শিরোনাম
মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযান মালিকদের জন্য সুখবর ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ‘বিপজ্জনক বার্তা’: টিআইবি টেকনাফে সিএনজি চালিত অটোরিকশা থেকে ২০ হাজার ইয়াবাসহ চালক আটক টুপটুপ অগ্নিকাণ্ডের ধ্বংসস্তূপে ১০ দিন, গলার লকেটে মিলল মুক্তার পরিচয় ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য নাকচ, এটা বলা ঠিক হয়নি উচিৎ হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আয়ারল্যান্ডে ড্রাইভিং থিওরি পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক ‘আইরিশ রোড রুলস’ বুক-অ্যাপ চালু নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্যকর মনোয়ারা হত্যা মামলার আসামী হারেজের মৃত্যুদণ্ড টেকনাফে মা ইলিশ রক্ষায় কোস্টগার্ডের নিয়মিত অভিযান, বাড়ানো হয়েছে নজরদারি ফের সমুদ্রসৈকতে ভেসে এল আরেক পর্যটকের মরদেহ, মৃত্যু বেড়ে-৫ সাজেকে আটকা ৩ হাজার পর্যটককে খাগড়াছড়ি থেকে সরিয়ে নিয়েছে সেনাবাহিনী মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযান মালিকদের জন্য সুখবর ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য ‘বিপজ্জনক বার্তা’: টিআইবি টেকনাফে সিএনজি চালিত অটোরিকশা থেকে ২০ হাজার ইয়াবাসহ চালক আটক টুপটুপ অগ্নিকাণ্ডের ধ্বংসস্তূপে ১০ দিন, গলার লকেটে মিলল মুক্তার পরিচয় ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য নাকচ, এটা বলা ঠিক হয়নি উচিৎ হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আয়ারল্যান্ডে ড্রাইভিং থিওরি পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক ‘আইরিশ রোড রুলস’ বুক-অ্যাপ চালু নারায়ণগঞ্জে চাঞ্চল্যকর মনোয়ারা হত্যা মামলার আসামী হারেজের মৃত্যুদণ্ড টেকনাফে মা ইলিশ রক্ষায় কোস্টগার্ডের নিয়মিত অভিযান, বাড়ানো হয়েছে নজরদারি ফের সমুদ্রসৈকতে ভেসে এল আরেক পর্যটকের মরদেহ, মৃত্যু বেড়ে-৫ সাজেকে আটকা ৩ হাজার পর্যটককে খাগড়াছড়ি থেকে সরিয়ে নিয়েছে সেনাবাহিনী

টুপটুপ অগ্নিকাণ্ডের ধ্বংসস্তূপে ১০ দিন, গলার লকেটে মিলল মুক্তার পরিচয়

 

স্বামী দেওয়ান ফয়সালের সঙ্গে নাসরিন আক্তার মুক্তা। ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডিজিটাল ডেস্ক।।

 

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্তো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ১০ দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে কয়েক ঘণ্টার তল্লাশি শেষে পুলিশ তা উদ্ধার করে। গলায় থাকা লকেট দেখে স্ত্রীকে শনাক্ত করেন তার স্বামী সাবেক ছাত্রদল নেতা দেওয়ান ফয়সাল।

জানা গেছে, মুক্তার বাড়ি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায়। তিনি ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষিকা ছিলেন। দুই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজার বেড়াতে এসে তাঁরা ইনানীর পাটুয়ারটেক এলাকার ওই রিসোর্টে উঠেছিলেন।

সোমবার রাতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে আগুনে নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্তের তথ্য জানায়। তবে তাদের মধ্যে ছিলেন না নিখোঁজ শিক্ষিকা মুক্তা। তার স্বজনদের ডিএনএর সঙ্গে উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর নমুনার মিল না পাওয়ায় তার সন্ধান নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

এরপর, মঙ্গলবার সকালে উখিয়ার ইনানীর পাটুয়ারটেক এলাকায় মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন পুড়ে যাওয়া রিসোর্টে নতুন করে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। ধ্বংসস্তূপের ঝুঁকিপূর্ণ অংশের পাশাপাশি আশপাশের নালা ও ঝোপঝাড়েও অনুসন্ধান চালানো হয়। কয়েক ঘণ্টার তল্লাশি শেষে উদ্ধার হয় মুক্তার দেহাবশেষ।

এ ঘটনায় মুক্তার স্বামী দেওয়ান ফয়সাল জানান, অগ্নিকাণ্ডের দিন ভোরে মুক্তার দুই বান্ধবী সমুদ্রসৈকতে হাঁটতে বের হয়েছিলেন। তখন মুক্তা রিসোর্টের কক্ষে ঘুমিয়ে ছিলেন। বাইরে থাকায় তাঁর দুই বান্ধবী প্রাণে বাঁচলেও আগুনের মধ্যে আটকা পড়ে আর বের হতে পারেননি মুক্তা।

ফয়সাল বলেন, এরপর থেকে পরিবারের সদস্যরা মুক্তার খোঁজে অপেক্ষা করছিলেন। একে একে অন্য নিহতদের পরিচয় শনাক্ত হলেও মুক্তার সন্ধান মিলছিল না। অবশেষে ১০ দিন পর উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষের গলায় থাকা লকেট দেখে তাকে শনাক্ত করেন তিনি।

মুক্তার ফুফাতো ভাই হাসিবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, উদ্ধারকাজে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তাদের প্রশ্ন রয়েছে। তিনি বলেন, ১০টি মরদেহ উদ্ধার করা হলেও আমার বোনের দেহাবশেষ খুঁজে পাওয়া যায়নি। ডিএনএ পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর আমাদের সেখানে যেতে বলা হয়। গিয়ে বোনের মরদেহ পাইনি। পরে আমার দুলাভাই একপ্রকার জোর করেই সংশ্লিষ্টদের ঘটনাস্থলে নিয়ে যান। সেখানে বোনের গলায় থাকা লকেট দেখে ১০ দিন পর তাকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়।

হাসিবুল আরও বলেন, মুক্তার বান্ধবীরা বারবার জানিয়েছিলেন, অগ্নিকাণ্ডের সময় মুক্তা রিসোর্টের ভেতরেই ছিলেন। এরপরও কেন তাকে খুঁজে পাওয়া গেল না, সেই প্রশ্নের উত্তর তারা এখনো পাননি।

পরিবারের অভিযোগ, শুরু থেকেই যথাযথভাবে তল্লাশি চালানো হলে হয়তো আরও আগেই মুক্তার সন্ধান পাওয়া যেত।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বলেন, টুপটুপ রিসোর্টের পুরো ধ্বংসাবশেষে গতকাল সকালে একটি সমন্বিত টিম নিখোঁজ মুক্তার মরদেহ উদ্ধারে অভিযান চালায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দোতলার ওপর থেকে কংকালটি উদ্ধার করে।

এদিকে, মঙ্গলবার দুপুরের পর কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গের হিমঘর থেকে ডিএনএ পরীক্ষায় পরিচয় শনাক্ত হওয়া ১০ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান ও পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান।