ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নাসিক ২৫ নং ওয়ার্ড পশুর হাটটি বন্ধ ঘোষনা করলো উপজেলা প্রশাসন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২১:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জুন ২০২৩ ১৬৭ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি।।

 

 

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন আওতাধীন বন্দর ২৫ নং ওয়ার্ডের বালুর মাঠ গরুর হাটের ইজারার দরপত্র বাতিল করে বন্ধ ঘোষনা করে দিলো উপজেলা প্রশাসন,এ নিয়ে বন্ধ হয়ে গেলো নাসিক আওতাধীন দুটি পশুর হাট।

জানা গেছে এর আগে দফায় দফায় হামলা ও হত্যার চেষ্টা ঘটনায় সিটি কর্পোরেশন একক সিদ্ধান্তে ইজারা দেয়া পশুর অস্থায়ী হাটটি বন্ধ করে দেয় উপজেলা প্রশাসন।

এ ঘটনা নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও বন্দর উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে গত ২২জুন বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টায় ২৫ নং ওয়ার্ড লক্ষখোলা বালু মাঠ এলাকার নাসিক কর্তৃক ইজারা দেয়া গরু হাট বন্ধ করে দেয়।

এর আগে (২০ জুন) মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টায় দিকে নাসিক ভবনের ৮ম তলায় প্রথম দফায় এবং দ্বিতীয় দফায় গত বুধবার রাত ১১.২৫ মিনিটে বন্দর থানা গেটের সামনেই দুই ইজারাদার গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এরপর  ২১ জুন  রাএ ৭.১৫ ঘটিকায় সময় বন্দর থানা পুলিশ সঙ্গে নিয়ে হাটে গেলে এনায়েত হোসেনের সন্ত্রাসীরা হাট পরিচালন করার জন্য ইজারাদার মামুনের নিকট ১৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। এসময় উক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আবারও এনায়েত সহ তার বড় ভাই হেলাল, মাজহারুল, বাদল, নাজমুল সহ অজ্ঞাত সন্ত্রাসী বাহিনীর ইজারাদার মামুনের উপর চড়াও হয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।

এ ঘটনাটি বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানালে তিনি মিমাংসা করতে এনায়েত কাউন্সিলর সহ সবাইকে ডেকে আপোষ মিমাংসার মাধ্যমে ইজারাদার আব্দুল্লাহ আল মামুনকে নির্বিঘ্নে হাট পরিচালনা করার নির্দেশ প্রদান সহ মুচলেকা নেন।

মুচলেকা দেওয়ার পরও এলাকায় গিয়ে এনায়েত গং ইজারাকৃত হাটের বাশঁ, পেন্ডেল, পানি,গ্যাস, বিদ্যুৎ সহ সকল ডেকোরেশন ভেঙে ফেলে এবং হুমকি ধামকি প্রদান।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ইজারাদার মামুন বলেন,  হাট পরিচালনা ক্ষেত্রে আমার হাটের ইজারা ২৫ লাখ এবং ২ লক্ষ সহ আরো ২০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নেয় এনায়েত গং।

এদিকে এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কাছে আব্দুল্লাহ আল- মামুন অভিযোগ দয়ের করলে জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ জানান, এবার সিটি কর্পোরেশন অনুকূলে হাটের অনুমতি দেয়া হয়েছে ১৬ টি। এরমধ্যে যদি কোন সমস্যা হয় সেটা উপজেলা ও জেলা প্রশাসন দেখবে। এবং কোনো ধরনের নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন সহ হাট বন্ধ করে দেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নাসিক ২৫ নং ওয়ার্ড পশুর হাটটি বন্ধ ঘোষনা করলো উপজেলা প্রশাসন

আপডেট সময় : ০১:২১:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জুন ২০২৩

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি।।

 

 

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন আওতাধীন বন্দর ২৫ নং ওয়ার্ডের বালুর মাঠ গরুর হাটের ইজারার দরপত্র বাতিল করে বন্ধ ঘোষনা করে দিলো উপজেলা প্রশাসন,এ নিয়ে বন্ধ হয়ে গেলো নাসিক আওতাধীন দুটি পশুর হাট।

জানা গেছে এর আগে দফায় দফায় হামলা ও হত্যার চেষ্টা ঘটনায় সিটি কর্পোরেশন একক সিদ্ধান্তে ইজারা দেয়া পশুর অস্থায়ী হাটটি বন্ধ করে দেয় উপজেলা প্রশাসন।

এ ঘটনা নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও বন্দর উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে গত ২২জুন বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টায় ২৫ নং ওয়ার্ড লক্ষখোলা বালু মাঠ এলাকার নাসিক কর্তৃক ইজারা দেয়া গরু হাট বন্ধ করে দেয়।

এর আগে (২০ জুন) মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টায় দিকে নাসিক ভবনের ৮ম তলায় প্রথম দফায় এবং দ্বিতীয় দফায় গত বুধবার রাত ১১.২৫ মিনিটে বন্দর থানা গেটের সামনেই দুই ইজারাদার গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এরপর  ২১ জুন  রাএ ৭.১৫ ঘটিকায় সময় বন্দর থানা পুলিশ সঙ্গে নিয়ে হাটে গেলে এনায়েত হোসেনের সন্ত্রাসীরা হাট পরিচালন করার জন্য ইজারাদার মামুনের নিকট ১৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। এসময় উক্ত টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আবারও এনায়েত সহ তার বড় ভাই হেলাল, মাজহারুল, বাদল, নাজমুল সহ অজ্ঞাত সন্ত্রাসী বাহিনীর ইজারাদার মামুনের উপর চড়াও হয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।

এ ঘটনাটি বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানালে তিনি মিমাংসা করতে এনায়েত কাউন্সিলর সহ সবাইকে ডেকে আপোষ মিমাংসার মাধ্যমে ইজারাদার আব্দুল্লাহ আল মামুনকে নির্বিঘ্নে হাট পরিচালনা করার নির্দেশ প্রদান সহ মুচলেকা নেন।

মুচলেকা দেওয়ার পরও এলাকায় গিয়ে এনায়েত গং ইজারাকৃত হাটের বাশঁ, পেন্ডেল, পানি,গ্যাস, বিদ্যুৎ সহ সকল ডেকোরেশন ভেঙে ফেলে এবং হুমকি ধামকি প্রদান।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ইজারাদার মামুন বলেন,  হাট পরিচালনা ক্ষেত্রে আমার হাটের ইজারা ২৫ লাখ এবং ২ লক্ষ সহ আরো ২০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নেয় এনায়েত গং।

এদিকে এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কাছে আব্দুল্লাহ আল- মামুন অভিযোগ দয়ের করলে জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ জানান, এবার সিটি কর্পোরেশন অনুকূলে হাটের অনুমতি দেয়া হয়েছে ১৬ টি। এরমধ্যে যদি কোন সমস্যা হয় সেটা উপজেলা ও জেলা প্রশাসন দেখবে। এবং কোনো ধরনের নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন সহ হাট বন্ধ করে দেয়া হবে।