তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে নির্মাণের ২৭ বছর পেরিয়ে গেলেও সংযোগ সড়কের অভাবে সচল হয়নি একটি সেতু। জলাশয়ের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা সেতুটির দুই পাশে পর্যাপ্ত মাটি না থাকায় চলাচল করতে পারছে না কোনো যানবাহন। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন আশপাশের ১০ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৯ সালে কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের কান্দিগাঁও গ্রামে একটি জলাশয়ের ওপর সেতুটি নির্মাণ করা হয়। সেতুর দুই পাশে সড়ক থাকলেও সংযোগস্থলে পর্যাপ্ত মাটি ভরাট না করায় এটি যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে।
প্রতিদিন কান্দিগাঁও, বন্দেরগাঁও, পশ্চিম জালালপুর, হকতিয়ারখোলা ও হিরামতি ছয়সিড়িসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ সেতুটি ব্যবহার করেন। দীর্ঘদিন ধরে সংযোগ সড়ক নির্মাণের দাবি জানিয়ে এলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রায় তিন দশক আগে কয়েকটি এলাকার মানুষের যাতায়াতের সুবিধার কথা বিবেচনা করে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। সেতু নির্মাণের পর যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির আশা করেছিলেন তারা। কিন্তু দুই পাশে সড়ক থাকা সত্ত্বেও সেতুর প্রবেশমুখে মাটি ভরাট না করায় চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তাদের। বিশেষ করে রোগী ও বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে চলাচল করা অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
এ অবস্থায় সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হলে ৮ থেকে ১০ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াত সহজলভ্য হতো বলে দাবি করেন স্থানীয়রা। তারা জানান, সেতুর এ অবস্থার ফলে বর্তমানে জরুরি প্রয়োজনে তিন থেকে চার কিলোমিটার ঘুরে বিকল্প পথে যাতায়াত করতে হয় তাদের।
দেখা যায়, সড়ক থেকে প্রায় ৫ থেকে ৬ ফুট উঁচুতে সেতুটির অবস্থান। দুই পাশ দিয়ে পায়ে হেঁটে সেতুতে উঠতে হয়। বয়স্ক ব্যক্তিদের অন্যের সাহায্য ছাড়া সেতুতে ওঠা কঠিন। বৃষ্টির দিনে সেতু পারাপারের সময় দুর্ঘটনার শিকার হন অনেকেই।
অটোরিকশাচালক নূরুল ইসলাম জানান, সেতুর নিকট এসে সব ধরনের যানবাহন আটকে যায়। সেতুর দুই পাশে যানবাহন চলাচলের উপযোগী সড়ক রয়েছে, তবে সেতুতে ওঠার সংযোগ সড়ক না থাকায় অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কেউ যদি উদ্যোগ নিয়ে সেতুর দুই পাশ ভরাট করে তাহলেও চলাচলের উপযোগী হতো।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল খালেক বলেন, তিন দশক ধরে সেতুর দুই পাশে মাটি ভরাট ও সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় এটি আজও অচল। আমরা কত কষ্ট করে জীবনযাপন করতে হয় তা ভাষায় বলতে পারবো না। সেতুর দুই পাশে মাটি ভরাটের অভাবে একেবারে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে আছে। কেউ অসুস্থ হলে গাড়ি চলাচলে বিঘ্ন ঘটার কারণে হাসপাতালে নেওয়া যায় না।
এ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাইফুল আজম বলেন, সেতুর বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হয়েছে। সেতুর দুই পাশের মাটি ভরাটসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
☞ Chief Adviser' Prabir Kumar Saha, ✪ Adviser-' Mohammad Kamrul Islam, ☞Editor & publisher' Mohammad Islam.◑ Head office:-Motijheel C/A, Dhaka-1212, Corporate office:-B.B Road ,Chasara,Narayanganj-1400,✆-02-47650077,02-2244272 Cell:+88-01885-000126.web: www.samakalinkagoj.com, News-samakalinkagoj@gmail.com,✆+8801754-605090(Editor) সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক ১৮০,ফকিরাপুল পানির টাংকির গলি,মতিঝিল বা/এ, ঢাকা অবস্থিত 'জননী প্রিন্টার্স' ছাপাখানা হতে মুদ্রিত,®রেজি ডি/এ নং-৬৭৭৭, All Rights Reserved ©Daily samakalin kagoj paper authority সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ©দৈনিক সমকালীন কাগজ পত্রিকা কর্তৃপক্ষ।
Copyright © 2026 Daily Samakalin Kagoj. All rights reserved.