ঢাকা ০১:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মৌলভীবাজারে আন্তর্জাতিক গনতন্ত্র ও মানবাধিকার সংগঠনে মনোনীত যারা জাপানের একটি জনহীন রেলওয়ে স্টেশন শুধুমাত্র এক ছাত্রীর জন্য এখনও চালু রয়েছে মুন্সীগঞ্জে পদ্মার ভাঙনে ঝুঁকিতে পুরাতন ঐতিহ্যবাহী দিঘিরপাড় বাজার শ্রীমঙ্গলে জমি সংক্রান্ত বিরোধে আইনজীবী নিহত,আহত-২ নকলায় জঙ্গিবাদ ও মাদকাসক্ত প্রতিরোধে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কুলাউড়ায় আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর দেওয়ার নামে ভিক্ষুকের অর্থ আত্মসাৎ মাথিউড়া চা শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধের দাবি: চা শ্রমিক ফেডারেশন মৌলভীবাজারে বন্যার পানি না নামায়, ২৩৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ  সোনারগাঁয়ে ঔষধের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি: ৭০ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট নকলার ইউএনও শুদ্ধাচার পুরস্কার পাওয়ায় যুবফোরামের সম্মাননা স্মারক প্রদান

রসুন সেবনের অমৃত কার্যকারিতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫২:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪ ২৩ বার পড়া হয়েছে

 

ঋতম্ভরা বন্দোপাধ্যায়,কলকাতা।।

রসুন কে বলা হয় অমৃত ফল। সকালে খালি পেটে রসুন খান। এতে লিভার এবং মূত্রাশয়ের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। ডায়ারিয়া সারাতে সাহায্য করে রসুন। এতে আমাদের খাবার হজম করতে সাহায্য করে আর খিদে ও বাড়িয়ে দেয় এতে। মানসিক চাপ কে নিয়ন্ত্রণ করতে আর আমাদের পাকস্থলি তে যে অ্যাসিড প্রতিরোধ করে সেটিই হওয়া থেকে সাহায্য করে সেটা হলো রসুন। শুধু রান্না মুখরোচক হিসেবে রসুন ব্যবহার করা হয় তা কিন্তু নয় , এটি সাহায্য করে কিডনি কে ভালো রাখতে যেহেতু এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি ইন্ফ্লেমেটরি।  অলিভ অয়েলে রান্না করা খাবার খেলে শরীর আরো সুন্দর থাকে। এতে কিডনি ভালো থাকে।  রসুন রক্তের মধ্যে কোলেস্টেরলের মাত্রা ৯ থেকে ১২ শতাংশ কমিয়ে দেয় , এক সমীক্ষার সূত্রে জানা যায় । রসুন ছত্রাকজনিত সংক্রমণ হওয়া থেকে রুখে দেয় , কারণ রসুনে থাকা অ্যালিসিন ছত্রাকজনিত সংক্রমণের মাত্রা কমিয়ে দেয়। রসুন খেলে গাঁটের ব্যাথা আর আর্থ্রাইটিস থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। বেশি রসুন যদি খান তাহলে সেটি আপনার শরীর কে আরো অ্যাসিডিটি তে পরিনত করবে। তারপর পেট জ্বালা করবে খুব আর অ্যাসিডিটির সমস্যা ও বেশি দেখা দেবে। যখন রক্ত পাতলা করার জন্য ওষুধ নেবেন তখন কাঁচা রসুন কোনও ভাবে খাবেন না । এমনিতে, রসুনের মধ্যে অ্যালিসিন নামে যৌগ থাকে, যেটি রক্তকে পাতলা করে আর রক্তপাত কে ও বাড়িয়ে দিতে পারে। ফ্রি র‌্যাডিকেল হওয়া থেকে রক্ষা করে আর যাতে ডিএনএর ক্ষতি না হয় তা নিয়ে প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে রসুন। রসুনে যে জিঙ্ক থাকে সেটি প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়ায়। ভিটামিন সি তে সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে রসুন। রসুনের মধ্যে যে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য থাকে সেটি আমাদের শরীরের অংশ চোখ আর কান সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।   কাঁচা রসুন ও মধু – ২ কি ৩ কোয়া রসুন পিস পিস করে কাটুন । তারপর তার মধ্যে ১ চামচ মধু মিশিয়ে দিন , তৈরি হয়ে যাবে মিশ্রণ। এ মিশ্রণ টি রোজ খেয়ে নিন এতে আপনার শরীর ফিট থাকবে একদম আর সাথে এনার্জেটিক ও হবে ।  এটিকে বলা হয় ফ্লু টনিক। এটি  ত্বকের ওপর অত্যন্ত প্রতিকৃয়াশীল। যদি আপনার সংবেদনশীল ত্বক হয় তবেই এই টনিক বানানোর জন্য হাতে গ্লাভ্স পড়ে করুন। তবে সেই সময় কোনও ভাবে চোখে হাত দেবেন না কোনও ভাবে। রান্নাঘরে আমাদের খাদ্যের ভান্ডারে রসুনের দৈনিক ব্যাবহার অপরিহার্য । রসুনে রয়েছে এমিনো এসিড ট্রিপ্টোফ্যান যা ঘুমে সহায়তা করে। তাই ঘুমোনোর আগে রসুন খেলে ঘুম ভালো হয় কারণ ট্রিপ্টোফ্যান সেরেটনিন মস্তিষ্কে বিল্ডিং ব্লক হিসেবে কাজ করে। এর ফলে হার্ট এটাক , স্ট্রোক এবং রক্তের ঝুঁকি কম থাকে । প্রতিদিন জলখাবারের আগে এক কোয়া রসুন খেলে সর্দি,কাশি ও জ্বর কমে যায়। রসুন যৌবন কে ও ধরে রাখতে সাহায্য করে ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রসুন সেবনের অমৃত কার্যকারিতা

আপডেট সময় : ১০:৫২:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪

 

ঋতম্ভরা বন্দোপাধ্যায়,কলকাতা।।

রসুন কে বলা হয় অমৃত ফল। সকালে খালি পেটে রসুন খান। এতে লিভার এবং মূত্রাশয়ের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। ডায়ারিয়া সারাতে সাহায্য করে রসুন। এতে আমাদের খাবার হজম করতে সাহায্য করে আর খিদে ও বাড়িয়ে দেয় এতে। মানসিক চাপ কে নিয়ন্ত্রণ করতে আর আমাদের পাকস্থলি তে যে অ্যাসিড প্রতিরোধ করে সেটিই হওয়া থেকে সাহায্য করে সেটা হলো রসুন। শুধু রান্না মুখরোচক হিসেবে রসুন ব্যবহার করা হয় তা কিন্তু নয় , এটি সাহায্য করে কিডনি কে ভালো রাখতে যেহেতু এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি ইন্ফ্লেমেটরি।  অলিভ অয়েলে রান্না করা খাবার খেলে শরীর আরো সুন্দর থাকে। এতে কিডনি ভালো থাকে।  রসুন রক্তের মধ্যে কোলেস্টেরলের মাত্রা ৯ থেকে ১২ শতাংশ কমিয়ে দেয় , এক সমীক্ষার সূত্রে জানা যায় । রসুন ছত্রাকজনিত সংক্রমণ হওয়া থেকে রুখে দেয় , কারণ রসুনে থাকা অ্যালিসিন ছত্রাকজনিত সংক্রমণের মাত্রা কমিয়ে দেয়। রসুন খেলে গাঁটের ব্যাথা আর আর্থ্রাইটিস থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। বেশি রসুন যদি খান তাহলে সেটি আপনার শরীর কে আরো অ্যাসিডিটি তে পরিনত করবে। তারপর পেট জ্বালা করবে খুব আর অ্যাসিডিটির সমস্যা ও বেশি দেখা দেবে। যখন রক্ত পাতলা করার জন্য ওষুধ নেবেন তখন কাঁচা রসুন কোনও ভাবে খাবেন না । এমনিতে, রসুনের মধ্যে অ্যালিসিন নামে যৌগ থাকে, যেটি রক্তকে পাতলা করে আর রক্তপাত কে ও বাড়িয়ে দিতে পারে। ফ্রি র‌্যাডিকেল হওয়া থেকে রক্ষা করে আর যাতে ডিএনএর ক্ষতি না হয় তা নিয়ে প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে রসুন। রসুনে যে জিঙ্ক থাকে সেটি প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়ায়। ভিটামিন সি তে সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে রসুন। রসুনের মধ্যে যে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য থাকে সেটি আমাদের শরীরের অংশ চোখ আর কান সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে।   কাঁচা রসুন ও মধু – ২ কি ৩ কোয়া রসুন পিস পিস করে কাটুন । তারপর তার মধ্যে ১ চামচ মধু মিশিয়ে দিন , তৈরি হয়ে যাবে মিশ্রণ। এ মিশ্রণ টি রোজ খেয়ে নিন এতে আপনার শরীর ফিট থাকবে একদম আর সাথে এনার্জেটিক ও হবে ।  এটিকে বলা হয় ফ্লু টনিক। এটি  ত্বকের ওপর অত্যন্ত প্রতিকৃয়াশীল। যদি আপনার সংবেদনশীল ত্বক হয় তবেই এই টনিক বানানোর জন্য হাতে গ্লাভ্স পড়ে করুন। তবে সেই সময় কোনও ভাবে চোখে হাত দেবেন না কোনও ভাবে। রান্নাঘরে আমাদের খাদ্যের ভান্ডারে রসুনের দৈনিক ব্যাবহার অপরিহার্য । রসুনে রয়েছে এমিনো এসিড ট্রিপ্টোফ্যান যা ঘুমে সহায়তা করে। তাই ঘুমোনোর আগে রসুন খেলে ঘুম ভালো হয় কারণ ট্রিপ্টোফ্যান সেরেটনিন মস্তিষ্কে বিল্ডিং ব্লক হিসেবে কাজ করে। এর ফলে হার্ট এটাক , স্ট্রোক এবং রক্তের ঝুঁকি কম থাকে । প্রতিদিন জলখাবারের আগে এক কোয়া রসুন খেলে সর্দি,কাশি ও জ্বর কমে যায়। রসুন যৌবন কে ও ধরে রাখতে সাহায্য করে ।