ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:-
নারায়ণগঞ্জে ঈদ লাইটিং ও সেহেরির ডাকের নামে অভিনব চাঁদাবাজি; অতিষ্ঠ নগরবাসী ২৮ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগের কোন সত্যতা পায়নি পিবিআই মোহামেডান ক্লাবের ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান হলেন মাসুদুজ্জামান সংবাদপত্রে ঈদের ছুটি ৫ দিন ঘোষণা করলো নোয়াব জঙ্গল সলিমপুরে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার, গ্রেপ্তার-২২ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের নতুন এমডি হলেন বাছির জামাল নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করলেন অভিনেত্রী তিথি নগরবাসীকে নিরাপদ রাখতে চলমান অভিযান অব্যহত থাকবে: এসপি নারায়ণগঞ্জে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত নারায়ণগঞ্জে ছিনতাই হওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই পুলিশের পিস্তল উদ্ধার, গ্রেপ্তার-৩ সিদ্ধিরগঞ্জে অজ্ঞাত যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার নারায়ণগঞ্জে ছিনতাইয়ের শিকার পুলিশ,সরকারি অস্ত্র লুট ২৫ মার্চ সারাদেশে প্রতীকী ব্ল্যাকআউট পালনের সিদ্ধান্ত সরকারের বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ, সারা দেশে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা দ্রুত সৌদি আরব ছাড়তে মার্কিন কূটনীতিকদের নির্দেশ রাজধানীর বনানীতে তিনতলা থেকে ফেলে গৃহকর্মীকে হত্যা ঈদ উদযাপনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা ও সজাগ দৃষ্টি রাখবে: জেলা প্রশাসক টেকনাফে কোস্টগার্ড-র‍্যাবের যৌথ অভিযানে নারী ও শিশুসহ ৩২ জন উদ্ধার কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্যে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা ওসমান হাদি হত্যা মামলার মূল আসামি ফয়সাল ভারতে গ্রেপ্তার পেট্রোল পাম্পের কর্মচারীদের পিটুনিতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সদস্য নিহত সিদ্ধিগঞ্জে গণপিটুনিতে ছিনতাইকারী নিহত, ব্যবহৃত হোন্ডা জ্বালিয়ে দিয়েছেন উত্তেজিত জনতা আজ থেকে নতুন পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি শুরু আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস নারায়ণগঞ্জে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট নিরসনে প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ অভিযান কুষ্টিয়ায় ‘ইবি’ শিক্ষিকা রুনা হত্যার প্রতিবাদে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্বজনদের মানববন্ধন শীলখালী চেকপোস্টে বিজিবির অভিযানে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক-১ সেন্টমার্টিনে কোস্টগার্ডের অভিযানে ১০ কেজি গাঁজাসহ ৯ মাদক পাচারকারী আটক ফের মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের পরিচালক হলেন নারায়ণগঞ্জের কৃতি সন্তান মাসুদুজ্জামান নারায়ণগঞ্জের ফিলিং স্টেশনগুলোতে স্বাভাবিকের চেয়ে ক্রেতাদের বাড়তি ভিড় জুড়ীর হাকালুকি হাওরে সূর্যমুখী চাষে অভুতপূর্ব সাফল্যে কৃষকের স্বস্তি  ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত আজ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ নারায়ণগঞ্জে আবারও গ্যাস বিস্ফোরণ, আহত-৩ ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা বেঁধে দিল বিপিসি আগামী রোববার থেকে যে পদ্ধতিতে বিক্রি হবে জ্বালানি তেল গাইবান্ধায় অনিয়ম-দুর্নীতির তদন্তে এসে ‘অবরুদ্ধ’ বিএডিসি প্রকৌশলী কক্সবাজারে ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক গাইবান্ধায় চাঁদা না পেয়ে কারখানায় হামলা, বিএনপির তিন নেতা গ্রেপ্তার নাফ নদীর তীরবর্তী কেওড়া বাগান থেকে অস্ত্র সহ গোলাবারুদ উদ্ধার ঈদে বাড়তি ভাড়া নিলেই রুট পারমিট বাতিল: পরিবহন মন্ত্রী ইবির শিক্ষিকা হত্যার ঘটনায় ৪ জনকে আসামী করে থানায় অভিযোগ অবশেষে জামিনে মুক্ত সাংবাদিক আনিস আলমগীর নির্বাহী আদেশে ১৮ মার্চ থেকে ছুটি ঘোষণা, এবার ঈদের ছুটি ৭ দিন এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শন; তিন কর্মকর্তার বদলি, ভূমি অফিসের কার্যক্রম বন্ধ অসত্য অপপ্রচারের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন এডিআইজি আপেল মাহমুদ খুলনায় শ্রমিকদল নেতাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা, আটক-১ বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধির শঙ্কা ইরানের ‘সুইসাইড ড্রোনে’ চরম চ্যালেঞ্জের মুখে মার্কিন বাহিনী  ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটি দিচ্ছে না ভারত বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলি দূতাবাসে হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের ভূমি অফিসের বারান্দায় বসেছিলেন প্রতিমন্ত্রী, অফিস তখনো খোলেনি শামীম ওসমানসহ ১২ জনকে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির আদেশ চলতি ২০২৫-২৬ করবছরে ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন ৪০ লাখের বেশি করদাতা: এনবিআর ফের দেশের ৬ জেলায় পুলিশে এসপি পদে রদবদল চিকিৎসায় অবহেলায় চার রোগীর মৃত্যু: ১০ চিকিৎসকের নিবন্ধন স্থগিত নারায়ণগঞ্জে আসন্ন মহাঅষ্টমী পূণ্যস্নান ঘিরে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা মৌলভীবাজারে ১১০ বস্তা ভারতীয় জিরাসহ আটক-১ কুষ্টিয়ায় ছুরিকাঘাতে ইবি সহকারী অধ্যাপক নিহত টেকনাফে কোস্টগার্ডের পৃথক অভিযানে সাড়ে ৭ কোটি টাকার ইয়াবা জব্দ, আটক-১ ইনানীতে কোস্টগার্ডের অভিযানে ৭ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ ঋতুরাজ বসন্তের আগমনী বার্তায় মৌলভীবাজারের পথে-প্রান্তরে ফুটেছে চিরচেনা বুনোফুল ‘ভাট’ কুলিয়ারচরে নিখোঁজের ২৬ দিন পর টয়লেট ট্যাংক থেকে শিশুর গলিত মরদেহ উদ্ধার ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম, হুইপ আরও ৬ জন মধ্যপ্রাচ্যে হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত, আহত-৭ মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হলেন ৩ সাংবাদিক দৌলতপুরে বোমা সদৃশ একটি বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ মৌলভীবাজারে ১৬ টাকার লেবু ৮০ টাকায় বিক্রির অভিযোগে ছয় প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে দুবাইতে মৌলভীবাজারের আলী নিহত ইরানের বিরুদ্ধে এবার যুদ্ধে জড়াচ্ছে ফ্রান্স-জার্মানি ও যুক্তরাজ্য খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের সঙ্গে যারা যোগ দিল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৪ ডিসিকে বদলি একযোগে ৫ জেলার ডিসি প্রত্যাহার সেন্টমার্টিনে কোস্টগার্ডের অভিযান: ১৫ মানবপাচারকারী আটক, নারী-শিশুসহ উদ্ধার-১৫৩ উখিয়া ব্যাটালিয়ন-৬৪ বিজিবি’র ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: মাদক-চোরাচালান দমনে অভূতপূর্ব সাফল্য উপবৃত্তির প্রলোভনে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল: অধ্যক্ষ রঞ্জু কারাগারে কুষ্টিয়া সীমান্তে বিপুল পরিমান ভারতীয় চকলেট বাজিসহ মদ উদ্ধার তিথি-আলভীর পরকীয়ার গুঞ্জন-অভিনেতার স্ত্রীর আত্মহত্যার নেপথ্যে কি রহস্য? সুরক্ষিত ভবনে আয়াতুল্লাহ খামেনিকে কীভাবে হত্যা করা হলো? খামেনিকে হত্যা, ইতিহাসের সর্বোচ্চ ধ্বংসাত্মক হামলার ঘোষণা ইরানের আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ ইরান, প্রতিশোধের ঘোষণা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ ছাড়লেন ড. ইউনূস পুলিশি পাহারা সত্ত্বেও স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যানের বাসায় সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ার নারায়ণগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু ও নার্স নিহত আত্মহত্যার আগে ফেসবুক পোস্টে যা বলেছিল আলভীর স্ত্রী ইকরা নারায়ণগঞ্জে বকেয়া বেতন দাবিতে সড়ক অবরোধ, পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে আহত-১০ উখিয়ায় বিজিবির অভিযানে মালিকবিহীন ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার ফের নতুন যে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো আইভীকে ঈশ্বরদীতে জোড়া খুন, বাড়ির উঠানে দাদির, সরিষাক্ষেতে নাতনির মরদেহ উদ্ধার ঈদে এবার লম্বা ছুটি পাবেন সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তার ও কর্মচারীরা পুলিশের ‘১০ হাজার’ কনস্টেবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, এসএসসি পাশেই আবেদন সেনাবাহিনীর উচ্চপর্যায়ে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ পদে ফের রদবদল শঙ্কা কাটিয়ে অবশেষে পর্দা উঠল অমর একুশে বইমেলার মব সহিংসতার শঙ্কায় বাসভবন ছাড়ছেন না সাবেক উপদেষ্টারা আইপি টিভি ও অনলাইন পোর্টাল নীতিমালার আওতায় আনা হবে: তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগে আইনি নোটিশ রাজারবাগ পুলিশ স্মৃতিসৌধে নবনিযুক্ত আইজিপির শ্রদ্ধা কক্সবাজারের সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদির জামিন মঞ্জুর

খাদ্যের নিশ্চয়তা ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে সারাদেশে সমবায় ছড়িয়ে দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময়- ০৬:৪১:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মে ২০২৪ ৩৪৩ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট।।

 

বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সরকারে আসার পর থেকেই আমাদের প্রচেষ্টা ছিল দেশের মানুষ ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত হবে। খাদ্যের নিশ্চয়তা ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই ছিল আমাদের মূল লক্ষ্য। আর এ জন্যই সারাদেশে সমবায় ছড়িয়ে দিতে হবে।’

শুক্রবার(১০ মে) সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দাড়িয়াকুল গ্রাম উন্নয়ন সমিতির সদস্যদের সঙ্গে মত বিনিময় এবং সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে কৃষি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যখন সেই পাকিস্তানি কারাগার থেকে দেশে ফিরে আসেন। তিনি বাংলাদেশটাকে স্বাধীন-সার্বভৌম ও উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নানানমূখী পদক্ষেপ নেন। আমাদের ভূ-খণ্ড অত্যন্ত ছোট কিন্তু আমাদের জনসংখ্যা বেশি। আর সেই সাথে সাথে আমাদের চাষ উপযোগী জমিও সীমিত। তার ওপর পরিবারগুলো যখন ভাগ হয়, প্রত্যেক জমিও ভাগ হয়। ভাগ হলেই সেখানে আইল বসে, অনেক চাষ উপযোগী জমি তাতে নষ্ট হয়ে যায়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যদি হিসাব করে দেখি, সেই ১৯৭৬ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত এ দেশের মানুষের কোনো আয় বাড়েনি। বরং ওই সাড়ে তিন বছরে জাতির পিতা মাথাপিছু আয় যেটুকু বৃদ্ধি করেছিলেন, ৯২ ডলার থেকে ২৭০ ডলার পর্যন্ত বাড়িয়েছিলেন। পরবর্তীতে দেখা যাচ্ছে, একটানা শুধু মানুষের আয় কমেই যাচ্ছে, কমেই যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণ মানুষের আয় বাড়েনি। কারণ জাতির পিতাকে হত্যা করে যারা ক্ষমতা নিয়েছিল, তারা প্রকৃতপক্ষে গণতান্ত্রিক ধারার না; তারা ক্ষমতা দখল করেছিল জাতির পিতাকে হত্যা করে এবং তারা এ দেশের মানুষের ভাগ্য গড়তে চায়নি। আমাদের স্বাধীনতাকে ব্যর্থ করতে চেয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাছাড়া বাংলাদেশের জনগণের দুঃখ দরিদ্রতা দূর করবার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পদক্ষেপ নেন। তিনি বলেছিলেন, আমি এই ঘুণে ধরা সমাজ ভেঙে নতুন সমাজ গড়ে তুলব। তিনি জানতেন, আমাদের যদি উৎপাদন বাড়াতে হয়, তাহলে সেখানে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ করতে হবে, শুধুমাত্র সনাতনী পদ্ধতিতে চাষ করলে হবে না,আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করতে হবে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশ, যেমন জাপানকে উদাহরণ হিসেবে তিনি দেখাতেন যে, জাপানের জমিতে যদি তিন গুণ বেশি সফল হয়, আমাদের দেশে কেন হবে না?’

 

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘আমরা ১৯৯৬ সালে ২১ বছর পর সরকারে আসি। সরকারে আসার পর থেকে আমাদের প্রচেষ্টা বাংলাদেশকে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করব এবং জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করেই আমরা কাজ করব। তখন এই একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পটা, ওই যে জাতির পিতা সমবায় করতে চেয়েছিলেন তারই আলোকে আমরা এটা গড়ে তুলি। প্রতিটি পরিবারের জন্য এটি হচ্ছে ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের ব্যবস্থা। ক্ষুদ্র ঋণের অধিক যে ট্যাক্স দিতে হয়, সেটা দিতে হবে না। টাকা নিয়ে অতি মাত্রায় সুদ দিতে হয়, সেটা দিতে হবে না। বরং সমবায়ের মাধ্যমে আমরা প্রত্যেকটা পরিবারকে যে সহযোগিতা করব, সেটা থেকে যে উৎপাদন হবে, সেই উৎপাদন থেকে কেউ যদি ১০০ টাকা জমাতে পারে তাহলে সরকারের কাছ থেকে আরও ১০০ টাকা দেওয়া হবে দুই বছরের জন্য। সেটা জমা হবে তার মূলধন হিসেবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এর জন্য একটা ব্যাংক তৈরি করেছি, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক। এই পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে এটা থাকবে। প্রকল্প থেকে যারা একটু স্বাবলম্বী হয়ে; পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকেই তাদের টাকা থাকবে তার মূলধন হিসেবে, তিনি ব্যবসা বা যেটাই করেন,হাঁস-মুরগি পালন বা চাষ করা, যে যেই কাজ পারবে সেই কাজ করে ওই ব্যাংক থেকে লোন নেবেন এবং কাজ করে টাকা শোধ দেবেন। অর্থাৎ সম্পূর্ণভাবে স্বাবলম্বী হবে।’

তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো ২০০১-এ বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এসে এটাও বন্ধ করে দেয় এক রকম বলতে গেলে। এর কার্যকারিতাই থাকে না। যা হোক, আমরা পরবর্তীতে সরকারে এসেছি এবং কাজ করে যাচ্ছি। একে একে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকটাকে আরও উন্নত করে গড়ে তোলা এবং সেই সাথে সাথে এই ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণ দেওয়া, আর ঋণের সাথে সাথে যারা সঞ্চয় করতে পারবে, পারলে তাদের এই আর্থিক সহায়তা দিয়েই স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা। সেই কাজটা কিন্তু আমরা করে যাচ্ছি।’

দেশের মানুষকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া নানা উদ্যোগের কথা এ সময় তিনি তুলে ধরেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা চাই, সারা বাংলাদেশে এভাবে মানুষকে নিয়ে যৌথভাবে উৎপাদন বৃদ্ধি, সঞ্চয়ের মাধ্যমে মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নতি এবং সঞ্চয়ের মাধ্যমে জীবনমান উন্নত করতে।’

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং দোয়া প্রার্থনা করেন। এ সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও তার সাথে উপস্থিত ছিলেন।

বিকেলে তিনি ঢাকার উদ্দেশে টুঙ্গিপাড়া ত্যাগ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

ট্যাগস:-

খাদ্যের নিশ্চয়তা ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে সারাদেশে সমবায় ছড়িয়ে দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময়- ০৬:৪১:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মে ২০২৪

ডেস্ক রিপোর্ট।।

 

বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সরকারে আসার পর থেকেই আমাদের প্রচেষ্টা ছিল দেশের মানুষ ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত হবে। খাদ্যের নিশ্চয়তা ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই ছিল আমাদের মূল লক্ষ্য। আর এ জন্যই সারাদেশে সমবায় ছড়িয়ে দিতে হবে।’

শুক্রবার(১০ মে) সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে দাড়িয়াকুল গ্রাম উন্নয়ন সমিতির সদস্যদের সঙ্গে মত বিনিময় এবং সুবিধা বঞ্চিতদের মাঝে কৃষি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যখন সেই পাকিস্তানি কারাগার থেকে দেশে ফিরে আসেন। তিনি বাংলাদেশটাকে স্বাধীন-সার্বভৌম ও উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নানানমূখী পদক্ষেপ নেন। আমাদের ভূ-খণ্ড অত্যন্ত ছোট কিন্তু আমাদের জনসংখ্যা বেশি। আর সেই সাথে সাথে আমাদের চাষ উপযোগী জমিও সীমিত। তার ওপর পরিবারগুলো যখন ভাগ হয়, প্রত্যেক জমিও ভাগ হয়। ভাগ হলেই সেখানে আইল বসে, অনেক চাষ উপযোগী জমি তাতে নষ্ট হয়ে যায়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যদি হিসাব করে দেখি, সেই ১৯৭৬ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত এ দেশের মানুষের কোনো আয় বাড়েনি। বরং ওই সাড়ে তিন বছরে জাতির পিতা মাথাপিছু আয় যেটুকু বৃদ্ধি করেছিলেন, ৯২ ডলার থেকে ২৭০ ডলার পর্যন্ত বাড়িয়েছিলেন। পরবর্তীতে দেখা যাচ্ছে, একটানা শুধু মানুষের আয় কমেই যাচ্ছে, কমেই যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণ মানুষের আয় বাড়েনি। কারণ জাতির পিতাকে হত্যা করে যারা ক্ষমতা নিয়েছিল, তারা প্রকৃতপক্ষে গণতান্ত্রিক ধারার না; তারা ক্ষমতা দখল করেছিল জাতির পিতাকে হত্যা করে এবং তারা এ দেশের মানুষের ভাগ্য গড়তে চায়নি। আমাদের স্বাধীনতাকে ব্যর্থ করতে চেয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাছাড়া বাংলাদেশের জনগণের দুঃখ দরিদ্রতা দূর করবার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পদক্ষেপ নেন। তিনি বলেছিলেন, আমি এই ঘুণে ধরা সমাজ ভেঙে নতুন সমাজ গড়ে তুলব। তিনি জানতেন, আমাদের যদি উৎপাদন বাড়াতে হয়, তাহলে সেখানে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ করতে হবে, শুধুমাত্র সনাতনী পদ্ধতিতে চাষ করলে হবে না,আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করতে হবে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশ, যেমন জাপানকে উদাহরণ হিসেবে তিনি দেখাতেন যে, জাপানের জমিতে যদি তিন গুণ বেশি সফল হয়, আমাদের দেশে কেন হবে না?’

 

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘আমরা ১৯৯৬ সালে ২১ বছর পর সরকারে আসি। সরকারে আসার পর থেকে আমাদের প্রচেষ্টা বাংলাদেশকে আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করব এবং জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করেই আমরা কাজ করব। তখন এই একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পটা, ওই যে জাতির পিতা সমবায় করতে চেয়েছিলেন তারই আলোকে আমরা এটা গড়ে তুলি। প্রতিটি পরিবারের জন্য এটি হচ্ছে ক্ষুদ্র সঞ্চয়ের ব্যবস্থা। ক্ষুদ্র ঋণের অধিক যে ট্যাক্স দিতে হয়, সেটা দিতে হবে না। টাকা নিয়ে অতি মাত্রায় সুদ দিতে হয়, সেটা দিতে হবে না। বরং সমবায়ের মাধ্যমে আমরা প্রত্যেকটা পরিবারকে যে সহযোগিতা করব, সেটা থেকে যে উৎপাদন হবে, সেই উৎপাদন থেকে কেউ যদি ১০০ টাকা জমাতে পারে তাহলে সরকারের কাছ থেকে আরও ১০০ টাকা দেওয়া হবে দুই বছরের জন্য। সেটা জমা হবে তার মূলধন হিসেবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এর জন্য একটা ব্যাংক তৈরি করেছি, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক। এই পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে এটা থাকবে। প্রকল্প থেকে যারা একটু স্বাবলম্বী হয়ে; পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকেই তাদের টাকা থাকবে তার মূলধন হিসেবে, তিনি ব্যবসা বা যেটাই করেন,হাঁস-মুরগি পালন বা চাষ করা, যে যেই কাজ পারবে সেই কাজ করে ওই ব্যাংক থেকে লোন নেবেন এবং কাজ করে টাকা শোধ দেবেন। অর্থাৎ সম্পূর্ণভাবে স্বাবলম্বী হবে।’

তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো ২০০১-এ বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এসে এটাও বন্ধ করে দেয় এক রকম বলতে গেলে। এর কার্যকারিতাই থাকে না। যা হোক, আমরা পরবর্তীতে সরকারে এসেছি এবং কাজ করে যাচ্ছি। একে একে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকটাকে আরও উন্নত করে গড়ে তোলা এবং সেই সাথে সাথে এই ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণ দেওয়া, আর ঋণের সাথে সাথে যারা সঞ্চয় করতে পারবে, পারলে তাদের এই আর্থিক সহায়তা দিয়েই স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা। সেই কাজটা কিন্তু আমরা করে যাচ্ছি।’

দেশের মানুষকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া নানা উদ্যোগের কথা এ সময় তিনি তুলে ধরেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা চাই, সারা বাংলাদেশে এভাবে মানুষকে নিয়ে যৌথভাবে উৎপাদন বৃদ্ধি, সঞ্চয়ের মাধ্যমে মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নতি এবং সঞ্চয়ের মাধ্যমে জীবনমান উন্নত করতে।’

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং দোয়া প্রার্থনা করেন। এ সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও তার সাথে উপস্থিত ছিলেন।

বিকেলে তিনি ঢাকার উদ্দেশে টুঙ্গিপাড়া ত্যাগ করেন।