ঢাকা ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:-
নারায়ণগঞ্জে বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষ-গোলাগুলি, শিশুসহ গুলিবিদ্ধ-২ কুষ্টিয়ায় ৩১ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা মূল্যমানের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি টেকনাফের মেরিন ড্রাইভে বস্তাবন্দি অজ্ঞাত যুবকের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার গাইবান্ধায় পেট্রোল নিয়ে সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে আহত-৩, আটক-১ সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন, ৩ দিন অফলাইনে ক্লাস: শিক্ষকরা স্কুল এসে নেবেন: শিক্ষামন্ত্রী সোনারগাঁ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিজ অর্থায়নে জরুরি ঔষধ নিয়ে হাজির হলেন এমপি মান্নান কুষ্টিয়ায় স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড টেকনাফে মিনিপিক‌আপ বোঝাই বিপুল পরিমাণে ইয়াবাসহ আটক-২ নারায়ণগঞ্জে তিন থানায় নতুন ওসি বলৎকারের তথ্য ফাঁস হওয়ার শঙ্কায় সৈকতকে হত্যা, অভিযুক্ত কিশোর আটক সারাদেশে পর্যাক্রমে চালু হচ্ছে ‘ফুয়েল পাস’ কার্যক্রম টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে ২৩ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ জ্বালানি সংকটে কুষ্টিয়ায় মোটরসাইকেল বাজারে ধস সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন’র রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ গত দেড় বছর যেভাবে আত্মগোপনে ছিলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন না’গঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় পরিকল্পিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটসহ গৃহকর্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ ইউএনও হোসনে আরাকে সাতক্ষীরা থেকে এবার রাজশাহীতে বদলি যেভাবে গ্রেপ্তার হলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী নিজ বাসা থেকে আটক টেকনাফে সড়কের পাশের অবৈধ দোকান উচ্ছেদ টেকনাফে ১৫ হাজার ইয়াবাসহ আটক-২ কারবারি নারায়নগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শুভ হত্যার অন্যতম আসামি ‘লাল শুভ’ আটক না’গঞ্জে ফের খু/ন! নিখোঁজের ১দিন পর মিললো মাদ্রাসা ছাত্রের গ/লা/কা/টা মরদেহ না’গঞ্জে মেডিস্টার হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিকসহ ৩ স্বাস্থ্যসেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে অর্থদন্ড ড. ইউনূসসহ সকল উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ সোনারগাঁয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা দুই ডিআইজিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি সিলেটের শাহজালাল সার কারখানা জ্বালানি সংকটে বন্ধ  নারায়ণগঞ্জে একযোগে দুই থানার ওসি প্রত্যাহার রূপগঞ্জে দায়িত্ব নিলেন নবনিযুক্ত ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও সড়ক বিভাগের উদ্যোগে শতাধিক অবৈধ স্থাপন উচ্ছেদ কক্সবাজারে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে ড্রোন সদৃশ রহস্যময় বস্তু টেকনাফ স্থলবন্দর উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা জোরদারে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত  না’গঞ্জে স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রানার বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ ওঠা যুবকের লাশ শনাক্ত আজ থেকে অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে ৪টা, মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টায় আজ থেকে শুরু হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা কোচিং সেন্টার আইনের আওতায় আসবে: শিক্ষামন্ত্রী দেশে জ্বালানি সাশ্রয়: আজ থেকে অফিস-ব্যাংকের নতুন সূচি নারায়ণগঞ্জে বন্ধ পোশাক কারখানায় নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার আ’লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের অধ্যাদেশ হচ্ছে আইন,থাকছে শাস্তির বিধান নারায়ণগঞ্জে পৃথক অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ আটক-২ সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত-৯৪৭ নারায়ণগঞ্জে চৌদ্দ বছরের কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার-২ কুষ্টিয়া মেডিকেলে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি এক শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় দুই সাংবাদিককে হাতকড়া পরানো সেই এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে ৪টা পর্যন্ত, দোকান-মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টায় ইবি শিক্ষক আসমা হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ নারায়ণগঞ্জ পপুলার ডায়াগনস্টিকে ‘সময়ক্ষেপনে’ রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ শাকিবের হাত জ্যোতির কোমরে,ফারিণের কাঁধে; সমালোচনার ঝড় সরকার নির্ধারিত দামের তোয়াক্কা না করেই বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে এলপি গ্যাস কুলাউড়ায় ক্ষেতের জমির পানিতে ডুবে একই পরিবারের ৩ শিশুর মৃ/ত্যু শ্রীমঙ্গলে আলোচিত জুনায়েদ হত্যাকাণ্ডের দুই আসামি গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ৯০ শিশু  সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিস শুরুর প্রথম ৪০ মিনিট নিজ কক্ষে অবস্থান বাধ্যতামূলক সিলেটগামী উপবন এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন, সারাদেশের সাথে যোগাযোগ বন্ধ  সাবেক নাসিক মেয়র আইভীর জামিন নামঞ্জুর মৌলভীবাজারে মাইক্রোবাস-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-৩ শ্রীমঙ্গলে এক কিশোর নিখোঁজের দু’দিন পর লাশ উদ্ধার রাজধানীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালেই হামে ১৯ শিশুর মৃত্যু কুষ্টিয়ায় আ.লীগ নেতাকে ডেকে নিয়ে গু/লি করে হ/ত্যা/র চেষ্টা সাবেক ছাত্রনেতা সেলিম রেজার ২৯তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ ইউরোপ যাওয়ার পথে ২২ অভিবাসীর মৃত্যু, এদের মধ্যে ১৮ জনই বাংলাদেশি দীর্ঘ ছুটি শেষে আজ খুলেছে দেশের সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১৩ দিনের বিরতি শেষে ফের কাল বসছে জাতীয় সংসদ ঢাকাসহ দেশের ১৫টি জেলায় দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস শরীয়তপুরে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দিয়েছে দূর্বৃত্তরা ৫ আগস্টের আগে ও পরে পুলিশসহ সকল হত্যার বিচার হবে: আইজিপি টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে নারী-শিশুসহ নিহত-৫ নারায়ণগঞ্জে এক নিরাপত্তাকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বিয়ের সাড়ে ৩ মাসেই নিভে গেল সৌম্য-অন্তী দম্পতির প্রাণ নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসে শ্রদ্ধা মৌলভীবাজারে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত কুলিয়ারচরে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত কুমিল্লায় বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে একই পরিবারের চারজনসহ নিহত-৫ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ফের ৩ দিনের ছুটিতে সরকারি চাকরিজীবীরা পদ্মায় বাসডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৭ শিশুসহ ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার ডুবে যাওয়া ‘সৌহার্দ্য পরিবহনের’ বাসচালক আরমানের মরদেহ উদ্ধার ঢাকাগামী চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে ভয়াবহ আগুন আজ ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পদ্মায় ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটির উদ্ধারের সর্বশেষ যা জানা গেছে পদ্মায় বাস পড়ার ঘটনায় বৃষ্টি-ঝড়ো বাতাসে উদ্ধার কাজ ব্যাহত দৌলতদিয়ায় ডুবে যাওয়া বাসটি পদ্মার ৩০ ফুট গভীরে তলিয়ে গেছে: ফায়ার সার্ভিস কক্সবাজারে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে জুলাই যোদ্ধা নিহত ভারতের কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি আজ ২৫ মার্চ; পৃথিবীর ইতিহাসে নিষ্ঠুর ও নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞের কালরাত্রি  মেহেন্দীগঞ্জে পুলিশের সামনে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত-১, আহত-৫ দীর্ঘ ছুটি শেষে কাল খুলছে সরকারি অফিস-আদালত ও ব্যাংক কেন্দ্রীয় কারাগারে মারা গেল সেই ‘সিরিয়াল কিলার’ সাভারের সাইকো সম্রাট লম্বা ছুটি শেষে আগামী রোববার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে কুলিয়ারচরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সড়কে ঝড়ল তিন যুবকের তাজা প্রান ৫ ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের সাথে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক ফেনীতে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত-৩, গুরুতর আহত-৫  কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষ;চট্টগ্রামের সাথে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ চুয়াডাঙ্গায় ঈদের দিনে পূর্বশত্রুতার জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত-২ কুমিল্লায় বাস-ট্রেন ভয়াবহ সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত-১২, আহত-১০ হবিগঞ্জে ছবি তোলা নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে রনক্ষেত্র, আহত-৩০ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদের দিনে দুই দফা সংঘর্ষ, নারীসহ আহত অর্ধশতাধিক দীর্ঘ ৩৬ বছর পরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ঈদুল ফিতরের জামাত আদায় 

অবিভক্ত ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে তাদের ভূমিকা ছিল অপরিসীম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময়- ০৭:১৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪ ২৩৬ বার পড়া হয়েছে

ডাকাতেরা যখন ভ্রাতার ভূমিকায়..!

ঋতম্ভরা বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা :
ডাকাত কথাটি শুনলেই ভয়ে আতকে উঠতে হয়। আজও বাচ্চাদের ঘুম পাড়ানোর সময় ডাকাতদের গল্প শোনান হয়। কিন্তু ১৯৪৭ সালের অবিভক্ত ভারতের স্বাধীনতার আগে ডাকাতদের অনেকের ভূমিকা ছিল মুক্তি যোদ্ধাদের মতো।
অতীতে ডাকাতরা অনেকেই দেশের কাজে অথবা সমাজের কাজে ডাকাতি করতেন। অন্যান্য ডাকাতদের থেকে তাদের বৈশিষ্ট্য ছিল সম্পূর্ন আলাদা। তারা কেউ ডাকাতি করতেন ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য, আবার অনেকে জমিদারি অত্যাচারের হাত থেকে সাধারণ মানুষকে উদ্ধার করে তাদের আর্থিক সাহায্য দেবার জন্য। এমন বহু ঘটনা রয়েছে যেখানে ডাকাতরা ডাকাতির পর গভীর জঙ্গলে গিয়ে তাদের আরাধ্য মা কালীর কাছে অত্যাচারী ব্যক্তিকে বলিও চড়াতেন।
এমনই একটি বিখ্যাত কালী মন্দিরের কথা বলছি। জলপাইগুড়ির গোশালা মোড়ে জাতীয় সড়কের ধারে প্রায় তিনশো বছরের পুরনো এই মন্দির। স্থানীয়দের দাবি, শক্তির উপসানার পর ডাকাতি করতে বেরোতেন দেবী চৌধুরানি। কথিত আছে, একসময় করোলা নদীর ঘাট থেকে মন্দিরের গর্ভগৃহ পর্যন্ত মাটির নীচে সুড়ঙ্গ ছিল।
জলপাইগুড়ি শহরের শেষ প্রান্তে মাসকলাই বাড়ি ছাড়িয়ে জাতীয় সড়কের পাশে গোশালা মোড়ে মাড়োয়ারি শ্মশানের গায়ে অবস্থিত শ্মশানকালী মন্দির। স্থানীয়দের দ্বারাই মূলত পরিচালিত হয়ে আসছে এই মন্দিরের কালী পুজো। এবারও হচ্ছে সেই আয়োজন। জানালেন মন্দিরের পুরোহিত সুভাষ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘বাম আমলে কিছু সাহায্যে পেলেও এই আমলেও কোনো সাহায্যই পাইনি। অথচ হঠাৎ এক সাধু এসে বসে থাকায় ভামরি দেবী মন্দির বিখ্যাত হয়ে গেল!’ ২৭৫ বছরের এই মায়ের মন্দিরের সংস্কারও হল না। আক্ষেপ মন্দির কমিটিরও।
তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য এই কালী মন্দির হলো ডাকাত কালী মন্দির তথা দেবী চৌধুরানী শ্মশান কালী মন্দির।
শতাব্দীপ্রাচীন জলপাইগুড়ির দেবী চৌধুরানী শ্মশানকালী মন্দিরের ঐতিহাসিক পেক্ষাপট গুরুত্বপূর্ণ। এবার প্রায় ৩০০ vবছরে পদার্পণ করতে চলেছে এই মন্দিরের পূজা। এই পুজো হয় শ্যামা পূজার দিন। সেজন্য যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মন্দির পরিষ্কার করার কাজ চলছে। দূর দূরান্ত থেকে ভক্তগণ আসেন এখানে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এসে ভিড় জমান মন্দিরে।কালী পূজার পাশাপাশি এখানে শিবের আরাধনাও হয়। পূজার দিন মায়ের জন্য ভোগ নিবেদন হয়। দেবীকে তিস্তার মহাশোল মাছ ও বোয়াল মাছ দেওয়া হয়। সুরা দিয়ে মাকে স্নান করানো হয়। মায়ের এক হাতে সুরার পাত্র‌, অন্য হাতে নরমুন্ডু। রাতভর চলে পুজো।
বঙ্কিমচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাস ‘দেবী চৌধুরানী’তে এই অঞ্চলের কাহিনি বর্ণিত। এখনও এ অঞ্চলে দেবী চৌধুরানী ও ভবানী পাঠকের নামে নানা মিথ প্রচলিত। সাধারণ মানুষের মধ্যে এঁদের জনপ্রিয়তাও দেখার মতো। যদিও অনেকেই বলেন, প্রকৃত ঘটনা যা, বঙ্কিম তাঁর উপন্যাসে সেভাবে সেটা অনুসরণ করেননি। তবুও মূলত বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের সূত্রেই এই মন্দিরটি পরবর্তী সময়ে বিখ্যাত হয়। আজও মানুষের আগ্রহ রয়েছে।
তারই মাঝে, জলপাইগুড়ির গোশালা মোড়ে জাতীয় সড়কের ধারে প্রায় তিনশো বছরের পুরনো এই মন্দির। স্থানীয়দের দাবি, শক্তির উপসানার পর ডাকাতি করতে বেরোতেন দেবী চৌধুরানি। কথিত আছে, একসময় করোলা নদীর ঘাট থেকে মন্দিরের গর্ভগৃহ পর্যন্ত মাটির নীচে সুড়ঙ্গ ছিল।
দেবী চৌধুরানীর সময় থেকেই এই বিগ্রহের আরাধনা হয়ে আসছে। এখানে, দেবীর দুটি হাত। প্রত্যেক অমাবস্যাতেই এখানে শ্মশানকালীর পুজো হয়। কালীপুজোয় এখানে আগে বলি প্রথার প্রচলন ছিল। কিন্তু বর্তমানে আইনের নিষেধাজ্ঞায় সেটি বন্ধ রয়েছে।
এখানে ভোগে থাকে, সাদা ভাত, পাঁচ রকম ভাজা, শাক ভাজা, শোল মাছ, পায়েস চাটনি ও মিষ্টি!!
করোনাকালে, এবারও পাঁচ জনের বেশি ভক্তকে মন্দিরের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হতো না। বিলি করা হতনা ভোগও!
দেবী চৌধুরানী বজরা করে এখানে এসে সুড়ঙ্গপথে কালী মন্দিরে!
 প্রায় তিনশো বছরের পুরনো, জলপাইগুড়ির দেবী চৌধুরানির এই শ্মশানকালীর মন্দির হলেও অনেকে মনে করেন তার অনেক বছর আগে মন্দিরটি নির্মিত হয়েছিল। পুরনো রীতি মেনেই কালীপুজো হয় এখানে।
দেবী চৌধুরানী বজরা করে এখানে এসে সুড়ঙ্গপথে সোজা মন্দিরে প্রবেশ করতেন। মন্দিরের গর্ভগৃহেই রাখা হত লুঠ করে আনা সামগ্রী। জলপাইগুড়ির এই মন্দির ঘিরে নানা ইতিহাস আর জনশ্রুতি রয়েছে।
ব্রিটিশ সরকারের গোয়েন্দা ও পুলিশ তক্কে তক্কে থাকতো রানী দেবী চৌধুরানী গ্রেপ্তার করার জন্য। পুরো এলাকা জুড়ে তার জন্য তল্লাশি চালনো হতো। বৃটিশের চোখে ধুলো দিতেই দেবী চৌধুরানী করলা নদীর পার্শ্ববর্তী জঙ্গলের ধার দিয়ে বজরা নিয়ে মন্দিরের কাছাকাছি এসে সুড়ঙ্গ পথ দিয়ে মন্দিরে ঢুকতেন। তার এবং ভবানী পাঠকের ডাকাতির টাকা ও সোনা মন্দিরে জমা রাখা হতো এবং গোপনে বিপ্লবীদের হাতে তুলে দেওয়া হতো।।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস আনন্দমঠে ভবানী পাঠক এবং দেবী চৌধুরানীর যে উল্লেখ রয়েছে, স্থানীয় মানুষরা মনে করেন, এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই ভবানী পাঠক! দেবী চৌধুরানির শ্মশানকালীর মন্দির! চা বাগান ঘেরা ছোট্ট গ্রাম! গ্রামের একপাশ দিয়ে বয়ে চলেছে করোলা নদী।
এছাড়াও জলপাইগুড়ি শহরের উপকণ্ঠে যোগমায়া কালী মন্দির এবং রায়কত পড়ার কালী পুজো দেখতে দূর দূরান্ত থেকে মানুষ হাজির হয়ে থাকেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

ট্যাগস:-

অবিভক্ত ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে তাদের ভূমিকা ছিল অপরিসীম

আপডেট সময়- ০৭:১৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪

ডাকাতেরা যখন ভ্রাতার ভূমিকায়..!

ঋতম্ভরা বন্দ্যোপাধ্যায়, কলকাতা :
ডাকাত কথাটি শুনলেই ভয়ে আতকে উঠতে হয়। আজও বাচ্চাদের ঘুম পাড়ানোর সময় ডাকাতদের গল্প শোনান হয়। কিন্তু ১৯৪৭ সালের অবিভক্ত ভারতের স্বাধীনতার আগে ডাকাতদের অনেকের ভূমিকা ছিল মুক্তি যোদ্ধাদের মতো।
অতীতে ডাকাতরা অনেকেই দেশের কাজে অথবা সমাজের কাজে ডাকাতি করতেন। অন্যান্য ডাকাতদের থেকে তাদের বৈশিষ্ট্য ছিল সম্পূর্ন আলাদা। তারা কেউ ডাকাতি করতেন ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য, আবার অনেকে জমিদারি অত্যাচারের হাত থেকে সাধারণ মানুষকে উদ্ধার করে তাদের আর্থিক সাহায্য দেবার জন্য। এমন বহু ঘটনা রয়েছে যেখানে ডাকাতরা ডাকাতির পর গভীর জঙ্গলে গিয়ে তাদের আরাধ্য মা কালীর কাছে অত্যাচারী ব্যক্তিকে বলিও চড়াতেন।
এমনই একটি বিখ্যাত কালী মন্দিরের কথা বলছি। জলপাইগুড়ির গোশালা মোড়ে জাতীয় সড়কের ধারে প্রায় তিনশো বছরের পুরনো এই মন্দির। স্থানীয়দের দাবি, শক্তির উপসানার পর ডাকাতি করতে বেরোতেন দেবী চৌধুরানি। কথিত আছে, একসময় করোলা নদীর ঘাট থেকে মন্দিরের গর্ভগৃহ পর্যন্ত মাটির নীচে সুড়ঙ্গ ছিল।
জলপাইগুড়ি শহরের শেষ প্রান্তে মাসকলাই বাড়ি ছাড়িয়ে জাতীয় সড়কের পাশে গোশালা মোড়ে মাড়োয়ারি শ্মশানের গায়ে অবস্থিত শ্মশানকালী মন্দির। স্থানীয়দের দ্বারাই মূলত পরিচালিত হয়ে আসছে এই মন্দিরের কালী পুজো। এবারও হচ্ছে সেই আয়োজন। জানালেন মন্দিরের পুরোহিত সুভাষ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘বাম আমলে কিছু সাহায্যে পেলেও এই আমলেও কোনো সাহায্যই পাইনি। অথচ হঠাৎ এক সাধু এসে বসে থাকায় ভামরি দেবী মন্দির বিখ্যাত হয়ে গেল!’ ২৭৫ বছরের এই মায়ের মন্দিরের সংস্কারও হল না। আক্ষেপ মন্দির কমিটিরও।
তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য এই কালী মন্দির হলো ডাকাত কালী মন্দির তথা দেবী চৌধুরানী শ্মশান কালী মন্দির।
শতাব্দীপ্রাচীন জলপাইগুড়ির দেবী চৌধুরানী শ্মশানকালী মন্দিরের ঐতিহাসিক পেক্ষাপট গুরুত্বপূর্ণ। এবার প্রায় ৩০০ vবছরে পদার্পণ করতে চলেছে এই মন্দিরের পূজা। এই পুজো হয় শ্যামা পূজার দিন। সেজন্য যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মন্দির পরিষ্কার করার কাজ চলছে। দূর দূরান্ত থেকে ভক্তগণ আসেন এখানে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এসে ভিড় জমান মন্দিরে।কালী পূজার পাশাপাশি এখানে শিবের আরাধনাও হয়। পূজার দিন মায়ের জন্য ভোগ নিবেদন হয়। দেবীকে তিস্তার মহাশোল মাছ ও বোয়াল মাছ দেওয়া হয়। সুরা দিয়ে মাকে স্নান করানো হয়। মায়ের এক হাতে সুরার পাত্র‌, অন্য হাতে নরমুন্ডু। রাতভর চলে পুজো।
বঙ্কিমচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাস ‘দেবী চৌধুরানী’তে এই অঞ্চলের কাহিনি বর্ণিত। এখনও এ অঞ্চলে দেবী চৌধুরানী ও ভবানী পাঠকের নামে নানা মিথ প্রচলিত। সাধারণ মানুষের মধ্যে এঁদের জনপ্রিয়তাও দেখার মতো। যদিও অনেকেই বলেন, প্রকৃত ঘটনা যা, বঙ্কিম তাঁর উপন্যাসে সেভাবে সেটা অনুসরণ করেননি। তবুও মূলত বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের সূত্রেই এই মন্দিরটি পরবর্তী সময়ে বিখ্যাত হয়। আজও মানুষের আগ্রহ রয়েছে।
তারই মাঝে, জলপাইগুড়ির গোশালা মোড়ে জাতীয় সড়কের ধারে প্রায় তিনশো বছরের পুরনো এই মন্দির। স্থানীয়দের দাবি, শক্তির উপসানার পর ডাকাতি করতে বেরোতেন দেবী চৌধুরানি। কথিত আছে, একসময় করোলা নদীর ঘাট থেকে মন্দিরের গর্ভগৃহ পর্যন্ত মাটির নীচে সুড়ঙ্গ ছিল।
দেবী চৌধুরানীর সময় থেকেই এই বিগ্রহের আরাধনা হয়ে আসছে। এখানে, দেবীর দুটি হাত। প্রত্যেক অমাবস্যাতেই এখানে শ্মশানকালীর পুজো হয়। কালীপুজোয় এখানে আগে বলি প্রথার প্রচলন ছিল। কিন্তু বর্তমানে আইনের নিষেধাজ্ঞায় সেটি বন্ধ রয়েছে।
এখানে ভোগে থাকে, সাদা ভাত, পাঁচ রকম ভাজা, শাক ভাজা, শোল মাছ, পায়েস চাটনি ও মিষ্টি!!
করোনাকালে, এবারও পাঁচ জনের বেশি ভক্তকে মন্দিরের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হতো না। বিলি করা হতনা ভোগও!
দেবী চৌধুরানী বজরা করে এখানে এসে সুড়ঙ্গপথে কালী মন্দিরে!
 প্রায় তিনশো বছরের পুরনো, জলপাইগুড়ির দেবী চৌধুরানির এই শ্মশানকালীর মন্দির হলেও অনেকে মনে করেন তার অনেক বছর আগে মন্দিরটি নির্মিত হয়েছিল। পুরনো রীতি মেনেই কালীপুজো হয় এখানে।
দেবী চৌধুরানী বজরা করে এখানে এসে সুড়ঙ্গপথে সোজা মন্দিরে প্রবেশ করতেন। মন্দিরের গর্ভগৃহেই রাখা হত লুঠ করে আনা সামগ্রী। জলপাইগুড়ির এই মন্দির ঘিরে নানা ইতিহাস আর জনশ্রুতি রয়েছে।
ব্রিটিশ সরকারের গোয়েন্দা ও পুলিশ তক্কে তক্কে থাকতো রানী দেবী চৌধুরানী গ্রেপ্তার করার জন্য। পুরো এলাকা জুড়ে তার জন্য তল্লাশি চালনো হতো। বৃটিশের চোখে ধুলো দিতেই দেবী চৌধুরানী করলা নদীর পার্শ্ববর্তী জঙ্গলের ধার দিয়ে বজরা নিয়ে মন্দিরের কাছাকাছি এসে সুড়ঙ্গ পথ দিয়ে মন্দিরে ঢুকতেন। তার এবং ভবানী পাঠকের ডাকাতির টাকা ও সোনা মন্দিরে জমা রাখা হতো এবং গোপনে বিপ্লবীদের হাতে তুলে দেওয়া হতো।।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস আনন্দমঠে ভবানী পাঠক এবং দেবী চৌধুরানীর যে উল্লেখ রয়েছে, স্থানীয় মানুষরা মনে করেন, এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই ভবানী পাঠক! দেবী চৌধুরানির শ্মশানকালীর মন্দির! চা বাগান ঘেরা ছোট্ট গ্রাম! গ্রামের একপাশ দিয়ে বয়ে চলেছে করোলা নদী।
এছাড়াও জলপাইগুড়ি শহরের উপকণ্ঠে যোগমায়া কালী মন্দির এবং রায়কত পড়ার কালী পুজো দেখতে দূর দূরান্ত থেকে মানুষ হাজির হয়ে থাকেন।