ঢাকা ১২:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
মৌলভীবাজারে আন্তর্জাতিক গনতন্ত্র ও মানবাধিকার সংগঠনে মনোনীত যারা জাপানের একটি জনহীন রেলওয়ে স্টেশন শুধুমাত্র এক ছাত্রীর জন্য এখনও চালু রয়েছে মুন্সীগঞ্জে পদ্মার ভাঙনে ঝুঁকিতে পুরাতন ঐতিহ্যবাহী দিঘিরপাড় বাজার শ্রীমঙ্গলে জমি সংক্রান্ত বিরোধে আইনজীবী নিহত,আহত-২ নকলায় জঙ্গিবাদ ও মাদকাসক্ত প্রতিরোধে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কুলাউড়ায় আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর দেওয়ার নামে ভিক্ষুকের অর্থ আত্মসাৎ মাথিউড়া চা শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধের দাবি: চা শ্রমিক ফেডারেশন মৌলভীবাজারে বন্যার পানি না নামায়, ২৩৫ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ  সোনারগাঁয়ে ঔষধের দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি: ৭০ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট নকলার ইউএনও শুদ্ধাচার পুরস্কার পাওয়ায় যুবফোরামের সম্মাননা স্মারক প্রদান

মুড়ি খেলে ভুঁড়ি হয় না

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৫:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুলাই ২০২৪ ২৫ বার পড়া হয়েছে

 

ঋতম্ভরা বন্দোপাধ্যায়,কলকাতা।।
বাঙালির জীবনে মুড়ির এক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রয়েছে। সন্ধ্যা বেলায় চায়ের আসরে মুড়ি দিয়ে চপ বা সিঙ্গাড়া এক আনন্দের টিফিন। বিশেষ করে বর্ষাকালে অফিস থেকে বর্ষায় ভিজে বাড়ি ফিরে গরম গরম চায়ের সাথে মুড়ি দারুণ জমে। মুড়ি তে ক্যালোরি কম থাকার কারনে পেট ভরে মুড়ি খেলে ও ভয় থাকে না। মুড়ি উচ্চচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। যারা উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যায় ভুগছেন তারাও মুড়ি খেতে পারেন। বর্তমান প্রজন্ম এখন স্বাস্থ্য সচেতন। তাই কিসে আমাদের ওজন কমানো যায় সেটি এখন প্রধান আলোচ্য বিষয়। ভাতের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকে। ভাতের সঙ্গে মুড়ি নিয়ে ও প্রশ্ন আসতে পারে? মুড়ির মধ্যে প্রচুর পুষ্টিগুণ আছে। অ্যাসিডিটি সমস্যায় ভুগলে তা দূর করতে পারে মুড়ি। মুড়িতে থাকে আয়রন আর ক্যালসিয়াম তাই আমাদের হাড় কে শক্ত রাখতে মুড়ি সহায়তা করে। পেট কে ঠান্ডা রাখার জন্য কলা , ছোলা, শশা , মুড়ি কিংবা জল মুড়ি খাওয়া ভালো। মুড়ি চাল দিয়ে তৈরি হলেও এটি গ্লুটেনমুক্ত তাই ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সহজ। কিন্তু ভাতের বদলে মুড়ি খাওয়া অভ্যাস অনুচিত। অনেকে মনে করেন যে ভাতের বদলে মুড়ি খেয়ে পেট ভরাবেন সেটি সঠিক নয়। সুগারের রোগীরা প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫০ গ্রাম মুড়ি খেতে পারবেন। এর থেকেও যদি বেশি খেতে চান তাহলে ২/৩ কাপ। কলা , ছোলা এবং শশার মধ্যে ফাইবার থাকে। এই ফাইবার জাতীয় জিনিসের সাথে মুড়ি খেলে কোনও ক্ষতি করেনা। মুড়ির সঙ্গে চপ বা সিঙ্গাড়া জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো।
অতিরিক্ত কোনও টাই বেশি ভালো নয়। মুড়ি বেশি খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায় আর ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে পারে। গ্যাস, অম্বল কিংবা মাইগ্রেনের সমস্যায় মুড়ি খেলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। মুড়ি তে যে ধরনের কার্বোহাইড্রেট রয়েছে তা আমাদের পেটে নানারকম রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে। বমি হলে জলের মধ্যে মুড়ি ভিজিয়ে খেতে হয়। মুড়ি খেলে হজম করতে সাহায্য করে। মুড়ি চিনি দিয়ে ভেজে খাওয়া যায় আবার ছোলা বা মটরশুটি দিয়ে খাওয়া যায়। তবে চানাচুর এর সঙ্গে মুড়ি না খাওয়াই ভালো। বন্ধুদের সাথে বেড়াতে বেরিয়ে মুড়ি দিয়ে ভেলপুরি খেতে ভালো লাগে। রোজার মাসে প্রায় প্রতিদিন ইফতারের সময় মুড়ি খাওয়া হয়। সাধারণ খাবার হলেও মুড়ি সবার পছন্দের। সকাল বিকেল জলখাবার টেবিলের অনেকের পছন্দের তালিকায় থাকে মুড়ি। দুধ দিয়ে মাখা মুড়ি ,পাতলা খেজুরের গুড় দিয়ে মাখা মুড়ি ,আম ও কাঁঠালের রস দিয়ে মাখা মুড়ি সুস্বাদু করে দেয়। নিয়মিত মুড়ি খেলে পেটে অ্যাসিডের ক্ষরণে ভারসাম্য আসে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মুড়ি খেলে ভুঁড়ি হয় না

আপডেট সময় : ০৫:৩৫:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুলাই ২০২৪

 

ঋতম্ভরা বন্দোপাধ্যায়,কলকাতা।।
বাঙালির জীবনে মুড়ির এক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রয়েছে। সন্ধ্যা বেলায় চায়ের আসরে মুড়ি দিয়ে চপ বা সিঙ্গাড়া এক আনন্দের টিফিন। বিশেষ করে বর্ষাকালে অফিস থেকে বর্ষায় ভিজে বাড়ি ফিরে গরম গরম চায়ের সাথে মুড়ি দারুণ জমে। মুড়ি তে ক্যালোরি কম থাকার কারনে পেট ভরে মুড়ি খেলে ও ভয় থাকে না। মুড়ি উচ্চচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। যারা উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যায় ভুগছেন তারাও মুড়ি খেতে পারেন। বর্তমান প্রজন্ম এখন স্বাস্থ্য সচেতন। তাই কিসে আমাদের ওজন কমানো যায় সেটি এখন প্রধান আলোচ্য বিষয়। ভাতের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকে। ভাতের সঙ্গে মুড়ি নিয়ে ও প্রশ্ন আসতে পারে? মুড়ির মধ্যে প্রচুর পুষ্টিগুণ আছে। অ্যাসিডিটি সমস্যায় ভুগলে তা দূর করতে পারে মুড়ি। মুড়িতে থাকে আয়রন আর ক্যালসিয়াম তাই আমাদের হাড় কে শক্ত রাখতে মুড়ি সহায়তা করে। পেট কে ঠান্ডা রাখার জন্য কলা , ছোলা, শশা , মুড়ি কিংবা জল মুড়ি খাওয়া ভালো। মুড়ি চাল দিয়ে তৈরি হলেও এটি গ্লুটেনমুক্ত তাই ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সহজ। কিন্তু ভাতের বদলে মুড়ি খাওয়া অভ্যাস অনুচিত। অনেকে মনে করেন যে ভাতের বদলে মুড়ি খেয়ে পেট ভরাবেন সেটি সঠিক নয়। সুগারের রোগীরা প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫০ গ্রাম মুড়ি খেতে পারবেন। এর থেকেও যদি বেশি খেতে চান তাহলে ২/৩ কাপ। কলা , ছোলা এবং শশার মধ্যে ফাইবার থাকে। এই ফাইবার জাতীয় জিনিসের সাথে মুড়ি খেলে কোনও ক্ষতি করেনা। মুড়ির সঙ্গে চপ বা সিঙ্গাড়া জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো।
অতিরিক্ত কোনও টাই বেশি ভালো নয়। মুড়ি বেশি খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায় আর ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে পারে। গ্যাস, অম্বল কিংবা মাইগ্রেনের সমস্যায় মুড়ি খেলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়। মুড়ি তে যে ধরনের কার্বোহাইড্রেট রয়েছে তা আমাদের পেটে নানারকম রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে। বমি হলে জলের মধ্যে মুড়ি ভিজিয়ে খেতে হয়। মুড়ি খেলে হজম করতে সাহায্য করে। মুড়ি চিনি দিয়ে ভেজে খাওয়া যায় আবার ছোলা বা মটরশুটি দিয়ে খাওয়া যায়। তবে চানাচুর এর সঙ্গে মুড়ি না খাওয়াই ভালো। বন্ধুদের সাথে বেড়াতে বেরিয়ে মুড়ি দিয়ে ভেলপুরি খেতে ভালো লাগে। রোজার মাসে প্রায় প্রতিদিন ইফতারের সময় মুড়ি খাওয়া হয়। সাধারণ খাবার হলেও মুড়ি সবার পছন্দের। সকাল বিকেল জলখাবার টেবিলের অনেকের পছন্দের তালিকায় থাকে মুড়ি। দুধ দিয়ে মাখা মুড়ি ,পাতলা খেজুরের গুড় দিয়ে মাখা মুড়ি ,আম ও কাঁঠালের রস দিয়ে মাখা মুড়ি সুস্বাদু করে দেয়। নিয়মিত মুড়ি খেলে পেটে অ্যাসিডের ক্ষরণে ভারসাম্য আসে।