ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সিগন্যাল বিভ্রান্তির কারনেই উড়িশ্যার ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: রেল কর্তৃপক্ষ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৫:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জুন ২০২৩ ৭৮ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।

 

 

ভারতের উড়িশ্যা প্রদেশে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় কারণ জানালেন রেল কর্তৃপক্ষ।মূলত সিগন্যাল সিস্টেমে বিভ্রান্তি ফলে এ দূর্ঘটনা ঘটেছে, ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক তদন্ত শেষে এসব তথ্য জানিয়েছে। খবর দ্য হিন্দু। ভারতের ইতিহাসে চতুর্থ বড় এ রেল দুর্ঘটনা কীভাবে ঘটেছে, তা জানতে অনুসন্ধান চালায় দেশটির রেল কর্তৃপক্ষ।

অনুসন্ধান শেষে তদন্ত কমিটি প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, কলকাতা থেকে চেন্নাইগামী করমন্ডল এক্সপ্রেসকে মূল লাইন দিয়ে চলে যাওয়ার সংকেত দেওয়ার পর তা আবার ততক্ষণে তুলে নেওয়া হয়। ট্রেনটি তখন স্টেশন এলাকার বাড়তি লাইনে (লুপ লাইন) ঢুকে গিয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মালবাহী ট্রেনকে আঘাত করে।

শুক্রবার (২ জুন) সন্ধ্যা সাতটার দিকে বালাসোরের বাহাঙ্গাবাজার স্টেশনের কাছে এই ভয়াবহ  দুর্ঘটনায়  দুই ট্রেনের সঙ্গে আরেকটি দ্রুতগতির ট্রেন হাওড়া এক্সপ্রেসও এসে জড়িয়ে পড়ে। তিনটি  ট্রেনের এই ভয়াবহ সংঘর্ষে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বেসরকারিভাবে অন্তত নিহতের সংখ্যা ২৮৮ জন।আর আহতের সংখ্যা  ৯০০ জনেরও বেশি।

ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক তদন্ত শেষে বলা হয়েছে, ১২৮৪১ নম্বর শালিমার চেন্নাই সেন্ট্রাল করমন্ডল এক্সপ্রেসকে মূল লাইন দিয়ে চলে যাওয়ার সংকেত দেওয়া হলে। এর কিছুক্ষণ পরেই আবার সংকেত তুলে নেওয়া হয়। কেন সংকেত দেওয়া হয়েছিল এবং কেনেোই বা তা তুলে নেওয়া হয়েছিল, তার কারণ এখনো স্পষ্ট নয়।এরপর
সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস ট্রেনটি সংলগ্ন বাড়তি লাইনে (লুপ লাইন) ঢুকে পড়লে মালবাহী ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এসময় ট্রেনটির ২১টি বগি লাইনচ্যুত হয় ও কয়েকটি উল্টে পড়ে। এর পরবর্তী সময়ের মধ্যে বিপরীত দিক থেকে ১২৮৬৪ নম্বর ট্রেনটি (যশবন্তপুর–হাওড়া এক্সপ্রেস) অপর মূল লাইন ধরে চলে আসে। এর দুটি বগি লাইনচ্যুত হয় ও উল্টে পড়ে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করমন্ডল এক্সপ্রেসের গার্ড ব্রেক ভ্যান ও ফার্স্ট এসি কোচ সামনের দিকে যাওয়ার মূল লাইনের ওপর ছিল। আর ইঞ্জিন পাওয়া গেছে মালবাহী ট্রেনের ওপরে। প্রাথমিক এই তদন্ত প্রতিবেদনের একটি অনুলিপি তাদের হাতে এসেছে বলে দ্য হিন্দু জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সিগন্যাল বিভ্রান্তির কারনেই উড়িশ্যার ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: রেল কর্তৃপক্ষ

আপডেট সময় : ০৪:৫৫:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ জুন ২০২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।

 

 

ভারতের উড়িশ্যা প্রদেশে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় কারণ জানালেন রেল কর্তৃপক্ষ।মূলত সিগন্যাল সিস্টেমে বিভ্রান্তি ফলে এ দূর্ঘটনা ঘটেছে, ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক তদন্ত শেষে এসব তথ্য জানিয়েছে। খবর দ্য হিন্দু। ভারতের ইতিহাসে চতুর্থ বড় এ রেল দুর্ঘটনা কীভাবে ঘটেছে, তা জানতে অনুসন্ধান চালায় দেশটির রেল কর্তৃপক্ষ।

অনুসন্ধান শেষে তদন্ত কমিটি প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, কলকাতা থেকে চেন্নাইগামী করমন্ডল এক্সপ্রেসকে মূল লাইন দিয়ে চলে যাওয়ার সংকেত দেওয়ার পর তা আবার ততক্ষণে তুলে নেওয়া হয়। ট্রেনটি তখন স্টেশন এলাকার বাড়তি লাইনে (লুপ লাইন) ঢুকে গিয়ে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মালবাহী ট্রেনকে আঘাত করে।

শুক্রবার (২ জুন) সন্ধ্যা সাতটার দিকে বালাসোরের বাহাঙ্গাবাজার স্টেশনের কাছে এই ভয়াবহ  দুর্ঘটনায়  দুই ট্রেনের সঙ্গে আরেকটি দ্রুতগতির ট্রেন হাওড়া এক্সপ্রেসও এসে জড়িয়ে পড়ে। তিনটি  ট্রেনের এই ভয়াবহ সংঘর্ষে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বেসরকারিভাবে অন্তত নিহতের সংখ্যা ২৮৮ জন।আর আহতের সংখ্যা  ৯০০ জনেরও বেশি।

ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক তদন্ত শেষে বলা হয়েছে, ১২৮৪১ নম্বর শালিমার চেন্নাই সেন্ট্রাল করমন্ডল এক্সপ্রেসকে মূল লাইন দিয়ে চলে যাওয়ার সংকেত দেওয়া হলে। এর কিছুক্ষণ পরেই আবার সংকেত তুলে নেওয়া হয়। কেন সংকেত দেওয়া হয়েছিল এবং কেনেোই বা তা তুলে নেওয়া হয়েছিল, তার কারণ এখনো স্পষ্ট নয়।এরপর
সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস ট্রেনটি সংলগ্ন বাড়তি লাইনে (লুপ লাইন) ঢুকে পড়লে মালবাহী ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এসময় ট্রেনটির ২১টি বগি লাইনচ্যুত হয় ও কয়েকটি উল্টে পড়ে। এর পরবর্তী সময়ের মধ্যে বিপরীত দিক থেকে ১২৮৬৪ নম্বর ট্রেনটি (যশবন্তপুর–হাওড়া এক্সপ্রেস) অপর মূল লাইন ধরে চলে আসে। এর দুটি বগি লাইনচ্যুত হয় ও উল্টে পড়ে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করমন্ডল এক্সপ্রেসের গার্ড ব্রেক ভ্যান ও ফার্স্ট এসি কোচ সামনের দিকে যাওয়ার মূল লাইনের ওপর ছিল। আর ইঞ্জিন পাওয়া গেছে মালবাহী ট্রেনের ওপরে। প্রাথমিক এই তদন্ত প্রতিবেদনের একটি অনুলিপি তাদের হাতে এসেছে বলে দ্য হিন্দু জানিয়েছে।