ঢাকা ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আনারকে হত্যার পর চামড়া ছাড়িয়ে টুকরো করে কাটার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন‘কসাই’ জিহাদ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩১:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪ ৪৯ বার পড়া হয়েছে

হত্যার পর মৃতদেহ থেকে চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া পর হাড্ডি-মাংসগুলোকে আলাদা আলাদা টুকরো করা হয়।না চেনার জন্য ছোট ছোট টুকরা করা হয়..!

 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট।।

এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারকে টুকরো করে কাটার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ‘কসাই’ জিহাদ।ভারতের কলকাতায় নির্মম ও লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার। দীর্ঘ ৮ দিন নিখোঁজ থাকার পর সামনে আসে হত্যাকাণ্ডের খবর। এরপর থেকেই আসতে শুরু করেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর  হত্যাযজ্ঞের নৃশংস তথ্য । ভারত- বাংলাদেশের গোয়েন্দা বাহিনী সমন্বিত তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, হত্যার পর আনোয়ারুলের মরদেহ টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলা হয়। হাড্ডি মাংস আলাদা করে পিস পিস করে কিমা করা হয়।

সম্প্রতি সময়ে এমপি আনোয়ারুলকে খুনের পর টুকরো করা সেই ‘কসাই’ জিহাদকে কলকাতায় গ্রেফতার করেছে পশ্চিমবঙ্গ সিআইডি। শুক্রবার (২৪ মে) বারাসাত আদালতে তোলা হবে তাকে।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) গভীর রাতে সিআইডির এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জিহাদ হাওলাদার নামে ওই ব্যক্তি একজন ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি নাগরিক। তিনি অবৈধভাবে ভারতের মুম্বাইতে বাস করতেন। তার আদি বাসস্থান বাংলাদেশের খুলনার দিঘলিয়া থানার বারাকপুরে।

বাংলাদেশী বংশদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক আখতারুজ্জামান শাহীন জিহাদকে দুমাস আগে ভারতে নিয়ে আসেন। এরপর তিনি কলকাতায় অবস্থা করে। জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে সিআইডি জানায়, আখতারুজ্জামানের নির্দেশে ওই ফ্ল্যাটে তিনিসহ আরও চারজন মিলে এমপি আনারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।

বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতার একটি খালের ধারে দেহাংশের খোঁজে তদন্তকারীরা।
সিআইডির ওই কর্মকর্তা বলছেন, হত্যার পর প্রথমে শরীর থেকে চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া হয়। এরপর মাংসগুলো আলাদা আলাদা টুকরো করা হয়। এগুলোকে খুব ছোট ছোট করে টুকরো করা হয়েছে যাতে চেনা না যায়। এরপর মাংস-খণ্ডগুলো পলিথিনে ভরা হয়। পরে হাঁড়গুলোকেও ছোট ছোট টুকরো করা হয়।

জিহাদের দেওয়া তথ্যমতে, পলিথিনে ভরে হাঁড় ও মাংসের টুকরোগুলো বিভিন্নভাবে কলকাতার ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় ফেলে আসা হয়।

পশ্চিমবঙ্গ সিআইডি ইতিমধ্যে পোলেরহাট থানার কৃষ্ণবাটি সেতুর কাছে বাগজোলা খালে তল্লাশি চালায়। খালটি নিউটাউন এলাকার ওই ফ্ল্যাটে সামনে দিয়ে বয়ে গেছে। তবে সেখানে কিছু পাওয়া যায়নি বলে সিআইডি সূত্র জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আনারকে হত্যার পর চামড়া ছাড়িয়ে টুকরো করে কাটার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন‘কসাই’ জিহাদ

আপডেট সময় : ০৮:৩১:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪

হত্যার পর মৃতদেহ থেকে চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া পর হাড্ডি-মাংসগুলোকে আলাদা আলাদা টুকরো করা হয়।না চেনার জন্য ছোট ছোট টুকরা করা হয়..!

 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট।।

এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারকে টুকরো করে কাটার লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ‘কসাই’ জিহাদ।ভারতের কলকাতায় নির্মম ও লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার। দীর্ঘ ৮ দিন নিখোঁজ থাকার পর সামনে আসে হত্যাকাণ্ডের খবর। এরপর থেকেই আসতে শুরু করেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর  হত্যাযজ্ঞের নৃশংস তথ্য । ভারত- বাংলাদেশের গোয়েন্দা বাহিনী সমন্বিত তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, হত্যার পর আনোয়ারুলের মরদেহ টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলা হয়। হাড্ডি মাংস আলাদা করে পিস পিস করে কিমা করা হয়।

সম্প্রতি সময়ে এমপি আনোয়ারুলকে খুনের পর টুকরো করা সেই ‘কসাই’ জিহাদকে কলকাতায় গ্রেফতার করেছে পশ্চিমবঙ্গ সিআইডি। শুক্রবার (২৪ মে) বারাসাত আদালতে তোলা হবে তাকে।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) গভীর রাতে সিআইডির এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জিহাদ হাওলাদার নামে ওই ব্যক্তি একজন ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি নাগরিক। তিনি অবৈধভাবে ভারতের মুম্বাইতে বাস করতেন। তার আদি বাসস্থান বাংলাদেশের খুলনার দিঘলিয়া থানার বারাকপুরে।

বাংলাদেশী বংশদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক আখতারুজ্জামান শাহীন জিহাদকে দুমাস আগে ভারতে নিয়ে আসেন। এরপর তিনি কলকাতায় অবস্থা করে। জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে সিআইডি জানায়, আখতারুজ্জামানের নির্দেশে ওই ফ্ল্যাটে তিনিসহ আরও চারজন মিলে এমপি আনারকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন।

বৃহস্পতিবার রাতে কলকাতার একটি খালের ধারে দেহাংশের খোঁজে তদন্তকারীরা।
সিআইডির ওই কর্মকর্তা বলছেন, হত্যার পর প্রথমে শরীর থেকে চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া হয়। এরপর মাংসগুলো আলাদা আলাদা টুকরো করা হয়। এগুলোকে খুব ছোট ছোট করে টুকরো করা হয়েছে যাতে চেনা না যায়। এরপর মাংস-খণ্ডগুলো পলিথিনে ভরা হয়। পরে হাঁড়গুলোকেও ছোট ছোট টুকরো করা হয়।

জিহাদের দেওয়া তথ্যমতে, পলিথিনে ভরে হাঁড় ও মাংসের টুকরোগুলো বিভিন্নভাবে কলকাতার ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় ফেলে আসা হয়।

পশ্চিমবঙ্গ সিআইডি ইতিমধ্যে পোলেরহাট থানার কৃষ্ণবাটি সেতুর কাছে বাগজোলা খালে তল্লাশি চালায়। খালটি নিউটাউন এলাকার ওই ফ্ল্যাটে সামনে দিয়ে বয়ে গেছে। তবে সেখানে কিছু পাওয়া যায়নি বলে সিআইডি সূত্র জানিয়েছে।