ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:-
সারাদেশের ন্যায় নারায়ণগঞ্জে ৩দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলা উদ্বোধন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় ১ম পর্যায়ে ১৩ হাটের ইজারা পেলেন যাঁরা নারায়নগঞ্জ সদর উপজেলায় বিশৃঙ্খলা ছাড়াই হাটের ইজারা সম্পন্ন, প্রশংসিত ইউএনও সারাদেশে একযোগে ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ​সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা: প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত বিচার নিশ্চিত নিষ্পত্তির মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে: রায়হান কবির নারায়ণগঞ্জ সদরে এবার ১৩ হাটের বিপরীতে ১৪৮ দরপত্র বিক্রি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে থাকছে না দলীয় প্রতীক: সিইসি আসন্ন ঈদুল আজহায় এবার সংবাদপত্রে ছুটি ৫ দিন চেম্বার আদালতেও আইভির জামিন, মুক্তিতে এখন আর বাধা নেই ঈদুল আজহার তারিখ জানাল সৌদিআরব, বাংলাদেশে কবে আগামী ১৯ মে থেকে নারায়ণগঞ্জে শুরু ‘ভূমিসেবা মেলা নারায়ণগঞ্জে বিকাশ ব্যবসায়ী আতিকুল হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন প্রিমিয়ার ব্যাংকে না’গঞ্জ শাখায় বিশাল অংকের ‘অর্থ আত্মসাত করেছেন ব্যাংক কর্মকর্তারা টেকনাফে ৪’শ জেলে পরিবারের মাঝে বিজিবির খাদ্য সহায়তা টেকনাফ থানা পরিদর্শনে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ব্রিটেনের কাউন্সিলর নির্বাচনে মৌলভীবাজারের ৮জন নির্বাচিত  নারায়ণগঞ্জে ডিশ ব্যবসায়ী নাছির হত্যা মামলায় আসামি-১০, গ্রেপ্তার-৪ যোগদানের মাত্র সাত দিনের মধ্যে মৌলভীবাজার এসপি প্রত্যাহার মৌলভীবাজারে নিখোঁজের তিনদিন পর মিললো যুবকের কাঁটা লাশ নারায়ণগঞ্জে লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ: পাঁচজনের কেউই আর বেচে নেই গাজীপুরে পাঁচ খুন: হত্যাকারী সেই ফোরকানকে নিয়ে নতুন চাঞ্চল্যকর মোড় চট্টগ্রামে মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেনের জানাজায় নিষিদ্ধ আ’লীগের মিছিল, স্লোগান টেকনাফের হোয়াইক্যং বিজিবি চেকপোস্টে ৩২ হাজার ইয়াবা জব্দ ঢাকাগামী লবণের ট্রাকে ১ লাখ ইয়াবা, আটক-২ নারায়ণগঞ্জে আবারও খূন: এবার ডিশ ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা কমলগঞ্জে শুক্লা সিনহা নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের মূল হোতা শাকের মাঝি আটক কুষ্টিয়ায় ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার শ্রীমঙ্গলে দিনের আলোয় প্রকাশ্যে ছিনতাই সাবেক মন্ত্রী বীরমুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আর নেই অপরাধ দমন ও মাদক নির্মূলে পুরস্কৃত নারায়ণগঞ্জ র‍্যাব-১১ চট্টগ্রামে সাগরিকা ফ্লাইওভারে ঝুলছিল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার নিথর দেহ গাজীপুরে নৃশংস ৫ খু/ন: ময়নাতদন্তে বেরিয়ে এলো লোমহর্ষক তথ্য ঢাকা মেডিকেলে ঔষধ কোম্পানি প্রতিনিধিদের ‘দালাল’ আখ্যা দেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন ফের আইভীর জামিন স্থগিতাদেশ চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ’সহ ইয়াবা জব্দ নারায়ণগঞ্জে ফের গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণ; একই পরিবারের দগ্ধ-৫ পরকীয়া সন্দেহের জেরে ইয়াছিনকে শ্বাসরোধে হত্যা: পিবিআই ১০ মামলায় আইভীর জামিন পূর্ণবহাল, মুক্তিতে আপাতত কোনও বাধা নেই মরদেহের ওপর রাখা চিরকুটে মিলল পরকীয়া ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ গাজীপুরে নারী ও শিশুসহ ৫ লোমহর্ষক খুনের ঘটনায় জানা গেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য নাসিক কোরবানির হাট: এবার বসবে ২৩টি পশুর হাট গাজীপুরে নির্মম হত্যাযজ্ঞ: একই পরিবারের দুজনসহ ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা আজ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী নারায়ণগঞ্জে বাল্কহেড-নৌযানের সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যের মৃত্যু ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৫ মে থেকে টানা ৭ দিনের ছুটি নারায়ণগঞ্জে পুলিশের অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার-১ নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ভ্রাম্যমাণ অভিযান, ৭ জনের কারাদণ্ড মৌলভীবাজারে কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে শতাধিক বসতবাড়ি লন্ডভন্ড পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা: কুষ্টিয়া সীমান্তে সতর্ক অবস্থানে বিজিবি কক্সবাজারে র‍্যাবের অভিযানে ১৩ হাজার ৮’শ পিস ইয়াবাসহ আটক-১ টেকনাফে বিজিবির বিশেষ অভিযানে ফেনসিডিলসহ আটক-১ নারায়ণগঞ্জে তালাবদ্ধ ঘরে মিললো গার্মেন্টস কর্মীর হাত-পা বাধা গলাকাটা মরদেহ আগামী জুনের মধ্যে সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফেরানোর সিদ্ধান্ত ডিসিদের জনকল্যাণে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী সেন্টমার্টিন-টেকনাফে কোস্টগার্ডের পৃথক অভিযান, আটক-১৩ কুষ্টিয়ায় মোটরসাইকেল-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে কিশোর নিহত কুষ্টিয়ায় পরিত্যক্ত কোয়ার্টার থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার কুলাউড়ায় নবাগত ইউএনও’র দায়িত্বে সানজিদা আক্তার সাবেক সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের জামিন নেত্রকোনায় শিশু ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত আলোচিত মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার না’গঞ্জে র‍্যাব-পুলিশের চিরুনি অভিযানে নগদ অর্থ ও বিপুল মাদক-অস্ত্রসহ আটক-১০ রাজধানীর আলোচিত ডিসি মাসুদ এবার চট্টগ্রামের এসপি পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি ও এসপিসহ ১২ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি নারায়ণগঞ্জে র‍্যাবের ওপর ফের হামলা, আহত-৩ বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিটে দেড় টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাব বিইআরসির টেকনাফে ৪৪ বোতল বিদেশি মদসহ আটক-১ কেরালার বাম দুর্গে মুসলিম তরুণী ফাতেমা তাহলিয়ার নিরংকুশ বিজয় মেয়ের জন্মদিনে আনন্দঘন মুহূর্তের পোস্টে প্রশংসায় ভাসছে পরীমণি মুসলিমরা মমতাকে ভোট দিয়েছেন,তাকে দেয়নি: শুভেন্দু নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে সরকার গঠন করছে বিজেপি  নির্বাচনের ফলাফলকে ‘লুট’ ও ‘অনৈতিক বিজয়’ বলে আখ্যা দিয়েছেন মমতা ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ে নরেন্দ্র মোদি যা বললেন কোনো সংবাদিক বিনা অপরাধে কারাগারে থাকবে না: তথ্যমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত ৪৯ এমপি শপথ নিলেন ঢাকায় ৪ দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ডিএমপির ৩ থানায় নতুন ওসি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ, যেভাবে দেখা যাবে  শ্রীমঙ্গলে মসজিদে ঢুকে প্রকাশ্যে মুসল্লিকে কুপিয়ে হত্যা সংরক্ষিত নারী আসনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ আজ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আজ সারাদেশের থানাগুলোকে দালালমুক্ত করার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর  রূপগঞ্জে পুকুরে ডুবে দুই স্কুলছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ১৯’শ ৬৮ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক শ্রীমঙ্গলে এমআর টিকাদানে অনিয়ম: সমন্বয়হীনতায় ঝুঁকিতে শিশুস্বাস্থ্য মৌলভীবাজারে পাঁচ দিনের ভারী বৃষ্টিতে ডুবছে কৃষকের স্বপ্ন আরও দুই মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেলেন আইভী আইভীর দুই মামলার জামিন আদেশ আজ : হাইকোর্ট চট্টগ্রাম নগরী পানির নিচে ভাসছে না; প্রতিমন্ত্রী দেশের সবকটি জেলায় রাতেই ১০০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা নারায়ণগঞ্জে পরিত্যক্ত অবস্থায় পুলিশের লুট হওয়া পিস্তল ও গুলি উদ্ধার যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টে এবার ট্রাম্পের ছবি ভোজ্যতেলের দামে ফের ধাক্কা, লিটারে ৪ টাকা বাড়ল সয়াবিন তেলের দাম ট্রেনের নিচে পরে যাওয়া শিশুসন্তান, ঝাঁপিয়ে পড়ে রক্ষা করলেন বাবা মৌলভীবাজারে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে গ্ৰামের পর গ্ৰাম প্লাবিত রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত ব্যক্তি শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন কুষ্টিয়ায় অস্ত্রোপচারের সময় শিশুর মৃত্যু, দুই চিকিৎসক আটক মৌলভীবাজারে ২৪ ঘন্টায় ১৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড মেরিন ড্রাইভে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক নিহত, আহত-২

শাহ্জাহানের তাজমহলের বড় চ্যালেঞ্জ ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময়- ০৭:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪ ৫৯৩ বার পড়া হয়েছে

 

ঋতম্ভরা বন্দ্যোপাধ্যায়,কলকাতা।।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ভারতে সাম্রাজ্য বিস্তারের পর দিল্লির তাজমহল দেখে চোখ ধাঁধিয়ে গিয়েছিল। অসামান্য সেই স্মৃতি সৌধ দেখে তাদের মনে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অস্তিত্ব ও স্থাপত্য কে টিকিয়ে রাখতে সম্রাট শাহজাহানের সৃষ্ট তাজমহলের অনুকরণে স্মৃতি সৌধ নির্মাণে অগ্রাহ্য জেগে উঠেছিল।
শাহজাহান তাজমহল নির্মাণ করেছিলেন বেগম মুমতাজ মহলের স্মৃতি রক্ষার স্বার্থে। এজন্য ২০ হাজার শ্রমিক ২০ বছর ধরে পরিশ্রম করে এটি নির্মাণ করেছিল। কিন্তু ইতিহাস বলে, তাজমহল দেখে সম্রাট এতই অভিভূত হয়েছিলেন যে, এমন সৌধ যাতে ভবিষ্যতে অন্য কেউ বানাতে না পারে সেজন্য এই সৌধ নির্মানের কাজে জড়িত ২০ হাজার শ্রমিকের বুড়ো আঙুল কেটে নেওয়া হয়েছিল। ১৯০১ সালে ইংল্যান্ডের মহারানী ভিক্টোরিয়া মারা যাবার পর তৎকালীন ভারতের ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কার্জন ইংল্যান্ডের রাজাকে খুশি করতে তাজমহলের মতো একটি উপযুক্ত স্মৃতি সৌধ নির্মাণের প্রস্তাব দেন। তারপর ১৯০৬ সালে ১ জানুয়ারি প্রিন্স অফ ওয়েলস এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। এটি নির্মাণেও ১৫ বছর সময় লেগেছিল। কিন্তু কোন কারিগর বা শ্রমিকের বুড়ো আঙুল কাটতে হয় নি। এখানেই মুঘল ও ব্রিটিশদের মানষিকতার পার্থক্য।ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল বা ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধ পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় অবস্থিত রাণী ভিক্টোরিয়ার একটি স্মৃতিসৌধ। উল্লেখ্য, ভিক্টোরিয়া ভারতসম্রাজ্ঞী উপাধির অধিকারী ছিলেন। আগাগোড়া শ্বেত পাথরের তৈরি ইংল্যান্ডেশ্বরী মহারানি ভিক্টোরিয়ার নামাঙ্কিত এই স্মৃতিসৌধটি বর্তমানে একটি জাতীয় প্রদর্শনীশালা জাদুঘর এবং কলকাতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন আকর্ষণ।বেলফাস্ট সিটি হলের স্থাপত্যশৈলীর আদলে ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধের নকশা প্রস্তুত করেন স্যার উইলিয়াম এমারসন। প্রথমে তাকে ইতালীয় রেনেসাঁ স্থাপত্যশৈলীতে স্মৃতিসৌধের নকশা প্রস্তুত করতে বলা হলেও, তিনি শুধুমাত্র ইউরোপীয় স্থাপত্যশৈলীর প্রয়োগের বিরোধিতা করেন এবং ইন্দো-সারাসেনিক শৈলীর সঙ্গে মুঘল উপাদান যুক্ত করে মূল সৌধের নকশা প্রস্তুত করেন। ভিনসেন্ট এসচ ছিলেন এই সৌধের অধীক্ষক স্থপতি। সৌধ-সংলগ্ন বাগানটির নকশা প্রস্তুত করেছিলেন লর্ড রেডেসডেল ও স্যার জন প্রেইন। কলকাতার মার্টিন অ্যান্ড কোম্পানি সংস্থার ওপর নির্মাণকার্যের দায়িত্ব অর্পিত হয়েছিল । ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধের উত্তর দিকে অবস্থিত কুইন্স ওয়ে, ডান্সিং ফাউন্টেন, তারপর বিস্তীর্ণ ব্রিগেড প্যারেড ময়দান; দক্ষিণে আচার্য জগদীশচন্দ্র বোস রোড এবং তারপর সেঠ সুখলাল কারণানি ওরফে পিজি হাসপাতাল; পূর্বে কলকাতার বিখ্যাত সেন্ট পলস্ ক্যাথিড্রাল গির্জা, বিড়লা তারামণ্ডল, আকাদেমি অব ফাইন আর্টস্ এবং রবীন্দ্র সদন; আর পশ্চিমে কলকাতা রেসকোর্স ময়দান। স্মৃতিসোধ ভবনের উত্তর এবং দক্ষিণ দু-দিকেই বিশাল ফটক। উত্তর ফটক থেকে ভবন পর্যন্ত চওড়া রাস্তার দু-দিকে দুই প্রকাণ্ড জলাধার একাধারে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং সঙ্গে সঙ্গে প্রদর্শনের মনোরম শোভা বর্ধন করে। যে দৃশ্য চাক্ষুষ করে অথবা লেন্সবন্দি করে সব বয়সের প্রেমিকপ্রেমিকা-ই রীতিমতো নস্টালজিক হয়ে যায়! সুরম্য উদ্যান পরিবেষ্টিত বড়ো বড়ো গাছের কাণ্ডের খোপে খোপে অসংখ্য নবীন প্রেমীযুগলের অবস্থানে গোধূলিতে মৌনমুখরতার আবেশ পাওয়া যায় আজো! শ্বেতপাথরে নির্মিত সুবৃহৎ ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধের নির্মাণকার্য শুরু হয় ১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দে। সৌধটির উদ্বোধন হয় ১৯২১ খ্রিষ্টাব্দে। সৌধের সর্বোচ্চ গম্বুজে বিউগল ধারিনী বিজয়দুতীর একটি কালো ব্রোঞ্জমূর্তি রয়েছে। বায়ুপ্রবাহ শক্তিশালী হলে বল-বিয়ারিং যুক্ত একটি পাদপীঠের উপর স্থাপিত মূর্তিটি হাওয়া মোরগের কাজ করে। আই আই ই এস টি-প্রাক্তনী এ সি মিত্র ভিক্টোরিয়ার নির্মাণপ্রকল্পের কার্যনির্বাহী বাস্তুকার। এক উচ্চ পর্যায়ের পরিবেশ বিজ্ঞানীমহলের অভিমত হল, কলকাতার দূষণের ফলে ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধের সাদা পাথরে মলিনতার ছোঁয়া লাগছে। এই দূষণ থেকে শতাব্দীপ্রাচীন সৌধকে রক্ষা করাটা খুবই জরুরি; কেননা, ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধ কলকাতার গর্বের প্রতীকরূপে বিশ্বের অঙ্গনে প্রতিভাত!
ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল কলকাতার একটি নিদর্শন। বিপুল মার্বেল কাঠামো ১৯০৬ সাল থেকে ১৯২১ সালের মধ্যে বিকশিত হয়েছিল। এটি সম্রাজ্ঞী ভিক্টোরিয়ার স্মৃতির প্রতি উৎসর্গীকৃত এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে এটি একটি যাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছে।
ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল কোথায়?
কলকাতার ময়দানে কুইন্স ওয়েতে এই স্মৃতিসৌধটি শহরের সবচেয়ে বড় সবুজের উপর অবস্থিত। পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ল্যান্ডমার্কের জন্য সঠিক মূল্য অনুমান করা অসম্ভব। লর্ড কার্জন একটি আশ্চর্যজনক এবং নিখুঁত কাঠামো তৈরির প্রস্তাব করেছিলেন, যা সম্পূর্ণ বাগান এবং কোম্পানির জন্য একটি যাদুঘর দিয়ে সম্পন্ন হবে। কার্জনের নিজের বক্তব্য অনুসারে, তিনি একটি ভবন করার প্রস্তাব করেছিলেন যা রাজকীয়, প্রশস্ত, স্মৃতিসৌধ এবং মহৎ হবে, যেখানে কলকাতার প্রতিটি আগন্তুক, আবাসিক জনগোষ্ঠী, ইউরোপীয়রা এবং অন্যান্যরা ভিড় করবে, যেখানে সমস্ত শ্রেণী ইতিহাসের পাঠ শিখবে। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল প্রস্থে ৫০০ ফুট, উচ্চতায় ২৮৯ ফুট। প্রিন্স অব ওয়েলস ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ১৯২১ সালে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালটি সাধারণের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়। কলকাতা থেকে রাজধানী নয়াদিল্লি স্থানান্তর করা হলেও ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালটি শেষ পর্যন্ত দেশের প্রাক্তন রাজধানী কলকাতাতেই নির্মিত হয়েছিল। স্মৃতিসৌধটি প্রধানত বেশ কিছু ভারতীয় ব্যক্তি এবং ব্রিটিশ অফিসার দ্বারা অর্থায়ন করা হয়েছিল। লর্ড কার্জনের তহবিল সংগ্রহের আবেদনটি বেশ কয়েকজন রাজনীতিক এবং ভারতীয় নাগরিকদের মধ্যে সাড়া জাগিয়েছিল। এটি নির্মাণে মোট খরচ হয়েছিল প্রায় এক কোটি, পাঁচ লক্ষ টাকা । অধিকাংশই এসেছে স্বেচ্ছাসেবী অনুদান থেকে। ১৯০৫ সালে ভারত থেকে লর্ডকার্জনের প্রস্থানের পর স্মৃতিস্তম্ভ বিলম্বিত হতে শুরু করে। অবশেষে ১ ৯২১ সালে ভবনটি খোলা হয়। এই সুপারস্ট্রাকচারের জন্য ১৯১০ সালে কাজ শুরু হয়েছিল এবং ১৯৪৭ সালের পরে এই সুন্দর স্মৃতিসৌধে কিছু সংযোজন করা হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন..

ট্যাগস:-

শাহ্জাহানের তাজমহলের বড় চ্যালেঞ্জ ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল 

আপডেট সময়- ০৭:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুলাই ২০২৪

 

ঋতম্ভরা বন্দ্যোপাধ্যায়,কলকাতা।।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ভারতে সাম্রাজ্য বিস্তারের পর দিল্লির তাজমহল দেখে চোখ ধাঁধিয়ে গিয়েছিল। অসামান্য সেই স্মৃতি সৌধ দেখে তাদের মনে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অস্তিত্ব ও স্থাপত্য কে টিকিয়ে রাখতে সম্রাট শাহজাহানের সৃষ্ট তাজমহলের অনুকরণে স্মৃতি সৌধ নির্মাণে অগ্রাহ্য জেগে উঠেছিল।
শাহজাহান তাজমহল নির্মাণ করেছিলেন বেগম মুমতাজ মহলের স্মৃতি রক্ষার স্বার্থে। এজন্য ২০ হাজার শ্রমিক ২০ বছর ধরে পরিশ্রম করে এটি নির্মাণ করেছিল। কিন্তু ইতিহাস বলে, তাজমহল দেখে সম্রাট এতই অভিভূত হয়েছিলেন যে, এমন সৌধ যাতে ভবিষ্যতে অন্য কেউ বানাতে না পারে সেজন্য এই সৌধ নির্মানের কাজে জড়িত ২০ হাজার শ্রমিকের বুড়ো আঙুল কেটে নেওয়া হয়েছিল। ১৯০১ সালে ইংল্যান্ডের মহারানী ভিক্টোরিয়া মারা যাবার পর তৎকালীন ভারতের ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কার্জন ইংল্যান্ডের রাজাকে খুশি করতে তাজমহলের মতো একটি উপযুক্ত স্মৃতি সৌধ নির্মাণের প্রস্তাব দেন। তারপর ১৯০৬ সালে ১ জানুয়ারি প্রিন্স অফ ওয়েলস এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। এটি নির্মাণেও ১৫ বছর সময় লেগেছিল। কিন্তু কোন কারিগর বা শ্রমিকের বুড়ো আঙুল কাটতে হয় নি। এখানেই মুঘল ও ব্রিটিশদের মানষিকতার পার্থক্য।ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল বা ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধ পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় অবস্থিত রাণী ভিক্টোরিয়ার একটি স্মৃতিসৌধ। উল্লেখ্য, ভিক্টোরিয়া ভারতসম্রাজ্ঞী উপাধির অধিকারী ছিলেন। আগাগোড়া শ্বেত পাথরের তৈরি ইংল্যান্ডেশ্বরী মহারানি ভিক্টোরিয়ার নামাঙ্কিত এই স্মৃতিসৌধটি বর্তমানে একটি জাতীয় প্রদর্শনীশালা জাদুঘর এবং কলকাতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন আকর্ষণ।বেলফাস্ট সিটি হলের স্থাপত্যশৈলীর আদলে ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধের নকশা প্রস্তুত করেন স্যার উইলিয়াম এমারসন। প্রথমে তাকে ইতালীয় রেনেসাঁ স্থাপত্যশৈলীতে স্মৃতিসৌধের নকশা প্রস্তুত করতে বলা হলেও, তিনি শুধুমাত্র ইউরোপীয় স্থাপত্যশৈলীর প্রয়োগের বিরোধিতা করেন এবং ইন্দো-সারাসেনিক শৈলীর সঙ্গে মুঘল উপাদান যুক্ত করে মূল সৌধের নকশা প্রস্তুত করেন। ভিনসেন্ট এসচ ছিলেন এই সৌধের অধীক্ষক স্থপতি। সৌধ-সংলগ্ন বাগানটির নকশা প্রস্তুত করেছিলেন লর্ড রেডেসডেল ও স্যার জন প্রেইন। কলকাতার মার্টিন অ্যান্ড কোম্পানি সংস্থার ওপর নির্মাণকার্যের দায়িত্ব অর্পিত হয়েছিল । ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধের উত্তর দিকে অবস্থিত কুইন্স ওয়ে, ডান্সিং ফাউন্টেন, তারপর বিস্তীর্ণ ব্রিগেড প্যারেড ময়দান; দক্ষিণে আচার্য জগদীশচন্দ্র বোস রোড এবং তারপর সেঠ সুখলাল কারণানি ওরফে পিজি হাসপাতাল; পূর্বে কলকাতার বিখ্যাত সেন্ট পলস্ ক্যাথিড্রাল গির্জা, বিড়লা তারামণ্ডল, আকাদেমি অব ফাইন আর্টস্ এবং রবীন্দ্র সদন; আর পশ্চিমে কলকাতা রেসকোর্স ময়দান। স্মৃতিসোধ ভবনের উত্তর এবং দক্ষিণ দু-দিকেই বিশাল ফটক। উত্তর ফটক থেকে ভবন পর্যন্ত চওড়া রাস্তার দু-দিকে দুই প্রকাণ্ড জলাধার একাধারে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং সঙ্গে সঙ্গে প্রদর্শনের মনোরম শোভা বর্ধন করে। যে দৃশ্য চাক্ষুষ করে অথবা লেন্সবন্দি করে সব বয়সের প্রেমিকপ্রেমিকা-ই রীতিমতো নস্টালজিক হয়ে যায়! সুরম্য উদ্যান পরিবেষ্টিত বড়ো বড়ো গাছের কাণ্ডের খোপে খোপে অসংখ্য নবীন প্রেমীযুগলের অবস্থানে গোধূলিতে মৌনমুখরতার আবেশ পাওয়া যায় আজো! শ্বেতপাথরে নির্মিত সুবৃহৎ ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধের নির্মাণকার্য শুরু হয় ১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দে। সৌধটির উদ্বোধন হয় ১৯২১ খ্রিষ্টাব্দে। সৌধের সর্বোচ্চ গম্বুজে বিউগল ধারিনী বিজয়দুতীর একটি কালো ব্রোঞ্জমূর্তি রয়েছে। বায়ুপ্রবাহ শক্তিশালী হলে বল-বিয়ারিং যুক্ত একটি পাদপীঠের উপর স্থাপিত মূর্তিটি হাওয়া মোরগের কাজ করে। আই আই ই এস টি-প্রাক্তনী এ সি মিত্র ভিক্টোরিয়ার নির্মাণপ্রকল্পের কার্যনির্বাহী বাস্তুকার। এক উচ্চ পর্যায়ের পরিবেশ বিজ্ঞানীমহলের অভিমত হল, কলকাতার দূষণের ফলে ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধের সাদা পাথরে মলিনতার ছোঁয়া লাগছে। এই দূষণ থেকে শতাব্দীপ্রাচীন সৌধকে রক্ষা করাটা খুবই জরুরি; কেননা, ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধ কলকাতার গর্বের প্রতীকরূপে বিশ্বের অঙ্গনে প্রতিভাত!
ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল কলকাতার একটি নিদর্শন। বিপুল মার্বেল কাঠামো ১৯০৬ সাল থেকে ১৯২১ সালের মধ্যে বিকশিত হয়েছিল। এটি সম্রাজ্ঞী ভিক্টোরিয়ার স্মৃতির প্রতি উৎসর্গীকৃত এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অধীনে এটি একটি যাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছে।
ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল কোথায়?
কলকাতার ময়দানে কুইন্স ওয়েতে এই স্মৃতিসৌধটি শহরের সবচেয়ে বড় সবুজের উপর অবস্থিত। পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ল্যান্ডমার্কের জন্য সঠিক মূল্য অনুমান করা অসম্ভব। লর্ড কার্জন একটি আশ্চর্যজনক এবং নিখুঁত কাঠামো তৈরির প্রস্তাব করেছিলেন, যা সম্পূর্ণ বাগান এবং কোম্পানির জন্য একটি যাদুঘর দিয়ে সম্পন্ন হবে। কার্জনের নিজের বক্তব্য অনুসারে, তিনি একটি ভবন করার প্রস্তাব করেছিলেন যা রাজকীয়, প্রশস্ত, স্মৃতিসৌধ এবং মহৎ হবে, যেখানে কলকাতার প্রতিটি আগন্তুক, আবাসিক জনগোষ্ঠী, ইউরোপীয়রা এবং অন্যান্যরা ভিড় করবে, যেখানে সমস্ত শ্রেণী ইতিহাসের পাঠ শিখবে। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল প্রস্থে ৫০০ ফুট, উচ্চতায় ২৮৯ ফুট। প্রিন্স অব ওয়েলস ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ১৯২১ সালে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালটি সাধারণের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়। কলকাতা থেকে রাজধানী নয়াদিল্লি স্থানান্তর করা হলেও ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালটি শেষ পর্যন্ত দেশের প্রাক্তন রাজধানী কলকাতাতেই নির্মিত হয়েছিল। স্মৃতিসৌধটি প্রধানত বেশ কিছু ভারতীয় ব্যক্তি এবং ব্রিটিশ অফিসার দ্বারা অর্থায়ন করা হয়েছিল। লর্ড কার্জনের তহবিল সংগ্রহের আবেদনটি বেশ কয়েকজন রাজনীতিক এবং ভারতীয় নাগরিকদের মধ্যে সাড়া জাগিয়েছিল। এটি নির্মাণে মোট খরচ হয়েছিল প্রায় এক কোটি, পাঁচ লক্ষ টাকা । অধিকাংশই এসেছে স্বেচ্ছাসেবী অনুদান থেকে। ১৯০৫ সালে ভারত থেকে লর্ডকার্জনের প্রস্থানের পর স্মৃতিস্তম্ভ বিলম্বিত হতে শুরু করে। অবশেষে ১ ৯২১ সালে ভবনটি খোলা হয়। এই সুপারস্ট্রাকচারের জন্য ১৯১০ সালে কাজ শুরু হয়েছিল এবং ১৯৪৭ সালের পরে এই সুন্দর স্মৃতিসৌধে কিছু সংযোজন করা হয়েছিল।