ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঘূর্ণিঝড় মোখা: ১২ ফুটেরও বেশি উচ্চতার প্রলয়ঙ্কারী জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৯:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ মে ২০২৩ ৩৯ বার পড়া হয়েছে
সমকালীন কাগজ রিপোর্ট।।
কক্সবাজার উপকূলে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার অগ্রবর্তী অংশের প্রভাব। কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এছাড়া উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, চাঁদপুর ও ভোলায় আট নম্বর মহাবিপদ সংকেত রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘন্টায় দেড়শ’ কিলোমিটারের বেশি হতে পারে।
কক্সবাজার, চট্টগ্রাম এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোতে ৮ থেকে ১২ ফুটেরও বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। আর উপকূলীয় বেশ কয়েকটি জেলায় ৫ থেকে ৭ ফুটেরও বেশি উচ্চতার জলোচ্ছাসের শঙ্কা দেখিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
এরই মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের সকল ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে সব জাহাজকে বন্দর ত্যাগের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। শাহ আমানত বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামা বন্ধ রয়েছে।
মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় কিছু বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ অথবা আংশিক চালু থাকবে। এতে করে বাড়তে পারে লোডশেডিং।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ঘূর্ণিঝড় মোখা: ১২ ফুটেরও বেশি উচ্চতার প্রলয়ঙ্কারী জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা

আপডেট সময় : ০৬:২৯:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ মে ২০২৩
সমকালীন কাগজ রিপোর্ট।।
কক্সবাজার উপকূলে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার অগ্রবর্তী অংশের প্রভাব। কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এছাড়া উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষীপুর, চাঁদপুর ও ভোলায় আট নম্বর মহাবিপদ সংকেত রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘন্টায় দেড়শ’ কিলোমিটারের বেশি হতে পারে।
কক্সবাজার, চট্টগ্রাম এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোতে ৮ থেকে ১২ ফুটেরও বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। আর উপকূলীয় বেশ কয়েকটি জেলায় ৫ থেকে ৭ ফুটেরও বেশি উচ্চতার জলোচ্ছাসের শঙ্কা দেখিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
এরই মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের সকল ধরনের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে সব জাহাজকে বন্দর ত্যাগের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। শাহ আমানত বিমানবন্দরে বিমান ওঠানামা বন্ধ রয়েছে।
মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় কিছু বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ অথবা আংশিক চালু থাকবে। এতে করে বাড়তে পারে লোডশেডিং।