সর্বশেষ:-
প্রচ্ছদ /
অর্থ ও বাণিজ্য, আইন আদালত, আন্তর্জাতিক, কলকাতা, জাতীয়, দেশজুড়ে, দোয়ারাবাজার, নারী ও শিশু, মৌলভীবাজার, সিলেট
ভারত থেকে নেমে আসা পানিতে প্লাবিত সুনামগঞ্জ

প্রতিনিধির নাম
- আপডেট সময়- ০৩:০৪:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪ ১১২ বার পড়া হয়েছে

হিফজুল ইসলাম,দোয়ারা বাজার(সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি।।
সুনামগঞ্জ ও ভারতের চেরাপুঞ্জিতে গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জের সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইতোমধ্যে ঢলের পানি প্রবেশ করেছে শহর থেকে গ্রামাঞ্চলে। আর এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ৬ লাখের অধিক মানুষ।
ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে সুনামগঞ্জের দোয়ারা সদর, সুর্মা ইউনিয়ন, নরশিংপুর, ভোগলা, লক্ষিপুর, ধোহালিয়া ইউনিয়ন সহ ,, বেশকিছু এলাকার সড়ক। সেই সঙ্গে তলিয়ে গেছে দোয়ারা সহ বেশ কয়েকটি উপজেলার ৮০% এর বেশি ঘরবাড়ি ও দোকানপাট। অনেকেই তাদের বাড়িঘর ফেলে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র কিংবা উঁচু এলাকার আত্মীয়স্বজনদের বাসায় ছুটছেন। দোয়ারাবাজার এর পাশাপাশি প্লাবিত হয়েছে জেলার সদর উপজেলা, বিশ্বম্ভপুর, ছাতক, তাহিরপুর, শান্তিগঞ্জের নিম্নাঞ্চলের মানুষ।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে
সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর প্রবাহিত হচ্ছে। গেলো ২৪ ঘন্টায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬৫ মিলিমিটার

এছাড়া সুরমা নদীর পানি মঙ্গলবার (১৮ জুন) দুপুর ১২টা পর্যন্ত ছাতক পয়েন্টে ১৫৫, শহরের নবীনগর পয়েন্টে ৬৮ সেন্টিমিটার এবং শক্তিয়ারখলা পয়েন্টে বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
দোয়ারাবাজার এর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কামরুল ইসলাম সমকালীন কাগজকে বলেন, যেভাবে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে এতে মানবিক বিপর্যয় নেমে ২০২২ সালের বন্যা কিংবা তার চেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি হতে পারে। পানি আরও বাড়তে থাকলে যারা এখনো বসত ভিটায় আছে তাদেরকেও আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে। তবে নৌকা না থাকায় দুর্ভোগে সকল বন্যার্ত মানুষ।

সিলেটে তিনটি নদীর ৬ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপরে
সর্বসাধারণের দাবি, যদি জনপ্রতিনিধিরা কিংবা উদ্ধার কারি কোনো সরকারি বেসরকারি টিম আমাদের কে সহযোগিতা করে তাহলে আমরা একটু স্বস্তি পাবো।
কামরুল ইসলাম (সদস্য দোয়ারা সদর) আরও জানান সবাই মিলে এ দুর্যোগ মোকাবিলায় কাজ করবো। এনজিওসহ সকল রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সংগঠনকে একসঙ্গে এগিয়ে এসে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।
