ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:-
আজ থেকে সারাদেশে একযোগে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু তেলের পর এলপি গ্যাসে প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারে ২১২ টাকা বৃদ্ধি তেলের সংকট না থাকলে পাম্পে ৩ কিলোমিটার লাইন কেন: সংসদে রুমিন ফারহানা হাইকোর্টের বিচারকাজ চলবে সপ্তাহে ২ দিন ভার্চুয়ালি টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে ৭০ হাজার ইয়াবাসহ আটক-৩ টেকনাফে পুলিশের পৃথক অভিযানে ২২ আসামি গ্রেপ্তার কক্সবাজারে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার সব ধরনের জালানি তেলের দাম বাড়লো অকটেন-১৪০, পেট্রোল-১৩৫, ডিজেল-১১৫ টাকা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি তেল পাবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কুষ্টিয়ায় ৩২ ঘণ্টা পর শ্রমিকদের প‌রিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার শ্রীমঙ্গলে মাদকসহ বিভিন্ন মামলায় ১০ জন গ্রেপ্তার খুলনায় ডিউটিরত অবস্থায় নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ সদস্যের আত্মহনন কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় মাদক জব্দ টেকনাফে মুক্তিপন দাবিতে অপহৃত ৩ জন উদ্ধার করেছে র‍্যাব-১৫ টেকনাফ হোয়াইক্যংয়ে ৮ হাজার ইয়াবাসহ আটক-১ নারায়ণগঞ্জে লেকের পানিতে ডুবে দুই সহোদরের অকাল মৃত্যু কমলগঞ্জে মজুরি ও রেশন বন্ধে মানবেতর জীবনযাপন করছে চা শ্রমিকরা কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ রাশিয়া থেকে তেল কিনতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের অনুমতি দিল যুক্তরাষ্ট্র নতুন আরও একটি উপজেলা পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান আর নেই আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস; স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুরু আজ নতুন দুই দিবস পালন করবে সরকার, ছুটি থাকছে একটিতে না’গঞ্জে ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শীতলক্ষ্যায় পরে গেল প্রাইভেট কার কুষ্টিয়ায় রাসেল ভাইপারের কামড়ে কৃষকের মৃত্যু জ্বালানি সংকট ও ট্রাফিকের অব্যবস্থাপনায় স্থবির রাজধানী ঢাকা দেশে হাম-হামের উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু,আক্রান্ত ২০ হাজার ছাড়ালো দেশে প্রায় সাড়ে ৪০ লাখ মামলার জট নিরসনে সরকারের ৯ বিশেষ পদক্ষেপ হজ্বের প্রথম ফ্লাইট ১৮ এপ্রিল, এবছর হজ্ব যাত্রী ৭৮ হাজার ৫’শ হয়রানিমূলক রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী হামে প্রতিটি শিশু মৃত্যুর জন্য ‘হত্যা মামলা’ হওয়া উচিত: মাসুদ কামাল বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে শ্রীমঙ্গলে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবা খুন,বড় ভাই গুরুতর আহত টেকনাফে কোস্টগার্ডর অভিযানে ২২ হাজার ইয়াবাসহ আটক-২ টেকনাফে ৩৬ হাজার ইয়াবাসহ আটক-১ অটোমেশন প্রকল্পের আওতায় ভূমিসেবা সহজতর হবে; বিভাগীয় কমিশনার নারায়ণগঞ্জে প্রবাসী মাসুম হত্যার অন্যতম আসামি শাকিল গ্রেপ্তার হাসনাত আব্দুল্লাহর ওপর মব করে হামলা করেছে যুবদল: যুবশক্তি চট্টগ্রামে আ’লীগ নেতার বাসায় গিয়ে তোপের মুখে হাসনাত আবদুল্লাহ বর্ষবরণে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ আজ ছেঁড়া-ফাটা নোট গ্রহণ ও বিনিময়মূল্য প্রদান বাধ্যতামূলক করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কুষ্টিয়ায় ভ্রাম্যমাণ অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় মদ উদ্ধার বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: ২৭৩ প্রাণের শঙ্কা, টেকনাফে স্বজনদের আহাজারি দুপুরে জামিন,বিকেলে কারামুক্ত সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী জামিন পেলেন সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ভারতের কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে মারা গেছেন টেকনাফে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমন ঘিরে প্রস্তুতি জোরদার, মাঠে প্রশাসন কুষ্টিয়ায় ‘পীরের’ আস্তানায় হামলা-ভাঙচুর-আগুন, নিহত-১ কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণে ভারতীয় মাদক জব্দ জাতীয় সংসদে পাস হলো, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল-২০২৬ শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন না’গঞ্জের কৃতি সন্তান সাংবাদিক মুন্না বাংলার জয়যাত্রা জাহাজকে হরমুজ প্রণালীতে আটকে দিলো ইরান নারায়ণগঞ্জে মেহেদী এন্টারপ্রাইজ থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজেল জব্দ,গ্রেপ্তার-২ টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে সাতকোটি টাকার ইয়াবাসহ আটক-২ কুষ্টিয়ায় কবরস্থানে মাটি ভরাট নিয়ে দুই গ্রামবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত-১৫ ঐতিহাসিক ১০ এপ্রিল আজ, মুজিবনগর সরকার গঠন দিবস নারায়ণগঞ্জে বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষ-গোলাগুলি, শিশুসহ গুলিবিদ্ধ-২ কুষ্টিয়ায় ৩১ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা মূল্যমানের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি টেকনাফের মেরিন ড্রাইভে বস্তাবন্দি অজ্ঞাত যুবকের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার গাইবান্ধায় পেট্রোল নিয়ে সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে আহত-৩, আটক-১ সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন, ৩ দিন অফলাইনে ক্লাস: শিক্ষকরা স্কুল এসে নেবেন: শিক্ষামন্ত্রী সোনারগাঁ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিজ অর্থায়নে জরুরি ঔষধ নিয়ে হাজির হলেন এমপি মান্নান কুষ্টিয়ায় স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড টেকনাফে মিনিপিক‌আপ বোঝাই বিপুল পরিমাণে ইয়াবাসহ আটক-২ নারায়ণগঞ্জে তিন থানায় নতুন ওসি বলৎকারের তথ্য ফাঁস হওয়ার শঙ্কায় সৈকতকে হত্যা, অভিযুক্ত কিশোর আটক সারাদেশে পর্যাক্রমে চালু হচ্ছে ‘ফুয়েল পাস’ কার্যক্রম টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে ২৩ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ জ্বালানি সংকটে কুষ্টিয়ায় মোটরসাইকেল বাজারে ধস সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন’র রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ গত দেড় বছর যেভাবে আত্মগোপনে ছিলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন না’গঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় পরিকল্পিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটসহ গৃহকর্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ ইউএনও হোসনে আরাকে সাতক্ষীরা থেকে এবার রাজশাহীতে বদলি যেভাবে গ্রেপ্তার হলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী নিজ বাসা থেকে আটক টেকনাফে সড়কের পাশের অবৈধ দোকান উচ্ছেদ টেকনাফে ১৫ হাজার ইয়াবাসহ আটক-২ কারবারি নারায়নগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শুভ হত্যার অন্যতম আসামি ‘লাল শুভ’ আটক না’গঞ্জে ফের খু/ন! নিখোঁজের ১দিন পর মিললো মাদ্রাসা ছাত্রের গ/লা/কা/টা মরদেহ না’গঞ্জে মেডিস্টার হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিকসহ ৩ স্বাস্থ্যসেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে অর্থদন্ড ড. ইউনূসসহ সকল উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ সোনারগাঁয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা দুই ডিআইজিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি সিলেটের শাহজালাল সার কারখানা জ্বালানি সংকটে বন্ধ  নারায়ণগঞ্জে একযোগে দুই থানার ওসি প্রত্যাহার রূপগঞ্জে দায়িত্ব নিলেন নবনিযুক্ত ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও সড়ক বিভাগের উদ্যোগে শতাধিক অবৈধ স্থাপন উচ্ছেদ কক্সবাজারে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে ড্রোন সদৃশ রহস্যময় বস্তু টেকনাফ স্থলবন্দর উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা জোরদারে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত  না’গঞ্জে স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রানার বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ ওঠা যুবকের লাশ শনাক্ত আজ থেকে অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে ৪টা, মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টায় আজ থেকে শুরু হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা কোচিং সেন্টার আইনের আওতায় আসবে: শিক্ষামন্ত্রী দেশে জ্বালানি সাশ্রয়: আজ থেকে অফিস-ব্যাংকের নতুন সূচি নারায়ণগঞ্জে বন্ধ পোশাক কারখানায় নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার আ’লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের অধ্যাদেশ হচ্ছে আইন,থাকছে শাস্তির বিধান নারায়ণগঞ্জে পৃথক অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ আটক-২

বাঙালিকে ধর্মের আফিম খাইয়ে দূর্বল ও ধ্বংস করা হয়েছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময়- ০৬:৫৮:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪ ৪০৮ বার পড়া হয়েছে
~প্রতিকী ছবি>>
তারই ধারাবাহিকতায় বারবার বাংলাকে টুকরো করা হয়েছে..!
মানস বন্দ্যোপাধ্যায়,কলকাতা।।
অতীতের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় অবিভক্ত ভারতের অর্ধেক জুড়েই ছিল বাঙালির বিস্তীর্ণ ভূমি। আজকের দুই বাংলা, বিহার,আসাম, ওড়িশা, ত্রিপুরা বাংলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। বাঙালির প্রগতি, বুদ্ধিমত্তার পরিচয় পেয়ে প্রথম ব্রিটিশ শাসক বাঙালির বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু করে।
১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ চক্রান্ত ভারতীয় জাতীয়তাবাদীদের তীব্র বিরোধিতার সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসাবে  চিহ্নিত। ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন বিস্তীর্ণ প্রদেশে শাসন ব্যবস্থার উন্নতির একটি উপায় হিসেবে বিভাজনের প্রস্তাব করেছিলেন। ১৭৬৫  সাল থেকে বাংলা, বিহার এবং উড়িষ্যা একটি ঐক্যবদ্ধ অঞ্চল ছিল, কিন্তু ১৯০০ সাল নাগাদ এর আয়তন নিয়ন্ত্রণের অযোগ্য হয়ে পড়ে।
বঙ্গভঙ্গের পটভূমি>>
বাংলা, প্রদেশের মধ্যে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা, বাংলাদেশ এবং আসাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই বিশাল বাংলা ১৭৬৫ সাল থেকে ব্রিটিশ শাসনের অধীনে ছিল।
প্রদেশটি তার বৃহৎ আকার এবং দ্রুত বর্ধমান জনসংখ্যার কারণে প্রশাসনের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠে।
বাংলার পূর্বাঞ্চলের গ্রামীণ এলাকাগুলি শিল্প, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের দিক থেকে অবহেলিত ছিল। কিন্তু বেশির ভাগ উন্নয়ন ছিল কলকাতাকে কেন্দ্র করে।
লর্ড কার্জন ভারতে আসার আগেই প্রশাসনিক সুবিধার জন্য প্রদেশটিকে বিভক্ত করার ধারণাটি বিদ্যমান ছিল। ১৮৭৪  সালে আসামকে পৃথক করা হয়েছিল।
প্রাথমিকভাবে, কার্জন একটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসাবে বিভাজনের প্রস্তাব করেছিলেন কিন্তু পরে এটিকে ক্রমবর্ধমান জাতীয়তাবাদকে দুর্বল করার একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে দেখেছিলেন।
তার প্রস্তাবিত বিভাজনের ফলে দুটি প্রদেশ হবে: বাংলা (পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং বিহার সহ) এবং দ্বিতীয়টি পূর্ববঙ্গ ও আসাম।
বাংলা কেন্দ্রীয় প্রদেশের কাছে পাঁচটি হিন্দি-ভাষী রাজ্য হারাবে কিন্তু একই অঞ্চল থেকে ওড়িয়া-ভাষী রাজ্যগুলি পাবে।
পূর্ব বাংলায় পার্বত্য ত্রিপুরা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী এবং ঢাকা বিভাগ থাকবে যার রাজধানী হবে ঢাকা।
বাংলায় হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকবে, আর পূর্ব বাংলা এবং আসামে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকবে। কলকাতা থাকবে  বাংলার রাজধানী। পূর্ব বাংলার রাজধানী হবে ঢাকা।
লর্ড কার্জনের ফর্মুলা অনুযায়ী গায়ের জোরে বাংলাকে প্রথম দু টুকরো করা হলো।
বঙ্গভঙ্গের কারণ>>
১৯০৫  সালে, ভারতে ব্রিটিশ প্রশাসক লর্ড কার্জন ১৬  অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেন। এই বিভাজনের পিছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল বাঙালির নেতৃত্বে ক্রমবর্ধমান অশান্তির ফলে বাঙালিকে দুর্বল করা। যদিও প্রাথমিকভাবে বলা হয়েছে প্রশাসনিক শাসন ব্যবস্থার সুবিধার কথা।  বাংলা, একটি উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যার একটি বিশাল প্রদেশ হওয়ায়, পূর্বাঞ্চলে আরও সুগম ও দক্ষ শাসন কাঠামো প্রতিষ্ঠার জন্য বিভক্ত করা হয়েছিল।এই বিভাজনের ফলে তীব্র বিক্ষোভের সূচনা হয়।
বাংলা বিভাগ সমগ্র অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছিল।
বাঙালিরা বিভক্তিকে তাদের দেশের অপমান হিসেবে দেখে এবং বাংলার পুনর্মিলনের আহ্বান জানায়।
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস, সেই সময়ের একটি বিশিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠন, জাতিগত ভিত্তিতে বিভাজনের নিন্দা করেছিল।
প্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালিরা এই পরিবর্তনের বিরোধিতা করেছিল কারণ এটি তাদের প্রদেশের মধ্যে একটি ভাষাগত সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে।
অনেক বাঙালি মুসলমান দেশভাগকে সমর্থন করেছিলেন , কারণ তারা বিশ্বাস করেছিলেন যে এটি নতুন প্রদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে তাদের শিক্ষাগত, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক স্বার্থকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য লর্ড কার্জনের প্রতিশ্রুতি মুসলমানদের জন্য তাদের শিক্ষা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের একটি সুযোগ হিসেবে দেখা হয়েছিল।
বঙ্গভঙ্গকে ব্রিটিশ সরকার তাদের “ভাগ করো এবং শাসন করো”  অর্থাৎ ” Divide  and Rule” কৌশল বাস্তবায়নের জন্য নিযুক্ত একটি কৌশল হিসাবে গ্রহণ করেছিল, যা বাঙালি এবং জাতীয়তাবাদীদের মধ্যে দেশপ্রেমিক অনুভূতিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।
 তারপর থেকেই বাঙালিকে বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠী এক স্থান থেকে ভিন্ন স্থানে ধাক্কা দিতে দিতে দুর্বল ও আরো বিভাজনের দিকে ঠেলে নিয়ে গেছে। শুধু আসাম,বিহার, ত্রিপুরা ওড়িশাই নয়, এর বাইরেও ছোট্ট অবিভক্ত বাংলাকে ব্রিটিশের পদ লেহানকারী  জওহারলাল নেহরু, কায়েদি আজম জিন্নাহ ও গান্ধী ধারালো ধর্মের করাত দিয়ে দুটুকরো করলেন। বাঙালির মেরুদন্ডকে ভেঙে দেওয়া হলো। বাঙালির পরিচয় আর বাঙালি হিসাবে রইলো না। বাঙালি হিন্দু,বাঙালি মুসলমান। রাম এবং রহিমের মধ্যে লড়াই। বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলাম এবং বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মধ্যে যেন একটা প্রাচীর ঘেরা হলো।
ছোট বেলায় যে চাচার কোলে বসে আম খেয়েছি, যে চাচা আমাদের বাড়িতে এসে ঢেঁকি শাক, লাউ শাক দিয়ে গেছেন। অঙ্গনে বসে দৈ চিড়া খেয়ে গেছেন,সেই মুসলিম চাচা ও হিন্দু ভাতিজার সম্পর্কে ফাটল ধরেছে। গ্রামের হাটখোলার অদূরে বিকালের স্তব্ধ পরিবেশকে প্রাঞ্জল করে যখন আজানের শব্দ কানে আসতো, তখন মসজিদের আসে পাশে রোহন, আসিফের সঙ্গে আমরা ঘুরতাম। আমাদের চা বাগানের দুর্গা ও কালী মূর্তি তৈরি করতেন রহমত আলী চাচা। পুজোয় আসতেন পরিবার নিয়ে।কেউ আপত্তি তোলেনি। কিন্তু ক্রমশ একশ্রেনীর ব্রাহ্মণ ও মোল্লারা ধর্মের অপব্যাখ্যা করে এমন নেশাগ্রস্ত করে দিলেন,যার জন্য আজো ফেলে আসা নিজের মাটির জন্য চোখ ফেলা হিন্দু বাঙালিকে শুনতে হচ্ছে, জমি গেছে,ভিটে গেছে,  বিভক্ত বাঙালি হিন্দুর পুরোহিতের গলা কাটা হচ্ছে। মহিলাদের গনিমতের মাল করা হচ্ছে। মন্দির পুড়ছে,মূর্তি ভাঙচুর হচ্ছে। তাই মনে হচ্ছে বাঙালি শুধু দু টুকরোই হয়নি, নিজেরাও একদিন ইতিহাস হয়ে যাবে।
দুই বাংলা যদি ভাগ না হতো তাহলে জনসংখ্যার এবং আয়তনের বিচারে ভারতে বাংলার লোকসভা আসনের সংখ্যা ১০০ হয়ে যেতো। বর্তমানে উত্তর প্রদেশের আসন সংখ্যা ৮০ টি। তাই ভারতীয় রাজনীতিতে উত্তর প্রদেশের আসল চাবিকাঠি। এটা অবিভক্ত ভারত হলে বাঙালি ভারতে প্রধান মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হতেন। আর সেটিকে চিরকালের জন্য রুখে দিতে  উত্তর প্রদেশের জওহরলাল নেহরু বাঙালিকে কেটেছিলেন। হায়রে বাঙালি সেই চক্রান্ত ধরতে পারে নি ধর্মের কালো চশমা পড়ায়। ঠিক পাকিস্তানও একই ফর্মুলা অনুযায়ী কাজ করেছিল। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে পাকিস্তানের সংসদে সংখ্যা গরিষ্ঠ সদস্য নির্বাচনে জয়ী হওয়া সত্বেও শাসন ক্ষমতা তুলে দেয় নি। নির্মম অত্যাচার করে ইসলামকে কলুষিত করেছে।
বাঙালি তবুও জাগবে না। হিন্দু ,মুসলীম বাঙালির পরিচয়ে স্বত্বা ও আসল অস্তিত্ব হারাতে চলেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

ট্যাগস:-

বাঙালিকে ধর্মের আফিম খাইয়ে দূর্বল ও ধ্বংস করা হয়েছে

আপডেট সময়- ০৬:৫৮:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪
~প্রতিকী ছবি>>
তারই ধারাবাহিকতায় বারবার বাংলাকে টুকরো করা হয়েছে..!
মানস বন্দ্যোপাধ্যায়,কলকাতা।।
অতীতের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় অবিভক্ত ভারতের অর্ধেক জুড়েই ছিল বাঙালির বিস্তীর্ণ ভূমি। আজকের দুই বাংলা, বিহার,আসাম, ওড়িশা, ত্রিপুরা বাংলার অন্তর্ভুক্ত ছিল। বাঙালির প্রগতি, বুদ্ধিমত্তার পরিচয় পেয়ে প্রথম ব্রিটিশ শাসক বাঙালির বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু করে।
১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ চক্রান্ত ভারতীয় জাতীয়তাবাদীদের তীব্র বিরোধিতার সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসাবে  চিহ্নিত। ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন বিস্তীর্ণ প্রদেশে শাসন ব্যবস্থার উন্নতির একটি উপায় হিসেবে বিভাজনের প্রস্তাব করেছিলেন। ১৭৬৫  সাল থেকে বাংলা, বিহার এবং উড়িষ্যা একটি ঐক্যবদ্ধ অঞ্চল ছিল, কিন্তু ১৯০০ সাল নাগাদ এর আয়তন নিয়ন্ত্রণের অযোগ্য হয়ে পড়ে।
বঙ্গভঙ্গের পটভূমি>>
বাংলা, প্রদেশের মধ্যে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা, বাংলাদেশ এবং আসাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই বিশাল বাংলা ১৭৬৫ সাল থেকে ব্রিটিশ শাসনের অধীনে ছিল।
প্রদেশটি তার বৃহৎ আকার এবং দ্রুত বর্ধমান জনসংখ্যার কারণে প্রশাসনের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠে।
বাংলার পূর্বাঞ্চলের গ্রামীণ এলাকাগুলি শিল্প, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের দিক থেকে অবহেলিত ছিল। কিন্তু বেশির ভাগ উন্নয়ন ছিল কলকাতাকে কেন্দ্র করে।
লর্ড কার্জন ভারতে আসার আগেই প্রশাসনিক সুবিধার জন্য প্রদেশটিকে বিভক্ত করার ধারণাটি বিদ্যমান ছিল। ১৮৭৪  সালে আসামকে পৃথক করা হয়েছিল।
প্রাথমিকভাবে, কার্জন একটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসাবে বিভাজনের প্রস্তাব করেছিলেন কিন্তু পরে এটিকে ক্রমবর্ধমান জাতীয়তাবাদকে দুর্বল করার একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে দেখেছিলেন।
তার প্রস্তাবিত বিভাজনের ফলে দুটি প্রদেশ হবে: বাংলা (পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং বিহার সহ) এবং দ্বিতীয়টি পূর্ববঙ্গ ও আসাম।
বাংলা কেন্দ্রীয় প্রদেশের কাছে পাঁচটি হিন্দি-ভাষী রাজ্য হারাবে কিন্তু একই অঞ্চল থেকে ওড়িয়া-ভাষী রাজ্যগুলি পাবে।
পূর্ব বাংলায় পার্বত্য ত্রিপুরা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী এবং ঢাকা বিভাগ থাকবে যার রাজধানী হবে ঢাকা।
বাংলায় হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকবে, আর পূর্ব বাংলা এবং আসামে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকবে। কলকাতা থাকবে  বাংলার রাজধানী। পূর্ব বাংলার রাজধানী হবে ঢাকা।
লর্ড কার্জনের ফর্মুলা অনুযায়ী গায়ের জোরে বাংলাকে প্রথম দু টুকরো করা হলো।
বঙ্গভঙ্গের কারণ>>
১৯০৫  সালে, ভারতে ব্রিটিশ প্রশাসক লর্ড কার্জন ১৬  অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেন। এই বিভাজনের পিছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল বাঙালির নেতৃত্বে ক্রমবর্ধমান অশান্তির ফলে বাঙালিকে দুর্বল করা। যদিও প্রাথমিকভাবে বলা হয়েছে প্রশাসনিক শাসন ব্যবস্থার সুবিধার কথা।  বাংলা, একটি উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যার একটি বিশাল প্রদেশ হওয়ায়, পূর্বাঞ্চলে আরও সুগম ও দক্ষ শাসন কাঠামো প্রতিষ্ঠার জন্য বিভক্ত করা হয়েছিল।এই বিভাজনের ফলে তীব্র বিক্ষোভের সূচনা হয়।
বাংলা বিভাগ সমগ্র অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছিল।
বাঙালিরা বিভক্তিকে তাদের দেশের অপমান হিসেবে দেখে এবং বাংলার পুনর্মিলনের আহ্বান জানায়।
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস, সেই সময়ের একটি বিশিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠন, জাতিগত ভিত্তিতে বিভাজনের নিন্দা করেছিল।
প্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালিরা এই পরিবর্তনের বিরোধিতা করেছিল কারণ এটি তাদের প্রদেশের মধ্যে একটি ভাষাগত সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে।
অনেক বাঙালি মুসলমান দেশভাগকে সমর্থন করেছিলেন , কারণ তারা বিশ্বাস করেছিলেন যে এটি নতুন প্রদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে তাদের শিক্ষাগত, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক স্বার্থকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য লর্ড কার্জনের প্রতিশ্রুতি মুসলমানদের জন্য তাদের শিক্ষা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের একটি সুযোগ হিসেবে দেখা হয়েছিল।
বঙ্গভঙ্গকে ব্রিটিশ সরকার তাদের “ভাগ করো এবং শাসন করো”  অর্থাৎ ” Divide  and Rule” কৌশল বাস্তবায়নের জন্য নিযুক্ত একটি কৌশল হিসাবে গ্রহণ করেছিল, যা বাঙালি এবং জাতীয়তাবাদীদের মধ্যে দেশপ্রেমিক অনুভূতিকে দুর্বল করে দিয়েছিল।
 তারপর থেকেই বাঙালিকে বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠী এক স্থান থেকে ভিন্ন স্থানে ধাক্কা দিতে দিতে দুর্বল ও আরো বিভাজনের দিকে ঠেলে নিয়ে গেছে। শুধু আসাম,বিহার, ত্রিপুরা ওড়িশাই নয়, এর বাইরেও ছোট্ট অবিভক্ত বাংলাকে ব্রিটিশের পদ লেহানকারী  জওহারলাল নেহরু, কায়েদি আজম জিন্নাহ ও গান্ধী ধারালো ধর্মের করাত দিয়ে দুটুকরো করলেন। বাঙালির মেরুদন্ডকে ভেঙে দেওয়া হলো। বাঙালির পরিচয় আর বাঙালি হিসাবে রইলো না। বাঙালি হিন্দু,বাঙালি মুসলমান। রাম এবং রহিমের মধ্যে লড়াই। বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলাম এবং বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মধ্যে যেন একটা প্রাচীর ঘেরা হলো।
ছোট বেলায় যে চাচার কোলে বসে আম খেয়েছি, যে চাচা আমাদের বাড়িতে এসে ঢেঁকি শাক, লাউ শাক দিয়ে গেছেন। অঙ্গনে বসে দৈ চিড়া খেয়ে গেছেন,সেই মুসলিম চাচা ও হিন্দু ভাতিজার সম্পর্কে ফাটল ধরেছে। গ্রামের হাটখোলার অদূরে বিকালের স্তব্ধ পরিবেশকে প্রাঞ্জল করে যখন আজানের শব্দ কানে আসতো, তখন মসজিদের আসে পাশে রোহন, আসিফের সঙ্গে আমরা ঘুরতাম। আমাদের চা বাগানের দুর্গা ও কালী মূর্তি তৈরি করতেন রহমত আলী চাচা। পুজোয় আসতেন পরিবার নিয়ে।কেউ আপত্তি তোলেনি। কিন্তু ক্রমশ একশ্রেনীর ব্রাহ্মণ ও মোল্লারা ধর্মের অপব্যাখ্যা করে এমন নেশাগ্রস্ত করে দিলেন,যার জন্য আজো ফেলে আসা নিজের মাটির জন্য চোখ ফেলা হিন্দু বাঙালিকে শুনতে হচ্ছে, জমি গেছে,ভিটে গেছে,  বিভক্ত বাঙালি হিন্দুর পুরোহিতের গলা কাটা হচ্ছে। মহিলাদের গনিমতের মাল করা হচ্ছে। মন্দির পুড়ছে,মূর্তি ভাঙচুর হচ্ছে। তাই মনে হচ্ছে বাঙালি শুধু দু টুকরোই হয়নি, নিজেরাও একদিন ইতিহাস হয়ে যাবে।
দুই বাংলা যদি ভাগ না হতো তাহলে জনসংখ্যার এবং আয়তনের বিচারে ভারতে বাংলার লোকসভা আসনের সংখ্যা ১০০ হয়ে যেতো। বর্তমানে উত্তর প্রদেশের আসন সংখ্যা ৮০ টি। তাই ভারতীয় রাজনীতিতে উত্তর প্রদেশের আসল চাবিকাঠি। এটা অবিভক্ত ভারত হলে বাঙালি ভারতে প্রধান মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হতেন। আর সেটিকে চিরকালের জন্য রুখে দিতে  উত্তর প্রদেশের জওহরলাল নেহরু বাঙালিকে কেটেছিলেন। হায়রে বাঙালি সেই চক্রান্ত ধরতে পারে নি ধর্মের কালো চশমা পড়ায়। ঠিক পাকিস্তানও একই ফর্মুলা অনুযায়ী কাজ করেছিল। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে পাকিস্তানের সংসদে সংখ্যা গরিষ্ঠ সদস্য নির্বাচনে জয়ী হওয়া সত্বেও শাসন ক্ষমতা তুলে দেয় নি। নির্মম অত্যাচার করে ইসলামকে কলুষিত করেছে।
বাঙালি তবুও জাগবে না। হিন্দু ,মুসলীম বাঙালির পরিচয়ে স্বত্বা ও আসল অস্তিত্ব হারাতে চলেছে।