ঢাকা ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:-
মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের স্ক্র্যাপ ইয়ার্ডে ভয়াবহ আগুন মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ভোটের এক মাস পূর্বেই মাঠে পৌঁছাল গণভোটের ব্যালট নারায়ণগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় এক বাবুর্চিকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা সিস্টেমের ত্রুটিসহ ভালো দিকগুলো তুলে ধরে সাংবাদিকরা প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন: ডিসি মৌলভীবাজারে সেনাবাহিনীর অভিযানে দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার গাইবান্ধায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জালিয়াতি মামলায় ডিবির রিমান্ড আবেদন  টেকনাফে র‍্যাবের অভিযানে এক লাখ ইয়াবাসহ আটক-১ সেন্টমার্টিনে কোস্টগার্ডের অভিযানে ২ কেজি গাঁজাসহ আটক-২ নতুন শিক্ষাবর্ষের ১১ দিন পার: এখনো ৩ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী বইয়ের সংকটে পুরুষের দ্বিতীয় বিয়েতে লাগবে না ১ম স্ত্রীর পূর্বানুমতি: হাইকোর্ট জুলাই হত্যাকাণ্ড মামলা; আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রথম জামিন মুছাব্বির হত্যা: ১৫ লাখ টাকায় কিলিং মিশন,জড়িত ৩ সহোদর গণভোট ও সংসদ নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সরকার কাজ করছে: ডিসি নান্দাইলে ৪ শতাধিক এতিম-অসহায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ কক্সবাজার সমুদ্রে কোস্ট গার্ডের অভিযান: আগ্নেয়াস্ত্রসহ ১৯ ডাকাত আটক, নিহত-১ মিয়ানমার সীমান্তের ওপার থেকে ছোড়া গুলিতে প্রান গেল স্কুলছাত্রীর নারায়ণগঞ্জে আকিজ সিমেন্ট কারখানায় ভয়াবহ বয়লার বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ-৮ নারায়ণগঞ্জে যুবদল-ছাত্রদল সংঘর্ষ: আটকের পর মুচলেকায় মুক্তি নারায়ণগঞ্জে আধুনিক ফায়ার স্টেশনের উদ্বোধন কুষ্টিয়ায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কৃষক নিহত কুষ্টিয়ায় জলাতঙ্ক ভ্যাকসিনের চরম সংকট, বিপাকে রোগীরা কুলাউড়ায় র‍্যাবের অভিযানে অপহৃত স্কুল ছাত্রী উদ্ধার, গ্রেপ্তার-১ মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ডাকাত সহযোগী আটক, দুই মাঝি উদ্ধার উখিয়ায় ৬৪ বিজিবির উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ ফরিদপুরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা তোতা মিয়ার দাফন সম্পন্ন অদম্য স্বপ্নের সারথি জয় দাসের ‘দ্য সিক্রেট টু সাকসেস’ ও একুশ শতকের তারুণ্য’ আমি আপনাদেরই সন্তান, এ-ই মা-মাটির সন্তান: কাসেমী টেকনাফে র‍্যাবের অভিযানে ১ লক্ষ ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার আসন্ন নির্বাচনে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের কার্ড পেতে আবেদন অনলাইনে মুন্সীগঞ্জে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী শুটার ইয়াসিন গ্রেপ্তার চতুর্থ দিনেও ইসিতে-১৭৪ আপিল,সর্বমোট আবেদন-৪৬৯ নারায়ণগঞ্জে মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষে তরুণ নিহত, গুরুতর আহত-৪ জকসু নির্বাচনে ২১ পদের ১৫টিতে শিবির, ছাত্রদল ৫টি আর স্বতন্ত্রের ১টিতে জয় জকসু নির্বাচনে শিবির সমর্থিত প্যানেলের নিরঙ্কুশ জয় কুষ্টিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে চাপাতি দিয়ে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টেকনাফ উপজেলা সভাপতি ইয়াবাসহ আটক খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় না’গঞ্জ ফল আড়ৎদার মালিক সমিতির দোয়া উখিয়ায় বিজিবির চেকপোস্টে ৯৫৫ পিস ইয়াবাসহ আটক-১ নারায়ণগঞ্জে মাদ্রাসা পড়ুয়া এতিম শিশুদের কম্বল বিতরণ ডিসি রায়হান কবির যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে তিন বিমানবন্দর ছাড়া ঢুকতে পারবে না বাংলাদেশিরা রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুসাব্বিরসহ গুলিবিদ্ধ-২ নারায়ণগঞ্জে ‘র‍্যাব’ পরিচয়ে ৮০ লাখ টাকা ছিনতাই জকসু নির্বাচন: আরো দুই কেন্দ্রের ফলাফলে শিবির এগিয়ে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত বিএনপির বিদ্রোহী হতে চাইনি বলেই রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হয়েছি- মো. আলী নারায়ণগঞ্জে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক-১ নারায়ণগঞ্জের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী নেতা মাসুদুজ্জামানের জন্মদিন আজ টেকনাফে সৈয়দ মিয়া হত্যা মামলার দুই আসামি গ্রেপ্তার দীর্ঘ দুই দশক পর আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে জকসু নির্বাচন সারাদেশের সকল হাসপাতাল গুলোকে জরুরি নির্দেশনা চট্টগ্রামে ফের যুবদল নেতাকে গুলি করে হ/ত্যা শ্রীমঙ্গল পুলিশের অভিযানে ৫০ বোতল মদসহ আটক-১ গাইবান্ধায় মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে, অপর ট্রাকের ধাক্কা, নিহত-২ না’গঞ্জ সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের খালেদা জিয়া জন্য দোয়া  নারায়ণগঞ্জে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন বিএনপি নেতা এ্যাড. টিপু শুধুমাত্র বেঁচে থাকার নামই জীবন নয়, লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে: ডিসি টেকনাফে বিজিবির অভিযানে মানব পাচারকারী চক্রের হাত থেকে উদ্ধার-৩ আজ মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল শুরু আবারও ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কেপে উঠলো সারাদেশ খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় না’গঞ্জ মহানগর বিএনপির দোয়া না’গঞ্জে খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় মাসুদুজ্জামানের উদ্যোগে দোয়া উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে ১০ হাজার ইয়াবাসহ আটক-১ মাদক কারবারি খালেদা জিয়া বাংলার মানুষের মনে-প্রাণে আজীবন গাঁথা থাকবেন: স্মরণ সভায় মাসুদুজ্জামান নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশে শুরু হচ্ছে যৌথবাহিনীর অভিযান বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা ড. কামাল হোসেন গুরুতর অসুস্থ কুষ্টিয়ায় পুরোনো আর্টিলারি শেল উদ্ধার করেছে পুলিশ গাইবান্ধায় জামায়াতসহ ৮ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল থেমে নেই মাসুদুজ্জামানের মানবতা, শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ কক্সবাজারে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ আটক-২ এনইআইআর চালুর প্রতিবাদে বিটিআরসি ভবনে হামলা-ভাঙচুর বর্ণিল আয়োজনে বিশ্বজুড়ে বরন করে নিল খ্রিষ্টীয় নববর্ষ-২০২৬ ২০২৫ সালে আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে ‘মব সন্ত্রাস’: আসক নির্বাচনের আগে হচ্ছে না ইজতেমা, খুলে ফেলা হচ্ছে প্যান্ডেল খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের শোক খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভায় যেসব সিদ্ধান্ত গৃহীত খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে মাসুদুজ্জামানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে কোরআন খতম ও দোয়া অনুষ্ঠিত দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিএনপির ৭ দিনের শোক ঘোষণা সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই অবশেষে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হয়ে মনোনয়ন জমা দিলেন মোহাম্মদ আলী শেষ মুহূর্তে নারায়ণগঞ্জসহ ১৫ আসনে প্রার্থী পরিবর্তন করলো বিএনপি শেষ দিনে মনোনয়নপত্র জমা না দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন মাসুদুজ্জামান আজ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন জুড়ীতে মা ও চার বছরের শিশু সন্তানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার মনোনয়নপত্র জমা দিলেন নারায়নগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ উখিয়ায় ৬৪-বিজিবির অভিযানে ৯ হাজার ৮’শ ইয়াবা জব্দ গাইবান্ধায় শিক্ষা অফিসার নকিবুলের তিন উপজেলা জুড়ে ঘুষের রাজত্ব শরনখোলায় টেকসই বেরিবাঁধের দাবিতে মানববন্ধন টেকনাফে হত্যা মামলার আসামিসহ মানব পাচার চক্রের কবল থেকে উদ্ধার-১৭ না’গঞ্জ-৫ আসনে সাবেক সাংসদ আবুল কালামের মনোনয়নপত্র জমা নারায়ণগঞ্জ-৫, বাদ রইলো না কেউ, এবার মনোনয়ন সংগ্রহ করলেন টিপু ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে জুবায়ের রহমান চৌধুরীর শপথ গ্রহন কুষ্টিয়ায় মহাসড়কে ট্রাকে ডাকাতি, আহত-১ প্রচন্ড শীতের দাপটে মানবেতর জীবনযাপন করছে কমলগঞ্জের ‘চা’ শ্রমিকরা বড়লেখায় সাবেক ইউপি সদস্যসহ গ্রেপ্তার-৩ রামুতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গুলিসহ আটক ৬ রোহিঙ্গা নারায়ণগঞ্জ-৫, মনোনীত ও বঞ্চিত চার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ সেন্টমার্টিনগামী জাহাজে ভয়াবহ আগুন ফতুল্লায় লঞ্চের ধাক্কায় বাল্কহেড ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ২ লস্করের মরদেহ উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জের ধবল‌ গরু খামারেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময়- ১২:০২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ জুন ২০২৪ ২২২ বার পড়া হয়েছে
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি।।
এক সময় কোরবানির ঈদে পুরান ঢাকার রহমতগঞ্জের গনি মিয়ার হাটের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিলো মুন্সীগঞ্জের মীরকাদিমের ধবল (সাদা)গরু।কিন্তু কালের বিবর্তনে এখন এই গরুর চাহিদা এতো বৃদ্ধি পেয়েছে যে,হাটে তোলার আগেই খামার হতে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে এ সমস্ত গরুগুলো। আগে শুধু পুরান ঢাকায় চাহিদা থাকলেও এখন এ সমস্ত গরুর চাহিদা বেড়েছে সমগ্র দেশ জুড়ে তাই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের গরু ক্রেতারা এ সমস্ত গরুগুলো খামারেই এসে কিনে নিয়ে যান।পুরান ঢাকার খানদানি লোকেরাও খামারে এসে অনেক দাম দিয়ে এ সমস্ত গরু কিনে নিয়ে যান।ইতিমধ্যে মিরকাদিমের খামারগুলো হতে গরু বিক্রি শুরু হয়ে গেছে।ক্রেতারা গরু কিনে খামারেই রেখে যাচ্ছে ঈদের দু-একদিন আগে নিয়ে যাবেন বাড়িতে।
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মিরকাদিমের এই গরুর খামারগুলোর পাশেই রয়েছে বিশাল বিশাল চাল, কুড়া,ভূষি,খৈলের আড়ৎ।এ সমস্ত আড়ত মালিকরাই আড়তের আশে পাশে গড়ে তুলেছেন গরুর খামার।নিজস্ব খামারের মীরকাদিমের ভুসি, কুঁড়াসহ বিভিন্ন উন্নতমানের গোখাদ্য মিনিকেট চালের খুদ,এক নম্বর খৈল,ভাতের মার,সিদ্ধ ভাত, খেসারির ভুসি,গমের ভুসি,বুটের ভুসি খাওয়ানো হয় গরুগুলোকে।এছাড়া গরু পালনে প্রশিক্ষিত লোক নিয়োগের মাধ্যমে গরুগুলো পালন করা হয়।
খামারিরা জানান,এই গরু পালনে কোনো রকম ইনজেকশন বা গরু মোটাতাজাকরণের ওষুধ ব্যবহার করা হয় না।খামারিদের নিজস্ব মিলে ভাঙানো খৈল,বিভিন্ন প্রকার ভুসি,কুঁড়া,চালের গুঁড়া খাইয়ে পরম মমতায় লালনপালন করা হয় এই গরুগুলোকে।খামারের ভেতরের পরিবেশ বেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হয়।বাইরের কাউকে খামারের ভেতর ঢুকতে দেওয়া হয় না।মিরকাদিমের ধবল গরুর বৈশিস্ট হলো এ সমস্ত গরুর চোখের পাপড়ি সাদা,নাকের সামনের অংশ সাদা,পায়ের খুর সাদা,লেজের পশম সাদা,আর সারা শরীরও সাদা হয়ে থাকে।এই সমস্ত ধবল গরুগুলো দেখতে একদিকে সুন্দর এবং অন্যদিকে এই সমস্ত গরু গুলোর মাংস খুব সুস্বাদু হওয়ায় এগুলো এখন খামার থেকেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন ক্রেতারা।এই সাদা গরুগুলো সাধারণত ১ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত দামে হয়ে থাকে।মুন্সীগঞ্জের কোনো হাটে এই গরু বিক্রি হয় না।আগে পুরান ঢাকার হাটে নিয়ে এ সমস্ত গরু বিক্রি করতো খামাড়িরা।এখন পুরান ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের লোকজন মীরকাদিমে এসে এ সমস্ত খামার হতে গরুগুলো ক্রয় করে নিয়ে যান।সরেজমিনে মিরকাদিমের বেশ কিছু খামার ঘুরে দেখা যায় বেশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে খামারগুলোতে লালন পালন করা হচ্ছে গরু।মিরকাদিমের মজিবুরের খামার গিয়ে দেখা যায় ওই খামারে মোট ৫১ টি গরু আছে।এর মধ্যে ধবল জাতের গুরু রয়েছে অর্ধেকের বেশি।গত বছর এই খামারে অবিক্রিত গরু ছিল ৬টি।বাকি গরুগুলো গত কুরবানি ঈদের পরে কিনে এনে খামারে লালন পালন করছেন।ওই খামারের দেখবালের দায়িত্বে আছেন তিনজন।এর মধ্যে জিয়াউর হক বলেন,কয়দিন আগে যে গরম গেলো ওই সময় গরুগুলোর খুব কষ্ট হচ্ছিল।গরমে বেশ কিছু গরু অসুস্থ হয়ে পড়েছিল।সে সময় গরুগুলোকে চিকিৎসা করাতে হয়েছে।এখন গরম কমার সাথে সাথে গরুগুলো ভালো আছে।ইতিমধ্যে খামার হতে ১১টি বিক্রি হয়ে গেছে।যারা কুরবানী দেয় তারাই এখান থেকে গরু কিনে খামারে রেখে গেছেন।পরে কুরবানীর দ্-ুএকদিন আগে এসে নিয়ে যাবেন।ওই খামারের দেখবালের দায়িত্বে থাকা রাশেদ বলেন,আমাদের খামারের গরুগুলোকে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খাওয়াই।খামারে বিভিন্ন জাতের গরু আছে তবে এগুলোর মধ্যে ধবল গরু বিখ্যাত।আমাদের খামারে সর্বনিম্ন ১ লক্ষ ২০ হাজার হতে ৩ লক্ষ টাকা দাম পর্যন্ত গরু আছে।
মীর কাদিম শাহিনের খামার মোট ৫১টি গরুর মধ্যে অন্য জাতের আছে মাত্র ৫টা।৪৬ টায় সাদা ধবল জাতের বলে জানালেন খামাড়িরা।ওই খামারের শ্রমিক রফিক মিয়া বলেন,গত বছর কুরবানীর পর এই গরুগুলো আমরা ফরিদপুর জেলার টেপাখোলা বাজার হতে কিনে এনেছি।প্রায় গরুই এক লাখ টাকার উপরে দাম দিয়ে কিনে এনে লালন পালন শুরু করি।সামনের কুরবানীতে গরুগুলো বিক্রি করবো।এ পর্যন্ত খামারের ছয়টা গরু বিক্রি হয়ে গেছে।যে গরুগুলো বিক্রি করছেন সেগুলো দুই লক্ষ থেকে দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি করেছেন তারা।ঈদের আগে বাকি গরুগুলো খামার হতে বিক্রি হয়ে যাবে বলেও জানান তিনি।এ ব্যাপারে ওই এলাকার মজিবুর রহমান বলেন, আমাদের নিজেদের মিল আছে।আবার খামারও আছে।আমরা আমাদের নিজেদের মেইলের খৈল, কুড়া,বিভিন্ন ধরনের ভূসি,ভুট্টা উন্নত মানের খাবার খাইয়ে আমাদের খামারের গরুগুলো লালন পালন করে থাকি।আমরা কোন ইনজেকশন দেই না কোন ভেজাল খাবার খাওয়াই না যার কারণে আমাদের গরুর মাংসগুলো খুব সুস্বাদু হয় এবং এগুলো চাহিদা খুব বেশি।আগে ঢাকায় নিয়ে বেচঁতাম এখন এই সমস্ত গরু খামার হতে কিনে নিয়ে যায়।ঢাকার পাশাপাশি নারায়নগঞ্জ,কুমিল্লা চাদঁপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকার আশে আমাদের এখানে গরু কিনতে।মীর কাদিম এগ্রো খামারের দেখবালের দায়িত্বে থাকা মিন্টু মিয়া বলেন,আমাদের খামারে গরু আছে ১৩০টা। এর মধ্যে ৬০টা কোরবানীর ঈদে বিক্রি করা হবে।আমরা মূলত খামারে দুগ্ধ উৎপাদন করি সেই সাথে বিক্রির জন্যও গরু মোটাতাজাকরণ করে থাকি।আমরা যে সমস্ত গরু মোটাতাজাকরণ করি ওগুলো মূলত আমাদের খামারেই উৎপাদন হয়।আমরা মা গরুগুলোকে উন্নত মানের বীজ দিয়ে এখানে গরুর বাচ্চা উৎপাদন করি মা গরুর দুধ বাজারে বিক্রি করি এবং বাছুরগুলোকে লালন পালনের মাধ্যমে বড় করে বিক্রি করে থাকি। আমাদের খামরে প্রায় ১০টি গুরু আছে যেগুলোর ওজন ৭০০ থেকে ৮০০ কেজি।এ গরু বাছুর গুলো আমরা খামারেই উৎপাদন করেছি।অপর শ্রমিক আরিফ বলেন,আমরা নিজ সন্তানের মতো পরম যন্তে এখানে গরু লালন পালন করি।পুরো দিন ওদের সেবা করি।প্রতিদিন গোসল করাই এবং এগুলোর শরীর মুছে দেই।আমরা একদিকে যেমন শুকানো খাবার খৈল,কুড়া,ভূসি খুদ খাওয়াই
অন্যদিকে আবার কাচাঁ ঘাস ভূট্টার সেরালেক খাওয়াই।আমাদের খামার হতে ইতিমধ্যে ৫টা গরু বিক্রি হয়ে গেছে।তবে ওই এলাকার খামাড়িদের সাথে কথা বলেজানাগেছে,মীরকাদিম পৌরসভার কুলুপাড়ার ধবল গরু লালনপালন করার যে ঐতিহ্য ছিল তা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে।খামারে গরুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও কালের বিবর্তনে মীরকাদিমের বিখ্যাত ধবল গরুর ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে। ভেজালযুক্ত খাবার দিয়ে গরু মোটাতাজা করে দ্রুত আঙল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে কিছু অসাধু খামারি। ১০ মাস দীর্ঘ পরিশ্রম করে লাভবান না হওয়ায় এ ব্যবসা থেকে সরে আসছেন মীরকাদিমের ধবল গরুর অনেক ব্যবসায়ী।ভেজাল খাদ্যের যোগান দিয়ে গরু বড় করে দ্রুত লাভবান হওয়ার হাতিয়ারকে এখন কাজে লাগাচ্ছে অনেকেই।ফলে ২০০ জনের বেশি ধবল গরুর খামার মালিক থেকে এখন ১৫/২০ জনে নেমে এসেছে।এ সমস্ত ধবল গরুগুলো মূলত কুড়িগ্রাম জেলার ভূরাঙ্গামারীসহ বিভিন্ন হাট ও এলাকা থেকে ভারত ও ভুটানের আবাল-পশ্চিমা সাদা ষাঁড় ও সাদা গাভীর বাচ্চা কিনে আনেন মীরকাদিমের খামারিরা।নিজের বাচ্চার মতো লালন করেন।নতুন গামছা দিয়ে গোসল করানো হয়।সব সময় চোখে চোখে রাখা হয়।লাভ লোকসানের কথা চিন্তা না করেই পুরোনো ঐতিহ্য ধরে রেখে গরু পালন করেন।বাবা-দাদাদের ধবল গরু পালনের ঐতিহ্য ধরে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন খামাড়িরা।এ ব্যাপারে মুন্সীগঞ্জ প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ নজরুল ইসলাম বলেন, মুন্সীগঞ্জের খামারগুলোতে মূলত দেশি গরু বেশি দেখা যায়।এ জেলায় মোট ৫ হাজারের মতো খামার রয়েছে।এর মধ্যে মিরকাদিমের গরুগুলোর চাহিদা বেশি।কোরবানীর আগের ৬ মাস হতে এই গরুগুলোকে মোটাতাজা করতে শুরু করে খামারিরা।এই মোটাতাজাকরণ কাজে তারা গরু গুলোকে সবচেয়ে বেশি সবুজ ঘাস খাইয়ে থাকে। খৈল নানা ধরনের ভূষি,চালের খুদ খাওয়ায় এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখে।মূলত স্বাস্থ্য সম্মত উপায়ে তারা গরু মোটা তাজাকরণ করায় এগুলো দেখাতে সুন্দর আকর্ষনীয় ও মাংস সুস্বাদু হওয়ায় এগুলোর চাহিদা বেশি।তিনি আরো বলেন,দেশি গরুতে চবির্র হার খুব কম থাকায় মাংসের পরিমান বেশি থাকে এবং সুস্বাদু হয়।মিরকাদিমের খামাড়িরা কখনোই মোটাতাজাকরণ ট্যাবলেড.ইনজেকসুন,হরমন ঔষধ ব্যবহার করেনা।যার কারনে এগুলো স্বাস্থ্য সম্মত ও সুস্বাদু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

ট্যাগস:-

মুন্সীগঞ্জের ধবল‌ গরু খামারেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে 

আপডেট সময়- ১২:০২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ জুন ২০২৪
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি।।
এক সময় কোরবানির ঈদে পুরান ঢাকার রহমতগঞ্জের গনি মিয়ার হাটের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিলো মুন্সীগঞ্জের মীরকাদিমের ধবল (সাদা)গরু।কিন্তু কালের বিবর্তনে এখন এই গরুর চাহিদা এতো বৃদ্ধি পেয়েছে যে,হাটে তোলার আগেই খামার হতে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে এ সমস্ত গরুগুলো। আগে শুধু পুরান ঢাকায় চাহিদা থাকলেও এখন এ সমস্ত গরুর চাহিদা বেড়েছে সমগ্র দেশ জুড়ে তাই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের গরু ক্রেতারা এ সমস্ত গরুগুলো খামারেই এসে কিনে নিয়ে যান।পুরান ঢাকার খানদানি লোকেরাও খামারে এসে অনেক দাম দিয়ে এ সমস্ত গরু কিনে নিয়ে যান।ইতিমধ্যে মিরকাদিমের খামারগুলো হতে গরু বিক্রি শুরু হয়ে গেছে।ক্রেতারা গরু কিনে খামারেই রেখে যাচ্ছে ঈদের দু-একদিন আগে নিয়ে যাবেন বাড়িতে।
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মিরকাদিমের এই গরুর খামারগুলোর পাশেই রয়েছে বিশাল বিশাল চাল, কুড়া,ভূষি,খৈলের আড়ৎ।এ সমস্ত আড়ত মালিকরাই আড়তের আশে পাশে গড়ে তুলেছেন গরুর খামার।নিজস্ব খামারের মীরকাদিমের ভুসি, কুঁড়াসহ বিভিন্ন উন্নতমানের গোখাদ্য মিনিকেট চালের খুদ,এক নম্বর খৈল,ভাতের মার,সিদ্ধ ভাত, খেসারির ভুসি,গমের ভুসি,বুটের ভুসি খাওয়ানো হয় গরুগুলোকে।এছাড়া গরু পালনে প্রশিক্ষিত লোক নিয়োগের মাধ্যমে গরুগুলো পালন করা হয়।
খামারিরা জানান,এই গরু পালনে কোনো রকম ইনজেকশন বা গরু মোটাতাজাকরণের ওষুধ ব্যবহার করা হয় না।খামারিদের নিজস্ব মিলে ভাঙানো খৈল,বিভিন্ন প্রকার ভুসি,কুঁড়া,চালের গুঁড়া খাইয়ে পরম মমতায় লালনপালন করা হয় এই গরুগুলোকে।খামারের ভেতরের পরিবেশ বেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হয়।বাইরের কাউকে খামারের ভেতর ঢুকতে দেওয়া হয় না।মিরকাদিমের ধবল গরুর বৈশিস্ট হলো এ সমস্ত গরুর চোখের পাপড়ি সাদা,নাকের সামনের অংশ সাদা,পায়ের খুর সাদা,লেজের পশম সাদা,আর সারা শরীরও সাদা হয়ে থাকে।এই সমস্ত ধবল গরুগুলো দেখতে একদিকে সুন্দর এবং অন্যদিকে এই সমস্ত গরু গুলোর মাংস খুব সুস্বাদু হওয়ায় এগুলো এখন খামার থেকেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন ক্রেতারা।এই সাদা গরুগুলো সাধারণত ১ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত দামে হয়ে থাকে।মুন্সীগঞ্জের কোনো হাটে এই গরু বিক্রি হয় না।আগে পুরান ঢাকার হাটে নিয়ে এ সমস্ত গরু বিক্রি করতো খামাড়িরা।এখন পুরান ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের লোকজন মীরকাদিমে এসে এ সমস্ত খামার হতে গরুগুলো ক্রয় করে নিয়ে যান।সরেজমিনে মিরকাদিমের বেশ কিছু খামার ঘুরে দেখা যায় বেশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে খামারগুলোতে লালন পালন করা হচ্ছে গরু।মিরকাদিমের মজিবুরের খামার গিয়ে দেখা যায় ওই খামারে মোট ৫১ টি গরু আছে।এর মধ্যে ধবল জাতের গুরু রয়েছে অর্ধেকের বেশি।গত বছর এই খামারে অবিক্রিত গরু ছিল ৬টি।বাকি গরুগুলো গত কুরবানি ঈদের পরে কিনে এনে খামারে লালন পালন করছেন।ওই খামারের দেখবালের দায়িত্বে আছেন তিনজন।এর মধ্যে জিয়াউর হক বলেন,কয়দিন আগে যে গরম গেলো ওই সময় গরুগুলোর খুব কষ্ট হচ্ছিল।গরমে বেশ কিছু গরু অসুস্থ হয়ে পড়েছিল।সে সময় গরুগুলোকে চিকিৎসা করাতে হয়েছে।এখন গরম কমার সাথে সাথে গরুগুলো ভালো আছে।ইতিমধ্যে খামার হতে ১১টি বিক্রি হয়ে গেছে।যারা কুরবানী দেয় তারাই এখান থেকে গরু কিনে খামারে রেখে গেছেন।পরে কুরবানীর দ্-ুএকদিন আগে এসে নিয়ে যাবেন।ওই খামারের দেখবালের দায়িত্বে থাকা রাশেদ বলেন,আমাদের খামারের গরুগুলোকে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খাওয়াই।খামারে বিভিন্ন জাতের গরু আছে তবে এগুলোর মধ্যে ধবল গরু বিখ্যাত।আমাদের খামারে সর্বনিম্ন ১ লক্ষ ২০ হাজার হতে ৩ লক্ষ টাকা দাম পর্যন্ত গরু আছে।
মীর কাদিম শাহিনের খামার মোট ৫১টি গরুর মধ্যে অন্য জাতের আছে মাত্র ৫টা।৪৬ টায় সাদা ধবল জাতের বলে জানালেন খামাড়িরা।ওই খামারের শ্রমিক রফিক মিয়া বলেন,গত বছর কুরবানীর পর এই গরুগুলো আমরা ফরিদপুর জেলার টেপাখোলা বাজার হতে কিনে এনেছি।প্রায় গরুই এক লাখ টাকার উপরে দাম দিয়ে কিনে এনে লালন পালন শুরু করি।সামনের কুরবানীতে গরুগুলো বিক্রি করবো।এ পর্যন্ত খামারের ছয়টা গরু বিক্রি হয়ে গেছে।যে গরুগুলো বিক্রি করছেন সেগুলো দুই লক্ষ থেকে দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি করেছেন তারা।ঈদের আগে বাকি গরুগুলো খামার হতে বিক্রি হয়ে যাবে বলেও জানান তিনি।এ ব্যাপারে ওই এলাকার মজিবুর রহমান বলেন, আমাদের নিজেদের মিল আছে।আবার খামারও আছে।আমরা আমাদের নিজেদের মেইলের খৈল, কুড়া,বিভিন্ন ধরনের ভূসি,ভুট্টা উন্নত মানের খাবার খাইয়ে আমাদের খামারের গরুগুলো লালন পালন করে থাকি।আমরা কোন ইনজেকশন দেই না কোন ভেজাল খাবার খাওয়াই না যার কারণে আমাদের গরুর মাংসগুলো খুব সুস্বাদু হয় এবং এগুলো চাহিদা খুব বেশি।আগে ঢাকায় নিয়ে বেচঁতাম এখন এই সমস্ত গরু খামার হতে কিনে নিয়ে যায়।ঢাকার পাশাপাশি নারায়নগঞ্জ,কুমিল্লা চাদঁপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকার আশে আমাদের এখানে গরু কিনতে।মীর কাদিম এগ্রো খামারের দেখবালের দায়িত্বে থাকা মিন্টু মিয়া বলেন,আমাদের খামারে গরু আছে ১৩০টা। এর মধ্যে ৬০টা কোরবানীর ঈদে বিক্রি করা হবে।আমরা মূলত খামারে দুগ্ধ উৎপাদন করি সেই সাথে বিক্রির জন্যও গরু মোটাতাজাকরণ করে থাকি।আমরা যে সমস্ত গরু মোটাতাজাকরণ করি ওগুলো মূলত আমাদের খামারেই উৎপাদন হয়।আমরা মা গরুগুলোকে উন্নত মানের বীজ দিয়ে এখানে গরুর বাচ্চা উৎপাদন করি মা গরুর দুধ বাজারে বিক্রি করি এবং বাছুরগুলোকে লালন পালনের মাধ্যমে বড় করে বিক্রি করে থাকি। আমাদের খামরে প্রায় ১০টি গুরু আছে যেগুলোর ওজন ৭০০ থেকে ৮০০ কেজি।এ গরু বাছুর গুলো আমরা খামারেই উৎপাদন করেছি।অপর শ্রমিক আরিফ বলেন,আমরা নিজ সন্তানের মতো পরম যন্তে এখানে গরু লালন পালন করি।পুরো দিন ওদের সেবা করি।প্রতিদিন গোসল করাই এবং এগুলোর শরীর মুছে দেই।আমরা একদিকে যেমন শুকানো খাবার খৈল,কুড়া,ভূসি খুদ খাওয়াই
অন্যদিকে আবার কাচাঁ ঘাস ভূট্টার সেরালেক খাওয়াই।আমাদের খামার হতে ইতিমধ্যে ৫টা গরু বিক্রি হয়ে গেছে।তবে ওই এলাকার খামাড়িদের সাথে কথা বলেজানাগেছে,মীরকাদিম পৌরসভার কুলুপাড়ার ধবল গরু লালনপালন করার যে ঐতিহ্য ছিল তা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে।খামারে গরুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও কালের বিবর্তনে মীরকাদিমের বিখ্যাত ধবল গরুর ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে। ভেজালযুক্ত খাবার দিয়ে গরু মোটাতাজা করে দ্রুত আঙল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে কিছু অসাধু খামারি। ১০ মাস দীর্ঘ পরিশ্রম করে লাভবান না হওয়ায় এ ব্যবসা থেকে সরে আসছেন মীরকাদিমের ধবল গরুর অনেক ব্যবসায়ী।ভেজাল খাদ্যের যোগান দিয়ে গরু বড় করে দ্রুত লাভবান হওয়ার হাতিয়ারকে এখন কাজে লাগাচ্ছে অনেকেই।ফলে ২০০ জনের বেশি ধবল গরুর খামার মালিক থেকে এখন ১৫/২০ জনে নেমে এসেছে।এ সমস্ত ধবল গরুগুলো মূলত কুড়িগ্রাম জেলার ভূরাঙ্গামারীসহ বিভিন্ন হাট ও এলাকা থেকে ভারত ও ভুটানের আবাল-পশ্চিমা সাদা ষাঁড় ও সাদা গাভীর বাচ্চা কিনে আনেন মীরকাদিমের খামারিরা।নিজের বাচ্চার মতো লালন করেন।নতুন গামছা দিয়ে গোসল করানো হয়।সব সময় চোখে চোখে রাখা হয়।লাভ লোকসানের কথা চিন্তা না করেই পুরোনো ঐতিহ্য ধরে রেখে গরু পালন করেন।বাবা-দাদাদের ধবল গরু পালনের ঐতিহ্য ধরে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন খামাড়িরা।এ ব্যাপারে মুন্সীগঞ্জ প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ নজরুল ইসলাম বলেন, মুন্সীগঞ্জের খামারগুলোতে মূলত দেশি গরু বেশি দেখা যায়।এ জেলায় মোট ৫ হাজারের মতো খামার রয়েছে।এর মধ্যে মিরকাদিমের গরুগুলোর চাহিদা বেশি।কোরবানীর আগের ৬ মাস হতে এই গরুগুলোকে মোটাতাজা করতে শুরু করে খামারিরা।এই মোটাতাজাকরণ কাজে তারা গরু গুলোকে সবচেয়ে বেশি সবুজ ঘাস খাইয়ে থাকে। খৈল নানা ধরনের ভূষি,চালের খুদ খাওয়ায় এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখে।মূলত স্বাস্থ্য সম্মত উপায়ে তারা গরু মোটা তাজাকরণ করায় এগুলো দেখাতে সুন্দর আকর্ষনীয় ও মাংস সুস্বাদু হওয়ায় এগুলোর চাহিদা বেশি।তিনি আরো বলেন,দেশি গরুতে চবির্র হার খুব কম থাকায় মাংসের পরিমান বেশি থাকে এবং সুস্বাদু হয়।মিরকাদিমের খামাড়িরা কখনোই মোটাতাজাকরণ ট্যাবলেড.ইনজেকসুন,হরমন ঔষধ ব্যবহার করেনা।যার কারনে এগুলো স্বাস্থ্য সম্মত ও সুস্বাদু হয়।