ঢাকা ০৩:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:-
আজ থেকে সারাদেশে একযোগে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু তেলের পর এলপি গ্যাসে প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারে ২১২ টাকা বৃদ্ধি তেলের সংকট না থাকলে পাম্পে ৩ কিলোমিটার লাইন কেন: সংসদে রুমিন ফারহানা হাইকোর্টের বিচারকাজ চলবে সপ্তাহে ২ দিন ভার্চুয়ালি টেকনাফে বিজিবির পৃথক অভিযানে ৭০ হাজার ইয়াবাসহ আটক-৩ টেকনাফে পুলিশের পৃথক অভিযানে ২২ আসামি গ্রেপ্তার কক্সবাজারে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার সব ধরনের জালানি তেলের দাম বাড়লো অকটেন-১৪০, পেট্রোল-১৩৫, ডিজেল-১১৫ টাকা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি তেল পাবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কুষ্টিয়ায় ৩২ ঘণ্টা পর শ্রমিকদের প‌রিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার শ্রীমঙ্গলে মাদকসহ বিভিন্ন মামলায় ১০ জন গ্রেপ্তার খুলনায় ডিউটিরত অবস্থায় নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ সদস্যের আত্মহনন কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ভারতীয় মাদক জব্দ টেকনাফে মুক্তিপন দাবিতে অপহৃত ৩ জন উদ্ধার করেছে র‍্যাব-১৫ টেকনাফ হোয়াইক্যংয়ে ৮ হাজার ইয়াবাসহ আটক-১ নারায়ণগঞ্জে লেকের পানিতে ডুবে দুই সহোদরের অকাল মৃত্যু কমলগঞ্জে মজুরি ও রেশন বন্ধে মানবেতর জীবনযাপন করছে চা শ্রমিকরা কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ রাশিয়া থেকে তেল কিনতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের অনুমতি দিল যুক্তরাষ্ট্র নতুন আরও একটি উপজেলা পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান আর নেই আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস; স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার শুরু আজ নতুন দুই দিবস পালন করবে সরকার, ছুটি থাকছে একটিতে না’গঞ্জে ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শীতলক্ষ্যায় পরে গেল প্রাইভেট কার কুষ্টিয়ায় রাসেল ভাইপারের কামড়ে কৃষকের মৃত্যু জ্বালানি সংকট ও ট্রাফিকের অব্যবস্থাপনায় স্থবির রাজধানী ঢাকা দেশে হাম-হামের উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু,আক্রান্ত ২০ হাজার ছাড়ালো দেশে প্রায় সাড়ে ৪০ লাখ মামলার জট নিরসনে সরকারের ৯ বিশেষ পদক্ষেপ হজ্বের প্রথম ফ্লাইট ১৮ এপ্রিল, এবছর হজ্ব যাত্রী ৭৮ হাজার ৫’শ হয়রানিমূলক রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: আইনমন্ত্রী হামে প্রতিটি শিশু মৃত্যুর জন্য ‘হত্যা মামলা’ হওয়া উচিত: মাসুদ কামাল বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে শ্রীমঙ্গলে ছেলের ছুরিকাঘাতে বাবা খুন,বড় ভাই গুরুতর আহত টেকনাফে কোস্টগার্ডর অভিযানে ২২ হাজার ইয়াবাসহ আটক-২ টেকনাফে ৩৬ হাজার ইয়াবাসহ আটক-১ অটোমেশন প্রকল্পের আওতায় ভূমিসেবা সহজতর হবে; বিভাগীয় কমিশনার নারায়ণগঞ্জে প্রবাসী মাসুম হত্যার অন্যতম আসামি শাকিল গ্রেপ্তার হাসনাত আব্দুল্লাহর ওপর মব করে হামলা করেছে যুবদল: যুবশক্তি চট্টগ্রামে আ’লীগ নেতার বাসায় গিয়ে তোপের মুখে হাসনাত আবদুল্লাহ বর্ষবরণে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ আজ ছেঁড়া-ফাটা নোট গ্রহণ ও বিনিময়মূল্য প্রদান বাধ্যতামূলক করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কুষ্টিয়ায় ভ্রাম্যমাণ অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশীয় মদ উদ্ধার বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি: ২৭৩ প্রাণের শঙ্কা, টেকনাফে স্বজনদের আহাজারি দুপুরে জামিন,বিকেলে কারামুক্ত সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী জামিন পেলেন সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ভারতের কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে মারা গেছেন টেকনাফে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমন ঘিরে প্রস্তুতি জোরদার, মাঠে প্রশাসন কুষ্টিয়ায় ‘পীরের’ আস্তানায় হামলা-ভাঙচুর-আগুন, নিহত-১ কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণে ভারতীয় মাদক জব্দ জাতীয় সংসদে পাস হলো, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল-২০২৬ শেরে বাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন না’গঞ্জের কৃতি সন্তান সাংবাদিক মুন্না বাংলার জয়যাত্রা জাহাজকে হরমুজ প্রণালীতে আটকে দিলো ইরান নারায়ণগঞ্জে মেহেদী এন্টারপ্রাইজ থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজেল জব্দ,গ্রেপ্তার-২ টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে সাতকোটি টাকার ইয়াবাসহ আটক-২ কুষ্টিয়ায় কবরস্থানে মাটি ভরাট নিয়ে দুই গ্রামবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত-১৫ ঐতিহাসিক ১০ এপ্রিল আজ, মুজিবনগর সরকার গঠন দিবস নারায়ণগঞ্জে বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষ-গোলাগুলি, শিশুসহ গুলিবিদ্ধ-২ কুষ্টিয়ায় ৩১ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা মূল্যমানের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি টেকনাফের মেরিন ড্রাইভে বস্তাবন্দি অজ্ঞাত যুবকের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার গাইবান্ধায় পেট্রোল নিয়ে সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে আহত-৩, আটক-১ সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন, ৩ দিন অফলাইনে ক্লাস: শিক্ষকরা স্কুল এসে নেবেন: শিক্ষামন্ত্রী সোনারগাঁ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিজ অর্থায়নে জরুরি ঔষধ নিয়ে হাজির হলেন এমপি মান্নান কুষ্টিয়ায় স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড টেকনাফে মিনিপিক‌আপ বোঝাই বিপুল পরিমাণে ইয়াবাসহ আটক-২ নারায়ণগঞ্জে তিন থানায় নতুন ওসি বলৎকারের তথ্য ফাঁস হওয়ার শঙ্কায় সৈকতকে হত্যা, অভিযুক্ত কিশোর আটক সারাদেশে পর্যাক্রমে চালু হচ্ছে ‘ফুয়েল পাস’ কার্যক্রম টেকনাফে কোস্টগার্ডের অভিযানে ২৩ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ জ্বালানি সংকটে কুষ্টিয়ায় মোটরসাইকেল বাজারে ধস সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন’র রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ গত দেড় বছর যেভাবে আত্মগোপনে ছিলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন না’গঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় পরিকল্পিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটসহ গৃহকর্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ ইউএনও হোসনে আরাকে সাতক্ষীরা থেকে এবার রাজশাহীতে বদলি যেভাবে গ্রেপ্তার হলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী নিজ বাসা থেকে আটক টেকনাফে সড়কের পাশের অবৈধ দোকান উচ্ছেদ টেকনাফে ১৫ হাজার ইয়াবাসহ আটক-২ কারবারি নারায়নগঞ্জে চাঞ্চল্যকর শুভ হত্যার অন্যতম আসামি ‘লাল শুভ’ আটক না’গঞ্জে ফের খু/ন! নিখোঁজের ১দিন পর মিললো মাদ্রাসা ছাত্রের গ/লা/কা/টা মরদেহ না’গঞ্জে মেডিস্টার হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিকসহ ৩ স্বাস্থ্যসেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে অর্থদন্ড ড. ইউনূসসহ সকল উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ সোনারগাঁয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা দুই ডিআইজিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি সিলেটের শাহজালাল সার কারখানা জ্বালানি সংকটে বন্ধ  নারায়ণগঞ্জে একযোগে দুই থানার ওসি প্রত্যাহার রূপগঞ্জে দায়িত্ব নিলেন নবনিযুক্ত ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও সড়ক বিভাগের উদ্যোগে শতাধিক অবৈধ স্থাপন উচ্ছেদ কক্সবাজারে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন দ্বীপের আকাশে ড্রোন সদৃশ রহস্যময় বস্তু টেকনাফ স্থলবন্দর উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা জোরদারে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত  না’গঞ্জে স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা রানার বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ ওঠা যুবকের লাশ শনাক্ত আজ থেকে অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে ৪টা, মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টায় আজ থেকে শুরু হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা কোচিং সেন্টার আইনের আওতায় আসবে: শিক্ষামন্ত্রী দেশে জ্বালানি সাশ্রয়: আজ থেকে অফিস-ব্যাংকের নতুন সূচি নারায়ণগঞ্জে বন্ধ পোশাক কারখানায় নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ উদ্ধার আ’লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের অধ্যাদেশ হচ্ছে আইন,থাকছে শাস্তির বিধান নারায়ণগঞ্জে পৃথক অভিযানে অস্ত্র ও মাদকসহ আটক-২

যোগাসনে শিশুদের সুস্থ রেখে পড়াশোনার মনোযোগ বাড়ান 

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময়- ০৭:২৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪ ৫১৬ বার পড়া হয়েছে

শিশুদেরকে সচেতন রাখার দায়িত্ব বড়দের..!

 

 

ঋতম্ভরা বন্দোপাধ্যায়,কলকাতা প্রতিনিধি।।
আমাদের এই বর্তমান যুগে এখন বাচ্চারা খেলাধুলাই ভুলে গেছে যেন! বাইরে বেরোয় না শুধু তারা ঘরে থাকতে চায় আর মোবাইল বা কম্পিউটার নিয়ে বসে যায় । তারা এ ছাড়া কিছুই করতে চায় না । আগে বাচ্চারা কতো রকম খেলাধুলা করতো মন ভালো থাকতো প্রাণবন্ত হতো । কিতকিত, হাডুডু, সাপ সিঁড়ি লুডো, ক্যারাম , লুকোচুরি , এধরনের কতো রকম সুন্দর সুন্দর খেলা ছিলো এতে আরো মনোযোগ বাড়ে পড়াশোনাতে ,স্পুন রেস মুখে নিয়ে তারপর সংখ্যা যোগ বিয়োগ করা । এধরনের খেলাধুলা এখন সব অবলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে যেন । ক্রিকেট , ফুটবল , টেনিস , হকি খেলা এগুলো সব বোধহয় অবলুপ্ত হয়ে যাবে । বাচ্চারা এভাবে এধরনের খেলাধুলা থেকে সরে যাচ্ছে । তাই আমাদের কে দেখাশোনা করে শরীর সচেতন করাতে হবে বাচ্চাদের ।
 এখন তো পড়াশোনার চেয়ে বেশি কম্পিউটার বা মোবাইল নিয়ে ভিডিও গেম খেলাতে আসক্ত। এজন্য বাচ্চাদের কোনও দিনই পড়াশোনা তে মন বসে না । কি যে করা যায় ? বাচ্চাদের দেখাশোনা করার জন্য বড়রা তো নাজেহাল হয়ে যায়। তবুও বাচ্চাদের মন ভরে না । আমরা হয়রান হয়ে যাই এদের নিয়ে । এখন শুধুই একটাই কথা মনে পড়ছে ইঙ্গলিশে ” All work & no play makes jack a dull boy ” । এখন বাচ্চারা যদি কোনও কাজ বা কোনও খেলাধুলা না করে তাহলে তো আরো তাদের পড়াশোনার প্রতি আকর্ষণ কমে যাবে । তাই সবসময় মনে করছি বাচ্চাদের কিছু টা সময় দিয়ে তাদের কিছু যোগা করানো হোক যাতে তাদের পড়াশোনা তে মন বসে ও স্ট্রেস কমে । স্ট্রেস শরীরের সেন্ট্রাল নার্ভাল সিস্টেম কে দুর্বল করে ও মনের ওপর প্রচন্ড চাপ সৃষ্টি করে দেয় ।
  শারীরিক কার্যকলাপ শরীর ভালো রাখে, মন ও ভালো রাখে। গবেষকরা জানান , ” পড়াশোনা , পরীক্ষা , মানসিক চাপ তাদের পড়াশোনা নিয়ে যেন বড়দের মাথা খারাপ হয়ে যায় এসব সামলাতে। পড়াশোনা নিয়েও তো খারাপ হয়ে যাচ্ছে মাথা বাচ্চাদের কারণ তাদের মনোযোগ কিছুতেই লাগছে না । তাই বাচ্চাদের পড়াশোনা থেকে যাতে মনোযোগ বিক্ষিপ্ত না হয় সেই জন্য বাচ্চাদের কাছে আনা হয়েছে কিছু যোগব্যায়াম যেগুলো করলে তাদের মনোযোগ ও বাড়বে। বাচ্চারা পড়াশোনা করে নিয়ে যাতে তাদের চাপ কমে সেই নিয়ে চলে এলাম কিছু যোগাসন। বাচ্চাদের শুধু পড়াশোনা নয় যাতে তাদের পারফরমেন্স লেভেল ভালো হয় আর পরীক্ষাতে উত্তীর্ণ হয় সেই জন্য তাদের কিছু যোগাসন করতে হবে সেটি কিছু সংক্ষেপে তুলে ধরলাম । প্রথমে হলো বজ্রাসন, সূর্য নমস্কার , পদহস্তাসন , পদ্মাসন। কি ভাবে এই আসনগুলি করতে হবে জেনে নিন?
 (১) বজ্রাসন– সামনে পা ছড়িয়ে দিয়ে মাটিতে বসুন । শরীরের দু পাশে হাত রাখুন। এবার প্রথমে ডান পা ও পরে বাঁ পা পেছন দিকে মুড়িয়ে কোমরের নিচে রাখুন। দুই হাঁটুতে দুই হাত রাখুন। এভাবে করে নিয়ে কিছুক্ষণ থেকে স্বাভাবিক করে নিজের জায়গাতে ফিরে আসুন ।
 (২) সূর্য নমস্কার– এটি করতে গেলে দুই পা পাশাপাশি রাখুন নিয়ে তারপর দুই হাতের তালু কে জড়ো করুন নিয়ে তারপর উপরে তুলুন হাত সোজাসুজি করে। তারপর বাঁ পা তুলে ডান পায়ের থাই তে ভর করে দাঁড়ান । এর মধ্যে কয়েকটা আসন রয়েছে যেটাতে ১২ টি ভঙ্গী রয়েছে । এর মধ্যে ছটা ভঙ্গী আছে যেগুলো করলে এক ভাবে করার পর ছটা ভঙ্গী উল্টো ভাবে অর্থাত অ্যান্টিক্লকওয়াইজ ভাবে করতে হবে । আর এভাবে করে এক একটা করে আসন আসবে আরো যেমন প্রাণামাসন। প্রাণামাসন করতে করতে এক এক করে আসন আসবে যেমন হস্তত্তুনাশন, হস্তপদ্মাসন, অশ্বসঞ্চালনা , অধমুখশবাসন, অষ্টাঙ্গমকরাসন এবং ভূজাঙ্গাসন। এগুলো আবার উলটোভাবে করে করলে হবে ।
(৩) পদহস্তাসন– এটাতে নানা ভাবে শরীরের উপকার আছে এটি করলে পায়ের হাড় ও মেরুদন্ড শক্তপোক্ত হয়। দুই পা জোড় করে সোজা হয়ে দাঁড়ান। দুই হাত টান করে সোজা উপর দিকে ছড়িয়ে দিন । এবার কোমর থেকে শরীর ঝুঁকিয়ে হাঁটু না ভেঙে পায়ের পাতা ছুঁতে হবে । দুই হাতের পাতা পুরোপুরিই ভাবে মাটিতে রাখতে হবে আর মাথা হাঁটু স্পর্শ করে থাকতে হবে। তারপর আস্তে করে নিজের জায়গাতে ফিরে আসুন ।
(৪) পদ্মাসন– এটা করলে সব পড়ুয়াদের মন শান্ত হয় আর মনসংযোগ এর ক্ষমতা কে বাড়িয়ে তোলে । মাটিতে বসে ডান পা ভাঁজ করে বাঁ থাইয়ের উপর রাখুন এবং বাঁ পা ভাঁজ করে ডান থাইয়ের উপর রাখুন। পা এমন ভাবে রাখুন, যাতে বাঁ তলপেটে ডান গোড়ালি ছুঁয়ে থাকে এবং ডান তলপেটে বাঁ গোড়ালি ছুঁয়ে থাকে।
 রোজ এই কিছু আসন আছে যেগুলো করলে বাচ্চাদের মনোযোগ বাড়বে পড়াশোনাতে আর মোবাইল বা কম্পিউটার এ ভিডিও গেম খেলা থেকে আসক্তি কমবে । শুধু তাই নয় এই আসন গুলো করলে তাদের আসক্তি বাড়বে এই শরীরের ফিটনেস ওয়ার্কআউট করার জন্য। এতেই বাচ্চারা আসক্ত হবে বেশি এই ফিটনেস এর ওপর তাই এটা সবসময়ই করানো উচিত । এখন তো একটা সাবজেক্ট ও বাড়ানো উচিত স্কুল, কলেজে যোগাসন নিয়ে তবে তাহলেই তাদের পড়াশোনা ও ভালো হবে মনোযোগ বাড়বে আরো আর আগের বিভিন্ন সব খেলাধুলা যা সব ছিল আগে সবকিছুকে ফিরিয়ে আনা হোক। এভাবে খেলাধুলা কে এগিয়ে আনা হোক এটাই বলা হবে বাচ্চাদের কে । যাতে তাদের জীবনের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের রাস্তা মসৃণ হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

ট্যাগস:-

যোগাসনে শিশুদের সুস্থ রেখে পড়াশোনার মনোযোগ বাড়ান 

আপডেট সময়- ০৭:২৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪

শিশুদেরকে সচেতন রাখার দায়িত্ব বড়দের..!

 

 

ঋতম্ভরা বন্দোপাধ্যায়,কলকাতা প্রতিনিধি।।
আমাদের এই বর্তমান যুগে এখন বাচ্চারা খেলাধুলাই ভুলে গেছে যেন! বাইরে বেরোয় না শুধু তারা ঘরে থাকতে চায় আর মোবাইল বা কম্পিউটার নিয়ে বসে যায় । তারা এ ছাড়া কিছুই করতে চায় না । আগে বাচ্চারা কতো রকম খেলাধুলা করতো মন ভালো থাকতো প্রাণবন্ত হতো । কিতকিত, হাডুডু, সাপ সিঁড়ি লুডো, ক্যারাম , লুকোচুরি , এধরনের কতো রকম সুন্দর সুন্দর খেলা ছিলো এতে আরো মনোযোগ বাড়ে পড়াশোনাতে ,স্পুন রেস মুখে নিয়ে তারপর সংখ্যা যোগ বিয়োগ করা । এধরনের খেলাধুলা এখন সব অবলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে যেন । ক্রিকেট , ফুটবল , টেনিস , হকি খেলা এগুলো সব বোধহয় অবলুপ্ত হয়ে যাবে । বাচ্চারা এভাবে এধরনের খেলাধুলা থেকে সরে যাচ্ছে । তাই আমাদের কে দেখাশোনা করে শরীর সচেতন করাতে হবে বাচ্চাদের ।
 এখন তো পড়াশোনার চেয়ে বেশি কম্পিউটার বা মোবাইল নিয়ে ভিডিও গেম খেলাতে আসক্ত। এজন্য বাচ্চাদের কোনও দিনই পড়াশোনা তে মন বসে না । কি যে করা যায় ? বাচ্চাদের দেখাশোনা করার জন্য বড়রা তো নাজেহাল হয়ে যায়। তবুও বাচ্চাদের মন ভরে না । আমরা হয়রান হয়ে যাই এদের নিয়ে । এখন শুধুই একটাই কথা মনে পড়ছে ইঙ্গলিশে ” All work & no play makes jack a dull boy ” । এখন বাচ্চারা যদি কোনও কাজ বা কোনও খেলাধুলা না করে তাহলে তো আরো তাদের পড়াশোনার প্রতি আকর্ষণ কমে যাবে । তাই সবসময় মনে করছি বাচ্চাদের কিছু টা সময় দিয়ে তাদের কিছু যোগা করানো হোক যাতে তাদের পড়াশোনা তে মন বসে ও স্ট্রেস কমে । স্ট্রেস শরীরের সেন্ট্রাল নার্ভাল সিস্টেম কে দুর্বল করে ও মনের ওপর প্রচন্ড চাপ সৃষ্টি করে দেয় ।
  শারীরিক কার্যকলাপ শরীর ভালো রাখে, মন ও ভালো রাখে। গবেষকরা জানান , ” পড়াশোনা , পরীক্ষা , মানসিক চাপ তাদের পড়াশোনা নিয়ে যেন বড়দের মাথা খারাপ হয়ে যায় এসব সামলাতে। পড়াশোনা নিয়েও তো খারাপ হয়ে যাচ্ছে মাথা বাচ্চাদের কারণ তাদের মনোযোগ কিছুতেই লাগছে না । তাই বাচ্চাদের পড়াশোনা থেকে যাতে মনোযোগ বিক্ষিপ্ত না হয় সেই জন্য বাচ্চাদের কাছে আনা হয়েছে কিছু যোগব্যায়াম যেগুলো করলে তাদের মনোযোগ ও বাড়বে। বাচ্চারা পড়াশোনা করে নিয়ে যাতে তাদের চাপ কমে সেই নিয়ে চলে এলাম কিছু যোগাসন। বাচ্চাদের শুধু পড়াশোনা নয় যাতে তাদের পারফরমেন্স লেভেল ভালো হয় আর পরীক্ষাতে উত্তীর্ণ হয় সেই জন্য তাদের কিছু যোগাসন করতে হবে সেটি কিছু সংক্ষেপে তুলে ধরলাম । প্রথমে হলো বজ্রাসন, সূর্য নমস্কার , পদহস্তাসন , পদ্মাসন। কি ভাবে এই আসনগুলি করতে হবে জেনে নিন?
 (১) বজ্রাসন– সামনে পা ছড়িয়ে দিয়ে মাটিতে বসুন । শরীরের দু পাশে হাত রাখুন। এবার প্রথমে ডান পা ও পরে বাঁ পা পেছন দিকে মুড়িয়ে কোমরের নিচে রাখুন। দুই হাঁটুতে দুই হাত রাখুন। এভাবে করে নিয়ে কিছুক্ষণ থেকে স্বাভাবিক করে নিজের জায়গাতে ফিরে আসুন ।
 (২) সূর্য নমস্কার– এটি করতে গেলে দুই পা পাশাপাশি রাখুন নিয়ে তারপর দুই হাতের তালু কে জড়ো করুন নিয়ে তারপর উপরে তুলুন হাত সোজাসুজি করে। তারপর বাঁ পা তুলে ডান পায়ের থাই তে ভর করে দাঁড়ান । এর মধ্যে কয়েকটা আসন রয়েছে যেটাতে ১২ টি ভঙ্গী রয়েছে । এর মধ্যে ছটা ভঙ্গী আছে যেগুলো করলে এক ভাবে করার পর ছটা ভঙ্গী উল্টো ভাবে অর্থাত অ্যান্টিক্লকওয়াইজ ভাবে করতে হবে । আর এভাবে করে এক একটা করে আসন আসবে আরো যেমন প্রাণামাসন। প্রাণামাসন করতে করতে এক এক করে আসন আসবে যেমন হস্তত্তুনাশন, হস্তপদ্মাসন, অশ্বসঞ্চালনা , অধমুখশবাসন, অষ্টাঙ্গমকরাসন এবং ভূজাঙ্গাসন। এগুলো আবার উলটোভাবে করে করলে হবে ।
(৩) পদহস্তাসন– এটাতে নানা ভাবে শরীরের উপকার আছে এটি করলে পায়ের হাড় ও মেরুদন্ড শক্তপোক্ত হয়। দুই পা জোড় করে সোজা হয়ে দাঁড়ান। দুই হাত টান করে সোজা উপর দিকে ছড়িয়ে দিন । এবার কোমর থেকে শরীর ঝুঁকিয়ে হাঁটু না ভেঙে পায়ের পাতা ছুঁতে হবে । দুই হাতের পাতা পুরোপুরিই ভাবে মাটিতে রাখতে হবে আর মাথা হাঁটু স্পর্শ করে থাকতে হবে। তারপর আস্তে করে নিজের জায়গাতে ফিরে আসুন ।
(৪) পদ্মাসন– এটা করলে সব পড়ুয়াদের মন শান্ত হয় আর মনসংযোগ এর ক্ষমতা কে বাড়িয়ে তোলে । মাটিতে বসে ডান পা ভাঁজ করে বাঁ থাইয়ের উপর রাখুন এবং বাঁ পা ভাঁজ করে ডান থাইয়ের উপর রাখুন। পা এমন ভাবে রাখুন, যাতে বাঁ তলপেটে ডান গোড়ালি ছুঁয়ে থাকে এবং ডান তলপেটে বাঁ গোড়ালি ছুঁয়ে থাকে।
 রোজ এই কিছু আসন আছে যেগুলো করলে বাচ্চাদের মনোযোগ বাড়বে পড়াশোনাতে আর মোবাইল বা কম্পিউটার এ ভিডিও গেম খেলা থেকে আসক্তি কমবে । শুধু তাই নয় এই আসন গুলো করলে তাদের আসক্তি বাড়বে এই শরীরের ফিটনেস ওয়ার্কআউট করার জন্য। এতেই বাচ্চারা আসক্ত হবে বেশি এই ফিটনেস এর ওপর তাই এটা সবসময়ই করানো উচিত । এখন তো একটা সাবজেক্ট ও বাড়ানো উচিত স্কুল, কলেজে যোগাসন নিয়ে তবে তাহলেই তাদের পড়াশোনা ও ভালো হবে মনোযোগ বাড়বে আরো আর আগের বিভিন্ন সব খেলাধুলা যা সব ছিল আগে সবকিছুকে ফিরিয়ে আনা হোক। এভাবে খেলাধুলা কে এগিয়ে আনা হোক এটাই বলা হবে বাচ্চাদের কে । যাতে তাদের জীবনের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের রাস্তা মসৃণ হতে পারে।