ঢাকা ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:-
মৌলভীবাজারে পাঁচ দিনের ভারী বৃষ্টিতে ডুবছে কৃষকের স্বপ্ন আরও দুই মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেলেন আইভী আইভীর দুই মামলার জামিন আদেশ আজ : হাইকোর্ট চট্টগ্রাম নগরী পানির নিচে ভাসছে না; প্রতিমন্ত্রী দেশের সবকটি জেলায় রাতেই ১০০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা নারায়ণগঞ্জে পরিত্যক্ত অবস্থায় পুলিশের লুট হওয়া পিস্তল ও গুলি উদ্ধার যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টে এবার ট্রাম্পের ছবি ভোজ্যতেলের দামে ফের ধাক্কা, লিটারে ৪ টাকা বাড়ল সয়াবিন তেলের দাম ট্রেনের নিচে পরে যাওয়া শিশুসন্তান, ঝাঁপিয়ে পড়ে রক্ষা করলেন বাবা মৌলভীবাজারে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে গ্ৰামের পর গ্ৰাম প্লাবিত রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত ব্যক্তি শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন কুষ্টিয়ায় অস্ত্রোপচারের সময় শিশুর মৃত্যু, দুই চিকিৎসক আটক মৌলভীবাজারে ২৪ ঘন্টায় ১৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড মেরিন ড্রাইভে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক নিহত, আহত-২ সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ডে অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ পণ্যসহ ১৩ পাচারকারী আটক না’গঞ্জে পর্যাপ্ত পেট্রল আছে, যানবাহন না থাকায় অলস সময় কাটাচ্ছে পাম্প কর্মীরা কিংবদন্তী শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ কুলাউড়ার সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণে ভারতীয় সিগারেট জব্দ কুলাউড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে লণ্ডভণ্ড ইয়াকুব-তাজুল ডিগ্রি কলেজ না’গঞ্জের সাবেক মেয়র আইভীকে গ্রেপ্তার না দেখানোর নির্দেশ হাইকোর্টের না’গঞ্জে সাত খুনের ১যুগ পেরিয়ে গেলেও বিচারের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে পরিবার সেন্টমার্টিনে কোস্টগার্ডের পৃথক অভিযানে গাঁজা ও বিদেশি মদসহ আটক-১ টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে ১৫ হাজার ইয়াবা জব্দ গাইবান্ধায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে নিহত-৪, আহত-১ কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে মাদকসহ চোরাই পণ্য জব্দ টেকনাফে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ কুখ্যাত সন্ত্রাসী রাসেল আটক টেকনাফে র‍্যাবের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত একাধিক মামলার পলাতক আসামি ইদ্রিস গ্রেপ্তার ভেড়ামারায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অভিযান, কারন ছাড়া অনুপস্থিত ২ ডাক্তারকে শোকজ কুষ্টিয়ায় নিখোঁজের ১দিন পরে বাগানে মিলল যুবকের মরদেহ শ্রীমঙ্গলে ভারতীয় পন্য এস এ পরিবহন থেকে উদ্ধার রাজশাহীতে কলেজ শিক্ষিকাকে জুতাপেটা, বিএনপি নেতা বহিষ্কার টেকনাফে বিজিবির হোয়াইক্যং চেকপোস্টে ৮ হাজার ইয়াবাসহ সিএনজি চালক আটক টেকনাফে বিদেশি পিস্তলসহ কুখ্যাত মানবপাচারকারী আটক নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগার সংলগ্ন ঝুটের গুদামে ভয়াবহ আগুন ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান আর নেই রাজধানী ঢাকা জেলার প্রথম নারী ডিসি হলেন ফরিদা খানম সিদ্ধিরগঞ্জে একাধিক মামলার আসামী সিরাজ মন্ডল গ্রেপ্তার ফরিদপুর ও শেরপুর জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ টেকনাফে বিজিবির অভিযানে ২০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ  কমলগঞ্জে ছুরিকাঘাতে বৃদ্ধাকে হত্যা, ঘাতক আটক ভেড়ামারায় ক্লিনিক মালিকের রহস্যময় আত্মহত্যা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণে কারো সাথে বৈরী আচরণ নয়: প্রধানমন্ত্রী নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় উপজেলা পরিষদে ‘পরিদর্শন কক্ষ’ পাচ্ছেন এমপিরা না’গঞ্জে সুষ্ঠু ও নকল মুক্ত পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে: কেন্দ্র পরিদর্শনে ডিসি  নারায়ণগঞ্জে ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, কেন্দ্রসচিবকে অব্যহতি কুষ্টিয়ায় ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে বড় ভাই খুন নারায়ণগঞ্জে কিশোর গ্যাংয়ের চাঁদাবাজীতে বন্ধ হলো ভাঙারি পণ্যের রিসাইক্লিং কারখানা টেকনাফের গহীন পাহাড় থেকে তিন যুবকের মরদেহ উদ্ধার নারায়ণগঞ্জে ৩৩ হাজার ২০৮ শিক্ষার্থী এসএসসি পরিক্ষায় বসছে আজ সাড়ে ১৮ লাখ পরিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় বসেছে আজ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান ৫.১ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল প্রবেশপথ না পেয়ে রাতেই ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করল এসএসসি পরীক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের অবহেলায় অনিশ্চিত গাইবান্ধার ১৫০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা শিগ্রই শেষ হচ্ছে ‘এটা আমাদেরই গল্প’ জনপ্রিয় ধারাবাহিক সিরিয়াল মৌলভীবাজারে ট্রাক-বাস সংঘর্ষে ৩৫০ মুরগি মারা গেছে  সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন পেলেন ফরিদা ইয়াসমিন বিএনপি’র মনোনয়ন পেলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রীর কন্যা জহরত শ্রীমঙ্গলে হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় টিআইবির ফেলোশিপ ঘোষণা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের প্রটোকল দিতে ডিসি-এসপিদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয় না’গঞ্জে আম খাওয়ানোর প্রলোভনে ৩ বছরের শিশু ধর্ষণ, কিশোর গ্রেপ্তার  নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত মাসুদুজ্জামান সংরক্ষিত আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যে ৩৬ জন আজ থেকে সারাদেশে একযোগে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু তেলের পর এলপি গ্যাসে প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারে ২১২ টাকা বৃদ্ধি তেলের সংকট না থাকলে পাম্পে ৩ কিলোমিটার লাইন কেন: সংসদে রুমিন ফারহানা হাইকোর্টের বিচারকাজ চলবে সপ্তাহে ২ দিন ভার্চুয়ালি টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে ৭০ হাজার ইয়াবাসহ আটক-৩ টেকনাফে পুলিশের পৃথক অভিযানে ২২ আসামি গ্রেপ্তার কক্সবাজারে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার সব ধরনের জালানি তেলের দাম বাড়লো অকটেন-১৪০, পেট্রোল-১৩৫, ডিজেল-১১৫ টাকা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি তেল পাবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কুষ্টিয়ায় ৩২ ঘণ্টা পর শ্রমিকদের প‌রিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার শ্রীমঙ্গলে মাদকসহ বিভিন্ন মামলায় ১০ জন গ্রেপ্তার খুলনায় ডিউটিরত অবস্থায় নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ সদস্যের আত্মহনন কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় মাদক জব্দ টেকনাফে মুক্তিপন দাবিতে অপহৃত ৩ জন উদ্ধার করেছে র‍্যাব-১৫ টেকনাফ হোয়াইক্যংয়ে ৮ হাজার ইয়াবাসহ আটক-১ নারায়ণগঞ্জে লেকের পানিতে ডুবে দুই সহোদরের অকাল মৃত্যু কমলগঞ্জে মজুরি ও রেশন বন্ধে মানবেতর জীবনযাপন করছে চা শ্রমিকরা কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ রাশিয়া থেকে তেল কিনতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের অনুমতি দিল যুক্তরাষ্ট্র নতুন আরও একটি উপজেলা পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান আর নেই আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস; স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুরু আজ নতুন দুই দিবস পালন করবে সরকার, ছুটি থাকছে একটিতে না’গঞ্জে ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শীতলক্ষ্যায় পরে গেল প্রাইভেট কার কুষ্টিয়ায় রাসেল ভাইপারের কামড়ে কৃষকের মৃত্যু জ্বালানি সংকট ও ট্রাফিকের অব্যবস্থাপনায় স্থবির রাজধানী ঢাকা দেশে হাম-হামের উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু,আক্রান্ত ২০ হাজার ছাড়ালো দেশে প্রায় সাড়ে ৪০ লাখ মামলার জট নিরসনে সরকারের ৯ বিশেষ পদক্ষেপ হজ্বের প্রথম ফ্লাইট ১৮ এপ্রিল, এবছর হজ্ব যাত্রী ৭৮ হাজার ৫’শ হয়রানিমূলক রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী হামে প্রতিটি শিশু মৃত্যুর জন্য ‘হত্যা মামলা’ হওয়া উচিত: মাসুদ কামাল বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে শ্রীমঙ্গলে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবা খুন,বড় ভাই গুরুতর আহত টেকনাফে কোস্টগার্ডর অভিযানে ২২ হাজার ইয়াবাসহ আটক-২ টেকনাফে ৩৬ হাজার ইয়াবাসহ আটক-১

যোগাসনে শিশুদের সুস্থ রেখে পড়াশোনার মনোযোগ বাড়ান 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময়- ০৭:২৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪ ৫২৬ বার পড়া হয়েছে

শিশুদেরকে সচেতন রাখার দায়িত্ব বড়দের..!

 

 

ঋতম্ভরা বন্দোপাধ্যায়,কলকাতা প্রতিনিধি।।
আমাদের এই বর্তমান যুগে এখন বাচ্চারা খেলাধুলাই ভুলে গেছে যেন! বাইরে বেরোয় না শুধু তারা ঘরে থাকতে চায় আর মোবাইল বা কম্পিউটার নিয়ে বসে যায় । তারা এ ছাড়া কিছুই করতে চায় না । আগে বাচ্চারা কতো রকম খেলাধুলা করতো মন ভালো থাকতো প্রাণবন্ত হতো । কিতকিত, হাডুডু, সাপ সিঁড়ি লুডো, ক্যারাম , লুকোচুরি , এধরনের কতো রকম সুন্দর সুন্দর খেলা ছিলো এতে আরো মনোযোগ বাড়ে পড়াশোনাতে ,স্পুন রেস মুখে নিয়ে তারপর সংখ্যা যোগ বিয়োগ করা । এধরনের খেলাধুলা এখন সব অবলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে যেন । ক্রিকেট , ফুটবল , টেনিস , হকি খেলা এগুলো সব বোধহয় অবলুপ্ত হয়ে যাবে । বাচ্চারা এভাবে এধরনের খেলাধুলা থেকে সরে যাচ্ছে । তাই আমাদের কে দেখাশোনা করে শরীর সচেতন করাতে হবে বাচ্চাদের ।
 এখন তো পড়াশোনার চেয়ে বেশি কম্পিউটার বা মোবাইল নিয়ে ভিডিও গেম খেলাতে আসক্ত। এজন্য বাচ্চাদের কোনও দিনই পড়াশোনা তে মন বসে না । কি যে করা যায় ? বাচ্চাদের দেখাশোনা করার জন্য বড়রা তো নাজেহাল হয়ে যায়। তবুও বাচ্চাদের মন ভরে না । আমরা হয়রান হয়ে যাই এদের নিয়ে । এখন শুধুই একটাই কথা মনে পড়ছে ইঙ্গলিশে ” All work & no play makes jack a dull boy ” । এখন বাচ্চারা যদি কোনও কাজ বা কোনও খেলাধুলা না করে তাহলে তো আরো তাদের পড়াশোনার প্রতি আকর্ষণ কমে যাবে । তাই সবসময় মনে করছি বাচ্চাদের কিছু টা সময় দিয়ে তাদের কিছু যোগা করানো হোক যাতে তাদের পড়াশোনা তে মন বসে ও স্ট্রেস কমে । স্ট্রেস শরীরের সেন্ট্রাল নার্ভাল সিস্টেম কে দুর্বল করে ও মনের ওপর প্রচন্ড চাপ সৃষ্টি করে দেয় ।
  শারীরিক কার্যকলাপ শরীর ভালো রাখে, মন ও ভালো রাখে। গবেষকরা জানান , ” পড়াশোনা , পরীক্ষা , মানসিক চাপ তাদের পড়াশোনা নিয়ে যেন বড়দের মাথা খারাপ হয়ে যায় এসব সামলাতে। পড়াশোনা নিয়েও তো খারাপ হয়ে যাচ্ছে মাথা বাচ্চাদের কারণ তাদের মনোযোগ কিছুতেই লাগছে না । তাই বাচ্চাদের পড়াশোনা থেকে যাতে মনোযোগ বিক্ষিপ্ত না হয় সেই জন্য বাচ্চাদের কাছে আনা হয়েছে কিছু যোগব্যায়াম যেগুলো করলে তাদের মনোযোগ ও বাড়বে। বাচ্চারা পড়াশোনা করে নিয়ে যাতে তাদের চাপ কমে সেই নিয়ে চলে এলাম কিছু যোগাসন। বাচ্চাদের শুধু পড়াশোনা নয় যাতে তাদের পারফরমেন্স লেভেল ভালো হয় আর পরীক্ষাতে উত্তীর্ণ হয় সেই জন্য তাদের কিছু যোগাসন করতে হবে সেটি কিছু সংক্ষেপে তুলে ধরলাম । প্রথমে হলো বজ্রাসন, সূর্য নমস্কার , পদহস্তাসন , পদ্মাসন। কি ভাবে এই আসনগুলি করতে হবে জেনে নিন?
 (১) বজ্রাসন– সামনে পা ছড়িয়ে দিয়ে মাটিতে বসুন । শরীরের দু পাশে হাত রাখুন। এবার প্রথমে ডান পা ও পরে বাঁ পা পেছন দিকে মুড়িয়ে কোমরের নিচে রাখুন। দুই হাঁটুতে দুই হাত রাখুন। এভাবে করে নিয়ে কিছুক্ষণ থেকে স্বাভাবিক করে নিজের জায়গাতে ফিরে আসুন ।
 (২) সূর্য নমস্কার– এটি করতে গেলে দুই পা পাশাপাশি রাখুন নিয়ে তারপর দুই হাতের তালু কে জড়ো করুন নিয়ে তারপর উপরে তুলুন হাত সোজাসুজি করে। তারপর বাঁ পা তুলে ডান পায়ের থাই তে ভর করে দাঁড়ান । এর মধ্যে কয়েকটা আসন রয়েছে যেটাতে ১২ টি ভঙ্গী রয়েছে । এর মধ্যে ছটা ভঙ্গী আছে যেগুলো করলে এক ভাবে করার পর ছটা ভঙ্গী উল্টো ভাবে অর্থাত অ্যান্টিক্লকওয়াইজ ভাবে করতে হবে । আর এভাবে করে এক একটা করে আসন আসবে আরো যেমন প্রাণামাসন। প্রাণামাসন করতে করতে এক এক করে আসন আসবে যেমন হস্তত্তুনাশন, হস্তপদ্মাসন, অশ্বসঞ্চালনা , অধমুখশবাসন, অষ্টাঙ্গমকরাসন এবং ভূজাঙ্গাসন। এগুলো আবার উলটোভাবে করে করলে হবে ।
(৩) পদহস্তাসন– এটাতে নানা ভাবে শরীরের উপকার আছে এটি করলে পায়ের হাড় ও মেরুদন্ড শক্তপোক্ত হয়। দুই পা জোড় করে সোজা হয়ে দাঁড়ান। দুই হাত টান করে সোজা উপর দিকে ছড়িয়ে দিন । এবার কোমর থেকে শরীর ঝুঁকিয়ে হাঁটু না ভেঙে পায়ের পাতা ছুঁতে হবে । দুই হাতের পাতা পুরোপুরিই ভাবে মাটিতে রাখতে হবে আর মাথা হাঁটু স্পর্শ করে থাকতে হবে। তারপর আস্তে করে নিজের জায়গাতে ফিরে আসুন ।
(৪) পদ্মাসন– এটা করলে সব পড়ুয়াদের মন শান্ত হয় আর মনসংযোগ এর ক্ষমতা কে বাড়িয়ে তোলে । মাটিতে বসে ডান পা ভাঁজ করে বাঁ থাইয়ের উপর রাখুন এবং বাঁ পা ভাঁজ করে ডান থাইয়ের উপর রাখুন। পা এমন ভাবে রাখুন, যাতে বাঁ তলপেটে ডান গোড়ালি ছুঁয়ে থাকে এবং ডান তলপেটে বাঁ গোড়ালি ছুঁয়ে থাকে।
 রোজ এই কিছু আসন আছে যেগুলো করলে বাচ্চাদের মনোযোগ বাড়বে পড়াশোনাতে আর মোবাইল বা কম্পিউটার এ ভিডিও গেম খেলা থেকে আসক্তি কমবে । শুধু তাই নয় এই আসন গুলো করলে তাদের আসক্তি বাড়বে এই শরীরের ফিটনেস ওয়ার্কআউট করার জন্য। এতেই বাচ্চারা আসক্ত হবে বেশি এই ফিটনেস এর ওপর তাই এটা সবসময়ই করানো উচিত । এখন তো একটা সাবজেক্ট ও বাড়ানো উচিত স্কুল, কলেজে যোগাসন নিয়ে তবে তাহলেই তাদের পড়াশোনা ও ভালো হবে মনোযোগ বাড়বে আরো আর আগের বিভিন্ন সব খেলাধুলা যা সব ছিল আগে সবকিছুকে ফিরিয়ে আনা হোক। এভাবে খেলাধুলা কে এগিয়ে আনা হোক এটাই বলা হবে বাচ্চাদের কে । যাতে তাদের জীবনের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের রাস্তা মসৃণ হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

ট্যাগস:-

যোগাসনে শিশুদের সুস্থ রেখে পড়াশোনার মনোযোগ বাড়ান 

আপডেট সময়- ০৭:২৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪

শিশুদেরকে সচেতন রাখার দায়িত্ব বড়দের..!

 

 

ঋতম্ভরা বন্দোপাধ্যায়,কলকাতা প্রতিনিধি।।
আমাদের এই বর্তমান যুগে এখন বাচ্চারা খেলাধুলাই ভুলে গেছে যেন! বাইরে বেরোয় না শুধু তারা ঘরে থাকতে চায় আর মোবাইল বা কম্পিউটার নিয়ে বসে যায় । তারা এ ছাড়া কিছুই করতে চায় না । আগে বাচ্চারা কতো রকম খেলাধুলা করতো মন ভালো থাকতো প্রাণবন্ত হতো । কিতকিত, হাডুডু, সাপ সিঁড়ি লুডো, ক্যারাম , লুকোচুরি , এধরনের কতো রকম সুন্দর সুন্দর খেলা ছিলো এতে আরো মনোযোগ বাড়ে পড়াশোনাতে ,স্পুন রেস মুখে নিয়ে তারপর সংখ্যা যোগ বিয়োগ করা । এধরনের খেলাধুলা এখন সব অবলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে যেন । ক্রিকেট , ফুটবল , টেনিস , হকি খেলা এগুলো সব বোধহয় অবলুপ্ত হয়ে যাবে । বাচ্চারা এভাবে এধরনের খেলাধুলা থেকে সরে যাচ্ছে । তাই আমাদের কে দেখাশোনা করে শরীর সচেতন করাতে হবে বাচ্চাদের ।
 এখন তো পড়াশোনার চেয়ে বেশি কম্পিউটার বা মোবাইল নিয়ে ভিডিও গেম খেলাতে আসক্ত। এজন্য বাচ্চাদের কোনও দিনই পড়াশোনা তে মন বসে না । কি যে করা যায় ? বাচ্চাদের দেখাশোনা করার জন্য বড়রা তো নাজেহাল হয়ে যায়। তবুও বাচ্চাদের মন ভরে না । আমরা হয়রান হয়ে যাই এদের নিয়ে । এখন শুধুই একটাই কথা মনে পড়ছে ইঙ্গলিশে ” All work & no play makes jack a dull boy ” । এখন বাচ্চারা যদি কোনও কাজ বা কোনও খেলাধুলা না করে তাহলে তো আরো তাদের পড়াশোনার প্রতি আকর্ষণ কমে যাবে । তাই সবসময় মনে করছি বাচ্চাদের কিছু টা সময় দিয়ে তাদের কিছু যোগা করানো হোক যাতে তাদের পড়াশোনা তে মন বসে ও স্ট্রেস কমে । স্ট্রেস শরীরের সেন্ট্রাল নার্ভাল সিস্টেম কে দুর্বল করে ও মনের ওপর প্রচন্ড চাপ সৃষ্টি করে দেয় ।
  শারীরিক কার্যকলাপ শরীর ভালো রাখে, মন ও ভালো রাখে। গবেষকরা জানান , ” পড়াশোনা , পরীক্ষা , মানসিক চাপ তাদের পড়াশোনা নিয়ে যেন বড়দের মাথা খারাপ হয়ে যায় এসব সামলাতে। পড়াশোনা নিয়েও তো খারাপ হয়ে যাচ্ছে মাথা বাচ্চাদের কারণ তাদের মনোযোগ কিছুতেই লাগছে না । তাই বাচ্চাদের পড়াশোনা থেকে যাতে মনোযোগ বিক্ষিপ্ত না হয় সেই জন্য বাচ্চাদের কাছে আনা হয়েছে কিছু যোগব্যায়াম যেগুলো করলে তাদের মনোযোগ ও বাড়বে। বাচ্চারা পড়াশোনা করে নিয়ে যাতে তাদের চাপ কমে সেই নিয়ে চলে এলাম কিছু যোগাসন। বাচ্চাদের শুধু পড়াশোনা নয় যাতে তাদের পারফরমেন্স লেভেল ভালো হয় আর পরীক্ষাতে উত্তীর্ণ হয় সেই জন্য তাদের কিছু যোগাসন করতে হবে সেটি কিছু সংক্ষেপে তুলে ধরলাম । প্রথমে হলো বজ্রাসন, সূর্য নমস্কার , পদহস্তাসন , পদ্মাসন। কি ভাবে এই আসনগুলি করতে হবে জেনে নিন?
 (১) বজ্রাসন– সামনে পা ছড়িয়ে দিয়ে মাটিতে বসুন । শরীরের দু পাশে হাত রাখুন। এবার প্রথমে ডান পা ও পরে বাঁ পা পেছন দিকে মুড়িয়ে কোমরের নিচে রাখুন। দুই হাঁটুতে দুই হাত রাখুন। এভাবে করে নিয়ে কিছুক্ষণ থেকে স্বাভাবিক করে নিজের জায়গাতে ফিরে আসুন ।
 (২) সূর্য নমস্কার– এটি করতে গেলে দুই পা পাশাপাশি রাখুন নিয়ে তারপর দুই হাতের তালু কে জড়ো করুন নিয়ে তারপর উপরে তুলুন হাত সোজাসুজি করে। তারপর বাঁ পা তুলে ডান পায়ের থাই তে ভর করে দাঁড়ান । এর মধ্যে কয়েকটা আসন রয়েছে যেটাতে ১২ টি ভঙ্গী রয়েছে । এর মধ্যে ছটা ভঙ্গী আছে যেগুলো করলে এক ভাবে করার পর ছটা ভঙ্গী উল্টো ভাবে অর্থাত অ্যান্টিক্লকওয়াইজ ভাবে করতে হবে । আর এভাবে করে এক একটা করে আসন আসবে আরো যেমন প্রাণামাসন। প্রাণামাসন করতে করতে এক এক করে আসন আসবে যেমন হস্তত্তুনাশন, হস্তপদ্মাসন, অশ্বসঞ্চালনা , অধমুখশবাসন, অষ্টাঙ্গমকরাসন এবং ভূজাঙ্গাসন। এগুলো আবার উলটোভাবে করে করলে হবে ।
(৩) পদহস্তাসন– এটাতে নানা ভাবে শরীরের উপকার আছে এটি করলে পায়ের হাড় ও মেরুদন্ড শক্তপোক্ত হয়। দুই পা জোড় করে সোজা হয়ে দাঁড়ান। দুই হাত টান করে সোজা উপর দিকে ছড়িয়ে দিন । এবার কোমর থেকে শরীর ঝুঁকিয়ে হাঁটু না ভেঙে পায়ের পাতা ছুঁতে হবে । দুই হাতের পাতা পুরোপুরিই ভাবে মাটিতে রাখতে হবে আর মাথা হাঁটু স্পর্শ করে থাকতে হবে। তারপর আস্তে করে নিজের জায়গাতে ফিরে আসুন ।
(৪) পদ্মাসন– এটা করলে সব পড়ুয়াদের মন শান্ত হয় আর মনসংযোগ এর ক্ষমতা কে বাড়িয়ে তোলে । মাটিতে বসে ডান পা ভাঁজ করে বাঁ থাইয়ের উপর রাখুন এবং বাঁ পা ভাঁজ করে ডান থাইয়ের উপর রাখুন। পা এমন ভাবে রাখুন, যাতে বাঁ তলপেটে ডান গোড়ালি ছুঁয়ে থাকে এবং ডান তলপেটে বাঁ গোড়ালি ছুঁয়ে থাকে।
 রোজ এই কিছু আসন আছে যেগুলো করলে বাচ্চাদের মনোযোগ বাড়বে পড়াশোনাতে আর মোবাইল বা কম্পিউটার এ ভিডিও গেম খেলা থেকে আসক্তি কমবে । শুধু তাই নয় এই আসন গুলো করলে তাদের আসক্তি বাড়বে এই শরীরের ফিটনেস ওয়ার্কআউট করার জন্য। এতেই বাচ্চারা আসক্ত হবে বেশি এই ফিটনেস এর ওপর তাই এটা সবসময়ই করানো উচিত । এখন তো একটা সাবজেক্ট ও বাড়ানো উচিত স্কুল, কলেজে যোগাসন নিয়ে তবে তাহলেই তাদের পড়াশোনা ও ভালো হবে মনোযোগ বাড়বে আরো আর আগের বিভিন্ন সব খেলাধুলা যা সব ছিল আগে সবকিছুকে ফিরিয়ে আনা হোক। এভাবে খেলাধুলা কে এগিয়ে আনা হোক এটাই বলা হবে বাচ্চাদের কে । যাতে তাদের জীবনের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের রাস্তা মসৃণ হতে পারে।