নারায়ণগঞ্জের ফিলিং স্টেশনগুলোতে স্বাভাবিকের চেয়ে ক্রেতাদের বাড়তি ভিড়
- আপডেট সময়- ০৫:৩৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান-ঈসরায়েলের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারনে সৃষ্ট কারনে দেশে জ্বালানি তেলের সংকটের আশঙ্কা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ায় দেশজুড়ে হাহাকার গুঞ্জের ফলে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে ক্রেতাদের বাড়তি ভিড় দেখা দিয়েছে। অনেকেই আগাম সতর্কতার অংশ হিসেবে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল সংগ্রহ করতে তড়িঘড়ি ভাবে হুমড়ি খাচ্ছে ফিলিং স্টেশন গুলোতে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) সরেজমিনে নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রানকেন্দ্র চাষাঢ়ার কয়েকটি ফিলিং স্টেশন ঘুরে দেখা গেছে, কোথাও দীর্ঘ লাইন না থাকলেও স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ক্রেতাদের উপস্থিতি অনেকটাই বেড়েছে তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে এই ভিরটা আরও বেশি পরিসরে বেগবান হবে বলে ফিলিং স্টেশন মালিকদের শঙ্কা। তবে তারা স্পষ্ট জানিয়েছেন তেলের কোনো সংকট নেই, পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল রয়েছে।
চাষাঢ়াস্থ মেসার্স আজগর সিএনজি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার বিপ্লব জানান, স্টেশনটিতে আপাতত জ্বালানি তেল শেষের দিকে। “শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকায় ডিপো থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে রবিবার থেকে ডিপোগুলো আবার তেল সরবরাহ শুরু করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। আশা করছি কেনো ধরনের সংকট হবে না।
একই পাম্পের এক কর্মচারী মানিক জানান, আমাদের পাম্পে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে, আগের চেয়ে একটু ভিড় বা চাহিদা বাড়লেও তেমন কোন ধরনেরই সমস্যা নাই, আমাদের স্টেশনে যতক্ষণ পর্যন্ত তেল রয়েছে, তা আমরা সরবরাহ করে যাব।।রবিবার থেকে ফের পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশাবাদী। তবে পিসিবি কর্তৃক নির্দেশনা মতে আমরা তেল সরবরাহ করব।
চাষাঢ়া শহীদ মিনারের পাশে অবস্থিত প্রান্তিক সার্ভিস স্টেশনের বিক্রেতা মো. মন্টু মিয়া বলেন, “আসলে ফিলিং স্টেশনে তেলের কোনো সংকট নেই। কিন্তু মানুষ আতঙ্কে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তেল নিতে আসছেন। তবে আমরা কাউকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল দিচ্ছি না। রবিবার সরকার ছটি শেষ পর্যন্ত যাতে সবার কাছে তেল বিক্রি করা যায়, সেই হিসাব করে মজুত থেকে তেল দিচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, তেলের “ডিপোগুলো আগের মতো চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করছে না, কিছুটা কম দিয়েছে। তাই আমরা মজুতের হিসাব করে বিক্রি করছি।বর্তমানে জ্বালানির দাম স্বাভাবিক রয়েছে। অকটেন প্রতি লিটার ১২০ টাকা এবং ডিজেল প্রতি লিটার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা এক ক্রেতা বলেন, “গাড়ির ট্যাংকিতে কিছু অকটেন রয়েছে। তারপরও শঙ্কার কারণে পুরো টাংকি ভরে রাখছি যাতে সংকটে না পরতে হয়, যদিও আমাদের গাড়ি গ্যাসেও চলে।
সরেজমিনে কয়েকটি ফিলিং স্টেশন গুলোতে ঘুরে স্পষ্টত জানতে পেরেছি এবং স্টেশন মালিক সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের ইরান-ইসারাইল যুদ্ধ পরিস্থিতিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে আতঙ্কের কোনো কারণ নেই, কারন আমারা জানতে পেরিয়ে আমাদের যথেষ্ট পরিমানে তেল মজুদ রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে কোনো ধরনের সংকট হবে না আশা করছি। তাছাড়া পিসিবির নির্দেশনা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করলে পরিস্থিতি স্বভাবিক থাকবে।
নিউজটি শেয়ার করুন..

-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ



































































































