ঢাকা ০৩:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘সানভিস বাই তনি’র ভয়ংকর প্রতারণা! বিদেশি পন্যের নামে দেশী পন্য সরবরাহ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৭:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪ ৬০ বার পড়া হয়েছে

নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শোরুমটি বন্ধে নির্দেশ..! 

 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট।।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচিত ভাইরাল এক মুখ নিজেকে সবসময় জাহিল করে বেরানো রোবাইয়াত ফাতেমা তনি। রাজধানীতে বেশ কয়েকটি শোরুম আছে তার নিজের। অনলাইনেও বিক্রি করেন পোশাক এবং কসমেটিক্স সামগ্রি। তবে এবার মুখোশ উন্মোচিত হয়ে আলোচনায় আসলেন প্রতারণার অভিযোগে। বিদেশি পণ্যের নামে প্রতারণা মাধ্যমে তিনি বিক্রি করছেন দেশীয় পণ্য। তনির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছেন এক ভোক্তার।

সোমবার (১৩ মে) রাজধানীর পুলিশ প্লাজায় ‘সানভিস বাই তনি’র শোরুমে ভ্রাম্যমাণ অভিযান চালিয়ে ওই ভোক্তার অভিযোগের সত্যতাও পেয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। অভিযানে বিদেশি পণ্য আমদানির কোনো ধরনের কাগজ পত্র দেখাতে ব্যর্থ হন বিক্রেতা।

ভোক্তা অধিকার অধিদফতর বলছে, তৈরি পোশাক বিক্রির লাইসেন্স নিয়ে অবৈধভাবে কসমেটিক্স বিক্রি করা হতো এ আউটলেটে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মণ্ডলের তথ্যমতে, তারা অনলাইনে পাকিস্তানি ড্রেস প্রদর্শন করে, কিন্তু বাস্তবে ডেলিভারি দেয়ার সময় দেশীয় ড্রেস সরবরাহ করে।এতে করে শত শত কাস্টমার এভাবে প্রতারিত হচ্ছে। প্রতারণার বিষয়ে অভিযোগ এলে তাদের শুনানির জন্য নোটিশ করা হলে, তারা সেটি দেখেও এড়িয়ে জবাব দেয়নি। যেহেতু তারা উপস্থিত হয়নি,তাই আমাদের কাছে মনে হয়েছে এসব অভিযোগের সত্যতা থাকতে পারে।তারই ধারাবাহিকতায় এখানে এসে সেটার চাক্ষুশ প্রমাণ পেয়েছি। তারা পাকিস্তানি ড্রেসের পক্ষে আমদানির কোনো কাগজপত্র, প্রমাণ দেখাতে পারেনি। তাদের শুধুমাত্র ট্রেড লাইসেন্স আছে, সেটাও সাধারণ পোশাক বিক্রেতা হিসেবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তাদের শোরুম বন্ধ করে দিয়েছি। এখন তারা কাগজপত্র নিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরে হাজির হয়ে প্রমাণ দেবে। এছাড়াও কতগুলো কাস্টমারকে এসব ড্রেস সরবরাহ করা হয়েছে সেসব তথ্যও দিবে। শুনানির জন্য মঙ্গলবার আবার ডাকা হয়েছে। নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শোরুমটি বন্ধ থাকবে।’বলে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

‘সানভিস বাই তনি’র ভয়ংকর প্রতারণা! বিদেশি পন্যের নামে দেশী পন্য সরবরাহ

আপডেট সময় : ০৫:৪৭:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪

নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শোরুমটি বন্ধে নির্দেশ..! 

 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট।।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচিত ভাইরাল এক মুখ নিজেকে সবসময় জাহিল করে বেরানো রোবাইয়াত ফাতেমা তনি। রাজধানীতে বেশ কয়েকটি শোরুম আছে তার নিজের। অনলাইনেও বিক্রি করেন পোশাক এবং কসমেটিক্স সামগ্রি। তবে এবার মুখোশ উন্মোচিত হয়ে আলোচনায় আসলেন প্রতারণার অভিযোগে। বিদেশি পণ্যের নামে প্রতারণা মাধ্যমে তিনি বিক্রি করছেন দেশীয় পণ্য। তনির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছেন এক ভোক্তার।

সোমবার (১৩ মে) রাজধানীর পুলিশ প্লাজায় ‘সানভিস বাই তনি’র শোরুমে ভ্রাম্যমাণ অভিযান চালিয়ে ওই ভোক্তার অভিযোগের সত্যতাও পেয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। অভিযানে বিদেশি পণ্য আমদানির কোনো ধরনের কাগজ পত্র দেখাতে ব্যর্থ হন বিক্রেতা।

ভোক্তা অধিকার অধিদফতর বলছে, তৈরি পোশাক বিক্রির লাইসেন্স নিয়ে অবৈধভাবে কসমেটিক্স বিক্রি করা হতো এ আউটলেটে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মণ্ডলের তথ্যমতে, তারা অনলাইনে পাকিস্তানি ড্রেস প্রদর্শন করে, কিন্তু বাস্তবে ডেলিভারি দেয়ার সময় দেশীয় ড্রেস সরবরাহ করে।এতে করে শত শত কাস্টমার এভাবে প্রতারিত হচ্ছে। প্রতারণার বিষয়ে অভিযোগ এলে তাদের শুনানির জন্য নোটিশ করা হলে, তারা সেটি দেখেও এড়িয়ে জবাব দেয়নি। যেহেতু তারা উপস্থিত হয়নি,তাই আমাদের কাছে মনে হয়েছে এসব অভিযোগের সত্যতা থাকতে পারে।তারই ধারাবাহিকতায় এখানে এসে সেটার চাক্ষুশ প্রমাণ পেয়েছি। তারা পাকিস্তানি ড্রেসের পক্ষে আমদানির কোনো কাগজপত্র, প্রমাণ দেখাতে পারেনি। তাদের শুধুমাত্র ট্রেড লাইসেন্স আছে, সেটাও সাধারণ পোশাক বিক্রেতা হিসেবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তাদের শোরুম বন্ধ করে দিয়েছি। এখন তারা কাগজপত্র নিয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরে হাজির হয়ে প্রমাণ দেবে। এছাড়াও কতগুলো কাস্টমারকে এসব ড্রেস সরবরাহ করা হয়েছে সেসব তথ্যও দিবে। শুনানির জন্য মঙ্গলবার আবার ডাকা হয়েছে। নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শোরুমটি বন্ধ থাকবে।’বলে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।