ঢাকা ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:-
নারায়ণগঞ্জে বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষ-গোলাগুলি, শিশুসহ গুলিবিদ্ধ-২ কুষ্টিয়ায় ৩১ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা মূল্যমানের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি টেকনাফের মেরিন ড্রাইভে বস্তাবন্দি অজ্ঞাত যুবকের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার গাইবান্ধায় পেট্রোল নিয়ে সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে আহত-৩, আটক-১ সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন, ৩ দিন অফলাইনে ক্লাস: শিক্ষকরা স্কুল এসে নেবেন: শিক্ষামন্ত্রী সোনারগাঁ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিজ অর্থায়নে জরুরি ঔষধ নিয়ে হাজির হলেন এমপি মান্নান কুষ্টিয়ায় স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড টেকনাফে মিনিপিক‌আপ বোঝাই বিপুল পরিমাণে ইয়াবাসহ আটক-২ নারায়ণগঞ্জে তিন থানায় নতুন ওসি বলৎকারের তথ্য ফাঁস হওয়ার শঙ্কায় সৈকতকে হত্যা, অভিযুক্ত কিশোর আটক সারাদেশে পর্যাক্রমে চালু হচ্ছে ‘ফুয়েল পাস’ কার্যক্রম টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে ২৩ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ জ্বালানি সংকটে কুষ্টিয়ায় মোটরসাইকেল বাজারে ধস সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন’র রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ গত দেড় বছর যেভাবে আত্মগোপনে ছিলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন না’গঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় পরিকল্পিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটসহ গৃহকর্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ ইউএনও হোসনে আরাকে সাতক্ষীরা থেকে এবার রাজশাহীতে বদলি যেভাবে গ্রেপ্তার হলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী নিজ বাসা থেকে আটক টেকনাফে সড়কের পাশের অবৈধ দোকান উচ্ছেদ টেকনাফে ১৫ হাজার ইয়াবাসহ আটক-২ কারবারি নারায়নগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শুভ হত্যার অন্যতম আসামি ‘লাল শুভ’ আটক না’গঞ্জে ফের খু/ন! নিখোঁজের ১দিন পর মিললো মাদ্রাসা ছাত্রের গ/লা/কা/টা মরদেহ না’গঞ্জে মেডিস্টার হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিকসহ ৩ স্বাস্থ্যসেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে অর্থদন্ড ড. ইউনূসসহ সকল উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ সোনারগাঁয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা দুই ডিআইজিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি সিলেটের শাহজালাল সার কারখানা জ্বালানি সংকটে বন্ধ  নারায়ণগঞ্জে একযোগে দুই থানার ওসি প্রত্যাহার রূপগঞ্জে দায়িত্ব নিলেন নবনিযুক্ত ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও সড়ক বিভাগের উদ্যোগে শতাধিক অবৈধ স্থাপন উচ্ছেদ কক্সবাজারে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে ড্রোন সদৃশ রহস্যময় বস্তু টেকনাফ স্থলবন্দর উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা জোরদারে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত  না’গঞ্জে স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রানার বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ ওঠা যুবকের লাশ শনাক্ত আজ থেকে অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে ৪টা, মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টায় আজ থেকে শুরু হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা কোচিং সেন্টার আইনের আওতায় আসবে: শিক্ষামন্ত্রী দেশে জ্বালানি সাশ্রয়: আজ থেকে অফিস-ব্যাংকের নতুন সূচি নারায়ণগঞ্জে বন্ধ পোশাক কারখানায় নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার আ’লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের অধ্যাদেশ হচ্ছে আইন,থাকছে শাস্তির বিধান নারায়ণগঞ্জে পৃথক অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ আটক-২ সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত-৯৪৭ নারায়ণগঞ্জে চৌদ্দ বছরের কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার-২ কুষ্টিয়া মেডিকেলে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি এক শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পরানো সেই এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্ত, দোকান-মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টায় ইবি শিক্ষক আসমা হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ নারায়ণগঞ্জ পপুলার ডায়াগনস্টিকে ‘সময়ক্ষেপনে’ রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শাকিবের হাত জ্যোতির কোমরে,ফারিণের কাঁধে; সমালোচনার ঝড় সরকার নির্ধারিত দামের তোয়াক্কা না করেই বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাস কুলাউড়ায় ক্ষেতের জমির পানিতে ডুবে একই পরিবারের ৩ শিশুর মৃ/ত্যু শ্রীমঙ্গলে আলোচিত জুনায়েদ হত্যাকাণ্ডের দুই আসামি গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ৯০ শিশু  সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিস শুরুর প্রথম ৪০ মিনিট নিজ কক্ষে অবস্থান বাধ্যতামূলক সিলেটগামী উপবন এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন, সারাদেশের সাথে যোগাযোগ বন্ধ  সাবেক নাসিক মেয়র আইভীর জামিন নামঞ্জুর মৌলভীবাজারে মাইক্রোবাস-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-৩ শ্রীমঙ্গলে এক কিশোর নিখোঁজের দু’দিন পর লাশ উদ্ধার রাজধানীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালেই হামে ১৯ শিশুর মৃত্যু কুষ্টিয়ায় আ.লীগ নেতাকে ডেকে নিয়ে গু/লি করে হ/ত্যা/র চেষ্টা সাবেক ছাত্রনেতা সেলিম রেজার ২৯তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ ইউরোপ যাওয়ার পথে ২২ অভিবাসীর মৃত্যু, এদের মধ্যে ১৮ জনই বাংলাদেশি দীর্ঘ ছুটি শেষে আজ খুলেছে দেশের সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১৩ দিনের বিরতি শেষে ফের কাল বসছে জাতীয় সংসদ ঢাকাসহ দেশের ১৫টি জেলায় দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস শরীয়তপুরে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দিয়েছে দূর্বৃত্তরা ৫ আগস্টের আগে ও পরে পুলিশসহ সকল হত্যার বিচার হবে: আইজিপি টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে নারী-শিশুসহ নিহত-৫ নারায়ণগঞ্জে এক নিরাপত্তাকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বিয়ের সাড়ে ৩ মাসেই নিভে গেল সৌম্য-অন্তী দম্পতির প্রাণ নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসে শ্রদ্ধা মৌলভীবাজারে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত কুলিয়ারচরে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত কুমিল্লায় বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে একই পরিবারের চারজনসহ নিহত-৫ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ফের ৩ দিনের ছুটিতে সরকারি চাকরিজীবীরা পদ্মায় বাসডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৭ শিশুসহ ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার ডুবে যাওয়া ‘সৌহার্দ্য পরিবহনের’ বাসচালক আরমানের মরদেহ উদ্ধার ঢাকাগামী চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে ভয়াবহ আগুন আজ ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পদ্মায় ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটির উদ্ধারের সর্বশেষ যা জানা গেছে পদ্মায় বাস পড়ার ঘটনায় বৃষ্টি-ঝড়ো বাতাসে উদ্ধার কাজ ব্যাহত দৌলতদিয়ায় ডুবে যাওয়া বাসটি পদ্মার ৩০ ফুট গভীরে তলিয়ে গেছে: ফায়ার সার্ভিস কক্সবাজারে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে জুলাই যোদ্ধা নিহত ভারতের কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি আজ ২৫ মার্চ; পৃথিবীর ইতিহাসে নিষ্ঠুর ও নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞের কালরাত্রি  মেহেন্দীগঞ্জে পুলিশের সামনে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত-১, আহত-৫ দীর্ঘ ছুটি শেষে কাল খুলছে সরকারি অফিস-আদালত ও ব্যাংক কেন্দ্রীয় কারাগারে মারা গেল সেই ‘সিরিয়াল কিলার’ সাভারের সাইকো সম্রাট লম্বা ছুটি শেষে আগামী রোববার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে কুলিয়ারচরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সড়কে ঝড়ল তিন যুবকের তাজা প্রান ৫ ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের সাথে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত-৩, গুরুতর আহত-৫  কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষ;চট্টগ্রামের সাথে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ চুয়াডাঙ্গায় ঈদের দিনে পূর্বশত্রুতার জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত-২ কুমিল্লায় বাস-ট্রেন ভয়াবহ সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত-১২, আহত-১০ হবিগঞ্জে ছবি তোলা নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে রনক্ষেত্র, আহত-৩০ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদের দিনে দুই দফা সংঘর্ষ, নারীসহ আহত অর্ধশতাধিক দীর্ঘ ৩৬ বছর পরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরের জামাত আদায় 

হাফলং ভারতের সুইজারল্যান্ড মৃত্যুকূপের সন্ধানে সারা বিশ্বের পরিযায়ী পাখি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময়- ০৬:৪৫:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০২৪ ২৫৫ বার পড়া হয়েছে

 

ঋতম্ভরা বন্দ্যোপাধ্যায়,কলকাতা।।

 

পাখিরা কি জানতে পারে মৃত্যুর দিনক্ষণ ? নিজের এলাকায় স্বাভাবিক ভাবে কোন পাখিকে মরতে দেখেছেন কখনো ? নিশ্চয় নয়।জানেন তো পাখিরা বংশ বিস্তারের জন্য কোথায় যায় । কিন্তু পাখিরা মৃত্যুর উদ্দেশ্যে কোথায় যায়?তারা কি জানতে পারে তাদের মৃত্যুর দিনক্ষণ? পাখিদের মধ্যেও কি শক্তিশালী জ্যোতিষী রয়েছে? ডিমসাদের ভূমি হাফলঙ্গের থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে জটিঙ্গা।
আমার বাবা সেখানে গিয়ে দেখে এসেছেন সুদূর জার্মানী, রাশিয়ার সাইবেরিয়া ,চীন,কোরিয়া ,অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, কানাডা সহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের পাখিরা জটিঙ্গাকে বেছে নিয়েছে না ফেরার দেশে যাওয়ার কেন্দ্র। প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাস থেকে নবেম্বর পর্যন্ত হাজার হাজার রঙ বেরঙের পাখি ঝাঁকে ঝাঁকে ছুটে আসে সুউচ্চ পাহাড়ের কোণে জটিঙ্গায়। তাদের কিচির মিচির গানে মুখরিত হয়ে ওঠে এই সুদৃশ্য জনপদ। ফুলে ফুলে ভাড়া জটিঙ্গার গাছে গাছে তাদের ছোটাছুটি দেখার মতো। তারপর এক সময় তারা ঝাপিয়ে পড়ে ভারত –বাংলাদেশের দুই পাহাড়ের মাঝখানে এক কিলোমিটার নিচে বয়ে যাওয়া খর শ্রোতা নদীতে। তারপর বিলীন হয়ে যায় নদী গর্ভে।
জটিঙ্গা পাহাড়ের একেবারে শীর্ষে অবস্থিত। দীর্ঘ তিন মাস ধরে চলে তাদের মৃত্যু বরণ। সারা বিশ্বের ৪০০ বিজ্ঞানী এদের নিয়ে কয়েক যুগ থেকে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু এখানো কোন সমাধান সুত্র খুঁজে পান নি। জটিঙ্গা পাহাড়ের বুকে অসংখ্য স্থায়ী তাঁবু খাটিয়ে বিজ্ঞানীরা দিনরাত গবেষণা করে চলেছেন এখনো।দূর দূর থেকে আসা পর্যটকদের জন্য অসম সরকার একটি সুদৃশ্য পর্যবেক্ষন বাংলো তথা গেস্ট হাউস নির্মাণ করেছে পাহাড়ের অনেকটা উঁচু অবস্থানে। গেস্ট হাউসের নিচে একটি ফলক শোভা পাচ্ছে। তাতে লেখা রয়েছে, “ বিশ্বের পরিযায়ী পাখিরা এখানে ছুটে আসে ,এবং আত্মহত্যা করে” ।
এখানে এলে যেমন দুচোখের শান্তি পাওয়া যাবে,তেমনি তাদের মৃত্যুতে গভীর শোকের ছায়াও নেমে আসবে। তবে অনেক স্থানীয উপজাতিরা এই পাখিদের আগমনের সুযোগ নিয়ে পাখিদের শিকারও করে থাকেন। এটা নির্মম ও জঘন্য। সরকার ও স্থানীয ডিমসা শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষের এগিয়ে এসেছেন এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে।
গুয়াহাটি থেকে সড়কপথে ১২ ঘণ্টা। ট্রেনে মাত্র ৫ ঘন্টার পথ হাফলং। সডাক পথে যেতে যেতে চোখে পড়বে দীর্ঘ ঘন অরণ্য। লঙ্কায় পৌছনের পর শুরু হবে পাহাড়ের পথ। হাফলং এর কাছাকাছি এলেই চোখে পড়বে ফুলে ফলে ভরা ভারতের দ্বিতীয় সুইজারল্যন্ড। লাল ,সাদা ,হলুদের পাহাড়। অনেক উঁচুতে শীতের সময় বরফ পড়তে দেখা যায়। ঘন মেঘের কুয়াশার আস্তরণ ভেদ করে জটিঙ্গায় যেতে হয়। হাফলং এর স্থায়ী বাসিন্দাদের ৩৫ শতাংশ বাঙালি। বাকিরা ডিমসা সম্প্রদায়ের। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে এই অঞ্চলটি ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল। নিষিদ্ধ সংগঠন ডিমা হালম ড়াউগা {ডি এচডি নুনিসা} , ব্ল্যাক উইডো {ডি এচ ডি গড়লোসা],পৃথক রাজ্যের দাবিতে সশস্ত্র সংগ্রামের ডাক দিয়ে মারাত্মক অস্ত্র একে ৪৭, মর্টার, মেশিনগান, রকেট লঞ্চার নিয়ে দীর্ঘ লড়াই করেছিল। সুরক্ষা কর্মী ,নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর গোলাগুলিতে ৫ হাজারের বেশি মনুস প্রাণ হরিয়েছিলেন। অনেক ঝুঁকি নিয়ে আমার বাবা সাংবাদিক মানস বন্দ্যোপাধ্যায় অজ্ঞাত স্থানে মাটির নিচে দেখা করেন ডি এচ ডির সর্বাধিনায়ক দিলীপ নুনিসার সঙ্গে। সে এক বিশাল কাহিনী। তারপর মানস বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের মূল স্রোতে ফিরে আস্তে রাজি করান। দিলীপ নুনিসা যুদ্ধ বিরতিতে রাজি হন। এরপর দিল্লিতে নর্থ ব্লকে গোপন আড্ডার বাইরের বেশ কয়েকজনকে নিয়ে প্রথমে স্বরাষ্ট্র সচিব {নর্থ ইস্ট} আর এ সি জৈনের সঙ্গে দেখা করেন। দ্বিতীয় দফায় দেখা করেন উপ প্রধানমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লাল কৃষ্ণ আদবানির সঙ্গে। এই ব্যপারে সহযোগিতা করেছিলেন সেই সময়ের বিজেপি সভাপতি এম বেংকাইয়াহ নাইডু ও সুষমা স্বরাজ।
তারপর এসেছিল ২০০৩ সালের ১ জানুয়ারী। দিলীপ নুনিসা ৬ মাসের জন্য যুদ্ধ বিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এরপর একে একে ব্ল্যাক উইডো তথা ডি এচ ডি গড়লসা ,বেঙ্গলি টাইগার ফোর্স ,এন এফ টি ত্রিপুরার নয়নবাসি ওরফে এস নকবার বরক মানস বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে মূল স্রোতে ফিরে আসেন। শান্তি ফিরে আসে পুরো অঞ্চলে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

ট্যাগস:-

হাফলং ভারতের সুইজারল্যান্ড মৃত্যুকূপের সন্ধানে সারা বিশ্বের পরিযায়ী পাখি

আপডেট সময়- ০৬:৪৫:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০২৪

 

ঋতম্ভরা বন্দ্যোপাধ্যায়,কলকাতা।।

 

পাখিরা কি জানতে পারে মৃত্যুর দিনক্ষণ ? নিজের এলাকায় স্বাভাবিক ভাবে কোন পাখিকে মরতে দেখেছেন কখনো ? নিশ্চয় নয়।জানেন তো পাখিরা বংশ বিস্তারের জন্য কোথায় যায় । কিন্তু পাখিরা মৃত্যুর উদ্দেশ্যে কোথায় যায়?তারা কি জানতে পারে তাদের মৃত্যুর দিনক্ষণ? পাখিদের মধ্যেও কি শক্তিশালী জ্যোতিষী রয়েছে? ডিমসাদের ভূমি হাফলঙ্গের থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে জটিঙ্গা।
আমার বাবা সেখানে গিয়ে দেখে এসেছেন সুদূর জার্মানী, রাশিয়ার সাইবেরিয়া ,চীন,কোরিয়া ,অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, কানাডা সহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের পাখিরা জটিঙ্গাকে বেছে নিয়েছে না ফেরার দেশে যাওয়ার কেন্দ্র। প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাস থেকে নবেম্বর পর্যন্ত হাজার হাজার রঙ বেরঙের পাখি ঝাঁকে ঝাঁকে ছুটে আসে সুউচ্চ পাহাড়ের কোণে জটিঙ্গায়। তাদের কিচির মিচির গানে মুখরিত হয়ে ওঠে এই সুদৃশ্য জনপদ। ফুলে ফুলে ভাড়া জটিঙ্গার গাছে গাছে তাদের ছোটাছুটি দেখার মতো। তারপর এক সময় তারা ঝাপিয়ে পড়ে ভারত –বাংলাদেশের দুই পাহাড়ের মাঝখানে এক কিলোমিটার নিচে বয়ে যাওয়া খর শ্রোতা নদীতে। তারপর বিলীন হয়ে যায় নদী গর্ভে।
জটিঙ্গা পাহাড়ের একেবারে শীর্ষে অবস্থিত। দীর্ঘ তিন মাস ধরে চলে তাদের মৃত্যু বরণ। সারা বিশ্বের ৪০০ বিজ্ঞানী এদের নিয়ে কয়েক যুগ থেকে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু এখানো কোন সমাধান সুত্র খুঁজে পান নি। জটিঙ্গা পাহাড়ের বুকে অসংখ্য স্থায়ী তাঁবু খাটিয়ে বিজ্ঞানীরা দিনরাত গবেষণা করে চলেছেন এখনো।দূর দূর থেকে আসা পর্যটকদের জন্য অসম সরকার একটি সুদৃশ্য পর্যবেক্ষন বাংলো তথা গেস্ট হাউস নির্মাণ করেছে পাহাড়ের অনেকটা উঁচু অবস্থানে। গেস্ট হাউসের নিচে একটি ফলক শোভা পাচ্ছে। তাতে লেখা রয়েছে, “ বিশ্বের পরিযায়ী পাখিরা এখানে ছুটে আসে ,এবং আত্মহত্যা করে” ।
এখানে এলে যেমন দুচোখের শান্তি পাওয়া যাবে,তেমনি তাদের মৃত্যুতে গভীর শোকের ছায়াও নেমে আসবে। তবে অনেক স্থানীয উপজাতিরা এই পাখিদের আগমনের সুযোগ নিয়ে পাখিদের শিকারও করে থাকেন। এটা নির্মম ও জঘন্য। সরকার ও স্থানীয ডিমসা শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষের এগিয়ে এসেছেন এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে।
গুয়াহাটি থেকে সড়কপথে ১২ ঘণ্টা। ট্রেনে মাত্র ৫ ঘন্টার পথ হাফলং। সডাক পথে যেতে যেতে চোখে পড়বে দীর্ঘ ঘন অরণ্য। লঙ্কায় পৌছনের পর শুরু হবে পাহাড়ের পথ। হাফলং এর কাছাকাছি এলেই চোখে পড়বে ফুলে ফলে ভরা ভারতের দ্বিতীয় সুইজারল্যন্ড। লাল ,সাদা ,হলুদের পাহাড়। অনেক উঁচুতে শীতের সময় বরফ পড়তে দেখা যায়। ঘন মেঘের কুয়াশার আস্তরণ ভেদ করে জটিঙ্গায় যেতে হয়। হাফলং এর স্থায়ী বাসিন্দাদের ৩৫ শতাংশ বাঙালি। বাকিরা ডিমসা সম্প্রদায়ের। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে এই অঞ্চলটি ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল। নিষিদ্ধ সংগঠন ডিমা হালম ড়াউগা {ডি এচডি নুনিসা} , ব্ল্যাক উইডো {ডি এচ ডি গড়লোসা],পৃথক রাজ্যের দাবিতে সশস্ত্র সংগ্রামের ডাক দিয়ে মারাত্মক অস্ত্র একে ৪৭, মর্টার, মেশিনগান, রকেট লঞ্চার নিয়ে দীর্ঘ লড়াই করেছিল। সুরক্ষা কর্মী ,নিষিদ্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর গোলাগুলিতে ৫ হাজারের বেশি মনুস প্রাণ হরিয়েছিলেন। অনেক ঝুঁকি নিয়ে আমার বাবা সাংবাদিক মানস বন্দ্যোপাধ্যায় অজ্ঞাত স্থানে মাটির নিচে দেখা করেন ডি এচ ডির সর্বাধিনায়ক দিলীপ নুনিসার সঙ্গে। সে এক বিশাল কাহিনী। তারপর মানস বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের মূল স্রোতে ফিরে আস্তে রাজি করান। দিলীপ নুনিসা যুদ্ধ বিরতিতে রাজি হন। এরপর দিল্লিতে নর্থ ব্লকে গোপন আড্ডার বাইরের বেশ কয়েকজনকে নিয়ে প্রথমে স্বরাষ্ট্র সচিব {নর্থ ইস্ট} আর এ সি জৈনের সঙ্গে দেখা করেন। দ্বিতীয় দফায় দেখা করেন উপ প্রধানমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লাল কৃষ্ণ আদবানির সঙ্গে। এই ব্যপারে সহযোগিতা করেছিলেন সেই সময়ের বিজেপি সভাপতি এম বেংকাইয়াহ নাইডু ও সুষমা স্বরাজ।
তারপর এসেছিল ২০০৩ সালের ১ জানুয়ারী। দিলীপ নুনিসা ৬ মাসের জন্য যুদ্ধ বিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
এরপর একে একে ব্ল্যাক উইডো তথা ডি এচ ডি গড়লসা ,বেঙ্গলি টাইগার ফোর্স ,এন এফ টি ত্রিপুরার নয়নবাসি ওরফে এস নকবার বরক মানস বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে মূল স্রোতে ফিরে আসেন। শান্তি ফিরে আসে পুরো অঞ্চলে।