ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

খুলনা ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্ত ভোটগ্রহণ চলছে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩১:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জুন ২০২৩ ৪৭ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট।।

 

আজ সোমবার(১২ জুন) খুলনা ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।স্বতঃস্ফূর্তভাবে সকাল ৮টা থেকে দক্ষিণের এই দুই সিটিতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।ভোট গ্রহণ চলবে টানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত। এ দুই  সিটিতেই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে ।
রাজধানী ঢাকা থেকে ৩ হাজার ৪৫৪টি সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নির্বাচনের সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে নির্বাচন কমিশন(ইসি)। এছাড়া দুই সিটিতে ইসির ৪১ জন নিজস্ব কর্মকর্তা পর্যবেক্ষণে মাঠে কাজ করছে। তারা ভোটের সার্বিক পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে সার্বক্ষনিক  ইসিকে অবহিত করবেন।

নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলেছেন,এ দুটি সিটি নির্বাচনে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণে ইসির মূল পরীক্ষা হচ্ছে ‘গোপন বুথের ডাকাত’ ঠেকানো। সদ্য সমাপ্ত গাজীপুর সিটি ভোটেও গোপন বুথে ঢুকে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠেছিল নির্বাচনী এজেন্টদের বিরুদ্ধে। এছাড়াও সিসি টিভি ক্যামেরায় ভোট দেওয়ার ‘গোপন বুথে ডাকাত দেখে’ গত বছরের অক্টোবরে গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচন বন্ধ করে দিয়েছিলো নির্বাচন কমিশন। এ ক্ষেত্রে দুই সিটি ভোটে গোপন বুথে ডাকাত থাকা তথা গোপন বুথে ঢুকে একজনের ভোট আরেকজন দিয়ে দেওয়ার শঙ্কার কথা জানিয়েছেন প্রার্থীরা।
যদিও সম্প্রতি সিলেটে গিয়ে সিইসি বলেছেন, কেউ কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ পাবে না। কেউ যদি কোনো ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে না পারেন, তাহলে চিৎকার দিলে। আমরা সিসি ক্যামেরায় তা দেখে তাতক্ষনিকভাবে ব্যবস্থা নিতে পারব।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

খুলনা ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্ত ভোটগ্রহণ চলছে

আপডেট সময় : ০৬:৩১:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জুন ২০২৩

ডেস্ক রিপোর্ট।।

 

আজ সোমবার(১২ জুন) খুলনা ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।স্বতঃস্ফূর্তভাবে সকাল ৮টা থেকে দক্ষিণের এই দুই সিটিতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়।ভোট গ্রহণ চলবে টানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত। এ দুই  সিটিতেই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে ।
রাজধানী ঢাকা থেকে ৩ হাজার ৪৫৪টি সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নির্বাচনের সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে নির্বাচন কমিশন(ইসি)। এছাড়া দুই সিটিতে ইসির ৪১ জন নিজস্ব কর্মকর্তা পর্যবেক্ষণে মাঠে কাজ করছে। তারা ভোটের সার্বিক পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে সার্বক্ষনিক  ইসিকে অবহিত করবেন।

নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলেছেন,এ দুটি সিটি নির্বাচনে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণে ইসির মূল পরীক্ষা হচ্ছে ‘গোপন বুথের ডাকাত’ ঠেকানো। সদ্য সমাপ্ত গাজীপুর সিটি ভোটেও গোপন বুথে ঢুকে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠেছিল নির্বাচনী এজেন্টদের বিরুদ্ধে। এছাড়াও সিসি টিভি ক্যামেরায় ভোট দেওয়ার ‘গোপন বুথে ডাকাত দেখে’ গত বছরের অক্টোবরে গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচন বন্ধ করে দিয়েছিলো নির্বাচন কমিশন। এ ক্ষেত্রে দুই সিটি ভোটে গোপন বুথে ডাকাত থাকা তথা গোপন বুথে ঢুকে একজনের ভোট আরেকজন দিয়ে দেওয়ার শঙ্কার কথা জানিয়েছেন প্রার্থীরা।
যদিও সম্প্রতি সিলেটে গিয়ে সিইসি বলেছেন, কেউ কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ পাবে না। কেউ যদি কোনো ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে না পারেন, তাহলে চিৎকার দিলে। আমরা সিসি ক্যামেরায় তা দেখে তাতক্ষনিকভাবে ব্যবস্থা নিতে পারব।