ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মৌলভীবাজারে আন্তর্জাতিক গনতন্ত্র ও মানবাধিকার সংগঠনে মনোনীত যারা জাপানের একটি জনহীন রেলওয়ে স্টেশন শুধুমাত্র এক ছাত্রীর জন্য এখনও চালু রয়েছে মুন্সীগঞ্জে পদ্মার ভাঙনে ঝুঁকিতে পুরাতন ঐতিহ্যবাহী দিঘিরপাড় বাজার শ্রীমঙ্গলে জমি সংক্রান্ত বিরোধে আইনজীবী নিহত,আহত-২ নকলায় জঙ্গিবাদ ও মাদকাসক্ত প্রতিরোধে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কুলাউড়ায় আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর দেওয়ার নামে ভিক্ষুকের অর্থ আত্মসাৎ মাথিউড়া চা শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধের দাবি: চা শ্রমিক ফেডারেশন মৌলভীবাজারে বন্যার পানি না নামায়, ২৩৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ  সোনারগাঁয়ে ঔষধের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি: ৭০ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট নকলার ইউএনও শুদ্ধাচার পুরস্কার পাওয়ায় যুবফোরামের সম্মাননা স্মারক প্রদান

ভারতের গণতন্ত্র কোন পথে..?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুন ২০২৪ ১৮ বার পড়া হয়েছে

 

দ্বিতীয় পর্ব:
মানস বন্দ্যোপাধ্যায়,দিল্লি
এর আগে বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের গণতন্ত্রের কাছে তিনটি বড় রকমের চ্যালেঞ্জের কথা লিখেছিলাম। আজ গণতন্ত্রের চতুর্থ এবং অন্যান্য কিছু সংকট তুলে ধরছি।
প্রথমটি হলো নির্বাচন শুরু হওয়ার ৬ মাস আগে থেকেই চাঁদা তোলার হিড়িক।
শুধু বৃহৎ শিল্পপতি,ব্যবসায়ীরাই নয়, পাইকারি এবং খুচরো বিক্রেতাদের কাছ থেকেও ভয় দেখিয়ে মোটা টাকা আদায় করা হয় সবকটি দলের পক্ষ থেকে। ফলে সেই চাঁদার অংক সাধারণ ক্রেতাদের কাছ থেকে সুদে আসলে তুলতে গিয়ে সমস্ত বাজারে বস্তুর দাম আঁকাশ ছোঁয়া হয়ে যায়। কলকাতায় দেখেছি নির্বাচনের দুমাস আগে যে সব্জির দাম ছিল কিলো প্রতি ২০ টাকা, নির্বাচনের সময় এবং পরে তারই দাম ১২০ টাকা। বেগুন ৩০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা, আলু ২২ টাকা থেকে ৩০ টাকা, পেয়াঁজ ২০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা, টমেটো ২০ টাকা থেকে ১২০ টাকা, ক্যাপ্সিকাম ৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা ছাড়াও আটা ময়দা,সুজি, ছাতু সহ ২০০ বস্তুর অগ্নিমূল্য মধ্যবিত্তের মাথায় হাত। মাথা থেকে হাত নামবেনা আগামী ৬ মাসেও।
এটাও গণতন্ত্রের অভিশাপ। রাজ্যের বিদ্যুৎ সরবরাহ সংস্থা নির্বাচারের আগে শাসক দলকে ৪৯০ কোটি টাকা চাঁদা দিয়েছে। ফলে বিদ্যুতের মাশুল ইউনিট প্রতি ৯.৫০ টাকা গুনতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকেই।
ওদিকে কেন্দ্রের বিজেপির নেতৃত্বে এনডিএ সরকার অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ করে এবং ব্যাপক হিন্দু ধর্মের প্রচার করেও ভোটারদের কাছে থেকে বড় রকমের প্রত্যাঘাত খেয়েছে। অযোধ্যাতেই বিজেপি প্রার্থী ভোটে হেরেছে। প্রায় ২০ টি তীর্থস্থানে বিজেপির প্রার্থী মুখ থুবড়ে পড়েছে। হিন্দু ধর্ম নিয়ে মোদি যতোটা আশাবাদী ছিলেন বাস্তব চিত্রটি ছিল উল্টো।
মুসলিমদের ৯৮ শতাংশ ভোটার ভোট দিতে ভিড় করেছেন এবারে। অপরদিকে হিন্দুদের ভোটাররা ভোটের কেন্দ্রে হাজির হয়েছেন মাত্র ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ। মুসলিম ভোটাররা পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃনমূল কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছেন। মুর্শিদাবাদ এবং বহরমপুরে বরাবর কংগ্রেসের ঘাঁটিতে তৃনমূল জয়ী হয়েছে। কংগ্রেসের দীর্ঘ দিনের বাহুবলী ও জনপ্রিয় নেতা অধীর চৌধুরী এবারে পরাজিত হয়েছেন।
মুসলিমদের রণনীতি হলো একেক রাজ্যে একেকটি পার্টিকে ঢালাও ভোট শুধু বিজেপিকে হারানোর জন্য। উত্তর প্রদেশে  অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি, এবং রাহুল গান্ধীর কংগ্রেস পার্টিকে, বিহারে লালু প্রসাদ যাদবের আর জে ডি দলকে, অসমে কংগ্রেসকে, মধ্যপ্রদেশে ও ছত্তিশগড়ে কংগ্রেসকে, পাঞ্জাবে কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টিকে ভোট ,দিয়েছেন তারা।
মিডিয়ার ভূমিকা: গণতন্ত্রের আরো একটি অভিশাপ হলো মিডিয়া। ভারতের অধিকাংশ মিডিয়া দ্বিধাবিভক্ত। কেন্দ্রে এবং বিভিন্ন রাজ্যে মিডিয়াকে ক্রীতদাস বানানোর চেষ্টা চলেছে। মিডিয়াকে ভিক্ষা দেওয়ার প্রতিযোগিতা চলেছে।টাকার জোরে ,বিজ্ঞাপনের জোরে, ও ভয় দেখিয়ে মিডিয়াকে বিক্রিত ও বিকৃত করা হয়েছে। নির্বাচনকালে মিথ্যা প্রচারের ফুলঝুড়ি ছুটেছে। ভোটারদের বিভিন্নভাবে বিভ্রান্ত করেছে এই মিডিয়া।
এই পাঁচটি ছাড়াও গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক আরো ঘটনা রয়েছে। ফলে এবারে ভোটের ফলাফলে আমূল পরিবর্তন এসেছে। কেন্দ্রে সরকার গড়তে প্রয়োজন ২৭২ টি আসন। গতবার বিজেপি একাই সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়ে ৩০০ পার করেছিল।কার্যত অসম্ভব অহংকার ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে এবারে মোদি ঘোষনা করেছিলেন এই বার ৪০০ পার। কিন্তু বিজেপিকে থামতে হয়েছে মাত্র ২৪০ টি আসন নিয়ে। সহযোগী দলগুলি নিয়ে অবশ্যই এনডিএ সংখ্যা গরিষ্ঠ। কিন্তু সরকার গড়লেও মোদি কিন্তু এবারে স্থিতিশীল অবস্থায় থাকছেন না। সরকার চালাতে তাকে নির্ভর করতে হবে জনতা দল ইউনাইটেডের নেতা বিহারের প্রাক্তন মুখ্য মন্ত্রী নীতিশ কুমার এবং অন্ধ্র প্রদেশের তেলেগু দেশম পার্টির চন্দ্রবাবু নাইডুর উপর। মোদির আগের সেই বিষদাঁত ভেঙে গেছে। ইচ্ছেমত কাজ তিনি করতে পারবেন না। পদে পদে বাধার মুখে পড়তে হবে।
ইতিমধ্যেই নীতিশ কুমার ও চন্দ্রবাবু নাইডু এক কথায় সর্ত আরোপ করে চলেছেন। গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক গুলির ওপর হাত বাড়িয়েছেন।
তবে যারা প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জানেন তারা হতাশ হন নি। কারণ ভারতের গণতন্ত্রে অসম্ভব বলে কিছুই নেই। যে গোষ্ঠীই সরকার গঠন করে পর্দার আড়ালে থাকা অন্যান্য দলগুলি মন্ত্রী মণ্ডলিতে স্থান পাওয়ার আশায় তাদের নিজেদের ভোটারদের আশা আকাঙ্ক্ষাকে জলাঞ্জলি দিয়ে উচ্ছিষ্ট নিতে এগিয়ে আসেন। নির্বাচনে বিজেপি বিরোধীতা করে ভোট নিয়েও শাসক দলে ভিড়ে যান। কোটি কোটি টাকার খেলাও চলে এসেছে দীর্ঘ বছর ধরে।
সামনেই লোকসভার অধিবেশন। জুলাইয়ের তৃতীয় সপ্তাহে। এবারে প্রায় অবলুপ্ত কংগ্রেস সঞ্জীবনী সুধা পান করে অনেক শক্তি অর্জন করেছে। কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীর সঙ্গে রয়েছেন সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, বিহারের আর জে ডি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃনমূল কংগ্রেস। কাজেই অধিবেশনের শুরু থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠবে সংসদ। বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সুচাগ্র মেদিনী ,এই মনোভাব নিয়েই এগোচ্ছে বিরোধীরা।
ক্রমশ:

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ভারতের গণতন্ত্র কোন পথে..?

আপডেট সময় : ০৫:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুন ২০২৪

 

দ্বিতীয় পর্ব:
মানস বন্দ্যোপাধ্যায়,দিল্লি
এর আগে বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের গণতন্ত্রের কাছে তিনটি বড় রকমের চ্যালেঞ্জের কথা লিখেছিলাম। আজ গণতন্ত্রের চতুর্থ এবং অন্যান্য কিছু সংকট তুলে ধরছি।
প্রথমটি হলো নির্বাচন শুরু হওয়ার ৬ মাস আগে থেকেই চাঁদা তোলার হিড়িক।
শুধু বৃহৎ শিল্পপতি,ব্যবসায়ীরাই নয়, পাইকারি এবং খুচরো বিক্রেতাদের কাছ থেকেও ভয় দেখিয়ে মোটা টাকা আদায় করা হয় সবকটি দলের পক্ষ থেকে। ফলে সেই চাঁদার অংক সাধারণ ক্রেতাদের কাছ থেকে সুদে আসলে তুলতে গিয়ে সমস্ত বাজারে বস্তুর দাম আঁকাশ ছোঁয়া হয়ে যায়। কলকাতায় দেখেছি নির্বাচনের দুমাস আগে যে সব্জির দাম ছিল কিলো প্রতি ২০ টাকা, নির্বাচনের সময় এবং পরে তারই দাম ১২০ টাকা। বেগুন ৩০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা, আলু ২২ টাকা থেকে ৩০ টাকা, পেয়াঁজ ২০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা, টমেটো ২০ টাকা থেকে ১২০ টাকা, ক্যাপ্সিকাম ৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা ছাড়াও আটা ময়দা,সুজি, ছাতু সহ ২০০ বস্তুর অগ্নিমূল্য মধ্যবিত্তের মাথায় হাত। মাথা থেকে হাত নামবেনা আগামী ৬ মাসেও।
এটাও গণতন্ত্রের অভিশাপ। রাজ্যের বিদ্যুৎ সরবরাহ সংস্থা নির্বাচারের আগে শাসক দলকে ৪৯০ কোটি টাকা চাঁদা দিয়েছে। ফলে বিদ্যুতের মাশুল ইউনিট প্রতি ৯.৫০ টাকা গুনতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকেই।
ওদিকে কেন্দ্রের বিজেপির নেতৃত্বে এনডিএ সরকার অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ করে এবং ব্যাপক হিন্দু ধর্মের প্রচার করেও ভোটারদের কাছে থেকে বড় রকমের প্রত্যাঘাত খেয়েছে। অযোধ্যাতেই বিজেপি প্রার্থী ভোটে হেরেছে। প্রায় ২০ টি তীর্থস্থানে বিজেপির প্রার্থী মুখ থুবড়ে পড়েছে। হিন্দু ধর্ম নিয়ে মোদি যতোটা আশাবাদী ছিলেন বাস্তব চিত্রটি ছিল উল্টো।
মুসলিমদের ৯৮ শতাংশ ভোটার ভোট দিতে ভিড় করেছেন এবারে। অপরদিকে হিন্দুদের ভোটাররা ভোটের কেন্দ্রে হাজির হয়েছেন মাত্র ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ। মুসলিম ভোটাররা পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃনমূল কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছেন। মুর্শিদাবাদ এবং বহরমপুরে বরাবর কংগ্রেসের ঘাঁটিতে তৃনমূল জয়ী হয়েছে। কংগ্রেসের দীর্ঘ দিনের বাহুবলী ও জনপ্রিয় নেতা অধীর চৌধুরী এবারে পরাজিত হয়েছেন।
মুসলিমদের রণনীতি হলো একেক রাজ্যে একেকটি পার্টিকে ঢালাও ভোট শুধু বিজেপিকে হারানোর জন্য। উত্তর প্রদেশে  অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি, এবং রাহুল গান্ধীর কংগ্রেস পার্টিকে, বিহারে লালু প্রসাদ যাদবের আর জে ডি দলকে, অসমে কংগ্রেসকে, মধ্যপ্রদেশে ও ছত্তিশগড়ে কংগ্রেসকে, পাঞ্জাবে কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টিকে ভোট ,দিয়েছেন তারা।
মিডিয়ার ভূমিকা: গণতন্ত্রের আরো একটি অভিশাপ হলো মিডিয়া। ভারতের অধিকাংশ মিডিয়া দ্বিধাবিভক্ত। কেন্দ্রে এবং বিভিন্ন রাজ্যে মিডিয়াকে ক্রীতদাস বানানোর চেষ্টা চলেছে। মিডিয়াকে ভিক্ষা দেওয়ার প্রতিযোগিতা চলেছে।টাকার জোরে ,বিজ্ঞাপনের জোরে, ও ভয় দেখিয়ে মিডিয়াকে বিক্রিত ও বিকৃত করা হয়েছে। নির্বাচনকালে মিথ্যা প্রচারের ফুলঝুড়ি ছুটেছে। ভোটারদের বিভিন্নভাবে বিভ্রান্ত করেছে এই মিডিয়া।
এই পাঁচটি ছাড়াও গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক আরো ঘটনা রয়েছে। ফলে এবারে ভোটের ফলাফলে আমূল পরিবর্তন এসেছে। কেন্দ্রে সরকার গড়তে প্রয়োজন ২৭২ টি আসন। গতবার বিজেপি একাই সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়ে ৩০০ পার করেছিল।কার্যত অসম্ভব অহংকার ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে এবারে মোদি ঘোষনা করেছিলেন এই বার ৪০০ পার। কিন্তু বিজেপিকে থামতে হয়েছে মাত্র ২৪০ টি আসন নিয়ে। সহযোগী দলগুলি নিয়ে অবশ্যই এনডিএ সংখ্যা গরিষ্ঠ। কিন্তু সরকার গড়লেও মোদি কিন্তু এবারে স্থিতিশীল অবস্থায় থাকছেন না। সরকার চালাতে তাকে নির্ভর করতে হবে জনতা দল ইউনাইটেডের নেতা বিহারের প্রাক্তন মুখ্য মন্ত্রী নীতিশ কুমার এবং অন্ধ্র প্রদেশের তেলেগু দেশম পার্টির চন্দ্রবাবু নাইডুর উপর। মোদির আগের সেই বিষদাঁত ভেঙে গেছে। ইচ্ছেমত কাজ তিনি করতে পারবেন না। পদে পদে বাধার মুখে পড়তে হবে।
ইতিমধ্যেই নীতিশ কুমার ও চন্দ্রবাবু নাইডু এক কথায় সর্ত আরোপ করে চলেছেন। গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক গুলির ওপর হাত বাড়িয়েছেন।
তবে যারা প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জানেন তারা হতাশ হন নি। কারণ ভারতের গণতন্ত্রে অসম্ভব বলে কিছুই নেই। যে গোষ্ঠীই সরকার গঠন করে পর্দার আড়ালে থাকা অন্যান্য দলগুলি মন্ত্রী মণ্ডলিতে স্থান পাওয়ার আশায় তাদের নিজেদের ভোটারদের আশা আকাঙ্ক্ষাকে জলাঞ্জলি দিয়ে উচ্ছিষ্ট নিতে এগিয়ে আসেন। নির্বাচনে বিজেপি বিরোধীতা করে ভোট নিয়েও শাসক দলে ভিড়ে যান। কোটি কোটি টাকার খেলাও চলে এসেছে দীর্ঘ বছর ধরে।
সামনেই লোকসভার অধিবেশন। জুলাইয়ের তৃতীয় সপ্তাহে। এবারে প্রায় অবলুপ্ত কংগ্রেস সঞ্জীবনী সুধা পান করে অনেক শক্তি অর্জন করেছে। কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীর সঙ্গে রয়েছেন সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব, বিহারের আর জে ডি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃনমূল কংগ্রেস। কাজেই অধিবেশনের শুরু থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠবে সংসদ। বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সুচাগ্র মেদিনী ,এই মনোভাব নিয়েই এগোচ্ছে বিরোধীরা।
ক্রমশ: