ঢাকা ০২:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:-
না’গঞ্জে এনআর গার্মেন্টস’র ছাঁদ থেকে লাফিয়ে পরে নারী শ্রমিকের আত্মহনন ফতুল্লায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু থমথমে পরিস্থিতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে, সব পরীক্ষা স্থগিত ফের বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বৈঠক টেকনাফে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক-২ টানা তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ থেকে সুন্দরবনের দ্বার খুলছে রায়পুরা সংসদীয় আসন রাখতে মহাসড়কে বিক্ষোভ-মানববন্ধন ‘মব ভায়োলেন্স’ ঠেকাতে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয় সেনাবাহিনী: আইএসপিআর নারায়ণগঞ্জে অগ্নিদগ্ধ নারী শিশুসহ একই পরিবারের ৬ সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু ফেসবুকে ছড়িয়ে পরা অস্ত্র হাতে ভাইরাল যুবক পুলিশের জালে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সাংবাদিক পরিচয়ধারী দালাল গ্রেপ্তার না’গঞ্জে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের সম্মুখ্যে অ্যাম্বুলেন্সে আগুন, দগ্ধ-৩ জরাজীর্ণ অবকাঠামোতেই চলছে শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা গর্ভবতীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আয়রন ট্যাবলেট এবং ডেঙ্গুর কীট বিতরন কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শেষ হলো না’গঞ্জ বারের ভোট গ্রহন, চলছে ভোট গননা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য ঢাকাস্থ দূতাবাসের বার্তা নাসিক ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের ৭৭৫ কোটি ৩৩ লাখ ৭৮ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা ঝিনাইদহে চাচিকে ধর্ষণ করতে গিয়ে বটির কোপে গোপনাঙ্গ হারালেন ভাতিজা নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে মাথাবিহীন অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার সুন্দরবনে ৭ জেলে অপহরণ,মুক্তিপন দাবি জলদস্যুদের নারায়ণগঞ্জে পাসপোর্ট করতে এসে রোহিঙ্গা নারী আটক ডিএমপিতে নতুন ডিবিপ্রধান হলেন শফিকুল ইসলাম  আজ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৯তম প্রয়াণ দিবস না’গঞ্জে ভূয়া চিকিৎসক সনাক্ত, ১ লক্ষ টাকা অর্থদন্ডসহ ডেন্টাল কেয়ার বন্ধ  সিলেট বিভাগে শ্রেষ্ঠ এসপি মৌলভীবাজারের জাহাঙ্গীর হোসেন সুন্দরবনে শুরু হচ্ছে মাছ ধরা: অপরাধ রোধে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জে ড্রেনে জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণ; আহত-৩  হাইকোর্টে একসঙ্গে ২৫ বিচারপতি নিয়োগ সারাদেশে একযোগে ২৩০ বিচারককে বদলি ‘মিট দ্য প্রেসে’ বিগত সময়ে বিএনপিতে মাসুদের অবদানের কথা জানালেন এটিএম কামাল একযোগে ৩৪ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি নারায়ণগঞ্জের এসপি বদলি, স্থলাভিষিক্ত জসীম উদ্দিন ইউনিয়নগুলোতে ১’শ ডাস্টবিন স্থাপন করা হবে- ডিসি দলীয় শোকজের জবাব দেবেন বিএনপি নেতা এ্যাড. ফজলুর রহমান ‘নিউইয়র্কে উপদেষ্টা মাহফুজসহ বাংলাদেশ কনস্যুলেটে আওয়ামী লীগের হামলা’ দেশের ৬টি জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ সোনারগাঁয়ে চুন কারখানাসহ ৫ হাজার অবৈধ আবাসিক গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন প্রচন্ড গতিতে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঝড় কাজিকি আমরা ভালো ক্রীড়াবিদ হয়ে বিশ্বের দরবারে দেশকে রিপ্রেজেন্ট করতে চাই; ডিসি জাহিদুল  সকলের প্রচেষ্টায় না’গঞ্জের ক্রীড়াঙ্গণের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনব; মাসুদুজ্জামান শতকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ফতুল্লার ক্রিকেট স্টেডিয়াম করুনাবস্থায় : বিসিবি সভাপতি দক্ষ ও প্রশিক্ষিত চালক গড়তে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত আগামী ৬ই সেপ্টেম্বর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী টেকনাফে ১৮ হাজার ইয়াবাসহ আটক-১ বাগেরহাটে ৪টি সংসদীয় আসন বহালের দাবিতে জেলাজুড়ে হরতাল-অবরোধ পালিত রাজধানীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ’লীগের ঝটিকা মিছিল থেকে আটক-৩ এবার বাবার পর পুত্র কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি গ্রেপ্তার মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের বিএনপির দুই নেতাকে বহিষ্কার ফ্রিজের কম্প্রে‌সার বিস্ফোরণ; সিদ্ধিরগঞ্জে নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের দগ্ধ-৯ বর্ধিত বাস ভাড়া প্রত্যাহারের ‘২৪ ঘন্টা না পেরোতেই’ ফের ৬২ করার দাবি বাস মালিকদের  জীবনের শেষ লেখায় অনেক অভিযোগসহ প্রশ্ন রেখে গেলেন সাংবাদিক বিভুরঞ্জন উচ্চশিক্ষায় ডুওলিংগো টেস্ট: প্রস্তুতি, সুযোগ ও গ্রহণযোগ্যতা গজারিয়ার মেঘনা নদীতে মিলল নিখোঁজ সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের মরদেহ তোপের মুখে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে বর্ধিত বাস ভাড়া প্রত্যাহার গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নের হুমকি, গ্রাহকদের যে বার্তা দিলো তিতাস না’গঞ্জে জাল সার্টিফিকেট তৈরির দায়ে দোকান মালিকের জরিমানাসহ কারাদণ্ড টেকনাফে জেলের বেশে মাদক পাচারের চেষ্টা, ৯৮শ’ ইয়াবা উদ্ধার গাইবান্ধায় পুলিশি নির্যাতনে সিজু হত্যা মামলায় ওসিসহ আসামী-২০ হুফফাজুল কুরআন ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটিতে হাফেজ মাহবুবুর রহমান সায়েন্সল্যাবে ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত-১০ ফিটলিস্ট প্রস্তুত; সেপ্টেম্বরেই সকল জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে বাসভাড়া ৫ টাকা বাড়িয়ে ৫৫ টাকার সিদ্ধান্ত নারায়ণগঞ্জের বালুরমাঠ ও মদনপুরে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন অভিযান দুদকের ফের আরেক উপপরিচালক কমলেশ মন্ডল বরখাস্ত বাগেরহাটে আসন কমিয়ে ৩টি করার প্রতিবাদে আন্দোলন কর্মসূচীর ঘোষণা ঈশ্বরদীতে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন টেকনাফে বিজিবির অভিযানে মানব পাচারকারী চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই ফের বদলি কোম্পানীগঞ্জের ইউএনও শরণখোলায় জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত এনবিআর’র ফের ১৭ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সম্পদ বিবরণী চেয়েছে দুদক মৌলভীবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি শ্রীমঙ্গলের আমিনুল নারায়ণগঞ্জে শহীদ জিয়া হলে অগ্নিকাণ্ড রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক ১৬৪২৯ মামলা প্রত্যাহার হচ্ছে তিস্তার নামেই সেতু চায় স্থানীয়রা, ‘মাওলানা ভাসানী’ নামে আপত্তি পাথরকাণ্ডে ডিসির ওএসডির পর, কোম্পানীগঞ্জের ইউএনও বদলি পাথরকান্ডে সিলেটের ডিসি মাহবুব মুরাদকে ওএসডি এনবিআর সংস্কারে বাধার অভিযোগে ফের ৫ কর কমিশনার বরখাস্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরিচ্যুত হোস্ট-টিচারদের কোটবাজারে অনশনে সেই আলোচিত ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম এখন সিলেটের ডিসি বহুল প্রতিক্ষীত খানপুর হাসপাতালের ১৫তলা ভবনে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু প্রশাসনিক পদে ফের বড় রদবদল বেসরকারি চ্যানেল মাই টিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীনকে গ্রেপ্তার বিদেশে বাংলাদেশি কূটনৈতিক মিশন থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি সরানোর নির্দেশ শ্রীমঙ্গলে চুরির ঘটনার ৬ ঘন্টার মধ্যে চোরসহ মালামাল উদ্ধার ঈশ্বরদীতে বেগম খালেদা জিয়ার ৮০তম জন্মদিন পালন মোরেলগঞ্জে ১’শ পিচ ইয়াবাসহ শরণখোলার যুবক আটক মৌলভীবাজারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্মদিনে দোয়া মাহফিল পূর্ব সুন্দরবনে একমাসে ৭০ জেলে আটক, ফাঁদসহ ১৪৮টি ট্রলার জব্দ শাহিনূর আদর্শ স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও মেধা বৃত্তি সংবর্ধনা না’গঞ্জের বীরমুক্তিযোদ্ধাদের সর্বাত্নক সহায়তায় আশাবাদ ব্যক্ত করেন ডিসি নান্দাইলে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার ডলফিন রক্ষায় সুন্দরবনের বনবিভাগের সচেতনতামূলক মাইকিং শরণখোলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা গাইবান্ধা বন্যার দারপ্রান্তে: নদীগুলো উত্তালে জনজীবন বিপর্যস্ত পদ্মার পানি বৃদ্ধিতে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে বিপদসীমা অতিক্রমের দিকে গাইবান্ধায় দোকানের বাকি টাকা চাওয়ায় গুলি, যুবক-গৃহবধূ আহত কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো আসামি র‍্যাব-৯’র জালে

আইডি সংশোধনে অযৌক্তিক পেপারস চেয়ে বাতিল করে ইসি কর্মকর্তা ফরিদুল!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময়- ০৮:০১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪ ৪৩৭ বার পড়া হয়েছে

‘অযৌক্তিক কাগজপত্র’ চেয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে বাতিল সহ নানান অনিয়মের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে.!

 

অনলাইন ডেস্ক।।

 

সাধারন নাগরিকদের নানান কাজে অপরিহার্য হয়ে পড়েছে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)।প্রিন্টিং সহ তথ্যের ভূল ও গরমিল থাকায় অনেককে এটি সংশোধন করতে হচ্ছে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই এনআইডি  সংশোধন করা বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে  একটা কঠিন কাজ হয়ে উঠেছে।

দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা নির্দিষ্ট বিধি ও পদ্ধতি মেনে এনআইডি সংশোধন করতে বাধ্য হলেও তাদের কেউ কেউ নাগরিকদের অকারণে বহু ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়। এমন বহু অভিযোগ বছরের পর বছর করে আসছেন ভুক্তভোগী অনেক নাগরিকগন। সম্প্রতি পরিচয়পত্র সংশোধনের আবেদন করে চাহিদা অনুযায়ী সকল ধরনের প্রদান করেও বিনা কারণে ‘অযৌক্তিক কাগজপত্র’ চেয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি সহ নানান অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ১৬০ জন। যাদের সবারই এনআইডি রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০০৭-০৮ সালে যখন প্রথম এনআইডির কার্যক্রম শুরু হয় তখন কেউ জানতেন না যে জাতীয় পরিচয়পত্রের এ এনআইডি কার্ড ভবিষ্যতে ‘জাতীয় দলিল’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত বা গন্য হবে। তখন সেটা কেউই তেমন গুরুত্ব দেননি।তাছাড়া অপরিপক্ক, অল্প শিক্ষিত লোকবল দারা এ কার্ড তৈরি করা হয়েছিল ভুরি ভূরি ভুলের মাধ্যমে।  এটি যদি তখন সাধারণ মানুষ বুঝতেন তাহলে শুরুতেই সবাই এ বিষয়ে সতর্ক থাকতেন নির্ভূলতার মাপকাঠিতে। মূলত, ওই সময় নির্বাচন কমিশনের প্রচারের অভাবে এবং অদক্ষ জনবলের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালনা করে ভূলের সৃষ্টি।  বিশাল এ জনগোষ্ঠীর অধিকাংশের এনআইডিতে কিছু না কিছু ভুল রয়েই গেছে। যেগুলো সংশোধন করতে গিয়ে নিয়মিত ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ জনগণকে। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা থেকে শুরু করে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারাও এনআইডি সংশোধনের নামে নাগরিকদের দিনের পর দিন নানান ভোগান্তিতে ফেলছেন।

২০০৭-০৮ সালে যখন এনআইডির প্রথম কার্যক্রম শুরু হয় তখন কিন্তু নির্বাচন কমিশন বা সরকার থেকে নাগরিকদের এনআইডির গুরুত্বের বিষয়ে সেভাবে তেমন সচেতন করা হয়নি। ফলে নাগরিকরা মনগড়া তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি একজনের তথ্য আরেকজনও দিয়েছিলেন। কার্ডে বয়স, নাম, শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ বিভিন্ন ধরনের ভুল তথ্য রয়ে যায়। নাগরিকরা যখন বুঝতে পারেন এনআইডি সংশোধন ছাড়া সেবা মিলবে না, তখন অনলাইনে আবেদন করে এনআইডি সংশোধন করতে নির্বাচন কমিশনের অফিসে অফিসে ঘুরতে থাকেন।

 

তাদের মধ্যে এক ভুক্তভোগী নারীর নাম মোসাঃ শাহিদা বেগম, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার এনায়েতনগর ইউনিয়নের মাসদাইর বারৈভোগ এলাকার  বাসিন্দা পর পর চারবার আবেদন করেও শেষ রক্ষা হয়নি ওই ইসি কর্মকর্তার হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। প্রথমবার আবেদন ভূল দেখিয়ে বাতিল করে দেন,এরপর দ্বিতীয়বার আবেদন সহি শুদ্ধভাবে করেন এক সাংবাদিকের সহায়তায়,সেইবার নির্ভলভাবে আবেদন করার পরে, যাচাই বাছাই করে তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য পাঠান নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার বরাবর, সেখান থেকে পূনরায় কাগজপত্র চাওয়া হলে তা ফুলফিল করে জমা দিয়ে সহি প্রতিবেদন পাঠালেও তিনি তা কেনো কারন ছাড়াই রহস্যজনক কারনে বাতিল করে দেন,আর্থিক সুবিধা পাওয়ার লক্ষ্যে।এরপর ওই নারী ফের আবেদন করলে,এবার ফের কোন ধরনের শুনানি ও কারন ছাড়াই দীর্ঘ একমাস পরে সে আবেদনটি ফের বাতিল করেন,এভাবে পরপর চারবার। এখনো স্বামী সহ সংশোধনের আশায় ধারে ধারে ঘুরছেন ওই ভুক্তভোগী নারী, কারন ভোটার আইডি সংশোধন ছাড়া পৈতৃক ভিটা-জায়গা জমি হাত ছাড় হয়ে যাচ্ছে। এমন বহু সাধারণ মানুষের গগনবিদারী আর্তচিৎকারে কানে পৌঁছায় না ওই দূর্নীতি গ্রস্ত ইসি কর্মকর্তা ফরিদুলের।

 

ভুক্তভোগী একজন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার কাজী রুবেল। ২০০৮ সালে করা নিজের এনআইডিতে ভুল থাকার কারনে সম্প্রতি সংশোধনের জন্য আবেদন করেন। পাসপোর্ট ও জন্মনিবন্ধনের সঙ্গে মিল রেখে বয়স, মায়ের নামের আংশিক পরিবর্তনসহ মায়ের এনআইডি নম্বর যুক্ত করেন। আগে শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক পাস থাকলেও এখন তিনি সপ্তম শ্রেণি উল্লেখ করতে চাচ্ছেন। তার আবেদনটির যথাযথ যৌক্তিকতা থাকলেও সংশোধন না করে অযৌক্তিক কাগজপত্র চেয়েছেন ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম।

যেসব কাগজপত্র চেয়েছেন আঞ্চলিক কর্মকর্তা কাজী রুবেল তার এনআইডি সংশোধনী আবেদনে পাঁচ বছর বয়স, মায়ের নাম কাজী শামীমা আক্তার থেকে শামীমা আক্তার এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক থেকে সপ্তম শ্রেণি করতে চেয়েছেন। একই সঙ্গে সংশোধনী আবেদনে অনলাইন জন্মনিবন্ধন, পাসপোর্ট, মায়ের এনআইডি, পারিবারিক সনদ, ম্যাজিস্ট্রেট হলফনামা এবং ক্ষমার দরখাস্ত দিয়েছেন। আবেদনকারী শিক্ষাগত যোগ্যতা সপ্তম শ্রেণি চাওয়ার পরও ফরিদুল ইসলাম এসএসসি সনদ, প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড চেয়ে আবেদনটি ফেরত পাঠিয়ে দেন।

তবে ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, সংশোধনী আবেদনে এসব কাগজপত্র চাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলতেই এমন কাগজপত্র চান আঞ্চলিক কর্মকর্তা ফরিদুল।

আরেক ভুক্তভোগী, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার আরেফিন হৃদয়। তিনি গত বছর নিজ এনআইডি সংশোধনের আবেদন করেন। সংশোধনী আবেদনে তিনি পিতার নাম আ. বাখির থেকে গিয়াস উদ্দিন, মায়ের নাম মো. ঝরনা থেকে ঝড়না বেগম, শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক থেকে চতুর্থ শ্রেণি এবং পেশা ছাত্র থেকে শ্রমিক চেয়েছেন। সংশোধনী আবেদনের সঙ্গে অনলাইন জন্মসনদ, নাগরিকত্ব সনদ, ওয়ারিশা সনদ, মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র, পিতার জন্ম ও মৃত্যুর সনদ, ম্যাজিস্ট্রেট হলফনামা, স্ত্রী ও শ্বশুরের জাতীয় পরিচয়পত্রসহ কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
হৃদয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুরুতে এনআইডি উইংয়ের উপ-পরিচালক থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে তদন্তের জন্য পাঠান। থানা নির্বাচন কর্মকর্তা সরেজমিনে তদন্ত করে কাগজপত্রের সঙ্গে আবেদনকারীর চাহিত সংশোধনের মিল রয়েছে বলে সুপারিশ করেন। এরপরই বাধে বিপত্তি।
তদন্ত রিপোর্ট পজিটিভ থাকার পরও নিজের এখতিয়ারভুক্ত সংশোধনী আবেদনের নিষ্পত্তি না করে এনআইডি মহাপরিচালকের কাছে ফাইল ফরোয়ার্ড করে দেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফরিদুল। পজিটিভ থাকা বেশিরভাগ ফাইলের ক্ষেত্রে তিনি ডিজির দ্বারস্থ হন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন পজিটিভ আসার পরও ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম এসএসসি সনদ চেয়ে আবেদন ফেরত পাঠান। শিক্ষাগত যোগ্যতা ডাউন চাওয়ার পরও তিনি এ আবেদনে এসএসসি সনদ চেয়েছেন। তাহলে কি মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলার জন্যই…
প্রতিবেদনে কী জানিয়েছেন থানা নির্বাচন কর্মকর্তা।

আবেদনকারী আরেফিন হৃদয়, তার জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তিনি তার জাতীয় পরিচয়পত্রে পিতার নাম আ. বাখিরের স্থলে গিয়াস উদ্দিন, মাতার নাম মো. ঝরনার স্থলে ঝড়না বেগম, শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিকের স্থলে চতুর্থ শ্রেণি এবং পেশা ছাত্র/ছাত্রীর স্থলে শ্রমিক চেয়ে অনলাইনে আবেদন করেছেন।

থানা নির্বাচন কর্মকর্তার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আবেদনকারীর সব দলিলাদির মূল কপি দেখা হয়েছে। তিনি ২০১৪ সালে ভোটার তালিকাভুক্ত হয়েছেন। আবেদনকারীর ডাটাবেজে শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক পাস। তিনি উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেননি, চতুর্থ শ্রেণি পাস করেছেন মর্মে হলফনামা করে সে মোতাবেক সংশোধন চেয়েছেন। আবেদনকারী জানান, তিনি ভোটার হওয়ার সময় ভুলক্রমে শ্বশুরের নাম পিতা হিসেবে ব্যবহার করে ভোটার হয়েছেন। তার দাখিলকৃত জন্মসনদ, নাগরিকত্ব সনদ, ওয়ারিশান সনদ, পিতার মৃত্যুর সনদ, পিতার জন্মসনদ ও হলফনামার সঙ্গে চাহিত তথ্যের মিল রয়েছে। এ অবস্থায় আবেদনকারীর ডাটাবেজে শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক পাস থাকায় এবং সার্বিক পর্যালোচনায় তার চাহিত তথ্যাবলি সংশোধনের জন্য মহোদয়ের সদয় সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।

আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে ফরিদুলের বিরুদ্ধে:
ইসি কর্মকর্তারা জানান, তদন্ত প্রতিবেদন পজিটিভ আসার পরও ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম এসএসসি সনদ চেয়ে আবেদন ফেরত পাঠান। শিক্ষাগত যোগ্যতা ডাউন চাওয়ার পরও তিনি এ আবেদনে এসএসসি সনদ চেয়েছেন। তাহলে কি মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলার জন্যই আঞ্চলিক কর্মকর্তা ফরিদুল অযৌক্তিক কাগজপত্র চাচ্ছেন,প্রশ্ন রাখেন ওই কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর এক কর্মকর্তা বলেন, আঞ্চলিক কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলামের কাছে এনআইডি সংশোধনের জন্য গেলে নাগরিকরা চরম ভোগান্তির শিকার হন। এ কর্মকর্তা শুধু সাধারণ জনগণকে নয়, এনআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অর্থাৎ অনুবিভাগটির মহাপরিচালককেও নানাভাবে ভোগান্তিতে ফেলেন। নিজের এখতিয়ারভুক্ত ফাইলের দায়িত্ব না নিয়ে এনআইডির মহাপরিচালকের কাছে পাঠিয়ে দেন। ফলে সেবা নিতে আসা সাধারণ জনগণ ফাইলের পেছনে দিনের পর দিন ছুটছেন।
তিনি আরও বলেন, ফরিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। তারপরও কমিশন তার বিরুদ্ধে নিশ্চুপ। কারণ, তিনি বেশিরভাগ সময় সচিবালয়ে কমিশনারসহ বড় বড় স্যারদের কাছে গিয়ে বসে থাকেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ফরিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ লেনদেনেরও অভিযোগ আছে। তিনি ঢাকা অঞ্চলের দায়িত্ব পাওয়ার পর রাজশাহী থেকে উনার পছন্দের কম্পিউটার অপারেটর নিয়ে এসেছেন। যিনি বর্তমানে একই টেবিলে ফরিদুল ইসলামের চেয়ারের পাশে বসেন। কারণ, রাজশাহীতে উনি যখন দায়িত্বে ছিলেন তখন তিনি এ কম্পিউটার অপারেটরের মাধ্যমে সব লেনদেন করতেন বলে অভিযোগ আছে। এখানে আসার পরও তিনি ওই কম্পিউটার অপারেটরকে দিয়ে অর্থ লেনদেন করেন। যারা ওই ছেলের মাধ্যমে আসেন তাদের এনআইডি সংশোধন হয়ে যায়।

ঢাকা অঞ্চলের দায়িত্ব নিয়েই ফরিদুল প্রথম তিন মাসে বিপুল অবৈধ অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে রেকর্ড সংখ্যক এনআইডি সংশোধন করেছিলেন। এ বিষয়ে সচিবালয়ে জানাজানি হওয়ার পর তিনি সাবধান হয়ে যান।
বর্তমানে তিনি আরও ভালো পদায়ন পেতে নিজ অফিসে কাজ না করে বেশিরভাগ সময় সচিবালয়ে পড়ে থাকেন বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
সংশোধনী আবেদনে ‘অযৌক্তিক’ কাগজপত্র চাওয়া প্রসঙ্গে ফরিদুল ইসলামের কাছে জানতে চাওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে, তাই আমি চেয়েছি।’
শিক্ষাগত যোগ্যতা ডাউন চাওয়ার পরও কোন আইনে এসএসসি সনদ, প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড চেয়েছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি এটা বলতে পারব না। আমার কাছে মনে হয়েছে এটা যৌক্তিক, তাই চেয়েছি।’
এরপর ‘আপনি ভালো থাকবেন’ বলে ইসির এ কর্মকর্তা ফোন রেখে দেন।

নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, ‘এনআইডি সংশোধনে আইনের বাইরে মনগড়া কিছু করার সুযোগ নেই। শিক্ষাগত যোগ্যতা ডাউন চাওয়ার পরও শিক্ষার সনদ চাওয়ার কথা না। তবে এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে, সেটি আমরা খতিয়ে দেখব।’

কয়েক মাস এনআইডির ভারপ্রাপ্ত ডিজির দায়িত্ব পালন করা অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার আরও জানান, ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা তার এখতিয়ারভুক্ত বেশিরভাগ ‘গ’ ক্যাটাগরির সংশোধনের আবেদনের ফাইল ডিজির কাছে পাঠিয়ে দেন। অথচ, ‘গ’ ক্যাটাগরির আবেদন নিষ্পত্তি করার দায়িত্ব তার। কিন্তু তিনি সেটি করেন না।

এ প্রসঙ্গে জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবিব খান (অব.)  বলেন, ‘অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে ঢাকায় এনআইডি সংশোধনের জন্য অনেক বেশি আবেদন পড়ে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত দ্রুততার সঙ্গে এনআইডির সেবা প্রদানে সচেষ্ট। তবে, সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে বিলম্ব বা হয়রানি বা অসংগতি সম্পর্কিত অভিযোগ পাওয়া গেলে অথবা কমিশনের নজরে এলে তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’

‘এনআইডি সংশোধনে নির্দিষ্ট বিধি ও পদ্ধতি আছে। প্রত্যেকটি এনআইডির সংশোধনী আবেদন সেভাবেই বিবেচনা করার কথা। এক্ষেত্রে কোনো প্রকার অযৌক্তিক কাগজপত্র চেয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার প্রশ্নই আসে না। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে কমিশন থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’

তথ্য :স/কা/~ঢাকা পোস্ট

 

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন..

ট্যাগস:-

আইডি সংশোধনে অযৌক্তিক পেপারস চেয়ে বাতিল করে ইসি কর্মকর্তা ফরিদুল!

আপডেট সময়- ০৮:০১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মে ২০২৪

‘অযৌক্তিক কাগজপত্র’ চেয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে বাতিল সহ নানান অনিয়মের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে.!

 

অনলাইন ডেস্ক।।

 

সাধারন নাগরিকদের নানান কাজে অপরিহার্য হয়ে পড়েছে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)।প্রিন্টিং সহ তথ্যের ভূল ও গরমিল থাকায় অনেককে এটি সংশোধন করতে হচ্ছে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই এনআইডি  সংশোধন করা বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে  একটা কঠিন কাজ হয়ে উঠেছে।

দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা নির্দিষ্ট বিধি ও পদ্ধতি মেনে এনআইডি সংশোধন করতে বাধ্য হলেও তাদের কেউ কেউ নাগরিকদের অকারণে বহু ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়। এমন বহু অভিযোগ বছরের পর বছর করে আসছেন ভুক্তভোগী অনেক নাগরিকগন। সম্প্রতি পরিচয়পত্র সংশোধনের আবেদন করে চাহিদা অনুযায়ী সকল ধরনের প্রদান করেও বিনা কারণে ‘অযৌক্তিক কাগজপত্র’ চেয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি সহ নানান অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ১৬০ জন। যাদের সবারই এনআইডি রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০০৭-০৮ সালে যখন প্রথম এনআইডির কার্যক্রম শুরু হয় তখন কেউ জানতেন না যে জাতীয় পরিচয়পত্রের এ এনআইডি কার্ড ভবিষ্যতে ‘জাতীয় দলিল’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত বা গন্য হবে। তখন সেটা কেউই তেমন গুরুত্ব দেননি।তাছাড়া অপরিপক্ক, অল্প শিক্ষিত লোকবল দারা এ কার্ড তৈরি করা হয়েছিল ভুরি ভূরি ভুলের মাধ্যমে।  এটি যদি তখন সাধারণ মানুষ বুঝতেন তাহলে শুরুতেই সবাই এ বিষয়ে সতর্ক থাকতেন নির্ভূলতার মাপকাঠিতে। মূলত, ওই সময় নির্বাচন কমিশনের প্রচারের অভাবে এবং অদক্ষ জনবলের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালনা করে ভূলের সৃষ্টি।  বিশাল এ জনগোষ্ঠীর অধিকাংশের এনআইডিতে কিছু না কিছু ভুল রয়েই গেছে। যেগুলো সংশোধন করতে গিয়ে নিয়মিত ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ জনগণকে। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা থেকে শুরু করে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারাও এনআইডি সংশোধনের নামে নাগরিকদের দিনের পর দিন নানান ভোগান্তিতে ফেলছেন।

২০০৭-০৮ সালে যখন এনআইডির প্রথম কার্যক্রম শুরু হয় তখন কিন্তু নির্বাচন কমিশন বা সরকার থেকে নাগরিকদের এনআইডির গুরুত্বের বিষয়ে সেভাবে তেমন সচেতন করা হয়নি। ফলে নাগরিকরা মনগড়া তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি একজনের তথ্য আরেকজনও দিয়েছিলেন। কার্ডে বয়স, নাম, শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ বিভিন্ন ধরনের ভুল তথ্য রয়ে যায়। নাগরিকরা যখন বুঝতে পারেন এনআইডি সংশোধন ছাড়া সেবা মিলবে না, তখন অনলাইনে আবেদন করে এনআইডি সংশোধন করতে নির্বাচন কমিশনের অফিসে অফিসে ঘুরতে থাকেন।

 

তাদের মধ্যে এক ভুক্তভোগী নারীর নাম মোসাঃ শাহিদা বেগম, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার এনায়েতনগর ইউনিয়নের মাসদাইর বারৈভোগ এলাকার  বাসিন্দা পর পর চারবার আবেদন করেও শেষ রক্ষা হয়নি ওই ইসি কর্মকর্তার হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। প্রথমবার আবেদন ভূল দেখিয়ে বাতিল করে দেন,এরপর দ্বিতীয়বার আবেদন সহি শুদ্ধভাবে করেন এক সাংবাদিকের সহায়তায়,সেইবার নির্ভলভাবে আবেদন করার পরে, যাচাই বাছাই করে তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য পাঠান নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার বরাবর, সেখান থেকে পূনরায় কাগজপত্র চাওয়া হলে তা ফুলফিল করে জমা দিয়ে সহি প্রতিবেদন পাঠালেও তিনি তা কেনো কারন ছাড়াই রহস্যজনক কারনে বাতিল করে দেন,আর্থিক সুবিধা পাওয়ার লক্ষ্যে।এরপর ওই নারী ফের আবেদন করলে,এবার ফের কোন ধরনের শুনানি ও কারন ছাড়াই দীর্ঘ একমাস পরে সে আবেদনটি ফের বাতিল করেন,এভাবে পরপর চারবার। এখনো স্বামী সহ সংশোধনের আশায় ধারে ধারে ঘুরছেন ওই ভুক্তভোগী নারী, কারন ভোটার আইডি সংশোধন ছাড়া পৈতৃক ভিটা-জায়গা জমি হাত ছাড় হয়ে যাচ্ছে। এমন বহু সাধারণ মানুষের গগনবিদারী আর্তচিৎকারে কানে পৌঁছায় না ওই দূর্নীতি গ্রস্ত ইসি কর্মকর্তা ফরিদুলের।

 

ভুক্তভোগী একজন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার কাজী রুবেল। ২০০৮ সালে করা নিজের এনআইডিতে ভুল থাকার কারনে সম্প্রতি সংশোধনের জন্য আবেদন করেন। পাসপোর্ট ও জন্মনিবন্ধনের সঙ্গে মিল রেখে বয়স, মায়ের নামের আংশিক পরিবর্তনসহ মায়ের এনআইডি নম্বর যুক্ত করেন। আগে শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক পাস থাকলেও এখন তিনি সপ্তম শ্রেণি উল্লেখ করতে চাচ্ছেন। তার আবেদনটির যথাযথ যৌক্তিকতা থাকলেও সংশোধন না করে অযৌক্তিক কাগজপত্র চেয়েছেন ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম।

যেসব কাগজপত্র চেয়েছেন আঞ্চলিক কর্মকর্তা কাজী রুবেল তার এনআইডি সংশোধনী আবেদনে পাঁচ বছর বয়স, মায়ের নাম কাজী শামীমা আক্তার থেকে শামীমা আক্তার এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক থেকে সপ্তম শ্রেণি করতে চেয়েছেন। একই সঙ্গে সংশোধনী আবেদনে অনলাইন জন্মনিবন্ধন, পাসপোর্ট, মায়ের এনআইডি, পারিবারিক সনদ, ম্যাজিস্ট্রেট হলফনামা এবং ক্ষমার দরখাস্ত দিয়েছেন। আবেদনকারী শিক্ষাগত যোগ্যতা সপ্তম শ্রেণি চাওয়ার পরও ফরিদুল ইসলাম এসএসসি সনদ, প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড চেয়ে আবেদনটি ফেরত পাঠিয়ে দেন।

তবে ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, সংশোধনী আবেদনে এসব কাগজপত্র চাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলতেই এমন কাগজপত্র চান আঞ্চলিক কর্মকর্তা ফরিদুল।

আরেক ভুক্তভোগী, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার আরেফিন হৃদয়। তিনি গত বছর নিজ এনআইডি সংশোধনের আবেদন করেন। সংশোধনী আবেদনে তিনি পিতার নাম আ. বাখির থেকে গিয়াস উদ্দিন, মায়ের নাম মো. ঝরনা থেকে ঝড়না বেগম, শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক থেকে চতুর্থ শ্রেণি এবং পেশা ছাত্র থেকে শ্রমিক চেয়েছেন। সংশোধনী আবেদনের সঙ্গে অনলাইন জন্মসনদ, নাগরিকত্ব সনদ, ওয়ারিশা সনদ, মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র, পিতার জন্ম ও মৃত্যুর সনদ, ম্যাজিস্ট্রেট হলফনামা, স্ত্রী ও শ্বশুরের জাতীয় পরিচয়পত্রসহ কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
হৃদয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুরুতে এনআইডি উইংয়ের উপ-পরিচালক থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে তদন্তের জন্য পাঠান। থানা নির্বাচন কর্মকর্তা সরেজমিনে তদন্ত করে কাগজপত্রের সঙ্গে আবেদনকারীর চাহিত সংশোধনের মিল রয়েছে বলে সুপারিশ করেন। এরপরই বাধে বিপত্তি।
তদন্ত রিপোর্ট পজিটিভ থাকার পরও নিজের এখতিয়ারভুক্ত সংশোধনী আবেদনের নিষ্পত্তি না করে এনআইডি মহাপরিচালকের কাছে ফাইল ফরোয়ার্ড করে দেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফরিদুল। পজিটিভ থাকা বেশিরভাগ ফাইলের ক্ষেত্রে তিনি ডিজির দ্বারস্থ হন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন পজিটিভ আসার পরও ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম এসএসসি সনদ চেয়ে আবেদন ফেরত পাঠান। শিক্ষাগত যোগ্যতা ডাউন চাওয়ার পরও তিনি এ আবেদনে এসএসসি সনদ চেয়েছেন। তাহলে কি মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলার জন্যই…
প্রতিবেদনে কী জানিয়েছেন থানা নির্বাচন কর্মকর্তা।

আবেদনকারী আরেফিন হৃদয়, তার জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তিনি তার জাতীয় পরিচয়পত্রে পিতার নাম আ. বাখিরের স্থলে গিয়াস উদ্দিন, মাতার নাম মো. ঝরনার স্থলে ঝড়না বেগম, শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিকের স্থলে চতুর্থ শ্রেণি এবং পেশা ছাত্র/ছাত্রীর স্থলে শ্রমিক চেয়ে অনলাইনে আবেদন করেছেন।

থানা নির্বাচন কর্মকর্তার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আবেদনকারীর সব দলিলাদির মূল কপি দেখা হয়েছে। তিনি ২০১৪ সালে ভোটার তালিকাভুক্ত হয়েছেন। আবেদনকারীর ডাটাবেজে শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক পাস। তিনি উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেননি, চতুর্থ শ্রেণি পাস করেছেন মর্মে হলফনামা করে সে মোতাবেক সংশোধন চেয়েছেন। আবেদনকারী জানান, তিনি ভোটার হওয়ার সময় ভুলক্রমে শ্বশুরের নাম পিতা হিসেবে ব্যবহার করে ভোটার হয়েছেন। তার দাখিলকৃত জন্মসনদ, নাগরিকত্ব সনদ, ওয়ারিশান সনদ, পিতার মৃত্যুর সনদ, পিতার জন্মসনদ ও হলফনামার সঙ্গে চাহিত তথ্যের মিল রয়েছে। এ অবস্থায় আবেদনকারীর ডাটাবেজে শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চ মাধ্যমিক পাস থাকায় এবং সার্বিক পর্যালোচনায় তার চাহিত তথ্যাবলি সংশোধনের জন্য মহোদয়ের সদয় সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।

আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে ফরিদুলের বিরুদ্ধে:
ইসি কর্মকর্তারা জানান, তদন্ত প্রতিবেদন পজিটিভ আসার পরও ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম এসএসসি সনদ চেয়ে আবেদন ফেরত পাঠান। শিক্ষাগত যোগ্যতা ডাউন চাওয়ার পরও তিনি এ আবেদনে এসএসসি সনদ চেয়েছেন। তাহলে কি মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলার জন্যই আঞ্চলিক কর্মকর্তা ফরিদুল অযৌক্তিক কাগজপত্র চাচ্ছেন,প্রশ্ন রাখেন ওই কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অপর এক কর্মকর্তা বলেন, আঞ্চলিক কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলামের কাছে এনআইডি সংশোধনের জন্য গেলে নাগরিকরা চরম ভোগান্তির শিকার হন। এ কর্মকর্তা শুধু সাধারণ জনগণকে নয়, এনআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অর্থাৎ অনুবিভাগটির মহাপরিচালককেও নানাভাবে ভোগান্তিতে ফেলেন। নিজের এখতিয়ারভুক্ত ফাইলের দায়িত্ব না নিয়ে এনআইডির মহাপরিচালকের কাছে পাঠিয়ে দেন। ফলে সেবা নিতে আসা সাধারণ জনগণ ফাইলের পেছনে দিনের পর দিন ছুটছেন।
তিনি আরও বলেন, ফরিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই। তারপরও কমিশন তার বিরুদ্ধে নিশ্চুপ। কারণ, তিনি বেশিরভাগ সময় সচিবালয়ে কমিশনারসহ বড় বড় স্যারদের কাছে গিয়ে বসে থাকেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা আরও জানান, ফরিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ লেনদেনেরও অভিযোগ আছে। তিনি ঢাকা অঞ্চলের দায়িত্ব পাওয়ার পর রাজশাহী থেকে উনার পছন্দের কম্পিউটার অপারেটর নিয়ে এসেছেন। যিনি বর্তমানে একই টেবিলে ফরিদুল ইসলামের চেয়ারের পাশে বসেন। কারণ, রাজশাহীতে উনি যখন দায়িত্বে ছিলেন তখন তিনি এ কম্পিউটার অপারেটরের মাধ্যমে সব লেনদেন করতেন বলে অভিযোগ আছে। এখানে আসার পরও তিনি ওই কম্পিউটার অপারেটরকে দিয়ে অর্থ লেনদেন করেন। যারা ওই ছেলের মাধ্যমে আসেন তাদের এনআইডি সংশোধন হয়ে যায়।

ঢাকা অঞ্চলের দায়িত্ব নিয়েই ফরিদুল প্রথম তিন মাসে বিপুল অবৈধ অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে রেকর্ড সংখ্যক এনআইডি সংশোধন করেছিলেন। এ বিষয়ে সচিবালয়ে জানাজানি হওয়ার পর তিনি সাবধান হয়ে যান।
বর্তমানে তিনি আরও ভালো পদায়ন পেতে নিজ অফিসে কাজ না করে বেশিরভাগ সময় সচিবালয়ে পড়ে থাকেন বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
সংশোধনী আবেদনে ‘অযৌক্তিক’ কাগজপত্র চাওয়া প্রসঙ্গে ফরিদুল ইসলামের কাছে জানতে চাওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে, তাই আমি চেয়েছি।’
শিক্ষাগত যোগ্যতা ডাউন চাওয়ার পরও কোন আইনে এসএসসি সনদ, প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড চেয়েছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি এটা বলতে পারব না। আমার কাছে মনে হয়েছে এটা যৌক্তিক, তাই চেয়েছি।’
এরপর ‘আপনি ভালো থাকবেন’ বলে ইসির এ কর্মকর্তা ফোন রেখে দেন।

নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, ‘এনআইডি সংশোধনে আইনের বাইরে মনগড়া কিছু করার সুযোগ নেই। শিক্ষাগত যোগ্যতা ডাউন চাওয়ার পরও শিক্ষার সনদ চাওয়ার কথা না। তবে এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে, সেটি আমরা খতিয়ে দেখব।’

কয়েক মাস এনআইডির ভারপ্রাপ্ত ডিজির দায়িত্ব পালন করা অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার আরও জানান, ঢাকা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা তার এখতিয়ারভুক্ত বেশিরভাগ ‘গ’ ক্যাটাগরির সংশোধনের আবেদনের ফাইল ডিজির কাছে পাঠিয়ে দেন। অথচ, ‘গ’ ক্যাটাগরির আবেদন নিষ্পত্তি করার দায়িত্ব তার। কিন্তু তিনি সেটি করেন না।

এ প্রসঙ্গে জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আহসান হাবিব খান (অব.)  বলেন, ‘অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে ঢাকায় এনআইডি সংশোধনের জন্য অনেক বেশি আবেদন পড়ে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত দ্রুততার সঙ্গে এনআইডির সেবা প্রদানে সচেষ্ট। তবে, সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে বিলম্ব বা হয়রানি বা অসংগতি সম্পর্কিত অভিযোগ পাওয়া গেলে অথবা কমিশনের নজরে এলে তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’

‘এনআইডি সংশোধনে নির্দিষ্ট বিধি ও পদ্ধতি আছে। প্রত্যেকটি এনআইডির সংশোধনী আবেদন সেভাবেই বিবেচনা করার কথা। এক্ষেত্রে কোনো প্রকার অযৌক্তিক কাগজপত্র চেয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার প্রশ্নই আসে না। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে কমিশন থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’

তথ্য :স/কা/~ঢাকা পোস্ট