বিশেষ প্রতিবেদক।।
এ সময় তার আরও ৩ কিশোর গ্যাং সদস্য সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, কুত্তা শ্রাবণের বিরুদ্ধে হত্যা, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মারামারিসহ ১৮টি মামলা রয়েছে।
এসআরবি-১১-এর প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে রূপগঞ্জের তারাবো এলাকায় অভিযান চালায় সংস্থাটির একটি বিশেষ আভিযানিক দল। অভিযানে শ্রাবণ ও তার তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের হেফাজত থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, একটি ম্যাগাজিন ও ছয়টি লম্বা রামদা উদ্ধার করা হয়।
এসআরবি’র দাবি, কিশোর গ্যাং লিডার কুত্তা শ্রাবণ দীর্ঘদিন ধরে রূপগঞ্জ ও আশপাশের এলাকায় কিশোর ও উঠতি বয়সী তরুণদের নিয়ে একটি সংঘবদ্ধ গ্যাং পরিচালনা করে আসছিলেন। তার নেতৃত্বে এলাকায় বিভিন্ন সময় সংঘর্ষ, গোলাগুলি, হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে।
সম্প্রতি রূপগঞ্জে ফল ব্যবসায়ী রনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গেও শ্রাবণ ও তার অনুসারীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। ওই হত্যাকাণ্ডের পর স্থানীয় বাসিন্দারা শ্রাবণের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন।
এ ছাড়াও মামলা তুলে না নেওয়াকে কেন্দ্র করে তারাব পৌরসভার টাটকি এলাকায় মামলার বাদী আমেনা বেগমের বসতবাড়িতে গভীর রাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে শ্রাবণ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এতে ওই বাড়ির বাসিন্দাদের পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও জানায়, রূপগঞ্জে শ্রাবণের নেতৃত্বাধীন কিশোর গ্যাং বিভিন্ন সময় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ ও তাণ্ডব চালিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল। ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি এবং চাঁদা না দিলে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
গ্রেপ্তার চারজনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রূপগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি-১১। সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে এ ধারনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।