ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:-
এনইআইআর চালুর প্রতিবাদে বিটিআরসি ভবনে হামলা-ভাঙচুর বর্ণিল আয়োজনে বিশ্বজুড়ে বরন করে নিল খ্রিষ্টীয় নববর্ষ-২০২৬ ২০২৫ সালে আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে ‘মব সন্ত্রাস’: আসক নির্বাচনের আগে হচ্ছে না ইজতেমা, খুলে ফেলা হচ্ছে প্যান্ডেল খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের শোক খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে মাসুদুজ্জামানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে কোরআন খতম ও দোয়া অনুষ্ঠিত দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিএনপির ৭ দিনের শোক ঘোষণা সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই অবশেষে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হয়ে মনোনয়ন জমা দিলেন মোহাম্মদ আলী শেষ মুহূর্তে নারায়ণগঞ্জসহ ১৫ আসনে প্রার্থী পরিবর্তন করলো বিএনপি শেষ দিনে মনোনয়নপত্র জমা না দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন মাসুদুজ্জামান আজ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন জুড়ীতে মা ও চার বছরের শিশু সন্তানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার মনোনয়নপত্র জমা দিলেন নারায়নগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ উখিয়ায় ৬৪-বিজিবির অভিযানে ৯ হাজার ৮’শ ইয়াবা জব্দ গাইবান্ধায় শিক্ষা অফিসার নকিবুলের তিন উপজেলা জুড়ে ঘুষের রাজত্ব শরনখোলায় টেকসই বেরিবাঁধের দাবিতে মানববন্ধন টেকনাফে হত্যা মামলার আসামিসহ মানব পাচার চক্রের কবল থেকে উদ্ধার-১৭ না’গঞ্জ-৫ আসনে সাবেক সাংসদ আবুল কালামের মনোনয়নপত্র জমা নারায়ণগঞ্জ-৫, বাদ রইলো না কেউ, এবার মনোনয়ন সংগ্রহ করলেন টিপু ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে জুবায়ের রহমান চৌধুরীর শপথ গ্রহন কুষ্টিয়ায় মহাসড়কে ট্রাকে ডাকাতি, আহত-১ প্রচন্ড শীতের দাপটে মানবেতর জীবনযাপন করছে কমলগঞ্জের ‘চা’ শ্রমিকরা বড়লেখায় সাবেক ইউপি সদস্যসহ গ্রেপ্তার-৩ রামুতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গুলিসহ আটক ৬ রোহিঙ্গা নারায়ণগঞ্জ-৫, মনোনীত ও বঞ্চিত চার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ সেন্টমার্টিনগামী জাহাজে ভয়াবহ আগুন ফতুল্লায় লঞ্চের ধাক্কায় বাল্কহেড ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ২ লস্করের মরদেহ উদ্ধার নারায়ণগঞ্জ-৫ এর ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামানের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ গণসংবর্ধনাস্থল ৩’শ ফুট সড়ক পরিষ্কার করালেন মাসুদুজ্জামান রাজধানীর গুলিস্তানে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট আগামী ৯ জানুয়ারি ঢাকায় মহাসমাবেশের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের কোনো অবস্থাতেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাবে না, লক্ষ্য একটি শান্ত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়া তারেক রহমানের গণসংবর্ধনায় মাসুদুজ্জামানের পক্ষে শতশত নেতাকর্মীদের যোগদান দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসনের অবসান ঘটিয়ে বীরোচিত স্বদেশে প্রত্যাবর্তন আগামী ১ জানুয়ারি পূর্বাচলে শুরু হচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা টঙ্গী থেকে গ্রেপ্তার ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয়ধারী তাহরিমা সুরভি নারায়ণগঞ্জ-৫, বিএনপির প্রার্থীতা নিয়ে ধোয়াশা, সাখাওয়াতের পর ফের কালামের মনোনয়ন দাবি মনোনয়ন নিয়ে বিভ্রান্ত না হয়ে, নেতা-কর্মীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান মাসুদুজ্জামানের মৌলভীবাজার সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩৮২০ পিস ইয়াবাসহ আটক-১ কুষ্টিয়ার সীমান্তে বিজিবির হাতে ভারতীয় নাগরিক আটক টেকনাফে বিজিবি-২ অভিযানে ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ আইস জব্দ আসন্নবর্তী ত্রয়োদশ নির্বাচনের মাঠে পুলিশও ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা চায় দল ব্যবস্থা নিলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করবো: রুমিন ফারহানা জল্পনা কল্পনার অবসান: নারায়ণগঞ্জ-৪ এর বিএনপির মনোনীত জোট প্রার্থী কাসেমী টেকনাফে অপহরণকারী চক্রের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল যৌথ বাহিনী, আটক-১ টেকনাফে র‍্যাবের ঝটিকা অভিযানে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার-২ গাইবান্ধার ৫ আসনে জাপার প্রার্থী ঘোষণা; ২ আসনে লড়বেন মহাসচিব পাটওয়ারী ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ ছাড়া কাউকে লাইসেন্স দেওয়া হবে না: বিআরটিএ চেয়ারম্যান  তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিএনপির মনোনীত এমপি প্রার্থী মাসুদুজ্জামানের দোয়া অন্তর্বর্তী সরকারের দেয়া গানম্যান প্রত্যাখ্যান করলেন নুর জানুয়ারিতে সারাদেশের সাংবাদিকদের নিয়ে মহাসমাবেশ ঘোষণা নোয়াব সভাপতির গ্যাস চুরির মামলায় ক্রোনীর কর্ণধার আসলাম সানীকে আদালতে হাজির হতে বিজ্ঞপ্তি এবার দ্বিগুণ অদম্য শক্তি নিয়ে ফিরেছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান সুদানে ড্রোন হামলায় শহীদ সবুজের শেষ বিদায় গাইবান্ধার নিজ গ্রামে  নারায়ণগঞ্জ ক্লাব পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে ফের এম সোলায়মানের নিরংকুশ বিজয় আড়াইহাজারে মাথাবিহীন দ্বিখণ্ডিত যুবক হত্যাযজ্ঞের রহস্য উদঘাটন,আটক-১ কুষ্টিয়া নির্বাচন অফিসে দূর্বৃত্তদের দেয়া আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত নথিপত্র আগের প্রার্থী তালিকাই এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত: রিজভী ধলেশ্বরীতে ফেরি পারাপারের সময় ট্রাকসহ ৫ যান নদীতে, নিখোঁজ-১ নেতা-কর্মী-সমর্থকদের বিভ্রান্ত না হবার আহ্বান মাসুদুজ্জামানের শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ও বিটিভির ডিজির বাসভবনে অগ্নিসংযোগ রঙ্গীখালী পাহাড়ে বিজিবির রুদ্ধশ্বাস অভিযান: অস্ত্র, মর্টার শেল ও গ্রেনেড উদ্ধার হাদীর হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারেসহ ফাঁসির দাবীতে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ ফের নির্বাচনে ফেরার ঘোষণা মাসুদুজ্জামানের প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিসে হামলা-ভাঙচুর-অগ্নি সংযোগ সুষ্ঠু নির্বাচন পরিবেশে অরাজকতা সৃষ্টি করলেই কঠোর ব্যবস্থা: ডিসির হুশিয়ারী নিরাপত্তা নিশ্চিতে নেতা-কর্মীরা মাসুদুজ্জামানসহ তার পরিবারকে পাহারা দিবে: টিপু হাজারীবাগের হোস্টেল থেকে এনসিপি নেত্রী জান্নাতারা রুমীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ফেব্রুয়ারিতে হচ্ছে না ডিসি সম্মেলন না ফেরার দেশে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি রামুতে পুলিশের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও ম্যাগাজিনের ১৬’শ প্রসেস’সহ আটক-৩ গাইবান্ধায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে আ’লীগ-যুবলীগের ৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার টেকনাফ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে দেড় লাখ ইয়াবা জব্দ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ফতুল্লার পৃথকস্থান থেকে আওয়ামী লীগের ৩ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রবিউল গ্রেপ্তার গাইবান্ধায় মাদরাসা সুপারের দুর্নীতির, তদন্তে ধরা পড়েছে সকল অনিয়ম টেকনাফের নাফ নদীতে বিজিবির অভিযান: এক লক্ষ ইয়াবাসহ আটক-১ সেন্টমার্টিনে কোস্ট গার্ডের অভিযান: অবৈধ ট্রলিং বোট ও জালসহ আটক-১৬ বিজয় দিবসে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের বিনম্র শ্রদ্ধা মহান বিজয় দিবসে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধাঞ্জলী আপনাদের আত্মত্যাগের কারনেই, আজ স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি: এসপি রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে আমরা যেকোনো মূল্যে রক্ষা করবো: ডিসি শরণখোলায় রহস্যজনকভাবে যুবকের মৃত্যু, পুকুর থেকে লাশ উদ্ধার মৌলভীবাজারে বিজয় দিবসে শহিদদের প্রতি জেলা পুলিশের শ্রদ্ধা ভেড়ামারায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য নিহত নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান  আজ ১৬ই ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস না’গঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পেলেন যারা ফতুল্লায় ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি আটক নারায়ণগঞ্জে সেলিম ওসমানকে খুঁজতে উইজডম এ্যাটায়ার্সে পুলিশের অভিযান বধ্যভূমিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের শ্রদ্ধা জানান জেলা প্রশাসনসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাগন সিদ্ধিরগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার-৪ ওসমান হাদীকে গুলি: ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে ফয়সালের স্ত্রী-শ্যালকসহ আটক-৩ জামায়াতপন্থী আইনজীবীদের তোপের মুখে না’গঞ্জের সাবেক ওসি মঞ্জুর কাদের মৌলভীবাজারে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

বিজ্ঞানী এলিস সিলভার’ আলোড়ন সৃষ্টিকারী দাবি: মানুষ পৃথিবীর জীব নয়

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময়- ০৩:৫৯:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪ ৭৫১ বার পড়া হয়েছে
মানস বন্দ্যোপাধ্যায়,
কোলকাতা।।
মনে পড়ে সেই জনপ্রিয় হিন্দি ছবিটি!! রেখা, ঋত্বিক রোশন, প্রীতি জিন্টা অভিনীত “কোই মিল গয়া” ছবিতে একটি ভিন গ্রহের এলিয়েনের কাহিনী সকলের মধ্যে বিশেষ করে বাচ্চাদের মধ্যে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। প্রশ্ন উঠেছে , সত্যিই কি ভিন গ্রহে এলিয়েন রয়েছে?
বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং অনেক আগেই বলেছিলেন, “এলিয়েন আছে, অবশ্যই আছে।” নাসার গবেষকেরা কেপলার টেলিস্কোপের সাহায্যে এমন ২০টি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন, যাদের মধ্যে সম্ভবত প্রাণ আছে। নাসার প্রথম সারির বিজ্ঞানী অ্যালেন স্টেফান, বিজ্ঞানী সিলভানো পি কলম্বানো, বিজ্ঞানী থমাস জুরবিউকেন বিভিন্ন সময় বলেছেন এলিয়েনদের থেকে নাসা আর বেশি দূরে নেই। কয়েক বছরের মধ্যেই নাসা এলিয়েনদের কাছে পৌঁছে যাবে।
কিন্তু সম্প্রতি নাসার এই বক্তব্যে জল ঢেলে দিয়েছেন এক বিজ্ঞানী। তাঁর চাঞ্চল্যকর মতবাদ নিয়ে ঝড় উঠেছে বিজ্ঞানপ্রেমীদের মধ্যে। তিনি দাবী করেছেন মানুষই এলিয়েন বা ভিনগ্রহের জীব। অথচ বিজ্ঞান বলেছিল, প্রায় ১৮ লক্ষ বছর আগে আফ্রিকায় সৃষ্টি হয়েছিল প্রথম মানব প্রজাতি হোমো ইরেকটাস।
বিজ্ঞানী এলিস সিলভার দাবি করেছেন, মানুষ পৃথিবীর জীব নয়। এই চাঞ্চল্যকর দাবি করে তিনি বিশ্বজুড়ে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন।
তাঁর ‘হিউম্যান আর নট ফ্রম আর্থ: এ সায়েন্টিফিক ইভ্যালুয়েশন অফ দ্য এভিডেন্স’ বইটিতে রীতিমতো যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করতে চেয়েছেন, ‘মানুষ পৃথিবীর জীব নয়’।
এলিয়েনরা কি আদৌ এরকম দেখতে?
ডঃ এলিস সিলভার বললেন, মানুষই ভিনগ্রহের জীব
আমেরিকার প্রখ্যাত ইকোলজিস্ট ডঃ এলিস সিলভার। তিনি তাঁর ‘”হিউম্যান আর নট ফ্রম আর্থ” – এ সায়েন্টিফিক ইভ্যালুয়েশন অফ দ্য এভিডেন্স’ বইটিতে রীতিমতো যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করতে চেয়েছেন, ‘মানুষ পৃথিবীর জীব নয়’। বহুদিন ধরে গবেষণা করার পর তাঁর সিদ্ধান্ত, অন্য জীবদের মতো মানুষের সৃষ্টি পৃথিবীতে হয়নি।
কয়েক লক্ষ বছর আগে অন্য গ্রহ থেকে মানুষকে পৃথিবীতে ছেড়ে যাওয়া হয়েছিল। ডঃ সিলভার বলেছেন, মানুষের শরীরে থাকা অনেক ত্রুটি বুঝিয়ে দেয়, পৃথিবী আমাদের নিজের গ্রহ নয়। পৃথিবীর অনান্য উন্নত প্রাণীর সঙ্গে মানুষের শরীরের এত পার্থক্য কেন! এই প্রশ্নটির ওপরেই দাঁড়িয়ে আছে ডঃ এলিস সিলভারের মতবাদটি।
ডঃ এলিস সিলভারের সেই চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী বই” হিউম্যান আর নট ফ্রম দ্য আর্থ” এ কী বলেছেন?
ডঃ সিলভারের সেই চাঞ্চল্যকর থিয়োরির কিছু ঝলক তুলে ধরা হলো।
● ডঃ সিলিভারের মতে, পৃথিবীতে মানুষ ছাড়া থাকা সব প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী পরিবেশ থেকেই সরাসরি তাদের প্রয়োজন মিটিয়ে নেয়। উদ্ভিদ তার গায়ে এসে পড়া সূর্যালোক, বাতাসের কার্বন-ডাই-অক্সাইড আর মাটি থেকে জল নিয়ে নিজের খাবার তৈরি করে নেয়। বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীরা সরাসরি উদ্ভিদকে খেয়ে, বা অনান্য প্রাণীকে খেয়ে পৃথিবীতে বেঁচে থাকে। কিন্তু মানুষ প্রকৃতিতে স্বাভাবিকভাবে পাওয়া বা গজিয়ে ওঠা খাবার সরাসরি খেতে অপছন্দ করে কেন!
বাঘ, সিংহ জ্যান্ত পশু ধরে খেয়ে নেয়। তাদের হজমের কোন অসুবিধা হয় না। গরু, ছাগল ভেড়া, হরিণ সবুজ ঘাসপাতা সহজেই খেয়ে হজম করে নেয়। পাখিরা গাছের পাতা, পোকা মাকড় দিব্যি খেয়ে ফেলে। কাক উচ্ছিষ্ট আমিস,নিরামিষ খেয়ে ফেলে।তাদের তো কোন হজমের কষ্ট হয় না। বিড়াল কাঁচা মাছ খেতে পারে।কুকুর কাঁচা মাংস খেয়ে সুস্থ থাকে। তাহলে মানুষ কেন পারেনা? এমন অসংখ্য তথ্য দিয়েই এলিস সিলভার বোঝাতে চেয়েছেন মানুষ পৃথিবীর জীব নয়। ভিন্ন কোন গ্রহের। পৃথিবীতে মানুষই আসলে এলিয়েন।
ডঃ সিলিভারের মতে, সরাসরি পরিবেশ থেকে নেওয়া খাবার হজম করতে পারে না একমাত্র মানুষই। তাই সে অন্যভাবে তার খাদ্যের প্রয়োজন মেটায়। মানুষ যদি পৃথিবীরই জীব হতো, তাহলে সে বাকি প্রাণীদের মতোই পরিবেশ থেকে পাওয়া খাবার সরাসরি খেয়ে হজম করতে পারত।
● মানুষকে এই গ্রহের সবচেয়ে উন্নত প্রাণী বলে মনে করা হয়। কিন্তু ডঃ সিলভারের মতে মানুষই হল  পৃথিবীর সবচেয়ে খাপছাড়া জীব। মানুষই  হল পৃথিবীর জলবায়ুতে টিকে থাকার পক্ষে সবচেয়ে অনুপযুক্ত জীব। কারণ, পৃথিবীর বাকি সব জীব সারাজীবন খোলা আকাশের নীচে, প্রখর রৌদ্র, তুমুল ঝড় বৃষ্টি সহ্য করে বেঁচে থাকতে পারে। মানুষ কেন পৃথিবীর বাকি সব প্রাণীর মতো বৃষ্টিতে ঘন্টার পর ঘন্টা ভিজতে পারে না! কয়েকঘন্টার বেশি সূর্য্যের প্রখর রৌদ্রে থাকলে একমাত্র মানুষেরই কেন ‘সান স্ট্রোক’ হয়! সূর্য্যের আলোয় বেশিক্ষণ থাকলে আমাদের ত্বকের চামড়া কালো হয়ে যায় কেন! ! কেন সূর্যের আলোয় মানুষেরই চোখ ধাঁধিয়ে যায়! অন্য প্রাণীদের তো তা হয় না। এগুলি কি প্রমাণ করেনা সূর্য রশ্মি মানুষের পক্ষে উপযুক্ত নয় এবং মানুষ থাকত কোনও নরম আলোয় ভরা গ্রহতে।
● মানুষের মধ্যেই প্রচুর দীর্ঘস্থায়ী রোগ বা ক্রনিক ডিজিজ দেখা দেয় কেন! ডঃ সিলভারের মতে ব্যাক পেন (back ache) হল মানুষের অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী রোগ। পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ এই রোগে ভোগেন। কারণ মানুষ পৃথিবীর অনান্য প্রাণীর মতো চারপায়ে হাঁটে না। ফলে হাঁটা চলা ও বিভিন্ন কাজে মাধ্যাকর্ষণের সাহায্য পায় না। পৃথিবীর বাকি প্রাণীদের কি ঘাড়ে, পিঠে, কোমরে ব্যাথা হয়! মানুষের এই ‘ব্যাক পেন’ রোগটিই প্রমাণ করে, মানুষের দেহ অন্য কোনও গ্রহে বসবাসের উপযুক্ত হয়ে সৃষ্টি হয়েছিল। যে গ্রহের মাধ্যাকর্ষণ ছিল পৃথিবীর তুলনায় অনেক কমজোরি।
● পৃথিবীতে থাকা কিছু দীর্ঘজীবী প্রাণী, যেমন আফ্রিকার হাতি, অ্যালডাবরা ও গ্যালাপাগোস কচ্ছপ, বো-হেড তিমি, গ্রেটার ফ্লেমিঙ্গো, গ্রিন-উইং ম্যাকাওদের চোখেও কি চল্লিশের পর চালসে (হাইপার মেট্রোপিয়া) পড়ে! বয়েসের সঙ্গে সঙ্গে তাদের শ্রবণক্ষমতা কমে যায়!
● পৃথিবীর কোনও মানুষই ১০০% সুস্থ নয় কেন! প্রত্যেকেই এক বা একাধিক রোগে ভোগেন কেন!
● মানব শিশুর মাথা বড় হওয়ার জন্য নারীদের স্বাভাবিক উপায়ে প্রসব করতে প্রবল যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়। প্রসব করতে গিয়ে আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ মা ও শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মানুষ ছাড়া পৃথিবীর অন্য কোনও প্রজাতির লক্ষ লক্ষ স্ত্রী প্রাণী ও শাবক প্রসবকালে মারা গিয়েছে কি? মানব শিশু জন্মের পরেই পৃথিবীর উন্নত প্রাণীগুলির শাবকদের মতো হাঁটতে শেখে না কেন?
● মানুষের দেহে কেন ২২৩টি অতিরিক্ত জিন আছে! পৃথিবীর অনান্য প্রাণীদের দেহে অতিরিক্ত জিন নেই কেন!
● মানুষের ঘুম নিয়ে গবেষণা করে গবেষকরা বলছেন পৃথিবীতে দিন ২৪ ঘন্টার, কিন্তু আমাদের দেহের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি (body clock) বলছে, আমাদের দিন হওয়া উচিত ছিল ২৫ ঘন্টার। মানবজাতির সৃষ্টিলগ্ন থেকেই দেহঘড়িতে একটি দিনের জন্য কেন ২৫ ঘন্টা বরাদ্দ করা হয়েছিল!
বিভিন্ন বিজ্ঞানী ডঃ সিলভারের থিওরিটির বিস্তর সমালোচনা করেছেন। কিন্তু অনেকে আবার তাঁর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। তাঁরা বলেছেন ডঃ সিলভার যে যুক্তিগুলি হাজির করেছেন, সেগুলি কিন্তু একেবারেই ফেলে দেওয়ার মতো নয়। সত্যিই তো পৃথিবীর অনান্য প্রজাতির জীবের চেয়ে আমরাই কেন আলাদা হলাম। সত্যিই কি আমরা পৃথিবীর প্রাণী! নাকি আমরা ভিনগ্রহের প্রাণী হয়ে পৃথিবীকে শাসন করছি!  রহস্যটির উত্তর লুকিয়ে আছে কালের গর্ভে। একটা প্রশ্নটা কিন্তু থেকেই গেল,মানুষের সৃষ্টি যদি পৃথিবীতে না হয়ে থাকে বা আমরাই যদি ভিনগ্রহ থেকে পৃথিবীতে এসে থাকি, তাহলে কাদের খুঁজতে নাসা ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার খরচা করছে!”
এর আগেও বহুবার এলিয়েন দের নিয়ে হৈচৈ পড়েছিল। তারা কোন একটি গ্রহ থেকে পৃথিবীতে এসে নানান ধরনের কান্ড ঘটিয়েছেন। তাদের নিয়ে বিজ্ঞানীদের উৎকণ্ঠার অন্ত নেই। তাহলে নাসা যে গবেষণা করে ২০ টি গ্রহে প্রাণের সন্ধান পেয়েছেন তারা কারা? মানুষই যদি এলিয়েন হয় তাহলে গবেষণা কাদের নিয়ে? এলিস সিলভারের বই নিয়ে তাই বিস্তর আলোচনা চলছে।
মানস বন্দ্যোপাধ্যাযের সংযোজন:
এলিসের গবেষণা মেনে নিলে একটা জিনিষ পরিষ্কার, ঈশ্বর আল্লাহ, গডকে না মানলেও একটি শক্তির অবস্থান সম্পর্কে অনেকটা সত্য এসে পড়ে। সেই শক্তি ভগবান হোন, আলাহ্ হোন বা গড হোন সকল ই এক ও অভিন্ন। পুরাণে স্বর্গ, কোরআনে বেহেশত ও বাইবেলে হেভেন আর কিছুই নয় সেই গ্রহ যেখানে আলো আছে,তাপ নেই, হওয়া আছে তুফান নেই। হত্যা, খুন খারাবি, চুরি, ডাকাতি, প্রতারণা,দুর্নীতি নেই। কাজেই সহজে অনুমান করা যেতে পারে যে লক্ষ বছর আগে যেই মানুষদের সেই গ্রহ থেকে পৃথিবীতে এনে ফেলে দেওয়া হয়েছিল,তারা ছিল দুর্নীতি গ্রস্ত। সর্ব শক্তিমান ভগবান , আল্লাহ্রর  সঙ্গে বেইমানি করেছিল বলেই তাদের সেখান থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল।
সেই সুন্দর গ্রহে যারা থাকেন তারা সৎ,। ধর্ম শুধু একটাই মানব ধর্ম,জীবে প্রেম। তার বাইরে কারোই স্থান নেই সেখানে। পৃথিবীতে এমন মানুষ কজন আছেন, সম্ভবত হাতে গোনা। কাজেই কোন মানুষেরই মৃত্যুর পর সেই গ্রহে যাবার সম্ভাবনা কম। সেই গ্রহটির কাছে পৌঁছনোর জন্য নাসা এবং ভারতীয় ইসরোর বিজ্ঞানীরা আপ্রাণ প্রয়াস করে চলেছেন। আদপে পৌঁছুতে পারবেন কি?

নিউজটি শেয়ার করুন..

ট্যাগস:-

বিজ্ঞানী এলিস সিলভার’ আলোড়ন সৃষ্টিকারী দাবি: মানুষ পৃথিবীর জীব নয়

আপডেট সময়- ০৩:৫৯:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪
মানস বন্দ্যোপাধ্যায়,
কোলকাতা।।
মনে পড়ে সেই জনপ্রিয় হিন্দি ছবিটি!! রেখা, ঋত্বিক রোশন, প্রীতি জিন্টা অভিনীত “কোই মিল গয়া” ছবিতে একটি ভিন গ্রহের এলিয়েনের কাহিনী সকলের মধ্যে বিশেষ করে বাচ্চাদের মধ্যে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। প্রশ্ন উঠেছে , সত্যিই কি ভিন গ্রহে এলিয়েন রয়েছে?
বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং অনেক আগেই বলেছিলেন, “এলিয়েন আছে, অবশ্যই আছে।” নাসার গবেষকেরা কেপলার টেলিস্কোপের সাহায্যে এমন ২০টি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন, যাদের মধ্যে সম্ভবত প্রাণ আছে। নাসার প্রথম সারির বিজ্ঞানী অ্যালেন স্টেফান, বিজ্ঞানী সিলভানো পি কলম্বানো, বিজ্ঞানী থমাস জুরবিউকেন বিভিন্ন সময় বলেছেন এলিয়েনদের থেকে নাসা আর বেশি দূরে নেই। কয়েক বছরের মধ্যেই নাসা এলিয়েনদের কাছে পৌঁছে যাবে।
কিন্তু সম্প্রতি নাসার এই বক্তব্যে জল ঢেলে দিয়েছেন এক বিজ্ঞানী। তাঁর চাঞ্চল্যকর মতবাদ নিয়ে ঝড় উঠেছে বিজ্ঞানপ্রেমীদের মধ্যে। তিনি দাবী করেছেন মানুষই এলিয়েন বা ভিনগ্রহের জীব। অথচ বিজ্ঞান বলেছিল, প্রায় ১৮ লক্ষ বছর আগে আফ্রিকায় সৃষ্টি হয়েছিল প্রথম মানব প্রজাতি হোমো ইরেকটাস।
বিজ্ঞানী এলিস সিলভার দাবি করেছেন, মানুষ পৃথিবীর জীব নয়। এই চাঞ্চল্যকর দাবি করে তিনি বিশ্বজুড়ে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন।
তাঁর ‘হিউম্যান আর নট ফ্রম আর্থ: এ সায়েন্টিফিক ইভ্যালুয়েশন অফ দ্য এভিডেন্স’ বইটিতে রীতিমতো যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করতে চেয়েছেন, ‘মানুষ পৃথিবীর জীব নয়’।
এলিয়েনরা কি আদৌ এরকম দেখতে?
ডঃ এলিস সিলভার বললেন, মানুষই ভিনগ্রহের জীব
আমেরিকার প্রখ্যাত ইকোলজিস্ট ডঃ এলিস সিলভার। তিনি তাঁর ‘”হিউম্যান আর নট ফ্রম আর্থ” – এ সায়েন্টিফিক ইভ্যালুয়েশন অফ দ্য এভিডেন্স’ বইটিতে রীতিমতো যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করতে চেয়েছেন, ‘মানুষ পৃথিবীর জীব নয়’। বহুদিন ধরে গবেষণা করার পর তাঁর সিদ্ধান্ত, অন্য জীবদের মতো মানুষের সৃষ্টি পৃথিবীতে হয়নি।
কয়েক লক্ষ বছর আগে অন্য গ্রহ থেকে মানুষকে পৃথিবীতে ছেড়ে যাওয়া হয়েছিল। ডঃ সিলভার বলেছেন, মানুষের শরীরে থাকা অনেক ত্রুটি বুঝিয়ে দেয়, পৃথিবী আমাদের নিজের গ্রহ নয়। পৃথিবীর অনান্য উন্নত প্রাণীর সঙ্গে মানুষের শরীরের এত পার্থক্য কেন! এই প্রশ্নটির ওপরেই দাঁড়িয়ে আছে ডঃ এলিস সিলভারের মতবাদটি।
ডঃ এলিস সিলভারের সেই চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী বই” হিউম্যান আর নট ফ্রম দ্য আর্থ” এ কী বলেছেন?
ডঃ সিলভারের সেই চাঞ্চল্যকর থিয়োরির কিছু ঝলক তুলে ধরা হলো।
● ডঃ সিলিভারের মতে, পৃথিবীতে মানুষ ছাড়া থাকা সব প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী পরিবেশ থেকেই সরাসরি তাদের প্রয়োজন মিটিয়ে নেয়। উদ্ভিদ তার গায়ে এসে পড়া সূর্যালোক, বাতাসের কার্বন-ডাই-অক্সাইড আর মাটি থেকে জল নিয়ে নিজের খাবার তৈরি করে নেয়। বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীরা সরাসরি উদ্ভিদকে খেয়ে, বা অনান্য প্রাণীকে খেয়ে পৃথিবীতে বেঁচে থাকে। কিন্তু মানুষ প্রকৃতিতে স্বাভাবিকভাবে পাওয়া বা গজিয়ে ওঠা খাবার সরাসরি খেতে অপছন্দ করে কেন!
বাঘ, সিংহ জ্যান্ত পশু ধরে খেয়ে নেয়। তাদের হজমের কোন অসুবিধা হয় না। গরু, ছাগল ভেড়া, হরিণ সবুজ ঘাসপাতা সহজেই খেয়ে হজম করে নেয়। পাখিরা গাছের পাতা, পোকা মাকড় দিব্যি খেয়ে ফেলে। কাক উচ্ছিষ্ট আমিস,নিরামিষ খেয়ে ফেলে।তাদের তো কোন হজমের কষ্ট হয় না। বিড়াল কাঁচা মাছ খেতে পারে।কুকুর কাঁচা মাংস খেয়ে সুস্থ থাকে। তাহলে মানুষ কেন পারেনা? এমন অসংখ্য তথ্য দিয়েই এলিস সিলভার বোঝাতে চেয়েছেন মানুষ পৃথিবীর জীব নয়। ভিন্ন কোন গ্রহের। পৃথিবীতে মানুষই আসলে এলিয়েন।
ডঃ সিলিভারের মতে, সরাসরি পরিবেশ থেকে নেওয়া খাবার হজম করতে পারে না একমাত্র মানুষই। তাই সে অন্যভাবে তার খাদ্যের প্রয়োজন মেটায়। মানুষ যদি পৃথিবীরই জীব হতো, তাহলে সে বাকি প্রাণীদের মতোই পরিবেশ থেকে পাওয়া খাবার সরাসরি খেয়ে হজম করতে পারত।
● মানুষকে এই গ্রহের সবচেয়ে উন্নত প্রাণী বলে মনে করা হয়। কিন্তু ডঃ সিলভারের মতে মানুষই হল  পৃথিবীর সবচেয়ে খাপছাড়া জীব। মানুষই  হল পৃথিবীর জলবায়ুতে টিকে থাকার পক্ষে সবচেয়ে অনুপযুক্ত জীব। কারণ, পৃথিবীর বাকি সব জীব সারাজীবন খোলা আকাশের নীচে, প্রখর রৌদ্র, তুমুল ঝড় বৃষ্টি সহ্য করে বেঁচে থাকতে পারে। মানুষ কেন পৃথিবীর বাকি সব প্রাণীর মতো বৃষ্টিতে ঘন্টার পর ঘন্টা ভিজতে পারে না! কয়েকঘন্টার বেশি সূর্য্যের প্রখর রৌদ্রে থাকলে একমাত্র মানুষেরই কেন ‘সান স্ট্রোক’ হয়! সূর্য্যের আলোয় বেশিক্ষণ থাকলে আমাদের ত্বকের চামড়া কালো হয়ে যায় কেন! ! কেন সূর্যের আলোয় মানুষেরই চোখ ধাঁধিয়ে যায়! অন্য প্রাণীদের তো তা হয় না। এগুলি কি প্রমাণ করেনা সূর্য রশ্মি মানুষের পক্ষে উপযুক্ত নয় এবং মানুষ থাকত কোনও নরম আলোয় ভরা গ্রহতে।
● মানুষের মধ্যেই প্রচুর দীর্ঘস্থায়ী রোগ বা ক্রনিক ডিজিজ দেখা দেয় কেন! ডঃ সিলভারের মতে ব্যাক পেন (back ache) হল মানুষের অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী রোগ। পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ এই রোগে ভোগেন। কারণ মানুষ পৃথিবীর অনান্য প্রাণীর মতো চারপায়ে হাঁটে না। ফলে হাঁটা চলা ও বিভিন্ন কাজে মাধ্যাকর্ষণের সাহায্য পায় না। পৃথিবীর বাকি প্রাণীদের কি ঘাড়ে, পিঠে, কোমরে ব্যাথা হয়! মানুষের এই ‘ব্যাক পেন’ রোগটিই প্রমাণ করে, মানুষের দেহ অন্য কোনও গ্রহে বসবাসের উপযুক্ত হয়ে সৃষ্টি হয়েছিল। যে গ্রহের মাধ্যাকর্ষণ ছিল পৃথিবীর তুলনায় অনেক কমজোরি।
● পৃথিবীতে থাকা কিছু দীর্ঘজীবী প্রাণী, যেমন আফ্রিকার হাতি, অ্যালডাবরা ও গ্যালাপাগোস কচ্ছপ, বো-হেড তিমি, গ্রেটার ফ্লেমিঙ্গো, গ্রিন-উইং ম্যাকাওদের চোখেও কি চল্লিশের পর চালসে (হাইপার মেট্রোপিয়া) পড়ে! বয়েসের সঙ্গে সঙ্গে তাদের শ্রবণক্ষমতা কমে যায়!
● পৃথিবীর কোনও মানুষই ১০০% সুস্থ নয় কেন! প্রত্যেকেই এক বা একাধিক রোগে ভোগেন কেন!
● মানব শিশুর মাথা বড় হওয়ার জন্য নারীদের স্বাভাবিক উপায়ে প্রসব করতে প্রবল যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়। প্রসব করতে গিয়ে আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ মা ও শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মানুষ ছাড়া পৃথিবীর অন্য কোনও প্রজাতির লক্ষ লক্ষ স্ত্রী প্রাণী ও শাবক প্রসবকালে মারা গিয়েছে কি? মানব শিশু জন্মের পরেই পৃথিবীর উন্নত প্রাণীগুলির শাবকদের মতো হাঁটতে শেখে না কেন?
● মানুষের দেহে কেন ২২৩টি অতিরিক্ত জিন আছে! পৃথিবীর অনান্য প্রাণীদের দেহে অতিরিক্ত জিন নেই কেন!
● মানুষের ঘুম নিয়ে গবেষণা করে গবেষকরা বলছেন পৃথিবীতে দিন ২৪ ঘন্টার, কিন্তু আমাদের দেহের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি (body clock) বলছে, আমাদের দিন হওয়া উচিত ছিল ২৫ ঘন্টার। মানবজাতির সৃষ্টিলগ্ন থেকেই দেহঘড়িতে একটি দিনের জন্য কেন ২৫ ঘন্টা বরাদ্দ করা হয়েছিল!
বিভিন্ন বিজ্ঞানী ডঃ সিলভারের থিওরিটির বিস্তর সমালোচনা করেছেন। কিন্তু অনেকে আবার তাঁর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। তাঁরা বলেছেন ডঃ সিলভার যে যুক্তিগুলি হাজির করেছেন, সেগুলি কিন্তু একেবারেই ফেলে দেওয়ার মতো নয়। সত্যিই তো পৃথিবীর অনান্য প্রজাতির জীবের চেয়ে আমরাই কেন আলাদা হলাম। সত্যিই কি আমরা পৃথিবীর প্রাণী! নাকি আমরা ভিনগ্রহের প্রাণী হয়ে পৃথিবীকে শাসন করছি!  রহস্যটির উত্তর লুকিয়ে আছে কালের গর্ভে। একটা প্রশ্নটা কিন্তু থেকেই গেল,মানুষের সৃষ্টি যদি পৃথিবীতে না হয়ে থাকে বা আমরাই যদি ভিনগ্রহ থেকে পৃথিবীতে এসে থাকি, তাহলে কাদের খুঁজতে নাসা ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার খরচা করছে!”
এর আগেও বহুবার এলিয়েন দের নিয়ে হৈচৈ পড়েছিল। তারা কোন একটি গ্রহ থেকে পৃথিবীতে এসে নানান ধরনের কান্ড ঘটিয়েছেন। তাদের নিয়ে বিজ্ঞানীদের উৎকণ্ঠার অন্ত নেই। তাহলে নাসা যে গবেষণা করে ২০ টি গ্রহে প্রাণের সন্ধান পেয়েছেন তারা কারা? মানুষই যদি এলিয়েন হয় তাহলে গবেষণা কাদের নিয়ে? এলিস সিলভারের বই নিয়ে তাই বিস্তর আলোচনা চলছে।
মানস বন্দ্যোপাধ্যাযের সংযোজন:
এলিসের গবেষণা মেনে নিলে একটা জিনিষ পরিষ্কার, ঈশ্বর আল্লাহ, গডকে না মানলেও একটি শক্তির অবস্থান সম্পর্কে অনেকটা সত্য এসে পড়ে। সেই শক্তি ভগবান হোন, আলাহ্ হোন বা গড হোন সকল ই এক ও অভিন্ন। পুরাণে স্বর্গ, কোরআনে বেহেশত ও বাইবেলে হেভেন আর কিছুই নয় সেই গ্রহ যেখানে আলো আছে,তাপ নেই, হওয়া আছে তুফান নেই। হত্যা, খুন খারাবি, চুরি, ডাকাতি, প্রতারণা,দুর্নীতি নেই। কাজেই সহজে অনুমান করা যেতে পারে যে লক্ষ বছর আগে যেই মানুষদের সেই গ্রহ থেকে পৃথিবীতে এনে ফেলে দেওয়া হয়েছিল,তারা ছিল দুর্নীতি গ্রস্ত। সর্ব শক্তিমান ভগবান , আল্লাহ্রর  সঙ্গে বেইমানি করেছিল বলেই তাদের সেখান থেকে বহিস্কার করা হয়েছিল।
সেই সুন্দর গ্রহে যারা থাকেন তারা সৎ,। ধর্ম শুধু একটাই মানব ধর্ম,জীবে প্রেম। তার বাইরে কারোই স্থান নেই সেখানে। পৃথিবীতে এমন মানুষ কজন আছেন, সম্ভবত হাতে গোনা। কাজেই কোন মানুষেরই মৃত্যুর পর সেই গ্রহে যাবার সম্ভাবনা কম। সেই গ্রহটির কাছে পৌঁছনোর জন্য নাসা এবং ভারতীয় ইসরোর বিজ্ঞানীরা আপ্রাণ প্রয়াস করে চলেছেন। আদপে পৌঁছুতে পারবেন কি?