্র পরিদর্শনে ডিসি  নারায়ণগঞ্জে ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, কেন্দ্রসচিবকে অব্যহতি কুষ্টিয়ায় ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই খুন নারায়ণগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের চাঁদাবাজীতে বন্ধ হলো ভাঙারি পণ্যের রিসাইক্লিং কারখানা টেকনাফের গহীন পাহাড় থেকে তিন যুবকের মরদেহ উদ্ধার নারায়ণগঞ্জে ৩৩ হাজার ২০৮ শিক্ষার্থী এসএসসি পরিক্ষায় বসছে আজ সাড়ে ১৮ লাখ পরিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় বসেছে আজ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান ৫.১ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল প্রবেশপথ না পেয়ে রাতেই ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করল এসএসসি পরীক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের অবহেলায় অনিশ্চিত গাইবান্ধার ১৫০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা শিগ্রই শেষ হচ্ছে ‘এটা আমাদেরই গল্প’ জনপ্রিয় ধারাবাহিক সিরিয়াল মৌলভীবাজারে ট্রাক-বাস সংঘর্ষে ৩৫০ মুরগি মারা গেছে  সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন পেলেন ফরিদা ইয়াসমিন বিএনপি’র মনোনয়ন পেলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রীর কন্যা জহরত শ্রীমঙ্গলে হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় টিআইবির ফেলোশিপ ঘোষণা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের প্রটোকল দিতে ডিসি-এসপিদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয় না’গঞ্জে আম খাওয়ানোর প্রলোভনে ৩ বছরের শিশু ধর্ষণ, কিশোর গ্রেপ্তার  নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত মাসুদুজ্জামান সংরক্ষিত আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যে ৩৬ জন আজ থেকে সারাদেশে একযোগে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু তেলের পর এলপি গ্যাসে প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারে ২১২ টাকা বৃদ্ধি তেলের সংকট না থাকলে পাম্পে ৩ কিলোমিটার লাইন কেন: সংসদে রুমিন ফারহানা হাইকোর্টের বিচারকাজ চলবে সপ্তাহে ২ দিন ভার্চুয়ালি টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে ৭০ হাজার ইয়াবাসহ আটক-৩ টেকনাফে পুলিশের পৃথক অভিযানে ২২ আসামি গ্রেপ্তার কক্সবাজারে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার সব ধরনের জালানি তেলের দাম বাড়লো অকটেন-১৪০, পেট্রোল-১৩৫, ডিজেল-১১৫ টাকা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি তেল পাবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কুষ্টিয়ায় ৩২ ঘণ্টা পর শ্রমিকদের প‌রিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার

শাহ্জাহানের তাজমহলের বড় চ্যালেঞ্জ ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময়- ০৭:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪ ৫৮২ বার পড়া হয়েছে

 

ঋতম্ভরা বন্দ্যোপাধ্যায়,কলকাতা।।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ভারতে সাম্রাজ্য বিস্তারের পর দিল্লির তাজমহল দেখে চোখ ধাঁধিয়ে গিয়েছিল। অসামান্য সেই স্মৃতি সৌধ দেখে তাদের মনে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অস্তিত্ব ও স্থাপত্য কে টিকিয়ে রাখতে সম্রাট শাহজাহানের সৃষ্ট তাজমহলের অনুকরণে স্মৃতি সৌধ নির্মাণে অগ্রাহ্য জেগে উঠেছিল।
শাহজাহান তাজমহল নির্মাণ করেছিলেন বেগম মুমতাজ মহলের স্মৃতি রক্ষার স্বার্থে। এজন্য ২০ হাজার শ্রমিক ২০ বছর ধরে পরিশ্রম করে এটি নির্মাণ করেছিল। কিন্তু ইতিহাস বলে, তাজমহল দেখে সম্রাট এতই অভিভূত হয়েছিলেন যে, এমন সৌধ যাতে ভবিষ্যতে অন্য কেউ বানাতে না পারে সেজন্য এই সৌধ নির্মানের কাজে জড়িত ২০ হাজার শ্রমিকের বুড়ো আঙুল কেটে নেওয়া হয়েছিল। ১৯০১ সালে ইংল্যান্ডের মহারানী ভিক্টোরিয়া মারা যাবার পর তৎকালীন ভারতের ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কার্জন ইংল্যান্ডের রাজাকে খুশি করতে তাজমহলের মতো একটি উপযুক্ত স্মৃতি সৌধ নির্মাণের প্রস্তাব দেন। তারপর ১৯০৬ সালে ১ জানুয়ারি প্রিন্স অফ ওয়েলস এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। এটি নির্মাণেও ১৫ বছর সময় লেগেছিল। কিন্তু কোন কারিগর বা শ্রমিকের বুড়ো আঙুল কাটতে হয় নি। এখানেই মুঘল ও ব্রিটিশদের মানষিকতার পার্থক্য।ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল বা ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধ পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় অবস্থিত রাণী ভিক্টোরিয়ার একটি স্মৃতিসৌধ। উল্লেখ্য, ভিক্টোরিয়া ভারতসম্রাজ্ঞী উপাধির অধিকারী ছিলেন। আগাগোড়া শ্বেত পাথরের তৈরি ইংল্যান্ডেশ্বরী মহারানি ভিক্টোরিয়ার নামাঙ্কিত এই স্মৃতিসৌধটি বর্তমানে একটি জাতীয় প্রদর্শনীশালা জাদুঘর এবং কলকাতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন আকর্ষণ।বেলফাস্ট সিটি হলের স্থাপত্যশৈলীর আদলে ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধের নকশা প্রস্তুত করেন স্যার উইলিয়াম এমারসন। প্রথমে তাকে ইতালীয় রেনেসাঁ স্থাপত্যশৈলীতে স্মৃতিসৌধের নকশা প্রস্তুত করতে বলা হলেও, তিনি শুধুমাত্র ইউরোপীয় স্থাপত্যশৈলীর প্রয়োগের বিরোধিতা করেন এবং ইন্দো-সারাসেনিক শৈলীর সঙ্গে মুঘল উপাদান যুক্ত করে মূল সৌধের নকশা প্রস্তুত করেন। ভিনসেন্ট এসচ ছিলেন এই সৌধের অধীক্ষক স্থপতি। সৌধ-সংলগ্ন বাগানটির নকশা প্রস্তুত করেছিলেন লর্ড রেডেসডেল ও স্যার জন প্রেইন। কলকাতার মার্টিন অ্যান্ড কোম্পানি সংস্থার ওপর নির্মাণকার্যের দায়িত্ব অর্পিত হয়েছিল । ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধের উত্তর দিকে অবস্থিত কুইন্স ওয়ে, ডান্সিং ফাউন্টেন, তারপর বিস্তীর্ণ ব্রিগেড প্যারেড ময়দান; দক্ষিণে আচার্য জগদীশচন্দ্র বোস রোড এবং তারপর সেঠ সুখলাল কারণানি ওরফে পিজি হাসপাতাল; পূর্বে কলকাতার বিখ্যাত সেন্ট পলস্ ক্যাথিড্রাল গির্জা, বিড়লা তারামণ্ডল, আকাদেমি অব ফাইন আর্টস্ এবং রবীন্দ্র সদন; আর পশ্চিমে কলকাতা রেসকোর্স ময়দান। স্মৃতিসোধ ভবনের উত্তর এবং দক্ষিণ দু-দিকেই বিশাল ফটক। উত্তর ফটক থেকে ভবন পর্যন্ত চওড়া রাস্তার দু-দিকে দুই প্রকাণ্ড জলাধার একাধারে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং সঙ্গে সঙ্গে প্রদর্শনের মনোরম শোভা বর্ধন করে। যে দৃশ্য চাক্ষুষ করে অথবা লেন্সবন্দি করে সব বয়সের প্রেমিকপ্রেমিকা-ই রীতিমতো নস্টালজিক হয়ে যায়! সুরম্য উদ্যান পরিবেষ্টিত বড়ো বড়ো গাছের কাণ্ডের খোপে খোপে অসংখ্য নবীন প্রেমীযুগলের অবস্থানে গোধূলিতে মৌনমুখরতার আবেশ পাওয়া যায় আজো! শ্বেতপাথরে নির্মিত সুবৃহৎ ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধের নির্মাণকার্য শুরু হয় ১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দে। সৌধটির উদ্বোধন হয় ১৯২১ খ্রিষ্টাব্দে। সৌধের সর্বোচ্চ গম্বুজে বিউগল ধারিনী বিজয়দুতীর একটি কালো ব্রোঞ্জমূর্তি রয়েছে। বায়ুপ্রবাহ শক্তিশালী হলে বল-বিয়ারিং যুক্ত একটি পাদপীঠের উপর স্থাপিত মূর্তিটি হাওয়া মোরগের কাজ করে। আই আই ই এস টি-প্রাক্তনী এ সি মিত্র ভিক্টোরিয়ার নির্মাণপ্রকল্পের কার্যনির্বাহী বাস্তুকার। এক উচ্চ পর্যায়ের পরিবেশ বিজ্ঞানীমহলের অভিমত হল, কলকাতার দূষণের ফলে ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধের সাদা পাথরে মলিনতার ছোঁয়া লাগছে। এই দূষণ থেকে শতাব্দীপ্রাচীন সৌধকে রক্ষা করাটা খুবই জরুরি; কেননা, ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধ কলকাতার গর্বের প্রতীকরূপে বিশ্বের অঙ্গনে প্রতিভাত!
ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল কলকাতার একটি নিদর্শন। বিপুল মার্বেল কাঠামো ১৯০৬ সাল থেকে ১৯২১ সালের মধ্যে বিকশিত হয়েছিল। এটি সম্রাজ্ঞী ভিক্টোরিয়ার স্মৃতির প্রতি উৎসর্গীকৃত এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে এটি একটি যাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছে।
ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল কোথায়?
কলকাতার ময়দানে কুইন্স ওয়েতে এই স্মৃতিসৌধটি শহরের সবচেয়ে বড় সবুজের উপর অবস্থিত। পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ল্যান্ডমার্কের জন্য সঠিক মূল্য অনুমান করা অসম্ভব। লর্ড কার্জন একটি আশ্চর্যজনক এবং নিখুঁত কাঠামো তৈরির প্রস্তাব করেছিলেন, যা সম্পূর্ণ বাগান এবং কোম্পানির জন্য একটি যাদুঘর দিয়ে সম্পন্ন হবে। কার্জনের নিজের বক্তব্য অনুসারে, তিনি একটি ভবন করার প্রস্তাব করেছিলেন যা রাজকীয়, প্রশস্ত, স্মৃতিসৌধ এবং মহৎ হবে, যেখানে কলকাতার প্রতিটি আগন্তুক, আবাসিক জনগোষ্ঠী, ইউরোপীয়রা এবং অন্যান্যরা ভিড় করবে, যেখানে সমস্ত শ্রেণী ইতিহাসের পাঠ শিখবে। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল প্রস্থে ৫০০ ফুট, উচ্চতায় ২৮৯ ফুট। প্রিন্স অব ওয়েলস ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ১৯২১ সালে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালটি সাধারণের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়। কলকাতা থেকে রাজধানী নয়াদিল্লি স্থানান্তর করা হলেও ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালটি শেষ পর্যন্ত দেশের প্রাক্তন রাজধানী কলকাতাতেই নির্মিত হয়েছিল। স্মৃতিসৌধটি প্রধানত বেশ কিছু ভারতীয় ব্যক্তি এবং ব্রিটিশ অফিসার দ্বারা অর্থায়ন করা হয়েছিল। লর্ড কার্জনের তহবিল সংগ্রহের আবেদনটি বেশ কয়েকজন রাজনীতিক এবং ভারতীয় নাগরিকদের মধ্যে সাড়া জাগিয়েছিল। এটি নির্মাণে মোট খরচ হয়েছিল প্রায় এক কোটি, পাঁচ লক্ষ টাকা । অধিকাংশই এসেছে স্বেচ্ছাসেবী অনুদান থেকে। ১৯০৫ সালে ভারত থেকে লর্ডকার্জনের প্রস্থানের পর স্মৃতিস্তম্ভ বিলম্বিত হতে শুরু করে। অবশেষে ১ ৯২১ সালে ভবনটি খোলা হয়। এই সুপারস্ট্রাকচারের জন্য ১৯১০ সালে কাজ শুরু হয়েছিল এবং ১৯৪৭ সালের পরে এই সুন্দর স্মৃতিসৌধে কিছু সংযোজন করা হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন..

ট্যাগস:-

শাহ্জাহানের তাজমহলের বড় চ্যালেঞ্জ ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল 

আপডেট সময়- ০৭:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪

 

ঋতম্ভরা বন্দ্যোপাধ্যায়,কলকাতা।।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ভারতে সাম্রাজ্য বিস্তারের পর দিল্লির তাজমহল দেখে চোখ ধাঁধিয়ে গিয়েছিল। অসামান্য সেই স্মৃতি সৌধ দেখে তাদের মনে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অস্তিত্ব ও স্থাপত্য কে টিকিয়ে রাখতে সম্রাট শাহজাহানের সৃষ্ট তাজমহলের অনুকরণে স্মৃতি সৌধ নির্মাণে অগ্রাহ্য জেগে উঠেছিল।
শাহজাহান তাজমহল নির্মাণ করেছিলেন বেগম মুমতাজ মহলের স্মৃতি রক্ষার স্বার্থে। এজন্য ২০ হাজার শ্রমিক ২০ বছর ধরে পরিশ্রম করে এটি নির্মাণ করেছিল। কিন্তু ইতিহাস বলে, তাজমহল দেখে সম্রাট এতই অভিভূত হয়েছিলেন যে, এমন সৌধ যাতে ভবিষ্যতে অন্য কেউ বানাতে না পারে সেজন্য এই সৌধ নির্মানের কাজে জড়িত ২০ হাজার শ্রমিকের বুড়ো আঙুল কেটে নেওয়া হয়েছিল। ১৯০১ সালে ইংল্যান্ডের মহারানী ভিক্টোরিয়া মারা যাবার পর তৎকালীন ভারতের ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কার্জন ইংল্যান্ডের রাজাকে খুশি করতে তাজমহলের মতো একটি উপযুক্ত স্মৃতি সৌধ নির্মাণের প্রস্তাব দেন। তারপর ১৯০৬ সালে ১ জানুয়ারি প্রিন্স অফ ওয়েলস এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। এটি নির্মাণেও ১৫ বছর সময় লেগেছিল। কিন্তু কোন কারিগর বা শ্রমিকের বুড়ো আঙুল কাটতে হয় নি। এখানেই মুঘল ও ব্রিটিশদের মানষিকতার পার্থক্য।ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল বা ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধ পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় অবস্থিত রাণী ভিক্টোরিয়ার একটি স্মৃতিসৌধ। উল্লেখ্য, ভিক্টোরিয়া ভারতসম্রাজ্ঞী উপাধির অধিকারী ছিলেন। আগাগোড়া শ্বেত পাথরের তৈরি ইংল্যান্ডেশ্বরী মহারানি ভিক্টোরিয়ার নামাঙ্কিত এই স্মৃতিসৌধটি বর্তমানে একটি জাতীয় প্রদর্শনীশালা জাদুঘর এবং কলকাতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন আকর্ষণ।বেলফাস্ট সিটি হলের স্থাপত্যশৈলীর আদলে ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধের নকশা প্রস্তুত করেন স্যার উইলিয়াম এমারসন। প্রথমে তাকে ইতালীয় রেনেসাঁ স্থাপত্যশৈলীতে স্মৃতিসৌধের নকশা প্রস্তুত করতে বলা হলেও, তিনি শুধুমাত্র ইউরোপীয় স্থাপত্যশৈলীর প্রয়োগের বিরোধিতা করেন এবং ইন্দো-সারাসেনিক শৈলীর সঙ্গে মুঘল উপাদান যুক্ত করে মূল সৌধের নকশা প্রস্তুত করেন। ভিনসেন্ট এসচ ছিলেন এই সৌধের অধীক্ষক স্থপতি। সৌধ-সংলগ্ন বাগানটির নকশা প্রস্তুত করেছিলেন লর্ড রেডেসডেল ও স্যার জন প্রেইন। কলকাতার মার্টিন অ্যান্ড কোম্পানি সংস্থার ওপর নির্মাণকার্যের দায়িত্ব অর্পিত হয়েছিল । ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধের উত্তর দিকে অবস্থিত কুইন্স ওয়ে, ডান্সিং ফাউন্টেন, তারপর বিস্তীর্ণ ব্রিগেড প্যারেড ময়দান; দক্ষিণে আচার্য জগদীশচন্দ্র বোস রোড এবং তারপর সেঠ সুখলাল কারণানি ওরফে পিজি হাসপাতাল; পূর্বে কলকাতার বিখ্যাত সেন্ট পলস্ ক্যাথিড্রাল গির্জা, বিড়লা তারামণ্ডল, আকাদেমি অব ফাইন আর্টস্ এবং রবীন্দ্র সদন; আর পশ্চিমে কলকাতা রেসকোর্স ময়দান। স্মৃতিসোধ ভবনের উত্তর এবং দক্ষিণ দু-দিকেই বিশাল ফটক। উত্তর ফটক থেকে ভবন পর্যন্ত চওড়া রাস্তার দু-দিকে দুই প্রকাণ্ড জলাধার একাধারে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং সঙ্গে সঙ্গে প্রদর্শনের মনোরম শোভা বর্ধন করে। যে দৃশ্য চাক্ষুষ করে অথবা লেন্সবন্দি করে সব বয়সের প্রেমিকপ্রেমিকা-ই রীতিমতো নস্টালজিক হয়ে যায়! সুরম্য উদ্যান পরিবেষ্টিত বড়ো বড়ো গাছের কাণ্ডের খোপে খোপে অসংখ্য নবীন প্রেমীযুগলের অবস্থানে গোধূলিতে মৌনমুখরতার আবেশ পাওয়া যায় আজো! শ্বেতপাথরে নির্মিত সুবৃহৎ ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধের নির্মাণকার্য শুরু হয় ১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দে। সৌধটির উদ্বোধন হয় ১৯২১ খ্রিষ্টাব্দে। সৌধের সর্বোচ্চ গম্বুজে বিউগল ধারিনী বিজয়দুতীর একটি কালো ব্রোঞ্জমূর্তি রয়েছে। বায়ুপ্রবাহ শক্তিশালী হলে বল-বিয়ারিং যুক্ত একটি পাদপীঠের উপর স্থাপিত মূর্তিটি হাওয়া মোরগের কাজ করে। আই আই ই এস টি-প্রাক্তনী এ সি মিত্র ভিক্টোরিয়ার নির্মাণপ্রকল্পের কার্যনির্বাহী বাস্তুকার। এক উচ্চ পর্যায়ের পরিবেশ বিজ্ঞানীমহলের অভিমত হল, কলকাতার দূষণের ফলে ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধের সাদা পাথরে মলিনতার ছোঁয়া লাগছে। এই দূষণ থেকে শতাব্দীপ্রাচীন সৌধকে রক্ষা করাটা খুবই জরুরি; কেননা, ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধ কলকাতার গর্বের প্রতীকরূপে বিশ্বের অঙ্গনে প্রতিভাত!
ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল কলকাতার একটি নিদর্শন। বিপুল মার্বেল কাঠামো ১৯০৬ সাল থেকে ১৯২১ সালের মধ্যে বিকশিত হয়েছিল। এটি সম্রাজ্ঞী ভিক্টোরিয়ার স্মৃতির প্রতি উৎসর্গীকৃত এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে এটি একটি যাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছে।
ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল কোথায়?
কলকাতার ময়দানে কুইন্স ওয়েতে এই স্মৃতিসৌধটি শহরের সবচেয়ে বড় সবুজের উপর অবস্থিত। পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ল্যান্ডমার্কের জন্য সঠিক মূল্য অনুমান করা অসম্ভব। লর্ড কার্জন একটি আশ্চর্যজনক এবং নিখুঁত কাঠামো তৈরির প্রস্তাব করেছিলেন, যা সম্পূর্ণ বাগান এবং কোম্পানির জন্য একটি যাদুঘর দিয়ে সম্পন্ন হবে। কার্জনের নিজের বক্তব্য অনুসারে, তিনি একটি ভবন করার প্রস্তাব করেছিলেন যা রাজকীয়, প্রশস্ত, স্মৃতিসৌধ এবং মহৎ হবে, যেখানে কলকাতার প্রতিটি আগন্তুক, আবাসিক জনগোষ্ঠী, ইউরোপীয়রা এবং অন্যান্যরা ভিড় করবে, যেখানে সমস্ত শ্রেণী ইতিহাসের পাঠ শিখবে। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল প্রস্থে ৫০০ ফুট, উচ্চতায় ২৮৯ ফুট। প্রিন্স অব ওয়েলস ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ১৯২১ সালে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালটি সাধারণের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়। কলকাতা থেকে রাজধানী নয়াদিল্লি স্থানান্তর করা হলেও ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালটি শেষ পর্যন্ত দেশের প্রাক্তন রাজধানী কলকাতাতেই নির্মিত হয়েছিল। স্মৃতিসৌধটি প্রধানত বেশ কিছু ভারতীয় ব্যক্তি এবং ব্রিটিশ অফিসার দ্বারা অর্থায়ন করা হয়েছিল। লর্ড কার্জনের তহবিল সংগ্রহের আবেদনটি বেশ কয়েকজন রাজনীতিক এবং ভারতীয় নাগরিকদের মধ্যে সাড়া জাগিয়েছিল। এটি নির্মাণে মোট খরচ হয়েছিল প্রায় এক কোটি, পাঁচ লক্ষ টাকা । অধিকাংশই এসেছে স্বেচ্ছাসেবী অনুদান থেকে। ১৯০৫ সালে ভারত থেকে লর্ডকার্জনের প্রস্থানের পর স্মৃতিস্তম্ভ বিলম্বিত হতে শুরু করে। অবশেষে ১ ৯২১ সালে ভবনটি খোলা হয়। এই সুপারস্ট্রাকচারের জন্য ১৯১০ সালে কাজ শুরু হয়েছিল এবং ১৯৪৭ সালের পরে এই সুন্দর স্মৃতিসৌধে কিছু সংযোজন করা হয়েছিল।