ঢাকা ০১:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

না’গঞ্জে ছেলের হাতে মা খুন: কুপিয়ে হত্যার পর পাশের রুমে শুয়েছিলেন সুমন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ নভেম্বর ২০২৩ ২৮৬ বার পড়া হয়েছে
না’গঞ্জ প্রতিনিধি।।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাকে ধাড়ালো বটি (অস্ত্র) দিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে ফতুল্লা রেলওয়ে স্টেশনের উকিলবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল থেকে মা মধুমালা বেগমের (৫০) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার এবং হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ছেলে সুমনকে (২৪) আটক করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের তথ্য সূত্রে জানা যায়, রেলওয়ে স্টেশনে উকিলবাড়ী এলাকায় ভাড়া থাকে সুমনের পরিবার। সুমন দীর্ঘদিন যাবত মাদকাসক্ত। বিয়ে করলেও স্ত্রী-সন্তান সুমনকে ছেড়ে চলে গেছে। মাদকের নেশার টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রায়শই সুমনের সঙ্গে তার মা মধুমালা বেগমের ঝগড়া,কথা কাটাকাটি ও বাকবিতন্ডা হতো।ঘটনার সময় রাত ১টার দিকে মায়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটির জেরে এক পর্যায়ে ঘরে থাকা ধাড়ালো বটি দিয়ে মাকে কুপিয়ে হত্যা করে মাদকাসক্ত সুমন। এরপর মায়ের নিথর মরদেহ আরেকটি কক্ষে রেখে, অন্য রুমে এসে লাইট বন্ধ করে শুয়ে থাকেন ঘাতক ছেলে।
এ সময় খূনী ঘাতক সুমনের বাবা নূর ইসলাম ও ভাই নিজেদের খাবার হোটেলে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। খবর পেয়ে তারা বাসায় এসে এক রুমে মধুমালা বেগমের নিথর মরদেহ ও অন্য রুমে সুমনকে লাইট বন্ধ করে শুয়ে থাকতে দেখেন। এ ঘটনা জানাজানি হয়ে গেলে একপর্যায়ে এলাকাবাসী সেখানে জড়ো হয়ে মাদকাসক্ত ঘাতক সুমনকে বেঁধে পুলিশে খবর দেয়।
ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান সজীব বলেন, অভিযুক্ত সুমনকে রাতেই আটক করে থানায় আনা হয়েছে।নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। সুমনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

না’গঞ্জে ছেলের হাতে মা খুন: কুপিয়ে হত্যার পর পাশের রুমে শুয়েছিলেন সুমন

আপডেট সময় : ০৪:২৯:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ নভেম্বর ২০২৩
না’গঞ্জ প্রতিনিধি।।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাকে ধাড়ালো বটি (অস্ত্র) দিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে ফতুল্লা রেলওয়ে স্টেশনের উকিলবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল থেকে মা মধুমালা বেগমের (৫০) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার এবং হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ছেলে সুমনকে (২৪) আটক করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের তথ্য সূত্রে জানা যায়, রেলওয়ে স্টেশনে উকিলবাড়ী এলাকায় ভাড়া থাকে সুমনের পরিবার। সুমন দীর্ঘদিন যাবত মাদকাসক্ত। বিয়ে করলেও স্ত্রী-সন্তান সুমনকে ছেড়ে চলে গেছে। মাদকের নেশার টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রায়শই সুমনের সঙ্গে তার মা মধুমালা বেগমের ঝগড়া,কথা কাটাকাটি ও বাকবিতন্ডা হতো।ঘটনার সময় রাত ১টার দিকে মায়ের সঙ্গে কথা কাটাকাটির জেরে এক পর্যায়ে ঘরে থাকা ধাড়ালো বটি দিয়ে মাকে কুপিয়ে হত্যা করে মাদকাসক্ত সুমন। এরপর মায়ের নিথর মরদেহ আরেকটি কক্ষে রেখে, অন্য রুমে এসে লাইট বন্ধ করে শুয়ে থাকেন ঘাতক ছেলে।
এ সময় খূনী ঘাতক সুমনের বাবা নূর ইসলাম ও ভাই নিজেদের খাবার হোটেলে কাজে ব্যস্ত ছিলেন। খবর পেয়ে তারা বাসায় এসে এক রুমে মধুমালা বেগমের নিথর মরদেহ ও অন্য রুমে সুমনকে লাইট বন্ধ করে শুয়ে থাকতে দেখেন। এ ঘটনা জানাজানি হয়ে গেলে একপর্যায়ে এলাকাবাসী সেখানে জড়ো হয়ে মাদকাসক্ত ঘাতক সুমনকে বেঁধে পুলিশে খবর দেয়।
ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান সজীব বলেন, অভিযুক্ত সুমনকে রাতেই আটক করে থানায় আনা হয়েছে।নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। সুমনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।